ইউজার লগইন

হাসান রায়হান'এর ব্লগ

ঝটিকা সফরে রাঙামাটি

প্রতি বছর মুন্নি রিমঝিমকে নিয়া ঢাকার বাইরে কোথাও বেড়াতে যাওয়া হয়। এবছরও শেষের দিকে যাওয়ার প্ল্যান ছিল। এর মধ্যে দাওয়াত আসল রাঙামাটি যাবার। আমার আগের অফিসের দশ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশাল আয়োজন করেছে। প্রথমেই না করে দিলাম। একটা ট্যাকনিক্যাল কারণ প্লাস এই তাতানো গরমে পুরতে যাওয়ার কোনো মানে হয় না। সিদ্ধান্ত অবশ্য পাল্টাই আমার ছবি তোলার বন্ধু ইকবালের মন্ত্রনায়। যাব না শুনে ইকবাল হায় হায় করে উঠে। বলে, আমি

ছবি তোলার ইচ্ছা ও তুলতে না পারা

অনেক দিন আগে থেকেই শুরু না। বেশ কিছুদিন আগে যদিও তুলতাম সেটা তোলার জন্যই তোলা। একটা ক্যামেরা ছিল, ফিল্মের। সেইটা দিয়া ফোকাস করে ছবি তুলতাম ব্যাস। তবে ফটোগ্রাফি কোর্স করার ইচ্ছে যে হয় নাই তা না। তবে আরও শ পনের ইচ্ছার মত এইটাও বাস্তবায়নের মুখ দেখে নাই। আগ্রহটা আসে যখন বছর দেড়েক আগে একটা ডিজিটাল ক্যমেরা হাতে পাই। ছবি তোলার নিয়মরীতি জানিনা কিছুই। খালি ছবি তুলি। ফুলের ছবি তুলি। নদীর ছবি তুলি। কাকের ছবি

একটা আলোচনা: বাঙালি মুসলমানের বিজাতীয় নাম

গতকাল বন্ধু ফোন করলে কথায় কথায় জিজ্ঞাস করলাম ছেলের নাম কী রেখেছে। একটা আরবি নাম বলল আর ডাক নাম আরাব। আমি বললাম একেবারে সৌদি আরব ই রাখতি। এই বিষয়ে আমি মনে হয় একটু বেশি জাতীয়তাবাদি। বাঙালি মুসলমান এমনে বাংলা নিয়া জান কোরবান করে ফেলে। কিন্তু নাম রাখার বিষয়ে জাতিগত অহম মোটেও কাজ করেনা। সেই সময় জাতীয়তা ফেলে ধর্মীয় পরিচয়টাই তার কাছে আসল। সোমালিয়া, ইয়েমেন, সৌদি নাম থেকে তারে আলাদা করা যায় না।

সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড - ক্যাসপার ম্যাগনুসেন

[এক বন্ধুর মেইলে লেখাটা পেয়ে মন ভরে যায়। আমাদের দেশের জন্য ভালো কোনো সংবাদ এখন দুষ্প্রাপ্য। না সমাজ না পরিবেশ না রাষ্ট্র। কোনো খানেই আশাবাদী হওয়ার মত কিছু নাই। সেখানে বঙ্গোপসাগরে এখনও এমন যায়গার অস্তিত্ব আছে সত্যি অবিশ্বাস্য। ডলফিনদের এই আবাস স্থল নিয়ে বিবিসিতে বেশ কয়েক মাস আগে প্রতিবেদন দেখেছিলাম। সোয়াচ অফ নো গ্রাউন্ড বঙ্গোপসাগরের ১৪ কিমি দীর্ঘ গভীর সমূদ্র। এই জায়গ

বন্ধু পিকনিক ২০১০ আনশিল্ড

রিক্সায় মুকুলকে বলছিলাম শাহবাগ থেকে সাড়ে আটটায় বাস ছাড়ার কথা থাকলেও ৯ টার আগে ছাড়বেনা, তবুও আমরা সময়মতই যাচ্ছি যে টাইমলি থাকতে ভালো লাগে। এর মধ্যে পিয়াল ভাই মুকুলকে ফোন দিয়ে জানায় তিনি পৌছে গিয়েছেন। ছবির হাটে বাস থাকার কথা। মেসবাহকে ফোন দিলাম ঝারি মারার উদ্দেশ্যে। উল্টা ঝারি মেসবাহ'র, সব কিছু ফেলে চলে যাবে। হজম করলাম। লোকটা একা পুরা পিকনিকের আয়োজনের দায়িত্ব ঘাড়ে নিছে। জানাল উদারজী ভোর থেকে যাদুঘরে

হুদাই আরি

এক.

বিচ্ছিন্ন ভাবনা ১ : মাসুম ভাইয়ের টক শো, সার্কের খেলা, জাতির লজ্জা

অফিসে সারাদিন কারেন্ট নাই। একঘন্টা জেনারেটর চলে একঘন্টা বন্ধ। কী করা যায়! সার্কের খেলা দেখার ইরাদা নিয়া মিরপুর ইনডোরে গেলাম। ভলিবল খেলা, শ্রিলংকা বনাম আফগানিস্থান। আফগানিরা লম্বা ঢ্যাংগা কিন্তু খেলায় বাঙালিদের মতই অবস্থা। দুর্ভাগা জাতি খেলবে কি বোমা খেতে খেতেই জান কাবার। ওদের তো আল্লা শরীর দিছে আমাদের তাও দেয় নাই। একতরফা খেলা, শ্রিলংকা ধুইয়ে দিচ্ছে। না দেখেই ভাগলাম।

বাঙালির গরব : বাঙালিই থামিয়ে দিয়েছিল বিশ্বজয়ী আলেক্সান্ডারকে

[বাঙালি গরব সিরিজের এই পোস্টটা আমার অন্যতম প্রিয়। এবির ব্লগারদের অনেকেই হয়ত পড়ে থাকবেন। এটা নিয়ে অনেক সুখ স্মৃতি আছে। বছর দুই আগে সামইন ব্লগে দেয়ার পর অনেকেই পছ্ন্দ করেছিলেন। ভালো লাগার কথা ব্লগে জানিয়েছেন, কেউ আবার ফোন করে জানিয়েছিলেন। মনে আছে ব্লগার বন্ধনহীনের কথা। সম্পূর্ণ অপরিচিত সেই ব্লগার আমার জন্য একটা বই ও রিমঝিমের জন্য এক প্যাকেট চকলেট সুদূর জার্মানি থেকে উপহার হিসাবে পাঠিয়ে কৃতজ্ঞতাপাশে

কক্সবাজার নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ১ : প্রস্তুতি

আশংকা সত্যি হল। কাউন্টার ম্যান জানাল বাইশ তারিখে হবেনা।
: ২৩ তারিখ?
: নাই
: ২৪ বা পঁচিশ
: তাও নাই। অন্য কোথাও পাবেন না। এসময় সব বুক।
বলে কি! ২৬, ২৭ ?
: না
বেরিয়ে যাওয়ার আগে শেষ জিজ্ঞাসা
: ২৮ তারিখ দেখেন তো
: আছে

বিজয় দিবস ০৯ এ ফটো ওয়াক