ইউজার লগইন

বিচ্ছিন্ন আমি, আমার পানির বোতল, লাইটার, অ্যাশ ট্রে

ব্লগিং মিস করতেসি। ভালোভাবেই। এ ব্যপারেও পুরোনো একটা কথাই বলবো। আমার কোনো কিছুতে খারাপ লাগে না। মৃত্যূ ছাড়া পৃথিবীর প্রত্যেকটা বিষয়ের ভেতর থেকে আমি আনন্দ খুঁজে নিতে পারি। আর আমি বিশ্বাস করি, আনন্দ জিনিসটা সংক্রামক। এটা ক্ষনিকের জন্য হলেও মানুষকে তার সবগুলো দুঃখ একসঙ্গে ভুলিয়ে দিতে পারে। তবে এ কথাও সত্য, ব্লগিং এমন একটা বিষয় যেটা সত্যিই পোড়ায়।
মানুষের জীবন ক’দিনের? বন্ধু নাম নাই আর শর্মির সঙ্গে একদিন কথা হচ্ছিলো। জীবন নাকি দুইদিনের। দুইদিন বিষয়টা আসলে কি? ষাট বছরকে কেন দুইদিন বলছি? তখন আমার মনে হলো, মারা গেলে ‘পিসি’র সুইচের মতো সত্যি সত্যিই যদি কোনো সুইচ পারমানেন্টলি অফ হয়ে যায়’ তাহলে কি আসলেই এই সবকিছুর কোনো মূল্য থাকে?
কঠিন একটা কথা বলি; দুইদিন আসলে এমন রান্ডম দুইটা দিন, যেটার কানাকড়িসম মূল্য নেই। আমরা সবাই মহাকালের অআমলযোগ্য একটা অংশ। থাকলেও কিছু না, না থাকলেও কিছু না। কুঞ্জবনের কোথাও একটি সবুজ পাতার বিচ্যূতিও ঘটে না।
কয়েকটা একই রকম গানে বার বার ফিরে যাই। একেকদিন একেক মুডের আশায় একই গান ঘুরে ফিরে বাজাই। যার মধ্যে একটা- আমাকে আমার মতো থাকতে দাও। এই গানের সিঙ্গারটার চেহারা ভালো।
একজন নারী আছেন নুওভেলা। তার ইন আ ম্যানার অভ স্পীকিং গানটা বার বার শুনি। কারণ সেটা একটা অসাধারণ গান। নুওভেলাকে মহিলা বলতে চাচ্ছি না। কারণ মহিলারা থাকেন মহলে। আজকাল প্রকৃত মহিলা খুঁজে পাওয়া কঠিন।
গান শোনার মধ্যে একটা বিষয় আছে। একটা চার বা পাঁচ মিনিটের শো, যেটা মানুষের নিউরণের সঙ্গে মিশে যায়। অসাধারণভাবে মানুষের ভেতর প্রবেশ করে। হয়তো এজন্যই গান শুনতে শুনতে আমরা যেকোন কাজ করতে পারি। আমাকে যদি এরকম একটা চার-পাঁচ মিনিটের কিছু বানিয়ে দিতে বলা হয়, আমি পারবো না। সে ক্ষমতা হয় নি। কখনো হবে এমন আশাও রাখি না।
সহজ স্বাভাবিক ডায়েরীর মতো করে এ লেখাটা শেষ করে দিই। বেশি লাগামহীন বক্তব্য দিয়ে দিয়ে, আসলে বাড়তি ব্লগিং করতে চাই না। আজকাল সকাল সকাল ঘুম থেকে উঠছি। ছয়টা বা সাতটার পৃথিবী দেখতে কেমন লাগে, আমি জানতাম না অনেকদিন। অনেকদিন মানে দশ-এগারো বছর। ফলে দীর্ঘ অচেনা একটা রাস্তা আমায় পার হতে হয় সারাদিনে। আমি আগে অসামাজিক ছিলাম। এখন সে পর্যায় পেরিয়ে ওয়াইল্ড হয়ে গেছি।
