ইউজার লগইন

হংকং ইমিগ্রেশন ও সর্ষের তেল বৃত্তান্ত -২

সবাইকে এতদিন অপেক্ষায় রাখার জন্য দুঃখিত। আসলেই একটু ঝামেলায় ছিলাম। মূল ঘটনায় ফিরে যাই চলুন ।

আবারও দুঃখিত অ্যাড বা ব্যাডভেঞ্চারের গন্ধ ছড়িয়ে হাপিস হয়ে যাবার জন্য। ঘর পোড়া সিঁদুরে মেঘ দেখলেও ডরায়—আমার অবস্থা হয়েছিল অনেকটা সেরকম। পকেট খালি, যাবার জায়গা নেই, অতীতে দফায় দফায় মানুষে বিশ্বাস করে ঠকে নিজের উপরেও বিশ্বাস নড়ে যাওয়া - মোদ্দাকথা সব মিলিয়ে দু’চোখে নানান রঙের তারার ঝিলিমিলি। তবুও জীবন বয়ে চলে, নিজেকেও এগিয়ে যেতে হয়। সাত-পাঁচ ভাবতে ভাবতে স্টেশনের বাইরে বেরিয়ে আসি। রাস্তার ওপারেই প্রাসাদোপম শাংরি লা হোটেল। ওখানকার লাউঞ্জে ঘুরে ফিরে রাতটা কাটিয়ে দেব কিনা ভাবছিলাম, নিজের বেশভূষার দিকে তাকিয়ে একেবারে ছন্নছাড়া বলে মনে হলোনা। ভাবটাব ঠিক রাখতে পারলে লাউঞ্জের সোফা, বাথরুম আর স্মোকিং এরিয়া মিলিয়ে হয়তো রাতটা কাটিয়ে দেয়া যেতে পারে। সকাল হলে প্রয়োজনে বিনা টিকেটেই ফিরে যাব হংকং। যা কপালে আছে তাই হবে।

এই ভেবে যখনই রাস্তা পাড়ি দিতে যাব তখনই স্টেশনের ভেতর থেকে হন্ত দন্ত হয়ে ছুটে বেড়িয়ে এলেন সেই বড় ভাই। সাক্ষাৎ দেবদূতের মতো। হাঁপাতে হাঁপাতে আমাকে কতক্ষণ ঝেড়ে নিলেন আগে, আমার কথা শোনার আগেই। জানালেন আমার জন্য ট্রেনের ভেতরে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত অপেক্ষা করে নেমে গিয়েছেন। আমার কোন বিপদ আপদ হলো কিনা ভেবে স্টেশনের ভেতরে বাহিরে সবখানে খুঁজেছেন হন্যে হয়ে একে একে কয়েকবার। এইমাত্র ইমিগ্রেশন অফিসারদের অনুরোধ করে জেনে নিয়েছেন আমাকে ভেতরে আটকে রাখা হয়েছে কিনা। সেখানেও না পেয়ে শেষবারের মতো রাস্তায় খুঁজতে এসেছেন, না পেলে হাল ছেড়ে দিতেন।

কী কপাল! মানুষের উপরে আসলেই আস্থা হারাতে নেই কোনকালে।

সে রাতে আমরা শেনঝেনে আস্তানা গাড়া চট্টগ্রামের এক ভদ্রলোকের বাড়িতে গিয়ে উঠলাম। পরদিন দুপুরে যাই গুয়াংজো। শেনঝেনে একরাত আর পরে গুয়াংজোতে চার রাত মিলিয়ে অ্যাডভেঞ্চার না হোক নানান রঙের মানুষ দেখার পাশাপাশি বিচিত্র সব অভিজ্ঞতা হয়েছিল। সে প্রসঙ্গে অন্য আরেকদিন আসা যাবে—দীর্ঘ মানসিক প্রস্তুতির দরকার হয় কিছু কিছু ঘটনা নিয়ে লিখতে গেলে।

পরের ঘটনা হংকং এয়ারপোর্টে। আমি ফিরে আসছিলাম কোরিয়া থেকে। অবস্থা তখন কিছুটা ভালো, আলোর দিশা দেখছি খানিকটা। এক দেশী সহযাত্রীর সাথে আলাপ হলো ফেরার পথে। ভদ্রলোক দীর্ঘদিন কোরিয়া ছিলেন। হঠাৎ করে ২০০২ বিশ্বকাপের আগে  অবৈধ অভিবাসীদের বিরুদ্ধে শুরু হওয়া ধরপাকড়ের শিকার ডিপোর্টেড হয়েছেন। আপাতত যাচ্ছেন হংকং, সেখান থেকে মাস কয়েক পরে নতুন পাসপোর্ট নিয়ে আবার কোরিয়া যাবার চেষ্টা করবেন। তাকে সান্ত্বনা দিলাম, সাহস জোগাতে চেষ্টা করলাম। যদিও সব হারানোর কষ্টের উপশম মুখের কথায় হয়না।

