ইউজার লগইন

দিনশেষে ছাইরঙা স্মৃতিরাই শুধু অপেক্ষা করে

১.

ছোটবেলায় যখন সকালে ঘুম ভাঙ্গতো, তখন এক ধরনের উচ্ছ্বাস ভর করতো মনের ভেতর। দৌঁড়ে গিয়ে রেডি হতাম স্কুলে যাওয়ার জন্য। স্কুল ছিল এক অনন্ত আনন্দের ভান্ডার। যদিও পড়াশোনার পার্টটা খুব বেশি ইন্টারেস্টিং লাগতো না আমার, তবে ওটা ছাড়া অন্য সবকিছুতে আমি হাজির থাকতাম সবার আগে। পারি আর না পারি, ঝাপিয়ে পড়তাম প্রবল বেগে। দুরন্ত একটা শৈশব পার করেছি আমি। অবশ্য পার হয়েছে কিনা জানি না। এখনও নিজেকে শিশুই মনে হয়। ২৫ বছরের যাপিত জীবনের উপলব্ধি এটুকুই।

আমাদের স্কুলটা ছিল ইউ শেপের বিরাট একটা একতলা পাকা দালান। ইউয়ের ভেতরে একটা মাঠ ছিল আর স্কুলের বাইরে ছিল আরেকটা মাঠ। সাধারণত ক্রিকেট, ফুটবল ইত্যাদি খেলা হতো বড় মাঠটায়। আর ছোটটায় খেলা হতো ছোট ছোট খেলাগুলো। এছাড়া সকালের পিটি'টা হতো ছোট মাঠে। জাতীয় পতাকার সামনে ক্লাসওয়ারি সার বেঁধে দাঁড়িয়ে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হতো। সঙ্গীতশিল্পীরা হারমোনিয়ামে আমার সোনার বাংলার সুর তুলে চারিদিকে চমৎকার একটা পরিবেশ ছুঁড়ে দিতো। আমরা গলা মেলাতাম, তাল-লয় কোনো কিছু না বুঝেই। সবশেষে শপথ আর জাতীয় পতাকা স্যালুট করে ক্লাসে ফিরতাম। টিচার আসার আগ পর্যন্ত সময়টা কলম-ফাইট খেলে কিংবা আগের দিন কি হয়েছে-না হয়েছে ইত্যাদি বিষয়ে সহপাঠীর সঙ্গে আলাপ করে কাটতো। ক্লাসের ক্যাপ্টেন ঘুরে বেড়াতো নাম লেখার জন্য। তবে আমাদের দলের কারও নাম লেখার কথা সে স্বপ্নেও ভাবতে পারতো না।

লম্বা ও সুপ্রশস্ত একটা করিডোর ছিল স্কুলভবনের ভেতর। যেটার এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত হাঁটতে হাঁটতে গল্প করতে পছন্দ করতো সবাই। বিশেষ করে মেয়েরা। আমি অবশ্য যারা ওই হাঁটাহাটি করতো, তাদেরকে বুলিইং করতেই বেশি পছন্দ করতাম। এটার একটা কারণ হতে পারে, কারও সঙ্গে ওইভাবে গল্প করার মতো ধৈর্যশীল ছিলাম না অথবা আরেকটা কারণ হতে পারে, প্রচণ্ড ডানপিটে হওয়ায় সাধারণ ও ঠান্ডা প্রকৃতির ছেলে-মেয়েরা আমার সঙ্গে হেঁটে হেঁটে গল্প করার আগ্রহ পেতো না।

বিশাল একটা ফ্রেন্ড সার্কেল ছিল আমার। ক্লাসের সব দুষ্ট ছেলেরা সেই সার্কেলের সদস্য ছিল। চৈতি নামের একটা ডানপিটে মেয়ে নিজেকে আমাদের দলের সদস্য মনে করতো। তবে আমরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতাম, গ্রুপের সদস্য হওয়ার অন্যতম পূর্বশর্ত হচ্ছে তাকে ছেলে হতে হবে। এ কারণে চৈতির প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্বেও কখনো ওকে পূর্ণ মেম্বারশিপ দেয়া হয় নি। এখন মনে হয়, কাজটা ঠিক হয় নি। কি আর হতো, দলে একটা মানুষ বেশি হলে?