একটা ক্রস্ এক্সট্রা ম্যারিটাল আফেয়ার নিয়ে ভাবছি। যেখানে নায়ক আর নায়িকা হবে নিজ নিজ সংসারের নায়ক আর নায়িকা। কিন্তু তারা সেখানে অতৃপ্ত থাকবে। এবং সেটা কেউ কাউকে বলবে না। শুধু কখনো পথে বা কাজে কোথাও বা এমনিই কোথাও দেখা হয়ে গেলে, আর কোনোভাবে চোখে চোখ পড়ে গেলে বুঝে নেবে। ওরা হয়তো খুব স্বাভাবিকভাবেই আকণ্ঠ চুমুতে জড়িয়ে নেবে নিজেদেরকে।
এককালে বাংলার মানুষ সাত সের দুধ জ্বাল দিয়ে দিয়ে এক সের বানিয়ে খেতো। শুনে আমার অত্যন্ত আনন্দ হয়েছে। আজীবনই আমার সন্দেহ যে, বাঙালির শরীরে জমিদার ছাড়া আর কোনো গ্রুপ পিপলের রক্ত নেই। সেটা ক্রমাগত সত্য প্রমাণিত হয়ে চলেছে। আমাদের শূদ্র্যস্য শূদ্র লোকটিও নিশ্চই অন্যান্য জাতির শূদ্রদের তুলনায় জমিদার ছিলো। আর সেইসব জমিদারেরা ছিলো অপরিণামদর্শী। ভবিতব্যকে ওরা ওস্তাদের ইচ্ছা হিসেবে জীবনের খেরোখাতায় লিপিবদ্ধ করে ফেলতে পারতো। যে কারণে আজ আমাদের এই দশা। গতকালের জমিদার আজ রাস্তার ফকির হয়ে ওস্তাদকে দুষতে বসে যেতো। এবং পারতোও। বাকী জীবনটা কাটিয়ে দিতো অভাব-অনটন, দুঃখ আর দুর্দশায়।
আমাদের ধমনীতে সর্বশেষ জমিদারী রক্তপ্রবাহের নিশানটি সম্প্রতি আবিস্কার হয়েছে। সেটা হচ্ছে, আমরা একটা বেনিয়া গ্রুপের সঙ্গে প্রডাকশন শেয়ারিং কন্ট্রাক্ট করেছি। বিদিক চুক্তি। চুক্তিতে আমাদের জমিদারী-কাছা আশি পার্সেন্ট (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষক দাবি করেছেন চুক্তির সর্বোচ্চ লাভটুকু পেলে এই পার্সেন্ট ৬৪ তে নেমে দাঁড়াবে) আলগা হয়ে যাবে। অবশ্য বেনিয়া গ্রুপ যেখানে নিজেদের নিউজ রিলিজেই অংশীদার আর বিনিয়োগকারীদের জন্য ঘোষণা দিয়ে রেখেছে, কনোকোফিলিপস্ হোল্ডস্ হান্ড্রেড পার্সেন্ট অভ দ্য ওয়র্কিং ইন্টারেস্ট ইন দ্য পিএসসি; সেখানে আমি এই তর্ককে জরুরি মনে করি না। খালি মেজাজ গরম হয় এটা চিন্তা করলে যে, এখানে আমাদের কিছু করার নেই। এক ভয়ংকর দারিদ্রের দুষ্টচক্রে জড়িয়ে আছি সবাই। আজ না হোক কাল, কাল নাহলে পরশু নিশ্চিতভাবেই ১০ আর ১১ নম্বর ব্লক থেকে গ্যাস উঠবে আর সে গ্যাস ওরা নিয়েও যাবে। জিনিসটা তাকিয়ে তাকিয়ে দেখা ছাড়া কিছু করার থাকবে না।
অবশ্য এর মধ্যে আমার একটা বাড়তি কথা আছে। আমি নৈরাশ্যবাদী নই। এই দেশে জন্ম নিতে পেরে নিজেকে ওস্তাদের ব্লেসড্ চাইল্ড বলে মনে হচ্ছে। লড়ার জন্য একটা যুদ্ধক্ষেত্র পেয়েছি। এ দেশ থেকে এককালে বড় বড় বীরেরা জন্ম নিয়েছেন। এই হচ্ছে সেই ক্ষেত্র। জাস্ট অল উই হ্যাভ টু বী ব্রেভ এনাফ। সাহস করে কি করা যায়, সেটা ভাবার চেষ্টা করছি। এই কাজটা একটু ভেবেচিন্তেই করতে হবে। উপায় নেই। ঘুরে দাঁড়ানো কোনোকালে কারো জন্য সহজ ছিলো না। আজ নয়াসাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতার রাজনীতির কাছে মার খেয়ে আমি নিজের সম্পদের দাবি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছি ঠিকই, কিন্তু একদিন সুদে-আসলে তুলে আনবো এর বদলা। সেটা আনবোই। সেজন্য কেবল একটা সময়ের অপেক্ষা।
