হতাশার চিঠি
প্রিয়তমা,
মেয়ে জেনে রেখো যে তোমায় দেখতে এসেই বিয়ে করতে রাজী হয়ে গেলো তার ভালোলাগা তোমার শারীরিক সৌন্দর্য্যের মাঝেই সীমাবদ্ধ। কপাল ভালো হলে শরীরের পরে মনের দিকে তাকালেও তাকাতে পারে, নতুবা নয়।
আর যে ছেলে তিনটি বছর তোমার পানে চেয়েছিলো সে আর যাই হোক তোমার শরীরকে ভালোবাসেনি। যদি তাই হোত তাহলে এত্ত সহজে চলে যাওয়ার কথা ভাবতে না । আর যদি সে তোমায় তোমার বাবার সম্পদের জন্য ভালোবাসতো তাহলে তোমার আগে তোমার বাবার সাথে সু সম্পর্ক করতো।
আসলে ভালোবাসা পাবার অধিকারও সবার থাকেনা।
যাই হোক তোমার অনাগত জীবনের স্মৃদ্ধি কামনা করছি। ভালো থেকো, আর ভালো রেখো। অন্তত এইবার প্রতিজ্ঞা রাখার চেষ্টা কোরো।
- একজন তৃতীয় পক্ষ ।





প্রিয়তমার উত্তর : হে প্রিয়তম, যে এসে আমায় দেখামাত্রই কাজী ডেকে বিয়ে করে নিয়ে চলে যাবে; জেনে রেখো আমি তার জন্যই তিনটি বছর অপেক্ষায় ছিলাম। জেনো নাবালক, কেবল চেয়ে থাকলেই কাজ হয় না।
আপনের লেখাটা সুন্দর হইসে ব্রো। তাই লেখাটার সঙ্গে হালকা মজাক করলাম। মাইন্ড খাইয়েন না কিন্তুক আবার
চরম মজা পাইলাম

তৃতীয় পক্ষের চিঠি তার সাথে প্রিয়তমার উত্তর দুটোই ভালো হয়েছে।
হতাশার চিঠি ও মীর ভাইয়ের লেখা কমেন্ট দুটোই চরম হইছে!
তৃতীয় পক্ষের চিঠি তার সাথে প্রিয়তমার উত্তর দুটোই ভালো হয়েছে।
ধন্যবাদ
মন্তব্য করুন