বাংলাদেশ-ইংল্যান্ড ম্যাচ নিয়ে কয়েকটা প্রশ্নঃ

১। তামিম কি ইংল্যান্ডের ২২৫ রান তাড়া করে ব্যাট করতে নেমেছিলো নাকি ৩৩৫ রান ? ৫০ ওভারে ২২৫ রান তাড়া করতে গিয়ে ২৬ বলে ৩৮ রানের চেয়ে তার উইকেটে থাকাটাই বেশী প্রয়োজন ছিলো না ?
২। জুনায়েদ – ইমরুল – সাকিব কি একে অপরকে রান-আউট করতে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ ছিলো ? এত্তোগুলি ম্যাচ এক সাথে খেলার পরে জুনায়েদ – ইমরুল – সাকিবের রানের কলিং এর কোন সমঝোতা নেই কেন ?
৩। মুশফিকুর রহিম কি ইদানিং আশরাফুলের কাছ থেকে ব্যাটিং এর কোচিং নিচ্ছে ?
৪। রকিবুল কে আর কি সুযোগ দেয়া উচিত ? ৪ ম্যাচ মিলে ৭০, সর্বোচ্চ ৩৮ । তার জায়গায় পরের দুই ম্যাচে শাহরিয়ার নাফিসকে খেলানোই ভাল না ?
৫। আট নম্বরে ব্যাট করে চার ম্যাচে নাইমের ব্যাট থেকে এসেছে ৩২ রান, তাকে নামিয়ে এনে সেখানে শফিয়ুলকে খেলানো উচিত কিনা ?
ছবি: ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত ।





১. তামিম পিটাইতে গিয়া আউট হয় নাই। ঠেকাইতে গিয়া হইছে।
২. গতকালকের রান আউটে সাকিবের কোনো ভুমিকা নাই। ঐটা ছিল ইমরুলের কল কারণ সে ডেঞ্জার এন্ডে যাবে।
৩. ঠিক।
৪. রকিবুলের চেয়ে নাফিস হাজরগুণ ভালো প্লেয়ার। কিন্তু নাফিসরে না নামানোর পণ করা হইছে মনে হয়।
১০০% একমত। আমারও একই কথা।
দল ঠিকই আছে, খালি রকিবুলের বদলে নাফীসকে নিয়ে দেখা যাইতে পারে। রকিবুলের একেবারেই ফর্ম নাই।
নাফিসরে না নামানোর পণ করা হইছে মনে হয়।
আমি একটা মাত্র বদলের পক্ষে। আর সেটা হল রকিবুলের জায়গায় নাফিস। আর শফিউল বোলার, সুতরাং সে যেখানে আছে সেটাই ঠিক।
রকিবুলের জায়গায় এবার নাফিস সুযোগ পাবে ধারনা করছি আমি।
নাইম তার জায়গায় ঠিক আছে বলে মনে করছি, ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন করা দরকার নাই। শফিউল মূলত বোলার, তার কাছ থেকে সব সময় একই রকম ব্যাটিং আশা করা যায় না।
বাংলাদেশের খেলোয়ারদের মানসিক পরিপক্কতার অভাব আছে বলে মনে হয়, হয়তো সেটা বয়সগত কারনে বা জাতিগত কারনেইহোক । আবেগ নিয়ন্ত্রন করতে এরা পারে না। টেকনিকের ঘাটতি আছে অনেকরই যা সব সময় প্রতিভা দ্বারা পূরন করা যায় না।
চরম পেশাদারী মনোভাব দরকার খেলায় যার অভাব এক মাত্র সাকিব ছাড়া অন্যদের নেই বলেই মনে হয়।
জুনায়েদ/রকিবুল , যে কারো স্থানেই শাহরিয়ার নাফিস'কে খেলানো যায়। বিশেষ করে রকিবুল এই দলের জন্য কখনই কাজে আসেনাই ......... কখনও কাজে আসবে বলেও মনে হয়না
রকিবুল সিডন্সের প্রিয়পাত্র। আগামী ম্যচেও তারে দেখলে অবাক হবো না। নাফিসকে নামালে ওপেনিংএ উইনিং কম্বিনেশন ভাঙতে হবে। সে চার নম্বর পজিশনে খেলে না।
শফিউল কাম এন্ড কোয়াইট। কালকের জেতার কৃতিত্ব তার। মাথা ঠান্ডা রাখা সে সময় বড় ব্যাপার। তারে আমি কালকে ব্যাপক ভালু পাইলাম