মজার বিষয় হচ্ছে, আমাদের দলটাকে উপরের ক্লাসের ছেলেরাও ভয় পেতো। আমরা খেলাধূলায় সবাই মোটামুটি ভাল ছিলাম। প্রায় প্রতি বছরই স্কুলের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় আমাদের দলে ৮-১০টা মেডেল চলে আসতো। যেকোন ক্লাসের ক্রিকেট বা ফুটবল দলকে দুমদাম হারিয়ে দেয়াটা বড় কোনো ব্যাপার ছিল না। দলে বড় ক্লাসের ভাইয়া আর আপুদের চিঠি বা চকলেট চালাচালিতে পটু ঘরানার ছেলে ছিল। আরও ছিল আন্তঃস্কুল বিজ্ঞানমেলায় নিজের 'একের ভেতর তিন' নামের ধান চাষে সহায়ক প্রজেক্ট দেখিয়ে বাঘা বাঘা লোকদের তাক লাগিয়ে দেয়ার মতো স্বঘোষিত বিজ্ঞানী। এবং ছিল আমার মতো জীবনে কখনও পড়া না পারা, হোমওয়ার্ক না করে ক্লাসে যাওয়া এবং শত্রুমনোভাবাপন্ন শিক্ষকদের চক্ষুশূল হয়ে বছর পার করে দেয়ার পর ফাইনালে ফার্স্ট বা সেকেন্ড হয়ে সবাইকে বোকা বানানোর মধ্যে পৈশাচিক আনন্দ খুঁজে পাওয়া ব্যাক বেঞ্চারও।

ডানপিটেপনার সঙ্গে যদি এই বিষয়গুলো যোগ হয়, তাহলে বাহির থেকে যেমনই দেখাক, ভেতর থেকে সেটা প্রত্যক্ষ করা এক অনাবিল আনন্দের বিষয়। তাই ছেলেবেলায় সকালে ঘুম থেকে উঠেই হেসে দিতাম।

২.

আগেই বলেছি, এখনও জীবনটা অনেকটা তেমনই আছে। এখনও সকালে ঘুম থেকে উঠে হাত-মুখ ধুয়ে, কফি আর সিগারেট নিয়ে কিছুক্ষণ আনন্দিত মনে জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে থাকি। বড় বড় স্টুডেন্ট ডর্মগুলো থেকে পিলপিল করে ছেলে-মেয়ে বের হয়ে উর্ধ্বশ্বাসে ছুটতে শুরু করে। ওদেরকে দেখতে দেখতে এক সময় আমার নিজেরও পুরোনো জীবনের কথা মনে পড়ে যায়।

আমার যেসব দিনে ক্লাস থাকে, সেসব দিনের দৌঁড়ঝাপ সম্পর্কে তো আগের পোস্টেই বলেছি। যেসব দিনে ক্লাস থাকে না, যেমন শনিবার; সেসব দিনের মতো চমৎকার দিন আর হয় না। দিনের মেজর অংশটা পার হয় আধশোয়া অবস্থায়। মাঝে মাঝে গড়িয়ে গড়িয়ে গিয়ে কিচেন থেকে খাবার গরম করে আনি। মাঝে মাঝে তাও করি না। ফেসবুক, ব্লগ, সিনেমা, বই, গান, ক্যাফেইন, নিকোটিন ইত্যাদির সঙ্গে সহবাস উপভোগ করি পুরোদমে।

