ইউজার লগইন

দিল্লীকা লাড্ডু

সে অনেক কাল আগের কথা। আমি তখন পায়ের নীচে সরিষা নিয়ে ঘুরে বেড়াই এই জঙ্গল থেকে সেই পাহাড়ে। ঘুরতে ঘুরতে একবার গিয়ে পড়লাম দিল্লী শহর। তবে স্রেফ ঘুরতে না, জরুরী কাজে, একটা ট্রেড শোতে। একেবারে নতুন না, আগেও এসে ঘুরে ফিরে দেখে গিয়েছি দিল্লী সহ ভারত বর্ষের অনেক শহর। তবে সেই যাত্রায় মজার একটা কাণ্ড হলো। সেটাই বলছি আপনাদের।

ব্যাঙ্গালোরে সমীর নামে আমার এক বন্ধু আইটি সেক্টরে কাজ করতো। ওরা একটা ইন্টারন্যাশনাল কলিং কার্ড বানানোর প্রজেক্ট হাতে নিয়েছিল। প্রায়ই বন্ধু-বান্ধবদের ফোন কার্ড ফ্রি দিত, দিয়ে বলতো ফোন করে কথা বলে কার্ডের কোয়ালিটি ইত্যাদি যেন ওদের জানাই। মানে একটা টোল ফ্রি নম্বরে ফোন করে, পিন নাম্বার দিয়ে লং ডিসট্যান্স ফোন করা যেত। তো আমি ইন্ডিয়া আসছি শুনে আমাকেও গোটা কয়েক পিন নাম্বার মেইল করে দিসিল, যাতে দেশে বা তাইওয়ানে প্রয়োজনে ফোন করে কথা বলতে পারি বিনা খরচে। তখন ইন্ডিয়া থেকে বিদেশে ফোন করা বেশ ব্যয়বহুল ছিল, আমি হোটেলের রুম থেকেই সেই কার্ড ব্যবহার করে বাইরে কথা বলতাম। কোনো বিল উঠত না। দিনের বেলা কাজ-টাজ নিয়ে ব্যস্ত থাকতাম, রাতে এসে ঘরে বেড়াতাম এখানে-সেখানে, বা ফোনে কথা বলতাম। এভাবেই মজায় চলছিল সব।

কিন্তু বিপত্তি বাঁধলো একদিন সেই কলিং কার্ড হোটেলের বাইরে ব্যবহার করতে গিয়ে। সেদিন শুক্রবার। পুরানা দিল্লীতে এক মসজিদে জুম্মার নামাজ পড়ে, পাশের এক রেস্তোঁরায় ঠেসে শাহী বিরিয়ানী খেয়ে ঢেঁকুর তুলতে তুলতে হোটেলের দিকে যাচ্ছি। এমন সময়ে মোবাইলে একটা মেসেজ আসলো, জনৈকা আম্রিকাবাসিনী আমাকে মিস করতেছেন , তারে যেন তখনই একটা ফোন দেই। ভরাপেটে প্রেম গদগদ করে উঠলো, দ্রুত পায়ে হাঁটতে লাগলাম হোটেলের দিকে। হঠাৎ দেখি রাস্তার পাশে একটা ফোন বুথ, এস টি ডি, এন ডব্লিউ ডি ইত্যাদি লেখা তার কাচের দেয়ালে। আশেপাশে কেউ নেই । খুব একটা না ভেবেই তার ভেতরে ঢুকে গেলাম, দেখি ট্রাই করে এখান থেকে মাগনা পাওয়া কলিং কার্ড কাজ করে কি না। 00800 দিয়ে শুরু হওয়া টোল ফ্রি নাম্বারে এক চেষ্টাতেই লাইন পাওয়া গেল। মিনিট দশেক কথা বলে বেরিয়ে আসছিলাম। ভুলেও টের পানি যে ফোন বুথের পাশের ঘরের মধ্য থেকে শ্যেনদৃষ্টিতে আমার দিকে তাকিয়ে আছেন চিমসা চেহারার খিটখিটে মেজাজের এক বুড়ো। আমি বেরিয়ে আসতেই উনিও প্রায় হন্তদন্ত হয়ে ছুটে আসলেন, হাতে একটা রিসিট। এসেই জিজ্ঞেস করলেন কই ফোন করেছি, বললাম আমেরিকায়। কতক্ষণ কথা বলেছি? জানালাম প্রায় মিনিট দশেক। বুড়া এইবার ধমকে উঠলো, দশ মিনিট না পনরো মিনিট কথা কইছেন, পয়সা না দিয়া যান কই?

