ইউজার লগইন

হাসান রায়হান'এর ব্লগ

যাপিত জীবন: মিছিল শ্লোগান ও নেতাদের ডিগবাজী

সিগারেটে আয়েশ করে টান দিয়ে ধূয়া ছেড়ে শিবলি মনোযোগ দিয়ে ধূয়ার বাতাসে মিশে যাওয়া দেখছে। মাত্রই আমরা সিগারেট খাওয়া শিখেছি। একটা সিগারেট কমপক্ষে তিনজন ভাগ করে খাই। শিবলির আর দুইটান পরেই আমার টার্ন। এমন সময় চপল সামনের দিকে আঙ্গুল তুলে বলে উঠল, 'এইরে বাবুল ভাই'। সাথে সাথে আমরা দ্দ্রুত উঠে অন্য রাস্তা দিয়ে বাবুল ভাইয়ের নাগালের বাইরে চলে গেলাম

বাবুল ভাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েন এবং ছাত্রমৈত্রীর নেতা। তিনি আমাদের মিছিল মিটিং এ নিয়ে যেতেন। রাজনীতি মিছিল ইত্যাদিতে আমাদের তেমন আগ্রহ না থাকলেও বাবুল ভাইয়ের আগ্রহে প্রথম প্রথম কয়েকটা মিছিলে যেতে হয়েছে। মিছিলের শ্লোগান গুলো ছিল জ্বালাময়ী। এখনও কয়েকটা মনে আছে। যেমন:
কমরেড কমরেড
ভেঙে ফেল ব্যারিকেড।

দিয়েছোতো রক্ত
আরো দিবো রক্ত
রক্তের বন্যায়
ভেসে যাবে অন্যায়।

লড়াই লড়াই লড়াই চাই
লড়াই করে বাঁচতে চাই
এ লড়াই এ জিতবে কারা
কৃষক শ্রমিক সর্বহারা ।

হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ২ : দুবাই

রাতের ফাঁকা রাস্তায় একশ কিমিতে গাড়ি চালিয়ে মাইক্রোর ড্রাইভার বিশ মিনিটেই বিমানবন্দরে পৌছে দিল। এই প্রথম বিদেশ যাত্রা, মনের ভিতর টেনশন। বোর্ডিং এ ফরম পূরণ করে লাইনে দাঁড়াতেই এক যাত্রী অনুরোধ তার ফরম লিখে দেওয়ার। এই লোককে দেখে আমার মনের ভয় সবটাই নাই হয়ে গেল, সম্পূর্ণ নিরক্ষর একজন পাঁচ বছর সৌদিতে কাজ করতে পারে, যাওয়া আশা করতে পারে তবে আমার ভয় কী?

হটল্যান্ড থেকে ফ্রিজল্যান্ড ১ : প্রস্তুতি

প্রায় অর্ধযুগ হয়ে গেল বিদেশ ঘুরে আসার। কতবার ভাবছি এইটা নিয়ে লিখব কিন্তু আজ না কাল করে করে লেখা হয়ে উঠে না। দেড় মাসের জন্য হল্যান্ডের খুব খুবই ছোট এক শহরে থাকার আনন্দের স্মৃতি এতদিন না লেখার অন্যতম কারণ সেই চমৎকার সময়ের ভিজুয়াল স্মৃতি উপকরণ হারিয়ে ফেলা। সেখানে আমি আমার আশেপাশের যত ছবি তুলিছেলিাম একটা সিডিতে কপি করা ছিল। সেই সিডিটা হারিয়ে ফেলার দুঃখে লেখা আর হয়ে উঠেনা। এইবার ঠিক করেছি লিখেই ফেলব, নাহলে আর হয়ত আমার জীবনের প্রথম বিদেশ ভ্রমনের কথা লেখা হবে না।