অবশ্য মাঝে মাঝে সুপার অ্যাকটিভ বন্ধুরা হাজির হয়ে সেই আনন্দে পানি ঢেলে দিতে কসুর করে না। সেদিন দুপুরে ওরকম পড়ে পড়ে ঘুমাচ্ছিলাম যখন, তখন হুট করে রুমে ঢুকে পড়েছিল কারমেন। মেয়েটা এমনিতে ভাল, কিন্তু করিডরের দরজা খোলা পেলে নক না করেই রুমে ঢুকে পড়ে। ওকে বহুবার বোঝানোর চেষ্টা করেছি, বিষয়টা অনুচিত। কে শোনে কার কথা। প্রত্যেকবার কথাটা শুনলে কিছুক্ষণ অট্টহাসি দিয়ে বলবে, কেনো তুমি কি ঘরেই জার্ক করো? ওটা ছাড়াও যে প্রাইভেসি চাওয়ার আরও কারণ মানুষের থাকতে পারে, সেটা মনে হয় মেয়েটার মাথায় কখনোই ঢোকানো যাবে না।

সেদিনের দুপুরটা অনন্য ছিল। উষ্ণ এবং ঝকঝকে। তাই সে আমাকে টেনে বের করে নিয়ে যেতে এসেছিল। ওর সঙ্গে লেকের পাড়ে গিয়ে বসে থাকতে হবে। যেটা আমি করতে পছন্দ করি গভীর রাতে। একা এবং এক বোতল শুকনো ওয়াইন সহকারে। দিনে-দুপুরে লেকের ধারে বসে প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্য পর্যবেক্ষণ, ঠিক আমার টাইপের বিষয় না। এটা বোঝানোর চেষ্টা করেও লাভ হলো না। সে টেনেটুনে আমাকে বের করে নিয়ে গেলোই।

আমাদের ক্যাম্পাসের ঠিক পেছনেই একটা কৃত্রিম লেক আছে। সেখানে নানা জাতের হাঁস এবং পরিযায়ী পাখি চড়ে বেড়ায়। এক-একটা রাজহাঁস আকারে বড়-সড় ছাগলের সমান। ওগুলোকে দূর থেকে দেখতে দারুণ লাগে। নাটালি পোর্টম্যান আর ব্ল্যাক সোয়ান সিনেমার কথা মনে পড়ে। তবে কাছে গেলে হালকা শিরশিরানি অনুভূত হয়। কখন যে হাতের তালুর সমান পায়ের পাতা দু'টি নিয়ে মুখের ওপর ঝাপিয়ে পড়ে, সেটা নিয়ে চিন্তিত থাকতে হয়। যদিও রাজহাঁসেরা খুব নিরীহ ধরনের পাখি। কারমেন ওদেরকে প্রায়ই রুটি খাওয়ায়। আর আমাকে বসে বসে হাই তুলতে হয় কোনো একটা দূরবর্তী বেঞ্চে। একদিন ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। সে হাঁসদের সঙ্গে খেলা শেষ করে এসে আমার মাথা কোলে নিয়ে বসে ছিল। যতক্ষণ আমি ঘুমিয়েছি, ততক্ষণ। ঘুম থেকে উঠে আমার জন্য ওকে কষ্টটুকু করতে দেখে, অনেক লজ্জা পেয়েছিলাম। তারপর থেকে আর কখনো লেকের পাড়ে ঘুমাই নি।

৩.

বন্ধুভাগ্য আমার কখনোই খারাপ ছিল না। তবে খুব ভাল, একেবারে যাকে বলে বেস্ট ফ্রেন্ড, সেরকম কোনো বন্ধুও কখনো হয় নি। এটা নিয়ে অবশ্য আমার কোনো অনুযোগ নেই। এখানে এসে প্রথম প্রথম খুব রিজার্ভ থাকতাম। আর তাতেই আস্তে আস্তে বন্ধু সংখ্যা বাড়তে শুরু করলো। এখন যেকোন ক্লাসে, যেকোন বিষয়ের ওপর ১৫-২০ মিনিটের প্রেজেন্টেশন দিয়ে দিতে বুক কাঁপে না একটুও। কারণ জানি, প্রেজেন্টেশনের পর বন্ধুরা হই-হুল্লোড় করে সেটাকে ভাল বলে প্রতিষ্ঠিত করে ফেলবেই। প্রশ্নোত্তর পর্বে কঠিন কোনো প্রশ্নে আটকে গেলেও, কেউ না কেউ ঠিকই উত্তর এগিয়ে দেবে, ঠিক যেভাবে বন্ধুর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেয় বন্ধুরা।