আমি হাসিমুখে বুড়াকে বললাম আমি কলিং কার্ড ব্যবহার করেছি তাই কোন বিল ওঠেনি, পয়সা কীভাবে দেব? আমার কথা শুনে বুড়া রিসিটে তাকিয়ে দেখে আসলেই কোন বিল ওঠেনি। এইবার তার চোখ চড়কগাছ, কিন্তু চেহারায় সন্দেহের ছাপ স্পষ্ট। কলিং কার্ড কী জিনিস সে বোধহয় কোনোদিন শোনেওনি। আমি তারে বুঝাতে বললাম, আচ্ছা আপনি দেখেন আমি আবার একটা ফোন করি আমার পিন নাম্বার ব্যবহার করে, এক পয়সাও বিল উঠবে না। বুড়াকে দেখিয়ে দেখিয়ে টোল ফ্রি নাম্বারে ফোন করে, পিন নাম্বার দিয়ে তাইওয়ানে ফোন করে মিনিট তিনেক কথা বললাম। রিসিট বেরিয়ে আসলো, এবারও জিরো টাকা বিল। এইবার কই ফোন করছেন? জানালাম তাইওয়ানে। বুড়ার তো প্রায় মাথায় হাত, সে ভেবে নিল নিশ্চয়ই আমি হিন্দি ফিল্মের ভেতর থেকে উঠে আসা অতিবদ এক জোচ্চোর। সে রীতিমতো আমার সাথে ঝগড়া লাগিয়ে দিল, আমি বোধহয় চিটিং করে তার ফোন বিল গায়েব করে দিয়েছি, যত যাই বলি ন্যায্য টাকা তাকে দিতে হবে। সে ফাইল থেকে আমেরিকা আর তাইওয়ানে প্রতিমিনিট ফোনের খরচ বের করে হিসাব করতে শুরু করলো। আমি বিরক্ত হয়ে চলে আসতে গেলে বুড়া পেছন থেকে হাত আঁকড়ে ধরার জোর প্রচেষ্টা চালালো। একরকমের ঝটকা দিয়ে হাত ছাড়িয়ে বেরিয়ে রাস্তায় চলে আসলাম। বুড়াও আসলো পেছন পেছন, এসে রাস্তায় নেমে শুরু করলো হাউকাউ, চেঁচামেচি। 'ধর শালেকো, পাকড়ো শালেকো, মুঝকো সাথ চিটিং কিয়া, ঢাইশ’ রুপেয়া বিল নেহি দেকে ভাগতে রহা —ইত্যাদি হম্বিতম্বিতে রাস্তায় ঠেলা গাড়িতে তরমুজ বিক্রেতা আর মোড়ের পুলিশ হাবিলদারকে তিড়িং করে দাঁড় করিয়ে দিল।

লোকজন আসলেই আমাকে পাকড়াও করে হালকা-পাতলা ঠেলা-ধাক্কার আপ্যায়নে আবার ফোন বুথের কাছে নিয়ে আসলো। দিল্লী দেখতে গিয়ে লাড্ডু খেয়ে আমার পুরাই বিতিকিচ্ছিরি অবস্থা। আমি ভাঙ্গা ভাঙ্গা হিন্দিতে তাদের কলিং কার্ড, পিন নাম্বার, টোল ফ্রি ফোন ইত্যাদি বোঝাতে চেষ্টা করলাম। পথচারিদের একজন বোধহয় বিদেশে কলিং কার্ড ব্যবহার করেছে, সে আমার কাছে কার্ড দেখতে চাইলো। আরও মুশকিল আমার কাছে তো সত্যিকারের কোন কার্ড নাই, আছে শুধু কয়েকটা ডিজিট লেখা একটা কাগজ। সেটা দেখে সবাই মোটামুটি নিঃসন্দেহ হয়ে গেল যে আমি আসলেই একটা ফোর্টুয়েন্টি। হঠাৎ মাথায় এলো সমীরকে ফোন করার কথা, ও হয় তো লোকজনকে বুঝিয়ে আমাকে শূলে চড়া থেকে বাঁচাতে পারবে। এমনই কপাল, সমীরকে ফোন দিতেই ও রিসিভ করে নিচু গলায় ‘ দোস্ত আমি একটা মিটিংয়ে , তোরে একটু পরে ফোন দেই’ বলে রেখে দিল। এদিকে লোকজনের গালাগালিতে আমার মান-ইজ্জত সব লাটে ওঠার দশা, বুড়া পাইয়া বিল না দিয়া পলাইয়া যায়—কেমন মানুষ এই লোক? কপাল ভালো চড়-চাপড় কিছু খাই নাই। বোধহয় পুলিশের হাবিলদারকে দেখেই বীর জনতা আইন নিজের হাতে তুলে নেয়নি।