আমি তখন একটা ডাচ-বাংলাদেশি কোম্পানিতে কাজ করতাম। কয়েকদিন ধরে কথা হচ্ছিল আমার ও আরেকজন সিনিওর কলিগের নেদারল্যান্ড যাওয়ার। তবে যাওয়া যে হবে নিশ্চিত ছিলনা। কিন্তু যখন নিশ্চিত হল তখন হাতে সময় নাই। এক সপ্তাহের মধ্যে যেতে হবে। এবং একা। এদিকে আমার কোনো প্রস্তুতি ছিলনা। এমনকি পাসপোর্টও ছিলনা।

খুচরা পোস্ট ৩ :জেন্স পাঞ্জাবী

jens
প্রায়ই রিক্সায় অন্যের সাথে শেয়ারে যেতে হয়। এতে লাভ আছে যেমন আবার ঝামেলাও আছে। লাভ, রিক্সা ভাড়া অর্ধেক লাগে। কিন্তু সাথের লোকটা যদি ফাউল হয় ঝামেলা হয়। আর যদি দলীয় সমর্থক হয় তাইলেতো কথাই নাই। একবার এক লোকের সাথে দৈনিক বাংলা যাচ্ছি। আগের দিনের রাজনীতিকদের নিয়া কথা হচ্ছে। সোরাওয়ার্দির খুব গুণগান গাওয়া শুরু করলে আমি খালি জিজ্ঞাস করলাম সে দেশের কী উপকারটা করছে? সাথে সাথে টিপিক্যাল আওয়ামী সমর্থকদের মত হাউকাউ শুরু করল জোরে জোরে। মহান নেতাদের স্বীকার করিনা। বেটারে থামাইতেই পারিনা। আশেপাশে রিক্সার লোকজন কৌতুহল নিয়া তাকাচ্ছে। আপনার সাথে কথা বলতে ইচ্ছা করছেনা বলে মুখ অন্যদিকে ঘুরায় রাখলাম। তারপর থেকে শেয়ারের লোকজনদের সাথে কথা বার্তা খুব খিয়াল করে বলি।

যাপিত জীবন: খেলা দেখা, সমর্থন, আবাহনী-মোহামেডান

একেবারেই ছেলেবেলায়, আমরা তখন মাত্র ঘরের বাইরে খেলাধুলা শুরু করেছি। মানিক,নজু ছিল আমাদের পান্ডা। মোট পাঁচ ভাই ছিল ওরা। মহল্লার খেলাধুলায় বাকি ছেলেদের উপর হম্বি-তম্বি করত। আমরা সব সময় চুপচাপ মেনে নিতাম। প্রতিবাদ করারও সাহস পেতামনা। যেমন ফুটবল খেলা চলছে, একজনকে বলল তুই বস, সাইড লাইন থেকে আরেকজন কে নামাত খেলতে তাদের ইচ্ছামত। আমরা বিনা প্রশ্নে মেনে নিতাম তাদের মাতুব্বরী। কারণ প্রতিবাদ করলে মাইর খাওয়ার ভয় ছিল। তাছাড়া বাইরের দুনিয়ার সাথে তাদের বিস্তর জানাশোনা ছিল। একদিন একটা ফুটবল নিয়ে এসেছে। বলল আন্টি দিছে। কোন আন্টি? নায়িকা শাবানা আন্টি। আমরা আম পোলাপাইন তাই বিশ্বাস করতাম।

খুচরা পোস্ট ২

এক.
ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিস স্পার্টার রাজা মেনেলাউসের বাসায় আতিথ্য নেয়। মেনেলাউস অতিথিকে রাজকীয় আদর আপ্যায়ন করেন। কিন্তু এক রাতে তার স্ত্রী হেলেন প্যারিসের সাথে পালিয়ে যায়, যদিও দেবরাজ জিউস কন্যা অনিন্দ্য সুন্দরী হেলেন স্বয়ংবর অনুস্ঠানের মাধ্যমে নিজের পছন্দে মেনেলাউসকে বিয়ে করেছিলো। এইভাবেই শুরু গ্রিস আর ট্রয়ের ভিতর যুগ ব্যাপী মহাযুদ্ধের।