ভাবনাচিন্তার পাশাপাশি মুভিও দেখছি এবং উইয়ার্ড অবস্থায় একেকটা একেক ধরনের আউট অভ বক্স দিনও পার করছি। আমি ছোটবেলায় অনেক দিন চিন্তিতমুখে পায়চারি দিয়েছিলাম, কিছু কথা ভাবতে ভাবতে। তার মধ্যে একটা হচ্ছে, পাখিদের হাড় হয় ভীষণ নরম। তাহলে ওরা পড়ে গেলে, হাড়গোড় ভাঙ্গে না কেন? জিনিসটা বুঝতাম না তখন। আবার অনেকদিন পর্যন্ত আমি জানতাম না, টেলিভিশনের ভেতর মানুষ কিভাবে ঢোকে- এই প্রশ্নটার উত্তর।
এসব পূর্ণাঙ্গ অপ্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার সময়টা ছিলো, আমার জীবনের দ্য প্রেশাস্ মোস্ট টাইম। আমার হারিয়ে যাওয়া ছেলেবেলা। আমি একসময় পিচ্চি ছিলাম। এখন এ কথা ভাবতে বসলে সেই পিচ্চিকালের অনুভূতিটা আর পাই না। কারণ ছেলেবেলা অনেক দূরে ফেলে এসেছি। এরচে’ বেশি দুঃখের ঘটনা আমার সঙ্গে কমই ঘটেছে।
আশপাশের প্রিয় মানুষেরা আমার ওয়াইল্ডলিনেস্ সম্পর্কে জানেন। আসলে অসাধারণ কিছু মানুষ বাস করে আমার আশপাশে। আমি তাদের সবাইকে, এমনকি মানসিকভাবে অনেক ক্রূয়েল ও ম্যচিওর্ড যারা তাদেরকেও ভীষণ ভালবাসি। আর আমি দেখেছি, ভালবাসাটা কখনও বৃথা যায় না। যে কারণে নগরীর এই ব্যস্ত ও ধারালো ধূলিকণায় পূর্ণ জীবনের একটা অংশ হয়ে আজো টিকে আছি।
আজকাল প্রকৃত তৃষ্ণার্তের আকুতি বুঝতে পারি। টের পাই নিস্পৃহ হতে পারার ভীষন প্রয়োজনীয়তা। অনেক আগে মনে হয় আইজ্যাক আসিমভের গল্পে পড়েছিলাম, একটা মানুষ টাইম মেশিনে করে চলে যায় অনেক অতীতের কোনো এক সময়ে। সেখানে তাকে বলে দেয়া হয়, কোনো প্রাণী এমনকি গাছের পাতা বা ঘাসের ডগাও ছোঁয়া যাবে না। সেসবের ক্ষতি করা যাবে না। কেননা সে সময়ের সামান্য স্পর্শগুণে প্রভাবিত হয়ে, হাজার বছর পর কোনো একটা প্রজাতি বা গাছ বিকৃত হয়ে জন্মাতে পারে। আমার মনে হয় আজো প্রকৃতির যেকোন সুর, তা মানুষেরই হোক বা আর যা কিছুরই হোক; সেটাকে একটুও নাড়ানো উচিত না মানুষের। বরং যা যেমন চলছে ঠিক তেমনই চলতে দেয়া উচিত। না জানি না জেনে এতদিন কত কিছুর স্বাভাবিক বির্বতনকে প্রভাবিত করেছি আমি নিজেই। এখন আমার আর কোনো কিছু ছুঁতে ইচ্ছে করে না। শুধু যদি চুপচাপ বসে বাকী জীবনটা পার করে দিতে পারি, তাহলেই আমার চাওয়া-পাওয়া পূর্ণ হয়।
আলেয়া তুমি যতই আমায় ডাকো,
তোমার আড়াল জীবনই আমায়
আড়ালে রাখে জানো?
তাই তোমায় আমি পোড়াই না।
---

