ইউজার লগইন

নীল পাহাড়

১.
সাপটা ছোবল দিতে আধসেকেন্ড দেরী করাতেই সাবুর ভোজালির কোপে মরলো। সবুজ লতা সাপটা ঝুলে ছিল ঝাকড়া শ্যাওড়া গাছ থেকে। ঝুলন্ত অবস্থাতেই ছোবল তুলেছিল। ভয়ংকর বিষধর এই সাপ।

সাবুর মেজাজটা তিনদিন থেকে চোতরা পাতার মতো চুলবুল করছে। তিন বাটি নাপ্পি খেয়েও ভুলতে পারছে না নীলা ম্রুর সেই রুদ্রমূর্তি।

নীলা অমন করতে পারে সে কখনো ভাবেনি। নীলাও হয়তো ভাবেনি সাবু অমন কিছু করবে। পুরুষ মানুষকে চেনা দায় বলে ঘেন্না করছে তাকে নিশ্চয়ই। ভেবে সেও নিজেকে ঘেন্না করতে শুরু করে। নীলার সাথে তার রহস্যময় সম্পর্কটিকে সে নিজের করে নিয়েছিল। ওই পাহাড়ের পাশ দিয়ে যাবার সময় যখন উঁচু জামগাছটার দিকে চোখ পড়তো তখন সাবু কল্পনায় নীলাকে দেখতে পেত ওই জামগাছটার মধ্যে। গাছটা নীলাদের উঠোনে দাড়িয়ে। যে উঠোনটা নীলা সকাল বিকেল ঝাট দিয়ে তকতকে রাখে। আর মাঝে মাঝে গাছের নীচে দাড়িয়ে নীলা গুনগুন করে উদাসী গান গায়। একদিন শুনে ফেলেছিল সাবু। দৌড়ে পালিয়েছিল নীলা। নীলাকে সেই প্রথম দৌড়াতে দেখে মনে হয়েছিল সে যেন মেঘলা চুলের এক নিটোল কিশোরী। তার তরুনী শরীর ঢাকা পড়ে যায় কিশোরী অবয়বের পেছনে।

নীলারা যে পাহাড়ে থাকে, তার দুটো পাহাড় পরেই সাবুদের পাড়া। সেই পাড়ার নীচটা ঢালু হতে হতে নেমে গেছে নদীর ধারে। নদীটা পেরিয়ে ওপারে জনমানবহীন পাহাড় জঙ্গল শুরু। দৃষ্টি আরো ছড়িয়ে দিলে দূরে দেখা যাবে আকাশের সাথে মিশে গেছে একটা বিশাল নীলচে পাহাড়। ওটাকে সবাই নীল পাহাড় নামেই ডাকে। কেউ কেউ বলছে ওই পাহাড়টা বাংলাদেশের ওই পাড়ে বার্মার সীমানায়। সাবু ছেলেবেলা থেকে স্বপ্ন দেখছে ওই পাহাড়ে যাবার। কিন্তু ওই পাহাড়ে যাওয়াটা অশুভ, ওখানে গেলে কেউ ফেরে না আর - এরকম গুজবের কারণে কেউ ওদিকে যাবার সাহস পায় না। কেবল সাবু একাই সেই পাহাড়ের স্বপ্নে বাস করতো।

২.
বেশ কয়েকমাস আগের কথা।

পাহাড়ে নীচের বাজারে একটা উৎসব হচ্ছিল। সেই উৎসবে আরো শত শত তরুণীর মধ্যে একটা মেয়ের দিকে নজর গেল সাবুর। মেয়েটা ছিল সবার চেয়ে আলাদা। ওর মুখের আদলে কিশোরীর নিষ্পাপতা। দুধে আলতা মেশানো শুভ্র মসৃন ত্বক। চুলগুলো কাঁধ পর্যন্ত ছোট করে ছাটা। চোখের মধ্যে কি যেন একটা আছে। ওর চোখ, নাকি চুল, নাকি হাসি, কোনটা বেশী সুন্দর ভাবতে গিয়ে একটু বেশী সময়ই বোধহয় তাকিয়ে ছিল সাবু এবং মেয়েটা ঘাড় ঘুরিয়ে দেখে ফেললো তাকে। দেখলো এবং চোখ ফেরালো না। কেমন একটা নেশা জাগানিয়া চাউনি ছিল মেয়েটার চোখে। সলজ্জ মুগ্ধতাও।