মাঝে একবার কারমেনের সঙ্গে কোনো কারণ ছাড়াই সম্পর্কটা আলগা হয়ে গিয়েছিল। আমরা কেউ কাউকে কিছুই বলি নি কিন্তু হঠাৎ করেই দু'জন খুব রিজার্ভ হয়ে গিয়েছিলাম। দেখা হলে শুকনো একটা হাসি, বড়জোর গাল দিয়ে গাল ছুঁয়ে কেমন আছো জিজ্ঞেস করা, এই পর্যন্তই চলতো। বিষয়টা সার্কেলের কেউ খেয়াল না করলেও রবার্ট ঠিকই খেয়াল করেছিল। এবং তারপর থেকে আমি অবাক হয়ে খেয়াল করা শুরু করলাম, সে যখনই কারমেনকে দেখে তখনই আমার প্রশংসা শুরু করে দেয়। সত্য-মিথ্যা মিশিয়ে যা মনে আসে বলে এমন একটা অবস্থা করে যে, আমাকেই লজ্জা পেয়ে যেতে লাগে। আমি দু'তিন দিন বিষয়টা খেয়াল করে, একদিন সুযোগ বুঝে ওকে চেপে ধরলাম, ব্যাপারটা কি, বলোতো বাছা?
-তোমাদের দু'জনকে একসাথে দারুণ লাগে। তাই ঘটনাটা ঘটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করছি।
-লাভ নাই। আমি একটা স্টোন-ব্লক, কোনো ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা নাই।
-আচ্ছা? তাহলে বলো, কেন তোমরা একে অপরকে অ্যাভয়েড করো?
-এটা অবশ্য আমিও জানি না। হঠাৎ একদিন থেকে অ্যাভয়েড করতে আর খারাপ লাগছিল না। তাই সেটাই করে যাচ্ছি।
-বিষয়টাকে অন্য দিক থেকে দেখার দরকার ছিল। হঠাৎ একদিন থেকে যদি কেয়ার করতে খারাপ না লাগতো, তাহলে ভাল হতো। যাহোক, ডোন্ট ওরি ব্রো। আমি সবকিছু ঠিক করে দিচ্ছি। তুমি শুধু দাঁড়াও ও দ্যাখো।

আমি বিষয়টাকে বেশি গুরুত্ব দিলাম না। তবে রবার্ট হাল ছাড়লো না। প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে থাকলো। একদিন দুপুরে ওরকমই এক প্রচেষ্টার মধ্যে সে সম্ভবত আমাকে দেখিয়ে বলেছিল, এই ছেলেটার মতো বন্ধুবৎসল ছেলে আর হয় কিনা আমি জানি না। সাধারণত এই ধরনের কথাগুলোর প্রেক্ষাপটে অন্যরা হেসে ফেলে এবং টপিকটা চেঞ্জ হয়ে যায় কিন্তু সেদিন হলো না। কারমেন হুট করে জানতে চাইলো, তাই? আমি তো দেখি সে মাঝে মাঝে বন্ধুদেরকে এমন বেমালুম ভুলে যায় যেন সেই বন্ধু কখনো ছিলই না।

ওটা ছিল একটা আলোচনার সূত্রপাত। আলোচনা নামক জিনিসটাকে আমি খুবই পছন্দ করি কারণ সেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে মিটিয়ে দেয়। আমার আর কারমেনের মধ্যে কোনো সমস্যাই ছিল না। তারপরও আমাদের দুরত্বটা বাড়তে বাড়তে মানুষের চোখে পড়ার মতো একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল। সেদিনের আলোচনার পর আবার সবকিছু আগের মতো হয়ে গেল।

৪.