হংকং এয়ারপোর্টে নেমে আমি বিনা ঝামেলায় ইমিগ্রেশনের পালা চুকিয়ে লাগেজ নিতে যাচ্ছি। কী ভেবে পেছনে তাকিয়ে দেখি সেই লোকটিকে দু’জন অফিসার মিলে কোথায় যেন নিয়ে যাচ্ছে, আর সে শুন্যে দু’হাত ছুড়ে ইশারায় আমার দৃষ্টি আকর্ষণের চেষ্টা করছে। ইমিগ্রেশন কাউন্টার পেরিয়ে আসলে আবার সেখানে ফিরে যাওয়া যায়না। কাচের দেয়ালে নো এন্ট্রি সাইন লটকানো, আইন ভেঙ্গে ঢুকলে বড় অংকের জরিমানা। কিন্তু লোকটিকে ওভাবে টেন-হেঁচড়ে নিয়ে যেতে দেখে আমি ফিরে না গিয়ে পারলাম না। ভেতরে আবার যেতে নিতেই পথ আটকালো এক মহিলা অফিসার। তাকে বললাম আমার এক বন্ধুকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ধরে নিয়ে গেছে, সে ইংরেজী জানেনা। আমাকে যেতেই হবে তাকে সাহায্য করতে। মানবিক কারণে যেন আমাকে এই সুযোগটা দেয়া হয়। আমাকে অ্যারেস্ট করে নিলেও আপত্তি নেই। মহিলা হেসে ফেললেন। জানালেন তার দরকার পরবেনা, তারপর সাথে করে নিয়ে গেলেন ভেতরের কাস্টডিতে। সেখানে দেখি বেচারা মুখ চুন করে বসে আছে। কোরিয়া থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে, এখন হংকং থেকেও যদি বের করে দেয় তাহলে দেশে গিয়ে রিকশা চালানো ছাড়া কোন উপায় থাকবেনা। আমি তাকে অভয় দিলাম, বুঝিয়ে বললে হয়তো তাকে আটকাবেনা।

তারপর প্রায় ঘন্টাখানেক তাকে নিয়ে যমে-মানুষে টানাটানি। সত্য-মিথ্যা মিলিয়ে নানান কথার ফুলঝুড়ি ছুটিয়ে, বিস্তর তর্কবিতর্ক করে, শত শত প্রশ্নের উত্তর আর সবশেষে ব্যক্তিগত মুচলেকা দিয়ে তাকে পুলসিরাত পার করে নিয়ে আসলাম। বাইরে এসে বেচারা একটা রঙচটা একশ’ ডলারের নোট বের করে আমাকে সাধে—‘ভাই আপনে চা-পানি খাইয়েন।’ চোখে মুখে কৃতজ্ঞতার আভা। একটা রামধমক দিয়ে টাকাটা তার পকেটে গুঁজে দিলাম। কাকের মাংস কাকে খায়না।

আরও মাস কয়েক পরের ঘটনা। দেশ থেকে এক বন্ধু এসেছেন বায়িং হাউসের কাজে। তার রমরমা ব্যবসা। আমি টুকিটাকি সাহায্য করি। দু’জনেরই হংকং ভিসা শেষ হয়ে যাওয়ায় সিদ্ধান্ত নিলাম চায়না না গিয়ে এবার ম্যাকাও ঘুরে এসে ভিসা নবায়ন করার। সমুদ্রপথে যেতে হয়। ঘন্টাখানেকের যাত্রা। ফেরিতে উঠে আগডুম বাগডুম গল্পগুজবেই রাস্তা কাবার। ম্যাকাও আমি আগেও গিয়েছি, বন্ধুর সেবারই প্রথম। সহসা কাউকেই সেখানে ইমিগ্রেশনে আটকানো হতোনা। হাসিমুখে দু’জন পাসপোর্ট জমা দেই। কী কাণ্ড- আমাকে ভিসা দিলেও আমার বন্ধুটিকে আটকে দিল। কোন কারণ দর্শানো ছাড়াই। কোন যুক্তি-তর্ক, অনুরোধ কিছুতেই কাজ হলোনা। শুধুমাত্র সবুজ পাসপোর্টধারী হবার অপরাধে তাকে নিয়ে গিয়ে ফিরতি ফেরিতে উঠিয়ে দেয়া হলো। চুপচাপ তাকিয়ে দেখা ছাড়া আর করার কিছুই ছিলনা। বেশ কিছুক্ষণ ঝিম ধরে থেকে, হঠাৎ একাকী হয়ে যাবার যন্ত্রণা আর মাথা চাড়া দিয়ে ওঠা অক্ষম ক্ষোভটাকে কোৎ করে গিলে ফেলে ধীর পদক্ষেপে টার্মিনাল ছেড়ে জনারণ্যে মিশে যাই। জীবন বহতা নদীর মতো—চাইলেও স্থির হয়ে থাকা যায়না।