সাবু একটু থতমত খেল মেয়েটার চাহনীতে। চুরি করে যেন ধরা পড়েছে সেরকম সংকোচে আস্তে সরে পড়লো ওখান থেকে। কিন্তু চেহারাটা ভুলতে পারছে না। মেলার কিছুতেই মন বসে না আর। ফেরার পথেও ভাবছিল মেয়েটার কথা। কে ওই মেয়ে? কোন পাড়া থেকে এসেছে? দলবল ছেড়ে আলাদা হয়ে হাঁটছিল সাবু। তাকে যেতে হবে হেডম্যানের বাড়ি। ডেকেছে বুড়ো কি একটা কাজে। কিছুদূর এগিয়ে দেখলো সেই মেয়েটি খানিকটা সামনে হেঁটে যাচ্ছে। একা। দ্রুত পা চালালো সে, মেয়েটার কাছে পৌঁছাতে হবে। পাশাপাশি যেতেই পায়ের শব্দে ফিরে তাকালো মেয়েটা। সেই ছেলেটা তার পিছু নিয়েছে? এত বড় সাহস! একদম কাছে চলে এসেছে।

-কি নাম তোর?
-নীলা
-বাড়ি কই।
-ওই খানে
-ওটা তো হেডম্যানের বাড়ি
-ওটাই তো আমার ঘর। তুই কে রে?
-আমি সাবু
-কী চাস?
-তোকে চাই
-মাথা ঠিক আছে তোর? আমি কে জানিস?
-জানি, তুই চাঁদের পরী হলেও আমি তোকে চাই
-মর তুই
-মরতে হলেও আমি তোকে চাই
-আমার কাছে দা আছে, এক কোপে কল্লা ফেলে দিব
-ফেলে দে, তবু আমি তোকে চাই
-যা ভাগ। লোকে দেখবে, নিন্দে হবে, ফিরে যা
-না ভাগবো না, হেডম্যানের কাছে কাজ আছে আমার।

জেদী মুখে বললো সাবু। জেদী হলেও বেশ রসিকও। এই মেয়েটি হেডম্যানের মেয়ে বুঝতে পেরেই সরাসরি বলতে পেরেছে এই কথা। আর কারো সাহস হবে না। বুড়ো তাকে খুব পছন্দ করে। বউ মরেছে তার কবছর আগে। শুনেছে কয়েকটা অবিবাহিতা মেয়ে আছে তার। এই মেয়েকে চাইলে না করবে না বুড়ো।

কিন্তু মেয়েটা কেমন তেজের সাথে বললো আবার।

-হেডের কাছে কাজ থাকলে ওখানে যা, কিন্তু আমার পিছু আসবি না খবরদার!
-যাচ্ছি। কিন্তু তোর বাপের কাছে গিয়েও বলবো আমি তোকে চাই
-সে আমার বাপ না!!
-বাপ না?
-না!!
-তবে সে তোর কে??
-আমার স্বামী!!

অকল্পনীয় একটা ধাক্কা খায় সাবু। তার হাত পিছলে কি যেন পড়ে গেল নীচে। ছেলে বেলায় বড়শি বিহীন খেলো ছিপ দিয়ে একটা বিশাল শোলমাছ ধরে ফেলেছিল। ভুলে কিংবা খিদেয় মাছটা ছিপের আগায় লাগানো সুতোর আঠায় কামড়ে ধরেছিল আর একটা হেচকা টান দিয়ে সাবু দেখে একটা আস্ত শোলমাছ ঝুলছে সুতোর মধ্যে। কিন্তু সেই অবাক হয়ে থাকার মুহুর্তটিতেই মাছটা সচেতন হয়ে গেল। সুতো থেকে কামড় ছেড়ে দিতেই আবার পানিতে ঝপাস। প্রায় হাতের মুঠোয় পেয়েও মাছটা হারিয়ে ফেলেছিল সাবু, অনেকদিন পুড়িয়েছে তাকে এটা। কেউ বিশ্বাস করেনি, এত বাচ্চা একটা ছেলের খেলনা ছিপে অতবড় মাছ ধরতে পারে।

আজকেও ঠিক সেই অনুভুতি হলো তার। সাবু জানতো না ষাট বছর বয়সের হেডম্যান আগের বউ মরার পর আরেকটা তরুণীকে বিয়ে করে ঘরে এনেছে। সাবু কিছুদিন দূরের বান্দরবান শহরে কাজ করতে গিয়েছিল। তখনি এসব ঘটেছে।

