দুই অলিন্দ
জীয়ন্তে আর ফেরে না ঘরে প্রজাপতি
ফেরে না মাঠ, ধুলো জমিন বাটে
দৈনন্দিন ফাঁক ফোঁকর পরিণতি
বিবর্ণ সময় একলা একলা কাটে।
নিশানা খোঁজে ফসলের দানা ভূমি
চিহ্ন কাটা ধানের শীষের বুকে
মরচে পড়েছে শ্বাস গন্ধ চুমি
সীমানা রেখা চলছে ধুঁকে ধুঁকে।
জীয়ন্তে চাই আবার তোমার দেখা
স্পন্দন চাই বুক অলিন্দ জুড়ি
ভালোবাসা ফোটে অঘোর মগ্ন একা
হৃদয়ে বন্দি তোমার চোর কুঠুরি।
(জীয়ন্তে/০৯.০৬.১২)
<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<<
আমাকে পৌঁছে দেবে আমার ঘরে
সে বড্ড দূর, আরো বহু দূর
একবারে ঘাট পেড়িয়ে জল ছুঁই ছুঁই মুখ
পাপের প্রজন্মে বাঁধা প্রান্তিক নৌকা
তার কেবল হাঁটা আর হাঁটা
রুক্ষ, কান্তিময়, ব্যাথাতুর।
আমাকে পৌঁছে দেবে কেউ
আমাকে, আমার বাড়ি..
অকারণ আশায় আর বিশ্বাসে
লেগেছে অকাল মড়ক
দেবে কেউ পৌঁছে আমায়
নিভু নিভু, তবু যেমন জ্বলে আগুনের ফানুস
এখানে অরন্যে ওৎ পেতে আছে বাঘ
আর নগরীতে মুখোশে ঢাকা মানুষ।
(আমাকে পৌঁছে দেবে কেউ/১১.০৬.১২)





আমাকে পৌছে দেবে কেউ
ভাল লেগেছে।
জীয়ন্তের শেষ লাইন একটু অস্পষ্ট লাগল।
অনেকদিন পর দেখলাম আপনাকে।
ভাল আছেন তো?
বাহ!!
মন্তব্য করুন