দুম করে মিলিওনিয়ার হয়ে গেলাম দুফর বেলা!!!
শনিবার, মেইলের উৎপাত কম। দুপুরে বসে বসে স্প্যাম ঝাড়ু দিচ্ছিলাম। হঠাৎ মনে হলো এগুলা কখনো উল্টিয়ে দেখলামো না ছাই, কত শত মেইল পাঠায় ওরা। হাজারের মধ্যে একটাও কি সুখবর থাকতে পারে না? উড়াইয়া দেখিবে ছাই, পাইলেও পাইতে পারো মানিক রতন......বেছে বেছে কয়েকটা খুললাম-
এক নম্বরটা.....
Hi, I am Pinky, sad and dreary one - there - In Moscow, I live
alone now hooked up the internet, that's looking for someone to talk to, I have
a web camera as well as personal page on the internet, come on, help me to
remove my sadness..............
আহা তুমি তখন কোথায় ছিলা, যখন আমি ছিলাম একেলা, আসিলেই
যখন বিবাহ করিবার পুর্বে আসিলা না কা? দুই নম্বরে গেলাম গা আফসুস নিয়া......
দুই নম্বরটা....
We are contacting you to remind you that our Account
Review Team identified some unusual activity in your account. In accordance with
Union National Bank Online Bla bla bla.............
আহারে যদি এত দরদীয়া কোন ব্যাংক থাকতো, গুনে গুন ভুল গুলি
শুদ্ধ করে দিত। তুমার ব্যাংকে মিয়া আমার একাউন্টই নাই। ফাজলামি করো, বুকা পাইছ আমারে.......গেলামগা তিন নাম্বারে
তিন নম্বরটা.......
We happily announce to you the draw of the UK-LOTTO
Sweepstake Lottery International programs held on the 25th Jan, 2010. in
LEEDS
UNITED-KINGDOM. You have therefore been approved to claim a total sum
of US$2,500,000.00 (Two million,Five Hundred Thousand United States Dollars)
এইটা পড়েই দমবন্ধ হয়ে আসলো। লটারী কখন ছাড়লাম? নিশ্চয়ই ভুল ঠিকানায় চলে এসেছে। যাই হোক, যার টেকাই হোক, নাম লেখা আছে নাকি। টেকাটা বুঝে পেলেই হবে চুপি চুপি, কাউরে কিচ্ছু কমুনা। বিশ্বাস নাই মানুষের। ভাবতে ভাবতে চার নম্বর মেইলে চোখ গেল আটকে......
চার নম্বরটা.....
I am Mr. Robert Hornsby, manager claims department with
Lloyds Bank here in London United Kingdom. I wish to notify you again that you
were listed as a beneficiary to the total sum of Twelve Million Five Hundred
thousand British pounds in the codicil and last testament of the deceased. (Name
now withheld since this is our second letter to you)............ওওওওরেএএএএএএএএএএএ এইবার আমি সত্য সত্য মিলিওনিয়ার হইয়া গেলাম রেএএএএএ..........আমারে কে ঠেকায় রে......আমারে ধর, আমি পইড়া গেলাম.....ধপাশ করে পপাত ধরনীতল!!





স্প্যাম ঘাঁটলে এরাম অনেকেই মিলিয়নিয়ার হইয়া যায়
কতোবার হইলাম... সবই ভার্চুয়াল
আম্রা বিমানে কৈরা পিকনিকে যাইতাম্ছাই
একবার নাইজেরিয়ান একটারে রিপ্লাই দিছিলাম মজা করে। এলেবেলে করে কয়দিন ঝুলাইলাম, ফোন নাম্বারও দিলাম। ব্যাটা আমার ব্যাংক একাউন্টের জন্য পাগল হয়ে গেল। মেইল ছেড়ে এবার ফোন, বলে- বন্ধু দেরী হয়ে গেল বলে, "মিলিওন ডলার। জলদি করো। একাউন্ট নাম্বার দাও টাকা পৌছাইয়া দায়মুক্ত হই।" ঘরে বউ বিরক্ত, মাঝরাতেও ফোন আসে তার। ভদ্রভাবে এড়ানোর চেষ্টা করি। একবার বিরক্তি চরমে উঠলো, এয়ারপোর্টে চেকইন করার জন্য লাইনে খাড়াইছি, ব্যাটা ফোন করে আলটিমেটামের সুরে কয়, "আর একদিন সময় দিলাম নইলে কিন্তু অন্য কাউরে দিয়ালামু।" মেজাজ এমন খ্রাপ হইল, দিলাম খাটি বাংলায় খিস্তি গালি। আশেপাশের প্যাসেন্জাররা চমকে গেল ভাষা শুনে। সেই থেকে নাইজেরিয়া চুপ, আর ফোন করে নাই। বুঝলাম বাংলা ভাষায় কিছু আছে!