আসলে মানুষের চেয়ে দেবতারাই ছিল দায়ী এই রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের। ঘটনার শুরু যখন ঝগড়ার দেবী দেবতাদের কোনো এক অনুষ্ঠানে দাওয়াত না পেয়ে ক্যাচাল লাগানোর জন্য দেব দেবীর আসরে একটা সোনার আপেল আড়াল থেকে ছুড়ে মারে। সেখানে লেখা ছিল সেরা সুন্দরীর জন্য। তারপর শুরু হয় ঝামেলা। কোনো দেবতাই কোন দেবী সবচেয়ে সুন্দরী এই কথা বলার সাহস পায় নাই অন্য দেবীদের ভয়ে। তখন দেবরাজ জিউস দেবীদের পাঠান ট্রয়ের রাজপুত্র প্যারিসের কাছে।

ছবি ব্লগ: পদ্মার বুকে

আহমাদ মোস্তফা কামাল ভাইয়ের কথায় ছবির গল্প নিয়া পোস্ট দেয়ার আইডিয়া মাথায় আসল। গত ফেব্রুয়ারিতে আমার প্রাক্তন অফিসের ডাচ মালিক কেইস নেইবার বাংলাদেশে আসলে তাকে নিয়ে ঘুরতে যাওয়ার কথা হয়। আমার প্রস্তাবে ঠিক হয় পদ্মায় যাওয়া। এর কয়দিন আগে সাঈদদের সাথে গিয়ে প্রেমে পরে গেছি এযায়গার।
case
কেইস নেইবার। যার জন্যই এই ভ্রমন।
s
মানিকগঞ্জের ভিতর দিয়া যাওয়া, পথে পরে একটা ফেরি। নদীর নাম সম্ভবত বংশী।
dc
সকাল বেলা নদীর ঘাটে গায়ের বধুঁ।
d
চরের উপর দিয়ে হেটে নদীর দিকে যাওয়া।

খুচরা পোস্ট -১

IMG_5359_1.jpg
এক
মাথাটা জট বেঁধে আছে। কেমন ঝিম ঝিম করে। গত ২৪ ঘন্টায় চরম ঘুম দিয়েছি এই কারণেই এই অবস্থা। ইচ্ছা করে পরে পরে ঘুমাই। কিন্ত বেশি ঘুমাইলে আবার ঝিমানি ধরে।

বাসা থেকে অফিস দীর্ঘ জার্নি বাই বাসে করে যেতে হয়। ছালু মানে ব্লগার ছায়ার আলো বলছিল সে বাসে উঠেই টানা ঘুম দেয়। ঐদিন দেখলাম রায়হান সাঈদ গাড়িতে বসেই নাক ডেকে ঘুমাইল। ইদানিং আমিও বাসে এই প্র্যাক্টিস করতেছি। Smile

দুই
অনেকদিন পোস্ট দিইনা। চিন্তা করলাম ঘুম ঘুম ভাব নিয়া পোস্ট দিয়ে একটা পোস্ট বাড়াই। আমার পোস্ট কম বলে দাদা ভাই আবার তাচ্ছিল্য করে। দাদাভাইয়ের সাথে একটা চ্যালেঞ্জে যাওয়া যায়। যেমন এক মাসে আমাদের দুইজনের মধ্যে যে কম পোস্ট দিবে সে খাওয়াইবে।

লুঙ্গি ওপেন ও চাদর ধোয়া

লুঙ্গি ওপেন
আমরা তখন মতিঝিল টিএন্ডটি কলোনিতে থাকি। এসএসসি পরীক্ষার পর অফুরন্ত অবসর। পড়াশুনা নাই। স্কুলের নিয়মের বেড়া নাই। সারাদিন আড্ডা, খেলা নিয়া থাকতাম। আরেকটা জিনিস শিখতে শুরু করেছি তখন, মেয়েদের সাথে ফিল্ডিং মারা। মাঞ্জা মেরে দলবেধে ঘুরতাম আর বিল্ডিংয়ের বারান্দায় দাড়ানো মেয়েদের সাথে টাংকি মারতাম।