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ফিরোজ শাহরিয়ার's picture


লেখা পড়ার আগেই কমেন্ট করলাম। পড়ে আর একটা করবো। এবার কিন্তু ব্লগ থেকে বিছিন্ন হয়েন না।

জ্যোতি's picture


ব্লগিং তো মিস করারই কথা। ব্লগের মানুষগুলো যে আপনাকে প্রচন্ড রকমের মিস করছিলো!

থাকলেও কিছু না, না থাকলেও কিছু না। কুঞ্জবনের কোথাও একটি সবুজ পাতার বিচ্যূতিও ঘটে না।

না থাকলে অনেককিছু। না থাকলে প্রিয়মানুষগুলো জানে কতটুকু ভরে ছিলো ।

ফিরোজ শাহরিয়ার's picture


শেষের কথাগুলোতে দুঃখ পেলাম। আর একটা কথা বুঝতে পারলাম না। সেটা হলো- আমি আগে অসামাজিক ছিলাম!

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


প্রকৃতির সুর আমরা অনেক আগেই পাল্টায় ফেলছি। যেদিন আগুন আবিষ্কার করছি। আসলে প্রকৃতিও চায় আমরা এ সুর পাল্টাই, তা নাইলে মাথায় এতো বুদ্ধি দিল কেন? বুদ্ধি আছে দেখেই সারভাইভ করতে গিয়ে বাকি সব নিয়ম ভাংতেছি। একসময় মহাপ্রলয় আসবে...সেটা আসার প্রাকৃতিক উপায় হইলো আমরা ঠিক এরকম করে প্রকৃতির সুর পাল্টাতে থাকবো।

সামছা আকিদা জাহান's picture


আমারই চেতনার রঙ্গে পান্না হল সবুজ, চুণী উঠলো রাঙ্গা হয়ে
আমি চোখ মেললাম আকাশে জ্বলে উঠলো
পূবে পশ্চীমে
তুমি বলবে, এ তত্ত কথা
আমি বলবো, না এ সত্য, তাই এ কাব্য।---

আমরা সবাই কঠিম সময় পার করি জীবনের প্রতিটিদিন এবং প্রতিটি অনাগত দিনের ভাবনায়, তাই বাদ দিন সব জটিলতা আসুন শুধুই হাসি যে টুকু পারি, স্বার্থের বাইরে যে আনন্দ তার সবটুকুই গ্রহন করি।

আলেয়া তুমি যতই আমায় ডাকো,
তোমার আড়াল জীবনই আমায়
আড়ালে রাখে জানো?
তাই তোমায় আমি পোড়াই না।
---
---- এ একে বারে বাজে কথা।

সব বাদ দিন। কোথায় ছিলেন এত দিন?? আমার মত অনিয়মিত ব্লগার ও আপনাকে খুঁজেছি। ভাল থাকুন।

লীনা দিলরুবা's picture


Smile
মীরের লেখা যেন এক যুগ পরে পড়লাম...
কবিতাটা এত ছোট কেন?

হাসান রায়হান's picture


এট দ্যা এন্ড হতাশারই সুর। আমি এখন অলমোস্ট হতাশ। থিংস আর গেটিং বেটার এইটা বেঁচে থাকতে আর দেখার আশা নাই। কিন্তু তুমি এত হতাশ কেন? হাগ দেয়া মেয়াটা থাকতে। ওকে নিয়ে লেখো।

বাফড়া's picture


মীর কি ফলিং ইন লাভ মুভিটা দেখছেন? না দেখলে দেখতে পারেন ...