সাবুকে নির্বাক দেখে খিলখিল করে হাসতে হাসতে নীলা বলে-
- কি রে কথা নাই এখন?
-না রে......মেলা থেকে কিছু কিনলি?
-মরণ, এখন বলে মেলার কথা
-আর কি বলবো
-একটু আগে যা বলতেছিলি
-ভালো লাগছে তোর?
-হুঁ
-আমার সাথে যাবি?
-কোথায়?
-ওই নীল পাহাড়ে
-ওখানে গেলে কেউ ফেরে না
-আমরাও ফিরবো না
-পালাবি?
-পালাবো
-আমাকে নিয়ে?
-তোকে নিয়ে
-আমাকে রাখবি তুই?
-রাখবো
-সারাজীবন?
-সারাজীবন।

৩.
সেই শুরু সাবুর সাথে নীলার রহস্যময় বন্ধুতা। সাবু হেডম্যানের সাহায্যকারী হিসেবে অনেক কাজ করে। আজকাল একটু বেশীই সাহায্য করছে কাজে কর্মে। সময়ে অসময়ে তার বাড়িতে যাতায়াত। নীলা কিন্তু কখনো সামনে আসে না। সাবুর ফেরার সময় হলে নির্দিষ্ট জায়গায় গিয়ে অপেক্ষা করে। ঝোপের আড়ালে বসে দুজনে কিছু সময় কাটায়। মাঝে মাঝে নদীর কাছেও চলে যায়। সাবুর নিজের একটা ছোট্ট নৌকা আছে। সেটায় গিয়ে বসে। তেমন কিছু না, কেবল হাবিজাবি গল্প আর উড়ে যাবার স্বপ্ন নিয়ে কিছুটা একলা সময়।

সেদিন উড়ে যাবার স্বপ্নের গল্প বলতে বলতে আবিষ্ট হয়ে হঠাৎ সাবু প্রবল আবেগে জড়িয়ে ধরে চুমু খেয়ে ফেলে নীলাকে।

সেটাই সর্বনাশ ডেকে আনে। নীলা ওকে মুখ দিয়ে প্রায় জুতিয়ে দেয় আর কি। পারলে তখুনি হেডম্যানকে ডেকে এনে ছাতু করে দেয় পিটিয়ে। সাবুর ইচ্ছে করছিল মরে যেতে। নীলা ওকে এত ভালোবাসে, তবু এই সামান্য একটা চুমু ওকে এতটা হিংস্র করে তুলবে কখনোই ভাবেনি সে। এরকম সম্পর্কগুলোর সাথে কতো সহজেই শরীর জড়িয়ে যায় আরো গভীরে, সে তো ওইদিকে যায়নি। সামান্য একটা চুমু, তাতেই এত ভয়ংকর? তাহলে কি নীল পাহাড়ের ওই স্বপ্ন গুলো নেহাতই ছেলে ভুলানো খেলা?

ভীষণ রকম অসহায় বোধ করে সাবু। আগামী পূর্নিমার পরদিন সে নীল পাহাড়ে যাবার জন্য নৌকা ঠিক করে রেখেছিল। নীলাও সানন্দে সম্মতি দিয়েছিল। আর কখনো ফিরবে না ওরা। সেই নৌকায় নদীর উজানে গিয়ে অনেক হাঁটাপথ। তারপর নীল পাহাড়। নতুন জায়গায় বসতি। এখন তো সব ভেস্তে গেল! নীলা তার সাথে যাবে না নিশ্চিত। নীল পাহাড়ের স্বপ্ন এরকম মার খাবে কখনো ভাবেনি!

৪.
সবুজ সাপের মাথাটা তখনো নড়ছে। সে লাথি দিয়ে সাপটাকে ফেলে দিল অনেক নীচে। নাহ্ একটা মেয়ের জন্য তার যাত্রা বাতিল করার কোন মানে হয় না। আজকে পূর্নিমা। কালকেই রওনা দিতেই হবে। নীলাকে ভুলতে হলেও পালানো চাই এই জনপদ থেকে।

তার নৌকাটায় রাতে ঘুমানোর ব্যবস্থা আছে। মাঝে মাঝে নদীতে রাত কাটায় সাবু। নৌকাটা একটা নির্জন জায়গায় বাধা থাকে। কেউ আসে না এই দিকটাতে। পরদিন খুব ভোরে দরকারী জিনিসপত্র বেঁধে নিয়ে সাবু বেরিয়ে পড়ে। চারদিকে তখনো কুয়াশা। পাখিদের বিচিত্র ডাকাডাকি পাহাড়জুড়ে। শীত লাগছে। কান মাথা মুড়ে হাঁটা শুরু করলো সে। দূরে নীলাদের পাহাড়ের একাংশ ঝাপসা মতন দেখা যায়। জামগাছটা বোঝা যায় না এত দূর থেকে। বুকের ভেতর কেমন একটা অচিন ব্যাথা। নীলা তাকে খাদক ভেবেছে। ভুল ধারণাটা ভাঙ্গার কোন সুযোগই পেল না।