চারদিকে তাকিয়ে মানিব্যাগ বের করলাম। দশ-বারোজনের মজমা তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে কত টাকা জরিমানা দেই চুরির শাস্তি হিসেবে তা দেখতে। কিন্তু টাকা বের না করে একটা ভিজিটিং কার্ড বের করলাম। বাংলাদেশ অ্যাম্বাসীর একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার, আগের দিন দুপুরে তার সাথে জরুরী একটা মিটিং করে এসেছি। কার্ডটা হাবিলদারের হাতে দিয়ে বললাম, আমি দুই নম্বরী করিনি, চাইলে এই ভদ্রলোককে ফোন করে এখানে আসতে বলেন। উনি আমার পরিচয় সম্পর্কে আপনাদের নিশ্চিত করবেন। আমি দিল্লী ট্রেড ফেয়ারে আপনাদের সরকারের একজন আমন্ত্রিত অতিথি। ট্রেড ফেয়ারের গেট পাসটাও বের করে দেখালাম। এবার জনতা কিছুটা শান্ত হলো, পুলিশও সরকারের অতিথি শুনে বাতাসে লাঠির আস্ফালন বন্ধ করলো। আমি এর মধ্যে সমীরকে ফোন করেই চলেছি, কিন্তু বেচারা আর ধরেই না। চাচামিয়া কার্ডটা নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাম্বাসীতে ফোন করে সেই ভদ্রলোকের সাথে কথা বলতে যাবেন এমন সময়েই আমার ফোন বেজে উঠলো। আহ্‌ জিগরি বন্ধু সমীর। ফোন ধরেই আগে ওকে একটু ঝেড়ে নিলাম, শালার কী জিনিস দিলি এখন আমার গণপিটুনি খাবার অবস্থা। সমীর এর পরে বুড়ার সাথে কথা বললো, পুলিশের সাথেও। লিচ্চয় আমার ব্যাপারে ফুলিয়ে-ফাঁপিয়ে অনেক কিছু বলেছে, বুড়া আর পুলিশকে দেখলাম মুহূর্তেই ফনা নামিয়ে নিতে। পরে জেনেছিলাম সমীর কলিং কার্ডের ব্যাপারটা ব্যাখ্যা করার পাশাপাশি বেত্তমিজি করলে বুড়োর ফোনের ব্যবসার লাইসেন্স বাতিলের হুমকি দিয়েছিল। তাতেই আড়াইশ’ রুপেয়ার বানোয়াট দুঃখ ভুলতে বুড়োর একটুও সময় লাগেনি।

বুড়োকে ঠাণ্ডা হতে দেখে দুই চারটা চড়-চাপড় দেবার সুবর্ণ সুযোগ হারানো হতাশ জনতা যে যার দিকে চলে গেল। বুড়া আর পুলিশ দুইজনেই থোড়াসা মাফি মাঙ কর মুঝকো লেম্বুকা জ্যুস ভি পিলায়া, আমিও না বুঝে তার ফোন বুথ ব্যবহারের জন্য মাফ-টাফ চাইলাম। কপাল ভালো আমার নিজের লেম্বুচিপা অবস্থা হয় নাই, অথচ হইলেও কিছু করার ছিল না। পাব্লিক বড়ই খতরনাক জিনিস মুন্সী।

এর পর থেকে আর কোনোদিন পে ফোন বুথ থেকে না জিজ্ঞেস করে কলিং কার্ড ব্যবহার করি নি। দিল্লীকা লাড্ডু খেয়ে ভালোই শিক্ষা হয়েছে।

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাস্কর's picture


আপনের ভ্রমণকাহিনীগুলি কিন্তু মাস্টারপিস হইতেছে এক একটা...