আমার এক দোস্ত একটা রিপ্লাই ফর্মেট কৈরা রাখছে... এই ধরনের সকল মেইলের রিপ্লাই দেয়... তেনারা ফোন করে .. ও ঘুরায়
আহারে যদি সত্যি কেউ দিত, কত্ত চক্লেট, আইস্ক্রিম যে খাইতাম...
চিন্তাইয়েন না, ক্যাডবেরীরে কইয়া দিছি, সব ফিরিইইইইই...........
এই উপ্লক্ষ্যে মেজবান খাওয়ায় দেন আর আমাদের মত গরীব দের কয়েক লক্ষ টাকা দান করেন।
পাঁচ লাখ দিলাম !!
সাঈদ | জানুয়ারী ৩০, ২০১০ - ১০:৫২ অপরাহ্ন
এই উপ্লক্ষ্যে মেজবান খাওয়ায় দেন আর আমাদের মত গরীব দের কয়েক লক্ষ টাকা দান করেন।
পাঁচ লাখ দিলাম !!
আপ্নি তো ভাই দিলদরিয়া মানুষ
আম্মো মাঝে মাঝে কাম না থাকলে এইগুলানের সাথে গেজাই। মেইল করি। একবার এক মাইয়া কইলো সে বিরটেনের নাগ্রিক, বাবা বিরাট ধন কুবের কিন্তু সেনা বাহিনী তার বাবারে মাইরা ফেলাইছে। এই মুহুর্তে আফ্রিকার কোন এক দেশে রিফুজি কেম্পে আটকা পড়ছে। ততকালীন একটা একস্ট্রা মোফাইল ইউজ কর্তাম তকন সেইটার নাম্বার দিলাম, আধাঘন্টার মইধ্যেই আমার মোফাইল লরেচরে। নো-নাম্বার, এন্সার কইরা দেখি মিঠা সুরের বুলি। কয়দিন গেজাইলাম। হেতিনেই ফুন করে। সুন্দর খুমা দেইখ্যা একটা ফটুকও মেইল করল।
তার পরে শুরু হইল ধানাই পানাই। কয় আমি রিফুজি কেম্পে থাকি ফুন কর্তে টেকা লাগে কিছু টেকা পাডাও। আমি কইলাম তুমার বাবায়তো বিরাট বড়লুক তোমার আবার টেকার দর্কার কি। হের পর খালি ঘুরাইয়া ফিরাইয়া প্রসংগ টেকাতে যায়। আমি কইলাম আমার কেডিট কাঠ শুকায়া মচমচা, বেঙ্কের লুকে আমারে সকাল সন্ধ্যা খুজে। হাবি জাবি ;) কয়দিন গেজাইয়া মাইয়া আর ফুন করে নাই।
দুষ্কে পড়ান ফাডে ফুডে
আপনার কেস তো আরো মজার!!!
অবলানারীর সাথে এরম ব্যাবহার করায় সোহেল কাজী রে দিক্কার জানাই
ভাই আমারেও কিছু দিয়েন পিলিজ
শালার
কোনোদিনো কেউ একটা পয়সা দিলো না
শুভ্র আমার পাঁছ লাখ আপনারে দিয়া দিলাম
প্রথম প্রথম কয়েকটাতে রিপ্লাই করে কেলেংকারি অবস্থায় পড়েছিলাম!
তবু ভালো খালি কেলেংকারীই হইছে, ব্যাংক একাউন্টতো ফান্দে পড়ে নাই
অই পাশ থিক্কা যে কেও রিপ্লাই-ও করে এইতা তো জানতাম না! আমিতো মনে করসি সব অটো-জেনারেটেড, ধুর কত্ত গুলান পয়সা মিসসসস হইয়্যা গেলো
এই উপ্লক্ষ্যে মেজবান খাওয়ায় দেন আর আমাদের মত গরীব দের কয়েক লক্ষ টাকা দান করেন।
প্লিইইইজ লাগে
মন্তব্য করুন