সেই বন্ধুটির সাথে আমার এরপর আর কোনদিনই দেখা হয়নি।

যদিও লিখতে বসেছি ইমিগ্রেশনে ঘটে যাওয়া কাণ্ড-কীর্তি নিয়ে তবুও ভেতর বাড়ির একটা অভিজ্ঞতার কথা আপনাদের সাথে শেয়ার করতে ইচ্ছে করছে।

 ম্যাকাও এক সময় পর্তুগীজ কলোনী ছিল। এখনো শহরের নানা স্থাপত্য আর গঠন-প্রকৃতিতে তার ছাপ দেখা যায়। যদিও ম্যাকাওতে পর্যটকদের একটা বড় অংশ যেত মূলত জুয়া খেলতে, ঝলমলে সব ক্যাসিনো চারদিকে। ম্যাকাওকে সম্ভবত এখনো প্রাচ্যের লাস ভেগাস বলে ডাকা হয়। ওখানকার মুদ্রার নাম ছিল পাতাকা। মুদ্রার মান হংকং ডলারের মতোই। সে রাতটি এক সস্তা হোটেলে কাটিয়ে পরেরদিন বিকেলেই ফিরে আসার প্ল্যান। সকালে ঘুম থেকে উঠে ভাবলাম হাঁটাপথেই একটু ঘুরে ফিরে দেখে আসি চারপাশ। হাঁটতে হাঁটতে শহরের মূল কেন্দ্রে চলে এলাম। বিশাল সব ক্যাসিনো সেখানে, দিন রাতের কোন বালাই নেই, চব্বিশ ঘন্টাই রমরমা। মানুষ যে পয়সা ওড়াতে এতটা ভালোবাসে সেটা ওখানে না গেলে হয়তো জানাই হতোনা।

পথের পাশে দেখি এক থুত্থুড়ে বুড়ি ভিক্ষা করছে। কুঁজো হয়ে হাঁটে , দেখে খুব মায়া হলো। পকেট হাতড়ে খুচরো পয়সা যা ছিল বের করে দিলাম। ফেরার পথে দেখি সেই বুড়ি গুটিগুটি পায়ে রাস্তা পেরিয়ে হেঁটে চলেছে বিশাল এক ক্যাসিনোর দিকে। ভাবলাম দেখি বুড়ি কই যায়, কী করে। আমিও পিছু নিলাম। বুড়ি গিয়ে ঢুকলো লিসবোয়া নামের এক ক্যাসিনোতে—ভেতরে ঢুকে আক্ষরিক অর্থেই আমার চোখ ধাঁধিয়ে গেল। সে বর্ণনায় যাচ্ছিনা। বুড়ির কাহিনী বলি। তাকে দেখলাম পাহারাদারেরা কেউ আটকালো না—সম্ভবত নিয়মিত খদ্দেরই হবে সে। রূপকথার গল্পের মতো বয়সের গাছ-পাথর বোঝা দুষ্কর সেই বুড়িমা হাঁচড়ে পাচড়ে গিয়ে বসলো সারি সারি স্লট মেশিনগুলোর একটিতে। তারপর থলে থেকে মুদ্রাভর্তি একটা পোটলা বের করে খেলতে শুরু করলো। আমি অনেকটা হা করেই তার কাণ্ডকীর্তি দেখছি। দেখি সে হেরেই চলেছে। কিন্তু কোন বিকার নেই। হারতে হারতে যখন তার পয়সা একেবারে শেষের দিকে ঠিক তখনই তিরীক্ষী আওয়াজে তার স্লট মেশিনটি বেজে উঠলো। চারপাশ থেকে আরও অনেকে ছুটে এল বিষয়-আশয় জানতে—ঘটনা হলো পাঁচ পয়সার মেশিনে বুড়ি জ্যাকপট জিতেছে। ঝুনঝুন করে পয়সা পড়ছে তো পড়ছেই।  একটানা কয়েক মিনিটের ঝন ঝন আওয়াজের পরে মেশিন যখন থামলো তখন বুড়ির সামনে ছোটখাটো একটা মুদ্রার পাহাড়। অ্যাটেন্ডেন্টকে জিজ্ঞেস করে জানলাম দু হাজার পাতাকা জিতেছে সে। ফোকলা মুখে বুড়ির সে কি হাসি! আজও মনে পড়ে।