কিন্তু নদীর তীরে গিয়ে আরেকটা ধাক্কা। নৌকাটা যেখানে ছিল ওখানে নেই। যে গাছের সাথে বাধা ছিল, সেখানে শুধু দড়িটা ঝুলছে। কেউ নৌকাটা দড়ি কেটে নিয়ে গেছে। পাহাড়ে কখনো চুরি ডাকাতি ছিল না। কিন্তু শান্তি চুক্তির পর থেকে চোর ডাকাতের সংখ্যা বেড়ে গেছে পাহাড়ে। শান্তিবাহিনী ফেরত ছোকরাগুলো ডাকাতি রাহাজানি করে বেড়ায়। সাবু ভেঙ্গে পড়লো প্রায়। তার এত শখের নৌকা কে চুরি করলো? পাহাড়ি না বাঙালী? এদিকে তো বাঙালীরা আসে না।

নদীতে একটা ছলছল শব্দ হচ্ছে কোথাও। কান খাড়া করলো সাবু। দাড় বাইছে কেউ সতর্কভাবে। চোর নিশ্চয়ই পালাতে পারেনি এখনো। ঠিকই। ওই তো দেখা যাচ্ছে নৌকাটা চলে যাচ্ছে। সে ছুটতে শুরু করে তীর ধরে। চীৎকার করে কটু গালি দিল সে নৌকার উদ্দেশ্যে। চীৎকারটা পাহাড়ে কয়েক ধাক্কা খেয়ে নৌকার কাছে পৌছালো। নৌকাটা থামলো। ঘুরছে। আশ্চর্য হলো সাবু। সাহস আছে চোরের। সে কোমর থেকে ভোজালিটা বের করলো। কুয়াশার মধ্যে বোঝা যাচ্ছে না ভেতরে কজন আছে। একাধিক চোর থাকলে ডাকাতে পরিণত হয় তারা।

সাবধানে ভোজালিটা ধরলো সে। নৌকাটা আস্তে করে এসে তীরে ঠেকলো। বৈঠা রেখে উঠে দাঁড়ালো আপাদমস্তক চাদর মোড়ানো চোর। সঙ্গীসাথী কাউকে দেখা যাচ্ছে না।

চোরটা লাফ দিয়ে তীরে নামলো। এগিয়ে আসছে ধীর পায়ে। কাছে আসতেই দেখা গেল, চাদরের আড়ালে নীল পাহাড়ের স্বপ্ন নিয়ে হাসছে নীলা।

একদম নিঃশ্বাস-ঘনিষ্ঠ হয়ে সাবুর হাত ধরে প্রায় ফিসফিস করে বললো, আমাকে ছাড়া নীল পাহাড়ে কিভাবে আবাদ করবি রে পাগল?

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সামছা আকিদা জাহান's picture


চমৎকার। খুব ভাল লাগলো।

একটু বলি --- ঝুলন্ত সাপ কিংবা পানির মাঝের সাপ কখন ও ছোবল দিতে পারে না। ছোবল দেবার জন্য শক্ত ভূমির দরকার হয়।
ধন্যবাদ।

নীড় সন্ধানী's picture


ছোবল দিতে মাটি লাগে না। লেজ আটকাবার মতো যে কোন শক্ত জিনিস থাকলেই যথেষ্ট। গেছো সাপ গাছে লেজ পেচিয়ে কামড়ে দেয়, এরা ধরনীতে নামে না কামড় দেবার জন্য। পানিতে কামড়ে দেবার বিস্তর সাপও রয়ে গেছে। কিছু সাপ আছে যাদের পানিতে কামড়ে দেবার দক্ষতা বিস্ময়কর। তবে ছোবল দেয় না ঢোঁড়া সাপ। এই ক্ষেত্রে আপনি ঠিক বলেছেন। Smile

লিজা's picture


অনেকদিন পর পাহাড়ের গল্প । ভালো লাগলো ।

নীড় সন্ধানী's picture


পড়ার জন্য ধন্যবাদ লিজা। Smile

ভাস্কর's picture


গল্প হিসাবে বেশ মিষ্টি লাগলো। তবে মনে হইলো এইটা যদি পাহাড়ের গল্প না হইয়া বরিশালের মুলাদী থানার কোনো গ্রামের গল্প হইতো, তাইলেও কোনো লোকসান হইতো না। কারণ হেডম্যান চরিত্রটারে মোড়ল লেইখা দিলেই হইতো। গল্পটা পড়তে পড়তে মনে হইছে একজন লেখক লিখছেন যিনি গল্প ফাঁদতে ভালোবাসেন, বান্দরবানের সদর থানার নীলগীরি'র সামনের ম্রু পাড়ায় যাওয়ার অভিজ্ঞতা আছে তার।

