ইউজার লগইন

হাসান রায়হান'এর ব্লগ

শখৎ মামার চোখে কেন শসা দেয় না

bedeni

যদ্যপি আমার গুরু
শুঁড়ি বাড়ি যায়
তথাপি আমার গুরু
শ্রী নিত্যানন্দ রায়।

তারপরেও গুরুর ইদানিং কালের কার্যকলাপ কেমন যেন! চিন্তায় ফেলে দেয়। কিছুদিন আগেও যে কাজে তাকে নিয়ে চিন্তাও করা যেতনা বর্তমানে একটার পর একটা সে কাজ করে আমাদের ভাবনায় ফেলে দিচ্ছেন।

মাসুম ভাইয়ের এহেন পরিবর্তন নিয়া আমরা টাস্কিত। যারা গত বছর উনার পিকনিকের পারফরমেন্স সম্পর্কে সম্যক অবগত আছেন, এবছর অনুরূপ পারমেন্স না দেখে হতাশ হয়েছেন। কারণ কী এ পরিবর্তনের?

উনি আগে কখনো কোনো ছেলের সাথে কোলাকুলির ধারে কাছে যেতেননা। রাসেলরা দুই একবার ট্রাই করলে বলতেন, দুরে গিয়া মর। কিন্তু কি আশ্চর্য্য! সেদিন দেখলাম মীরকে বুকে নিতে চাচ্ছেন।

পিকনিকের আরো কিছু প্যাচাল

mesbah
দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্যাচাল শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না, সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।
bus
সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।

পিকনিক রিপোর্ট

mesbah
দাদাভাই মেসবাহ যাযাদের ছবি দিয়া পিকনিকের প্রতিবেদন শুরু করলাম। কেন করলাম এইটা ব্যাখ্যা করার জরুর না সবাই জানে। এবি পিকনিক মানেই দাদাভাই।

সাড়ে ৮ টার মধ্যে শাহবাগ থেকে বাসে উঠতে হবে। রিক্সায় উঠে হিসাব করলাম টায়টায় গিয়ে পৌছাব। কিন্তু চালাক বাবাজী ভুল করে প্রেসক্লাব ঘুরে যাওয়াতে পাঁচ মিনিট দেরী। দাদাভাই চিল্লাচিল্লি করবে এইটা জানা। উনি বেহুদাই আমার সাথে ফাপর লন। আর এখন তো দেরী! গিয়া দেখি সবাই চলে এসছে। চরম ত্যাক্ত চেহারা নিয়া ভাই ঝাড়ি মাইরা বাসে উঠাইলেন, এক পেয়ালা চা খাইতে চাইছিলাম ধমক দিয়া বসায় রাখলেন।
rr

একটা সুখবর : দাদাভাইয়ের, আমাদেরও

mesbah
সব আড্ডায়ই একজন থাকে যাকে ছাড়া আড্ডা জমেনা। যিনি আড্ডার প্রধান আকর্ষণ। মানে প্রাণ ভোমরা। যিনি আড্ডাকে মাতিয়ে রাখেন, নিস্তেজ ম্যান্দামারা সময়কে আনন্দের ফুল্লধারা বানান। সেইরকম একজন আমাদের মেসবাহ য়াযাদ ওরফে দাদাভাই ওরফে বিনয় কাকু। উনার মত মাইডিয়ার লোক ইহ তল্লাটে খোঁজ দ্যা সার্চ দিলে খুবই কমই পাওয়া যাবে। দাদাভাইয়ের সাথে যারা পরিচিত হয়েছেন তারা এই বিষয়ে দ্বিমত করবেননা এইটা নিশ্চিত।

ছবি ব্লগ : শহীদ বুদ্ধিজীবি স্মৃতিসৌধ ও অন্যান্য

আমার অবস্থাও মীরের মত। সাঈদের মত মধ্যবিত্ত না আবার মেসবাহ দাদাভাইয়ের মত অভিজাতও না এবং ছবি তোলার শখ আছে। কয়েক মাস আগে রায়ের বাজার স্মৃতি সৌধের কিছু ছবি তুলেছিলাম। আজ শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে সেখানকারও তার আসে পাশের কিছু ছবি দিলাম।

IMG_4005-1.jpg

IMG_4008.jpg

IMG_4015-1.jpg

IMG_4021.jpg

IMG_4021.jpg

যাপিত দিনমান: সোভহানাল্লার মর্তবা ও অন্যান্য

প্রায়ই ভাবি দিনযাপনের কথা লিখি। কিন্তু লিখতে গেলেই সেই দুনিয়ার আলসেমিও বিরক্তি ধরে। তাই ভাবাই সার লেখা হয়ে উঠেনা। আজ মীরের চমৎকার লেখাটা পড়ে এবং ওর আগ্রহ জেনে সাথে সাথেই লেখা শুরু করি এই ভয়ে যে পরে আবার যদি লেখা না হয়। এই লেখাটা দিয়ে মীরকে আবারো ধন্যবাদ ও ক্বতজ্ঞতা জানাই।
এক