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ বস। আমি কিন্তু প্রথাগত ভ্রমণকাহিনি লিখতে এখনও শিখি নাই। নিজের অভিজ্ঞতা থেকে দুই চারটা সুখ-দুঃখ শেয়ার করি আর কি।

শাতিল's picture


হা হা হা হা হা লাড্ডু প্রায় খাইতে ধরছিলেন Big smile

মামুন হক's picture


হ মিয়া, ঠিকমতো না খেয়েও পস্তাইতেছি, ভরপেট খাইলে না জানি কী হইত!

জ্যোতি's picture


এত্ত বড় লেখা পইড়া শেষ করে দুপুরে যে খাইনি সেটা মনে হয়ে ক্ষুধা লেগে গেলো। এক মেয়ে এসএমএস করলো আর দৌড়াইয়া ফোন করতে গেলেন। এই না হইলে পোলাপাইন!

ভাইয়া, লেখাটা চ্রম হইছে। একটানে পড়লাম।

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ জয়িতা। দোষ আমারই অল্প কথায় কথা সারতে পারি না, লেখা ধরলেই বড় হয়ে যায় Smile

সাহাদাত উদরাজী's picture


কেহ খুজে, কেহ বুঝে!

মামুন হক's picture


হ, কারও শাস্তি, কারও মাস্তি Smile

জোনাকি's picture


দিল্লীকা লাড্ডুর মজা বেশ ভালই পাইছেন তাইলে Tongue

১০

মামুন হক's picture


সে আর বলতে Tongue

১১

রুমন's picture


বেঁচে গেছেন।
দেশ বিদেশ ঘোরা নিয়ে আপনার অভিজ্ঞতার গল্প আরো শুনতে চাই

১২

মামুন হক's picture


জ্বি। আচ্ছা শোনাব, তবে আস্তে ধীরে, সব বলে ফেললে আর লেখার কিছু থাকবে না Smile

১৩

মীর's picture


মজার অভিজ্ঞতা ক্যটাগরীতে ফেলা যায় আবার চরম ভ্রমণ কাহিনী ক্যটাগরীতে ফেলা যায়। আবার উপস্থিত বুদ্ধি নামে নতুন কোন ক্যাটাগরী বাইর করে সেটাতেও ফেলা যায়।

অত্যন্ত পছন্দ হইসে। অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৪

মামুন হক's picture


অনিঃশেষ ধন্যবাদ মীর ভাই Smile

১৫

রন্টি চৌধুরী's picture


সেই অমুল্য শিক্ষাটা আরেকবার পাওয়া গেল এখান থেকে। আম্রিকার এসএমএসটা না আসলে তো আর প্রায় পিটুনি খাওয়া লাগত না। নারীজাতি আর ট্রাক থেকে একশহাত দুরে থাকাই উত্তম।

১৬

মামুন হক's picture


এক্কেবারে হককথা কইসেন। তয় তখন বয়স কম আছিল, জোশ ছিল বেশি। এখন আর কেউ এসেমেস দিলেই ফোন করতে ফাল দিয়া পড়ি না Smile

১৭

সাইফ তাহসিন's picture


মিয়া জানের পাশ দিয়া ঘুইরা কানের লতিতে হালকা ধাক্কা দিয়া গুলি গেছে! যাউকগা, লুল ফালাইতে গিয়া মিয়া কঠিন মাইর খাইতাম লইছিলেন, কিন্তু কেডা জানি আপনারে মিস করতাম লাগছিল, হের কি হইল? চামের উপ্রে বামে দিয়া সেইটা চাইপা গেলেন যে খুব?

১৮

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


ইয়ে...আমিও ঐটাই ভাবতাছিলাম

১৯

মামুন হক's picture


সেই প্রসঙ্গ এই গল্পে ইররেলেভেন্ট Wink

২০

নজরুল ইসলাম's picture


মামা, মজা হইছে

২১

মামুন হক's picture


থ্যাঙ্কস মামা

২২

শওকত মাসুম's picture


একদমই চর থাপ্পর খান নাই?