আমি নীড় সন্ধানীর কল্পিত গল্পরে নাকচ করতেছি না। তবে মানুষ স্পিসিসভূক্ত অন্য একটা সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী নিয়া এইভাবে লেখাটা ঠিক এথিকাল লাগে না। চিড়িয়াখানা'র বা বনের বানরগোষ্ঠী নিয়া লিখলেও এমন কল্পিত গল্পই হইতো সেইটা। পার্বত্য এলাকার সংগ্রামী মানুষদের জীবনযাত্রার গল্প অথেনটিক হইলেই যেনো ভালো হয়।

আরেকটা অনুভূতি হইছে পড়ার সময়, মনে হইতেছিলো পাহাড়ি পটভূমিকায় বিটিভি'র সাপ্তাহিক নাটকের জন্য স্ক্রিপ্ট পড়তেছি। প্যাকেজ না...একদম বিটিভি'র নিজের প্রোডাকশন।

নীড় সন্ধানী's picture


ঠিক ধরেছেন ভাইডি। বিটিভি নাটকের জন্যই প্লটটা লেখছিলাম। Big smile
কষ্ট করে পড়ার জন্য ধন্যবাদ

আকাশবাণী's picture


ভাষার দখল আপনার দারুন| আমার ভীষণ ভালো লাগলো|

নীড় সন্ধানী's picture


আপনার নিকটা দেখে আমার আকাশবানী বেতারের কথা মনে পড়ে গেল।
ধন্যবাদ আপনাকে Smile

সুদূরের পিয়াসী's picture


মুগ্ধ । পড়তে পড়তে যেন নির্বিঘ্নে নীল পাহাড়ে চলছিলাম । বেশ সিদ্ধহস্ত বোধ হল ।

১০

নীড় সন্ধানী's picture


সিদ্ধহস্ত বলাতে লজ্জিত হলাম Tongue
ধন্যবাদ আপনাকে

১১

সুদূরের পিয়াসী's picture


সরি আপনাকে লজ্জিত করার কোন ইচ্ছে আমার ছিলোনা ।
আপনাকেও ধন্যবাদ ।

১২

রায়েহাত শুভ's picture


মিস্টি প্রেমের গল্প...

১৩

নীড় সন্ধানী's picture


পড়ার জন্য ধন্যবাদ শুভ। Smile

১৪

প্রিয়'s picture


চমৎকার। খুব ভাল লাগলো।

১৫

নীড় সন্ধানী's picture


পড়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ Smile

১৬

উচ্ছল's picture


দারুন। শব্দের গাঁথুনী চমৎকার। Smile

১৭

নীড় সন্ধানী's picture


পড়া ও মন্তব্য দুটোর জন্যই ধন্যবাদ আপনাকে Smile

১৮

জেবীন's picture


সব মনকাড়া মেয়েগুলা সদ্দার/মাতব্বরদের মেয়ে/বৌ কেন হয়! কি যন্ত্রনার কথা! Stare
গল্প ভালো লাগছে, সাথে পাহাড়ি বর্ননাও Smile

দুঃখ'ওলা প্রশ্নঃ টাইগার পাস তবে শেষ হবে না? Sad

১৯

নীড় সন্ধানী's picture


টাইগারপাস পুননির্মানে হাত দেয়া হবে আগামী বাজেটে। এই বাজেটে সুযোগ ছিল না Laughing out loud

২০

টুটুল's picture


নীড়দা... ক্যামন আছেন?
আপনারে মিসিং Smile

২১

মীর's picture


স্যার আজকে আসতে একটু লেট হয়ে গেছে। আগে সেইটা ক্ষমা করেন, তারপর কেমন লাগসে লেখাটা বলতেসি। Smile

২২

তানবীরা's picture


নীড়দা কিন্তু অনুপস্থিত এ গল্পে। অন্য গল্পের মতো এখানে নিঃশ্বাস বন্ধ করতে না পারার আফসুস রইলো

টাইগার পাসের অপেক্ষায় আছি Big smile

২৩

লীনা দিলরুবা's picture


খুব ভালো লাগলো Smile

২৪

কারিমাট's picture


পাহাড়ের পথে হারিয়ে গেলাম

ভাল লাগলো

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

নীড় সন্ধানী's picture

নিজের সম্পর্কে

ভুল ভূগোলে জন্ম নেয়া একজন অতৃপ্ত কিন্তু স্বঘোষিত সুখী মানুষ!