বুড়ি নিজেও জানেনা সবার অলক্ষ্যে এই অভাগাকে সে কী অদ্ভুত শক্তিশালী এক অনুপ্রেরণা জোগালো। জুয়া খেলার নয়—আশা না হারানোর, দমে না যাবার, হার না মানার। জীবনও হয়তো এক নিরন্তর জুয়া খেলা, হয়তো নয়। কিন্তু হারার আগেই হেরে বসে থাকলে নিজের প্রতি করুণাটুকুও অরণ্যে রোদন হয়ে দাঁড়ায়।

জীবন যুদ্ধে প্রশ্নাতীত আত্মসমর্পণের খালে কেবল নিদারুন আত্মপীড়নের কুমিরই ঘর বাঁধে।

                                                (চলবে)

 

পোস্টটি ১১ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাস্কর's picture


জীবন যুদ্ধে প্রশ্নাতীত আত্মসমর্পণের খালে কেবল নিদারুন আত্মপীড়নের কুমিরই ঘর বাঁধে।

যা তা লাইন লিখছেন...আপনে বুড়ির কাছ থেই ইন্সপিরেশন পাইছেন আমি আপনের থেইকা পাইলাম...

লেখা চলুক তার নিজের গতিতেই...

মামুন হক's picture


চলবে বস। এভাবে উৎসাহ দেন বলেই তো আবঝাব লিখে পাতা ভরাই Smile

হাসান রায়হান's picture


এইটাও দারুন| নেভার গিভ আপ !

মামুন হক's picture


হ, গিভ আপ করে খালি হারু পাট্টির লুকেরাই। চলতে চলতে রাস্তা কিন্তু ঠিকই বেরিয়ে যায়।

টুটুল's picture


জীবন যুদ্ধে প্রশ্নাতীত আত্মসমর্পণের খালে কেবল নিদারুন আত্মপীড়নের কুমিরই ঘর বাঁধে।

কঠিন বস Smile

ভাষ্করদার সাথে সহমত Smile

মামুন হক's picture


ধন্যবাদ দিয়ে খাটো করুম না। আপাতত কৃতজ্ঞতাটুকুই বুঝে নেন Smile

নজরুল ইসলাম's picture


কঠিন হইছে মামা... দূর্দান্ত... লিখে যা...
আবারো বলি, তোর এই যাযাবর জীবন নিয়ে একটা বই লিখে ফেল। আগামী বইমেলায় মোড়ক উন্মোচাইতে চাই...

মামুন হক's picture


এইসব দিয়ে বই হয়? এগুলাতো নিত্যদিনের প্যাচালী মামা। আমার ইচ্ছা আছে ভালো কিছু গল্প লেখার, কিন্তু সেই এলেম এখনো বশে আসে নাই।

নজরুল ইসলাম's picture


গল্প অবশ্যই লিখবি, সেটার বইও অবশ্যই হবে। তুই কোয়েলহোর অনুবাদ এখনো শেষ করছ নাই, সেইটাও আছে।

আর এসব নিয়ে বই হয় রে পাগলা। দারুণ বই হয়। তুই হইলি গৃহত্যাগী জোছনা... লিখে ফেল মামা গৃহত্যাগের আদ্যোপান্ত... এ জীবন সবাই পায় না।

১০

নীড় সন্ধানী's picture


ভ্রমনকাহিনীর সাথে জীবনের কঠিন দর্শনের সরল চিত্রনটা ভালো লেগেছে। পরবর্তী পর্ব আসুক। কন্যার মায়ের সুস্থতা কামনা করছি।

১১

মামুন হক's picture


অনেক ধন্যবাদ ভাই। পরের পর্ব আসবে Smile

১২

মাহবুব সুমন's picture


আশা না হারানোর, দমে না যাবার, হার না মানার। জীবনও
হয়তো এক নিরন্তর জুয়া খেলা, হয়তো নয়। কিন্তু হারার আগেই হেরে বসে থাকলে
নিজের প্রতি করুণাটুকুও অরণ্যে রোদন হয়ে দাঁড়ায়।

জীবন যুদ্ধে প্রশ্নাতীত আত্মসমর্পণের খালে কেবল
নিদারুন আত্মপীড়নের কুমিরই ঘর বাঁধে।

১৩

মামুন হক's picture


আমার গুল্লি দিয়াই আমারে মারলেন !Innocent

১৪

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


চলবে চলুক...