২৩

মামুন হক's picture


না ভাইজান, ধাক্কা-মুক্কা খাইসি, তয় চড় থাপ্পড় কপালে জুটে নাই আধখানও। ক্যান খাইলে খুশি হইতেন বুঝি?

২৪

টুটুল's picture


আপ্নারে লইয়া বরাবরই হিংসিত...
কিরম সুন্দর কৈরা খালি দেশবিদেশ ঘুরেন Sad
দুই বাবু কিরম আছে?
মনে রাইখেন আমার পুলায় আইতাছে... তারে জানি এসএমএস না করে Wink

২৫

মামুন হক's picture


কী যুগ আইলো, আপন মাইনষেই খালি হিংসায় !
দুই বাবু আছে বেশ আরামে, শো শো আওয়াজে বোতল খায় আর বাপের কোলে উঠেই বমি করে দেয় Smile
আপনের পোলারে এসেমেস দিব না, এক্কেবারে যাদু-টোনা করে নিয়া আসবো। সুতরাং পুলা সাবধান Tongue

২৬

তানবীরা's picture


এটার পরের পর্ব কবে আসবে, মানে ঐ আমেরিকান মাইয়ারে ফোন করে ধরা খাওয়ার গল্পটা Tongue

২৭

মামুন হক's picture


আফাগো, এর আর কোথাও কোনো পর্ব নাই। সেই মাইয়ার কথা আমি আর মনেই আনি না, আনলেই মেজাজ খারাপ হয়। কাচা বয়সে অনেক ধরা খাইছি আর কি।

২৮

তানবীরা's picture


কাঁচা বয়সে মানে কি? পাষ্ট টেন্স কেনো? আপ্নে কি এখন পাকনা? Wink

২৯

মামুন হক's picture


আপা, পুরা ঝুনঝুনা হয়ে গেলাম, দুই মেয়ের বাপ হইলাম এখনও আপনার সন্দেহ গেল না! সেইদিন কয়েকগাছি পাকনা চুলও পাইছি মাথায়, এখনও কি আর কাঁচা আছি? Smile

৩০

রাফি's picture


হাহাহা......মজা পাইলাম......

শক্ত মাইর না খাওয়ায় অভিনন্দন...... Tongue

৩১

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ রাফি। ভালো থাকবেন Smile

৩২

হাসান রায়হান's picture


আপনার লেখায় যাদু আছে।

৩৩

মামুন হক's picture


ধুর মিয়া, শরম দিয়েন না কইলাম Smile

৩৪

মামুন ম. আজিজ's picture


চরম

৩৫

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ Smile

৩৬

মাহবুব সুমন's picture


আপনার লেখায় যাদু আছে Smile

৩৭

মামুন হক's picture


ধুর মিয়া শরম দিয়েন না Smile

৩৮

মেসবাহ য়াযাদ's picture


নিজের অভিজ্ঞতার কতা মনে পৈড়া গেলো... কলকাতাতে... চমৎকার লেখেন বলেই ভালো লাগে, আমার আর আমাদের...

৩৯

মামুন হক's picture


আপনার অভিজ্ঞতার কথাও জাতি জানতে চায় বস।
ভালো কথা, শইল ভালা তো?

৪০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


হ, আগের থনে বালা আছি... তয় সেই দিনের ঘটনা ভাবলেই ডর লাগে... অনেক বড় কিছু ঘটতে পারতো...

৪১

তায়েফ আহমাদ's picture


হোয়াট আ কাহিনী! Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud Laughing out loud

৪২

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ ভাই Smile

৪৩

নুশেরা's picture


অভিজ্ঞতার অধিকার আর বয়ানকৌশল দু্টোতেই আপনি অদ্বিতীয়!

৪৪

মামুন হক's picture


আপামণি আপনেও শরম দেন! যামু কই কন Smile

৪৫

নাহীদ Hossain's picture


খারাপ না ... দিল্লীকা লাড্ডুর অনতিবিলম্ব পরেই ঠান্ডা লেম্বুকা জুস্‌ (তাও মাগ্‌না) ... Wink

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.