যাপিত জীবন: ছেলেবেলার খেলা

ফুটবল, ক্রিকেট, ডাংগুটি, তাস(সিগারেটে প্যাকেট), হকি ইত্যাদি সব খেলাই খেলতাম ছোটোবেলায়। যদিও কোনোটার পারফর্মেন্স উল্লেখ করার মত না, মহল্লা লেভেলেই। সারাজীবনে শুধুমাত্র একবারই পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেটা মহল্লার খেলাতে। দৌড়ে আর মোরগ লড়াইয়ে প্রথম। কিন্তু এর বাইরে কোনো প্রতিযোগিতায়ই পুরস্কারের ধারে কাছে যাইতে পারি নাই। মান ভালো না হলেও খেলায় আমার আগ্রহ সব সময়। জয় পরাজয় কিছু নয় অংশ গ্রহন করাই বড় কথা এই দর্শনে বিশ্বাসি হয়ে খেলায় লেগে থাকতাম।

আমাদের ছেলেবেলায় ফুটবল ছিল প্রধান খেলা। কিন্তু আমার জন্য আরামদায়ক ছিলনা। কারণ আমার শরীর নরম। খালি পায়ে খেলতাম। এদিকে অন্যদের পা ছিল লোহার মত শক্ত। কতবার ল্যাং খেয়ে পা ফুলে ব্যাথায় কাতড়েছি। তারপরও খেলে গেছি, মানে বলের পিছনে দৌড়ানো আর কি।

মাসব্যাপী কার্ণিভাল পিডিএফ

কয়েক বছর আগে সামহয়ারইনব্লগে রেজিঃ করি ততদিনে রাসেল সেখানে প্রতিষ্ঠিত ব্লগার। রাসেলের নিকটা ছিল একটু অন্যরকম। নামের পর ব্র্যাকেটে আট টা ডট। ভাষার উপর অসাধারণ দখল, যুক্তিপূর্ণ আলোচনা, পর্যবেক্ষণ ও বিশ্লেষনী ক্ষমতায় সে তখন মোটামুটি সেলিব্রিটি ব্লগার। তখন লিখতো প্রচুর। আমার সবচেয়ে ভালো লেগেছে তার ভারত ভ্রমনের কাহিনি। খুব কম ভ্রমন কাহিনিই আমার কাছে এতো ভালো লেগেছে। এত সাবলীল বর্ণনা যে পুরা লেখা এক বসায় পড়লেও ধৈর্য্য বিচ্যুতি ঘটেনা। সেই সিরিজটা নিয়া একটা বই প্রকাশ হতেই পারে।

আমার আজকের এই পোস্টে দেয়ার কারণ হল আমি একটা পিডিএফ বানিয়েছি সেইটা জানান দেয়া। রাসেলের মাসব্যাপী কার্ণিভাল সিরিজটা একসাথে করে তাড়াহুড়া করে এই পিডিএফ বানাইলাম। যদিও রাসেলের অনুমতি নেই নাই। এইটা নিয়া অবশ্য দুশ্চিন্তা নাই। এত অমায়িক যে ভদ্রতার খাতিরে কিছু বলবেনা। বললেও চা সিগারেট খাইয়ে ম্যানেজ করা যাবে।

বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য

devapala
ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।

একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন পদ্ধতি।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে

একজন ব্যক্তি রাজা গোপাল একশ বৎসরের মাৎসান্যায়ের অবসান ঘটিয়ে হতদ্যম বিশৃঙখল নিজ জাতিকে সমৃদ্ধিশালি গর্বিত জাতিতে উন্নীত করেছিলেন।

হাজার বছর পিছনের বাঙালির গর্বের সেই চমকপ্রদ অভূতপূর্ব ঘটনাবলীর দিকে একটু নজর ফেলা যাক।

মাৎসান্যায়

কার লাগিয়া গাথিঁরে মালা...