শফিউলের মধ্যে অলরাউন্ডার হওয়ার গুন গুলি আছে, তাকে উপযুক্ত সুযোগ আর সাহস দিলে সে আরো কিছু ম্যাচ জিতিয়ে আনতে পারবে দেশের জন্য ।
নাফিস ওপেনিং ছাড়া ব্যাট করতে পারবে না, সেরকম ভাবনা আজকাল আর চলে না ।
দেখি সামনের ম্যাচে কি হয়
আমার দুই পয়সা।
বাংলাদেশ দলের একটা স্ট্রাটেজি আছে। সেখান থেকে বললে,
১।ওপেনিংয়ে তামিমের রোলই ঐটা।।।; ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ৪০-৫০ এর কাছাকাছি রান তুলে নিয়ে চাপ কমিয়ে আনা।।
২। জুনায়েদ এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে দুর্ভাগা খেলোয়াড়। ভারতের সাথে স্টাম্পড এবং গতম্যাচের রান আউট, দুটোই আমার মতে ব্যাটসম্যান হিসেবে তার বেনিফিট অভ ডাউট পাওয়া উচিত ছিলো।। ইমরুলের রান আউটে ফিল্ডারের ভূমিকা অসাধারন। এটা হয়ই, বিশেষ করে একটা জুটির মধ্যে যখন রানিং বিটউইন দ্য উইকেটটা খুব দাঁড়িয়ে যায়, তখন তারা রিস্কি রান নিয়ে প্রতিপক্ষকে আরো প্যানিকে ফেলে দেয়। এরকম আউট সব ভালো পার্টনারশিপেই হতে পারে।
৩। মুশফিকের ব্যাটিং টেকনিকে সমস্যা আছে।। বল ব্লক করার জন্য ব্যাট উপর থেকে নিচে নামিয়ে এনে, ব্যাট নিন্মমুখী থাকা অবস্থাতেই বলে কানেক্ট করতে হয়।। এতে বলের উপরে উঠে যাবার সম্ভাবনা থাকেনা।; মুশফিকসহ আমাদের বেশীর ভাগ ব্যাটসম্যানই যখন ব্লক করে, তখন বলকে টাচ করার মুহূর্তে তাদের ব্যাট উর্ধ্বমুখী হয়ে যায়।।
একই সাথে ব্লক করার বলকে, বিশেষ করে ফ্লাইটেড স্পিন বলকে, আমাদের মুশফিক কাট করে। স্লিপে ক্যাচ দেয়। আশরাফুল হয় কাট করে, না হয় হাঁকায়!
৪। দলের প্ল্যান অনুযায়ী রকিবুলকেই রাখা উচিত।।। ।।বলে মনে করি।
গত ম্যাচে ওর আউটটা খুবই দুর্ভাগ্যজনক, বলটা অসম্ভব ভালো ছিলো। তবে সেও বলটাকে ঠিকমতো ট্রিট করতে পারেন।
তারপরও, টপ অর্ডার ধ্বসে গেলে হাল ধরার ক্ষেত্রে রকিবুল/মুশফিকরাই আমাদের মূল ভরসা। আয়ারল্যান্ডের ম্যাচে আমাদের স্কোর ১৫০ এর মধ্যে শেষ হয়ে যেত যদি না ওরা ঐ ৭০ রানের মতো জুটিটা না করতো।; গত ম্যাচে অবশ্য সাকিব ইমরুলের জুটিটা বাঁচিয়েছে। আমার মনে হয়না দুর্বল দলের সাথে হার্ড হিট করা নাফিসের এই গুন ভালো আছে, বিশেষ করে যে ব্যাটসম্যান সব ধরনের বলেই ক্রসব্যাট খেলে, তার ওপর মিডল অর্ডারের ভরসা রাখা ঠিক না।।
তার চেয়েও বড় কথা একজন খেলোয়াড় কয়েক এক দুই ম্যাচ ভালো স্খোর না পেলেই বদলানোর অভ্যাসটা ভালোনা। ক্রিকেট ধৈর্য্যের খেলা, বিশেষ করে ব্যাটসম্যানদের জন্য।; এই জায়গায় নির্বাচকদেরও ধৈর্য্য ধরতে হবে।।।
ক্যালিস প্রথম তিন ম্যাচে ২০ রান করছে মনে হয়।।। গত ম্যাচে সময়মতো কাজ করে ফেলছে।
ব্যাটসম্যানদের ওপর এই ভরসাটা আমাদের রাখতে হবে।
৫।
শফিউলের পজিশন ঠিক আছে, বড়জোর রাজ্জাকের সাথে পজিশন বদলানো যেতে পারে।
মন্তব্য করুন