রশীদা আফরোজ's picture


আলেয়া তুমি যতই আমায় ডাকো,
তোমার আড়াল জীবনই আমায়
আড়ালে রাখে জানো?
তাই তোমায় আমি পোড়াই না।
---

১০

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মীর আর মীরের লেখা বোঝার চেষ্ট করছি Sad
একদিন না একদিন ঠিকই বুঝতে পারবো... এই আশাবাদ Big smile

১১

লিজা's picture


অবশেষে ফিরলেন!! সবাই আপনার জন্য অপেক্ষা করতেছিল আর আপনি নিখোঁজ । এইটা ঠিক না । লেখা ভালো হইছে ।

১২

শর্মি's picture


আজ নয়াসাম্রাজ্যবাদী ক্ষমতার রাজনীতির কাছে মার খেয়ে আমি নিজের সম্পদের দাবি ছেড়ে দিতে বাধ্য হচ্ছি ঠিকই, কিন্তু একদিন সুদে-আসলে তুলে আনবো এর বদলা। সেটা আনবোই। সেজন্য কেবল একটা সময়ের অপেক্ষা।

আমিও শুনেছিলাম, "এই দিন দিন নয়, আরো দিন আছে..." একদিন এইদিন আর সেইদিন নিশ্চয় একই দিন হবে।

ব্লগিংয়ের দুনিয়ায় পুনরায় স্বাগতম।

১৩

মেফতাহুর রহমান মেফতু's picture


Vida sao dois dias.Ja passe um dia falta outro dia.পর্তূগীজ বাক্য অর্থাৎ জীবন দুই দিনের।
একদিন চলে গেছে এর একদিন চলছে। দয়া করে ব্লগ লেখা বন্ধ করবেন না,আপনি- আমি কালের গর্ভে হারিয়ে গেলেও ব্লগগুলো আরও অনেকদিন থাকবে।অতএব লিখুন।

১৪

ভাস্কর's picture


বহুদিন আপনের লেখা পড়লাম। মিছা কথা কমুনা, আপনের পুরান লেখা আমি আবার পড়ি নাই। কিন্তু এই লেখাটা পইড়া মনে হইলো এইটা সমস্ত আরবান টেন্ডেন্সী ওয়ালা মানুষের সার্বজনীন কনফেশান...

১৫

মাহবুব সুমন's picture


J'ai raté vous

১৬

রায়েহাত শুভ's picture


Welcome ব্যাক...

১৭

মাইনুল এইচ সিরাজী's picture


মীর, কেমন আছেন?

১৮

নাম নাই's picture


হাই মীর Wink ওয়েলকাম ব্যাক। একটা খবর দেয়ার আছে, ৩৫ ডিস্কের একটা জিবলি কালেকশন খুঁজে পাইছি। সেইখানে শর্টগুলা আছে মনে হয় কিছু, সাবটাইটেল সহ Smile, পুরাটা এখনো চেক করিনাই, করে আপডেট দিবনে। ভাল থাইকেন।

১৯

মুক্ত বয়ান's picture


স্লামালেকুম।

২০

একজন মায়াবতী's picture


থাকলেও কিছু না, না থাকলেও কিছু না। কুঞ্জবনের কোথাও একটি সবুজ পাতার বিচ্যূতিও ঘটে না।

থাকলে যেমন অনেক কিছু, না থাকলেও অনেক কিছু। না থেকে তো এতদিন দেখলেন।
তবে আপনি যদি নিজেকে কুঞ্জবনের গাছ বা সবুজ পাতা মনে করেন তাইলে ভিন্ন কথা। Tongue

২১

শওকত মাসুম's picture


থাকলেও কিছু না, না থাকলেও কিছু না। কুঞ্জবনের কোথাও একটি সবুজ পাতার বিচ্যূতিও ঘটে না।

ইটস এ ওয়ান্ডারফুল লাইফ নামে অসাধারণ একটা ছবি আছে। জীবন যুদ্ধে হেরে নায়কটি আত্মহত্যা করতে যায়। ভাবছিল হয়তো, থাকলেও কিছু না, না থাকলেও কিছু না। সে কখনো ছিল না, এমন এক সময়ে সে ফিরে যায়, গিয়ে দেখে সে না থাকায় তার চারপাশের মানুষগুলো আরও খারাপ হয়ে গেছে।
মীর ছবিটা দেখে তারপর আবার নিজের লেখাটা পড়েন।

২২

চাঙ্কু's picture


মাথার উর্পে দিয়া গেছে। কতডি কথা এক লগে !!!

২৩

তানবীরা's picture


দ্যা রিটার্ন অভ এবি কিং Big smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!