কারমেন আমার সামান্য একজন বন্ধুমাত্র। তার থাকা-না থাকায় আসলেই জীবনে বড় কোনো ফারাক পড়ে না। যে মানুষটা আমার অস্তিত্বের সঙ্গে মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে, যার থাকা-না থাকার ওপর নির্ভর করতো জীবনের প্রায় সবকিছুই, তার আর আমার মধ্যেও একদিন ঠিক একইভাবে দুরত্ব জন্মানো শুরু হয়েছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, সে সময় আশেপাশে রবার্টের মতো কোনো বন্ধু ছিল না।

---

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


১। আহ! ইস্কুলবেলা।

২। লেক আমার বিকেল সন্ধ্যে বেলাতেই বেশি ভালো লাগে।

৩। আমার বন্ধুভাগ্য অসাধারণ।

৪। Sigh

মীর's picture


হেলো বাউন্ডুলে, আজ দুপুরে আপনের 'আবোল তাবোল - ১৬' আবার পড়তেছিলাম। ভাবলাম একটা নক দিই। পরে রান্না-বান্নার ক্যাচালে আর দেয়া হলো না। আছেন কেমন?

চার নম্বরের ইমোটা পার্ফেক্ট হইসে Smile

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


বাংলাদেশ জিত্তাছে, আমি জীবিত আছি সো আম গুড! Smile

মীর's picture


আমিও। বিশেষ করে শেষ দুইটা ম্যাচের পর ভালটা একটু বেশিই লাগছে।

জ্যোতি's picture


১। স্কুলের কথা, সেই সময়টার কথা খুব মনে পড়ছে লেখাটা পড়ে। আহারে সেসব দিনগুলি!
২। বোতল ভালু না।
৩। হুম।
৪। এটাও হুম কিন্তু তাও বলি আসলে এমন সময় একজন সত্যিকারের বন্ধু খুব দরকার ।

মীর's picture


২ নম্বরের সঙ্গে পুরাই একমত জ্যোতি আপু। তবে ৩ নম্বরে হুম কেন? আপনার বন্ধুভাগ্য কেমন?

মেসবাহ য়াযাদ's picture


আলোচনা নামক জিনিসটাকে আমি খুবই পছন্দ করি কারণ সেটা বেশিরভাগ ক্ষেত্রে বিদ্যমান সমস্যাগুলোকে মিটিয়ে দেয়। আমার আর কারমেনের মধ্যে কোনো সমস্যাই ছিল না। তারপরও আমাদের দুরত্বটা বাড়তে বাড়তে মানুষের চোখে পড়ার মতো একটা পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছিল।
মাঝে মাঝে কোনো কারন ছাড়াই এমন হয় ব্রো।
কারমেন ভালু। বাউন্ডুলে জীবনও ভালু। ভালো কাটুক জীবনের বাকী দিন।

মীর's picture


থ্যাংক্স ব্রো। মাঝে মাঝে কারণ ছাড়াই এমন হয়, কথা আসলেই ঠিক।

আপনের জীবনের বাকি দিনগুলোও ভাল কাটুক Smile

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

মীর's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাগতম। আমার নাম মীর রাকীব-উন-নবী। জীবিকার তাগিদে পরবাসী। মাঝে মাঝে টুকটাক গল্প-কবিতা-আত্মজীবনী ইত্যাদি লিখি। সেসব প্রধানত এই ব্লগেই প্রকাশ করে থাকি। এই ব্লগে আমার সব লেখার কপিরাইট আমার নিজেরই। অনুগ্রহ করে সূ্ত্র উল্লেখ না করে লেখাগুলো কেউ ব্যবহার করবেন না। যেকোন যোগাযোগের জন্য ই-মেইল করুন: bd.mir13@gmail.com.
ধন্যবাদ। হ্যাপি রিডিং!