আমাদের মহল্লার পাশে একটা মসজিদ আছে বেশ পুরানো। তবে এই মসজিদটা বিখ্যাত এর মুয়াজ্জিনের জন্য। বয়স্ক মুয়াজ্জিন বিকট ও অদ্ভুত সুর ও স্বরে আযান দেন। আমি বাজী ধরতে পারি সারা দুনিয়ায় এমন অদ্ভুত আযান কেউ দেয় না। আমরা শুনতে শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছি। কিন্তু বাইরের লোক এসে অবাক হয়ে যায় আযান শুনে। একজন সবচেয়ে এপ্রোপিয়েট মন্তব্য করেছে এইটা নিয়ে। তিনি বলেন, এই আযান শুনলে বোঝা যায় কেয়ামতের আর বেশি বাকি নাই।

বিড়ম্বনা

আমার এক বন্ধু, নাম মাসুম। না পিআলোর মাসুম মামা না। তার একটা জয়েন্ট ভেনচার সফ্টওয়ার কোম্পানি আছে। অসম্ভব প্রতিভাবান, উদ্দোগী, কাজ পাগল। তার চেয়ে কথা হলো নীতিবান। নীতিবান মানে নীতিবান। জীবনে বেআইনি কাজ করে নাই। বাংলাদেশে এমন লোক মনে হয় হাতে গোনা যাবে। এরকম লোকদের জন্য এই ভ্রস্ট সমাজে বাস করা কঠিন। নানা সমস্যায় পড়তে হয়। বিভিন্ন সরকারী যায়গায় এ নিয়া অনেক দিগদারি হয়। সে কাহিনী আরেক সময় বলব। আজকে অন্য ধরণের একটা কাহিনী বলি। তার মুখেই শুনুন।

.
.

ঢাকা থেকে খুলনা যাচ্ছিলাম
বাস-টা পথে একটা হোটেলে কিছুক্ষনের জন্য থামলে
আমি হোটেলের টয়লেটে ঢুকলাম হাল্কা হতে...

কি মুস্কিল পাশের টয়লেট থেকে বয়স্ক কন্ঠে জিজ্ঞাসাকরে
"কেমন আছো?"
মেজাজ পিলা হয়াগেল... তবুও ভদ্রতা করে কইলাম "জ্বি ভালো"

এ-মা... ফাজিল বুইড়া আবার জিগায়... "কি করছো?"
এইবার মনে হইলো অসুস্হ কোন মানসিক রোগীর পাল্লায় পরছি নিশ্চিত

নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুক

ছোটবেলায় যখন স্কুলে পড়ি মামার কাছ থেকে কিছু বই উপহার পাই। একটা ছিল নাসিরুদ্দিন হোজ্জার কৌতুকের সংকলন। নাম ভিন দেশি এক বীরবল। লেখক সম্ভবত মোহাম্মদ নাসির আলী। প্রায় শ খানেক নাসিরউদ্দিন হোজ্জার কৌতুক ছিল বইটাতে। হাস্যরসের আকর এই বইটার কৌতুক খুবই প্রিয় ছিল আমার। বলা যায় একদম গুণমুগ্ধ ছিলাম হোজ্জার। সেই মুগ্ধতা আমার এখনো তেমনই আছে। হোজ্জা আমার অলটাইম ফেভারিট।

তুরস্কের দার্শনিক, জ্ঞানী, বুদ্ধিমান (কখনও কখনও বোকা) ও প্রচন্ড রসবোধে পরিপূর্ণ হোজ্জার কৌতুক সারা দুনিয়ায় জনপ্রিয়। ইউনেস্কো ১৯৯৬-১৯৯৭ সালকে আন্তর্জাতিক নাসিরুদ্দিন দিবস হিসাবে ঘোষণা করে।

আফসোস, সেই ভিন দেশি এক বীরবল বইটা হারিয়ে গেছে। সেই কবে পড়েছি কিন্তু এখনো বেশ কয়েকটা মনে করতে পারি। তার কয়েকটা কৌতুক এখানে দিলাম।

অভিযোগ নাই

বাঙালির গরব : হাজার বছর আগে বাঙালিরা জনগনের মধ্য থেকে রাজা নির্বাচিত করেছিল দেশকে অরাজকতা থেকে রক্ষা করার জন্য

ব্যক্তিই পারে পরিবর্তন করতে সমগ্র জাতির ভাগ্য।
ব্যক্তিই পারে সৃষ্টি করতে নতুন ইতিহাসের।

একজন ব্যক্তি মহাত্মা গান্ধী সারা পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন প্রতিবাদের নতুন তরীকা।
একজন ব্যক্তি নেলসন মেন্ডেলা সারা দক্ষিন আফ্রিকার বর্ণবাদের শৃঙখল ভেঙেছেন।
একজন ব্যক্তি শেখ মুজিব একটা জাতিকে হাজার বছরের গোলামির গ্লানি দূর করে স্বাধীন ভূখন্ড উপহার দিয়েছে।