মাঝে মাঝে না, প্রায়ই এমন হয় সকালে উঠে যে গান শুনলাম সারাদিন মাথায় বাজতে থাকে সেটা। দেখা গেছে অফিসে পিসিতে সারাদিন সেইটাই শুনছি। শুনতে শুনতে যখন এমন হয় যে শুনলেই বিরক্তি আসে তখন বন্ধ হয় শোনা। যেমন গত কয়দিন এক নাগাড়ে শুনছি, আমি তোমার মনের ভিতর..।

মাঝে মাঝে ভাবি গ্রামের অর্ধ শিক্ষিত বাউল শিল্পীদের অপরিশীলিত গলায় না আছে সুর না মনন। ইনফ্যাক্ট গতকালই ভাবছিলাম কোথাও গান শুনে। সেই ধারণা যে কত বড় ভুল সকাল না হতেই টের পেলাম।

অনেক দিন আগে টিভিতে দেখা সাধক কালা শাহর মাজারে তার দৌহিত্রের দোতারা বাজিয়ে গাওয়া গান - নীরিখ বাইন্ধো রে দুই নয়নে, এখনো চোখে ভাসে মনে বাজে। প্রতি বছর কালু শাহর মাজারে ওরসে সারা রাত গান হয়। ভক্তরা সব্জি, ফল নিয়া আসে উপহার হিসাবে। আমি ঠিক করে রেখেছিলাম কালু শাহর ওরসে অবশ্য যাবো, সারা রাত গান শুনব বাউলদের। হায়, আমার অন্য সব ভালো ভালো ইচ্ছার মত এটারও উপায় হয় নাই।

এই মন তোমাকে দিলাম : একটি পারিবারিক মিউজিক্যাল ড্রামা

ai mon tomake dilam
বন্ধু বেঈমান ছবির ব্যাপক সাফল্যের পর দাদাভাই কথাচিত্রের পরিবেশনা এই মন তোমাকে দিলাম। আধুনিক সময়ের একজোড়া তরুন তরুনীর ভালোবাসা ও উচ্ছাস এই ছবির বিষয়বস্তু। নায়ক নায়িকার প্রানবন্ত নাচ গানের সাথে এই ছবির অন্যতম প্রধান আকর্ষণ আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন নৃত্যপটিয়সী অভিনেত্রী তাতিয়ানার জমজমাট নৃত্য।

শিশু শিল্পী মাস্টার ঋহানের অসাধারণ অভিনয় নিশ্চিত ভাবেই দর্শকদের মনিকোঠায় ঠাঁই করে নিবে। এছাড়াও শক্তিমান অভিনেতা শ. হো. মাসুম ও ইয়াজিদ হোসেন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে তাদের দক্ষতার প্রমান রেখেছেন।

ভিডিও পাইরেসি রোধ করুন। ভাল ছবি, পরিবারের সবাইকে নিয়ে দেখার ছবি এই মন তোমাকে দিলাম প্রেক্ষাগৃহে গিয়ে উপভোগ করুন।

শখৎ মামার চোখে কেন শসা দেয় না

bedeni

যদ্যপি আমার গুরু
শুঁড়ি বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু
শ্রী নিত্যানন্দ রায়।

তারপরেও গুরুর ইদানিং কালের কার্যকলাপ আমাদের কেমন যেন এক চিন্তায় ফেলে দেয়। কিছুদিন আগেও যে কাজে তাকে নিয়ে চিন্তাও করা যেতনা বর্তমানে একটার পর একটা সেসব কাজ করে আমাদের ভাবনায় ফেলে দিচ্ছেন।

মাসুম ভাইয়ের এহেন পরিবর্তন নিয়া আমরা টাস্কিত। যারা গত বছর উনার পিকনিকের পারফরমেন্স সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন, এবছর অনুরূপ পারমেন্স না দেখে হতাশ হয়েছেন। কিন্তু কারণ কী এ হেন পরিবর্তনের?

উনি আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে কোলাকুলির ধারে কাছে যেতেননা। রাসেলরা দুই একবার ট্রাই করলে বলতেন, দূরে গিয়া মর। কিন্তু কি আশ্চর্য্য! সেদিন দেখলাম মীরকে বুকে নিতে চাচ্ছেন।