মানুষ কতো ঘাত-প্রতিঘাতে আশা হারায়, আর জীবনের কি বিচিত্র মোড়ে গিয়ে আবার আশা ফিরে পায়!

১৫

মামুন হক's picture


সেটাই রে  ভাই...রোলার কোস্টারে পেতেছি আসন...ঝাঁকুনিতে কী ভয়!

১৬

শওকত মাসুম's picture


মানুষের উপরে আসলেই আস্থা হারাতে নেই কোনকালে।

১৭

মামুন হক's picture


হ, হারাইলেই সব অর্থহীন হয়ে যায়।

১৮

সাঈদ's picture


হাঁটতে থাকলে এক সময় না এক সময় পথের দেখা পাওয়া যাবেই ।

১৯

মামুন হক's picture


জ্বি। কখনো হাঁটতে হয়, কখনো দৌড়াইতে লাগে, কখনো জিরাইতেও হয়। পথেই আছে পথের দিশা।

২০

অদ্রোহ's picture


এইসব পোস্ট পড়লে ব্যাপক হিংসায়িত বোধ করি Frown ,আসলেই ,দেখা হয় নাই চক্ষু মেলিয়া ...

পোস্ট চলুক ।

২১

মামুন হক's picture


চক্ষু মেলিয়া দেখিয়া ফালান, চক্ষু মুদিবার আগেই Smile

২২

নুশেরা's picture


মামুনভাই, অধমের একটা অনুরোধ, দাবীও বলতে পারেন। শিরোনামটা বদলান প্লিজ। এই শিরোনামের আওতার মধ্যে থাকতে গিয়ে আপনি আপনার লেখনীস্রোতকে বাধা দিচ্ছেন, আমরা বঞ্চিত হচ্ছি। আজকের পর্বে অন্ততঃ তিন পর্বের বিস্তার এড়িয়ে গেছেন, জায়গামতো সেগুলো আসুক। সঙ্গে আসুক অসাধারণ জীবনবোধের অসামান্য প্রকাশক নিজস্ব শব্দবাক্যগুলো (উদ্ধৃতির পুনরাবৃত্তিতে গেলাম না); অবাধে, স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এই লেখা বই হবে, হতেই হবে। কোন ছাড়াছাড়ি নেই!

২৩

মামুন হক's picture


নুশেরাপা আপ্নের পর্যবেক্ষন সঠিক। শিরোনাম দিয়ে আটকে গেছি, এখন ডাল-পালা ছড়াতে গেলে অপ্রসঙ্গিক মনে হতে পারে। আরেকটা পর্বেই এটা শেষ করে দিব, তারপর নতুন কিছু লিখবো। অবশ্যই ফ্লেক্সিবল শামিয়ানার নীচে Smile

২৪

তানবীরা's picture


চলুক

২৫

রাসেল আশরাফ's picture


আশা না হারানোর, দমে না যাবার, হার না মানার। জীবনও হয়তো এক নিরন্তর জুয়া খেলা, হয়তো নয়। কিন্তু হারার আগেই হেরে বসে থাকলে নিজের প্রতি করুণাটুকুও অরণ্যে রোদন হয়ে দাঁড়ায়।

জীবন যুদ্ধে প্রশ্নাতীত আত্মসমর্পণের খালে কেবল নিদারুন আত্মপীড়নের কুমিরই ঘর বাঁধে।

আসলেই আপনি একটা জিনিশ।

২৬

মীর's picture


আমি যেই লাইনগুলো কোট করতে চেয়েছিলাম, সেগুলো আগে অনেকেই করেছেন। মামুন ভাই'র এই সিরিজটা আজ রাতের মধ্যে কমপ্লিট করে ফেলার ইচ্ছে রাখি। ভাই আমার কাছে সৈয়দ মুজতবা আলী'র মতো মনে হচ্ছে। ভ্রমণকাহিনীর সঙ্গে নিজের উপলব্ধি মিলিয়ে সরল ভাষায় বর্ণনা। অ-সা-ধা-র-ণ।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.