আরিয়েন আকেলিনকে নিয়ে সোনার গাওয়ে এক দুপুর

আগের বার যখন আসে, একে তো খুব ব্যস্ত ছিল। তাছাড়া আমার মনেও ছিলনা মনে হয়। কিংবা মনে থাকলেও ইচ্ছা ছিলনা হয়ত। কিন্তু পরে যখন ভেবেছি খারাপ লেগেছে খুব। এইরকম আমার প্রায়ই হয়। যখন করার কথা তখন করিনা পরে আবার তা নিয়া মন খচখচ করে। আরিয়েন চলে যাওয়ার পর এমন খচখচ মনের ভিতর লেগেই ছিল অনেকদিন। ভেবেছিলাম আর কখনো দেখা হবেনা।

বিশ্বকাপ ফুটবলের পূর্বাভাষ : চ্যাম্পিয়ান ব্রাজিল

বিশ্বকাপ ফুটবল এখন একেবারে চূড়ান্ত পর্বে রয়েছে। দ্বিতীয় রাউন্ডের খেলা আজকে শেষ হবে। এই টুর্নামেন্টে এ পর্যন্ত খেলোয়াড়দের চেয়ে রেফারিই সবচেয়ে বেশি ভুমিকা রেখেছে। এত বাজে জঘন্য রেফারিং মনে হয় আর কোনো বিশ্বকাপে হয় নাই। যতগুলি খেলা দেখেছি প্রায় প্রতিটাতেই ভুল ডিসিশন এর ছড়াছড়ি ছিল। এক একটা সম্ভাব্য জমজমাট ও উপভোগ্য খেলা বিনষ্ট হয়েছে এই সব ভুল সিদ্ধান্তে। সামনের সব খেলাই গুরূত্বপূর্ণ, আশা করি রেফারিদেরর

আমার ফিফা বিশ্বকাপ দেখা - ১

হারলেও আমরা ভালো খেলেছি। ইত্তেফাকে ১৯৭৮ সালে হল্যান্ডের অধিনায়কের এই কথা দিয়ে একটা রিপোর্ট ছিল বিশ্বকাপের ফাইনালের। তখন বিশ্বকাপ কি বুঝিনা। কোথায় খেলা হচ্ছে না হচ্ছে জানিনা। বাসায় টিভিও ছিলনা। আমার বিশ্বকাপ ফুটবল সম্মন্ধে সেই প্রথম কোনো ধারণা পাওয়া। তবে আজ এত বছর পরও মনে আছে সেই রিপোর্টের কথা, আর্জেন্টিনা তিন এক গোলে হল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপ চ্যাম্পিয়ন হয়।

কক্সবাজার নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৪ : বিদায় দারুচিনি দ্বীপ এবং ২০০৯

সকালে জিশান জানায় মাঝ রাতে মাছ ধরার নৌকা দিয়ে সমূদ্রে ঘুরে এসেছে। এখানে তার বন্ধুদের সাথে দেখা হয়েছে, তাদের সাথে। খুব আফসোস লাগে, এমন সুযোগ কি আর পাওয়া যাবে!

কক্সবাজার ও নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ৩ : দারুচিনি দ্বীপে

সকালে, খুব ভোরে উঠে তৈরী হতে হয়। গন্তব্য সেন্ট মার্টিনস। হোটেল থেকে ব্যাবস্থা করা হয়েছে। সেখানে একদিন এক রাত থেকে তারপর আবার কক্সবাজার। এটা অবশ্য ঢাকা থেকে ঠিক করা হয়েছে। আমাদের কলিগ মারিয়া সব পাকা ব্যাবস্থা করেছে। এই সব অরগানাইজিংয়ে সে তুখোড়। মাইক্রো চলে এসেছে। সেটাতে করে টেকনাফ সেখান থেকে লঞ্চে সেন্ট মার্টিন। আমরা কিছু মালপত্র হোটেলে রেখে এসেছি। ফিরে এখানেই উঠবো। এত তাড়াহুড়া করে সকালে তৈরি হলাম

কক্সবাজার ও নারিকেল জিঞ্জিরা ভ্রমন ২ : সমূদ্র সৈকতে

ঝলমলে শীতের সকাল। কোমল রোদ্দুরের পরশ শরীরে নিয়ে উঠে বসলাম রিক্সায়। ছুটির দিন, চারিদিকে নেই ব্যস্ততা, মানুষ ও গড়ির ভীড়। বাসা থেকে মিনিট বিশেকের পথ সোহাগ বাস কাউন্টার। বেশ কয়েকদিনের জন্য ঢাকার কোলাহল ছেড়ে সমূদ্রের পাশে থাকার আনন্দ ভাবনায় প্রান উৎফুল্ল। মন গান গেয়ে উঠে, কোথাও আমার হারিয়ে যেতে নেই মানা।