ভূতের মুখে রাম নাম: মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন জানিয়েছেন সজল খালেদ
মুসা ইব্রাহীমের এভারেস্ট জয়ে পুরো জাতি যখন আনন্দে আত্মহারা, তখন সজল খালেদ একটি ফেসবুক নোট লিখে পুরো জাতিকে দ্বিধাগ্রস্ত করে দিলো। তার অযাচিত ব্যক্তিগত সন্দেহ আর ব্যক্তি আক্রোশের ফল ভোগ করলো পুরো জাতি। সন্দেহবাতিকগ্রস্তরা লুফে নিলো সজল খালেদের বক্তব্যকে। আনন্দের একটা বিষয়কে তিক্ত করে তুললো। সেজন্য তার কপালে ধিক্কারও কম জোটেনি।
অবশেষে সব তথ্য প্রমাণ যখন হাতে। মুসার এভারেস্ট জয় নিয়ে যখন আর সন্দেহের কোনো অবকাশ নেই, তখন সজল খালেদের মুখ লুকানোর জায়গাই থাকে না। যাহোক, তবু তাকে ধন্যবাদ যে অনেক দেরীতে হলেও সত্যটা উপলব্ধি করতে পেরেছে। সত্য স্বীকার করে মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
সন্দেহকারীদের ঈমাম সজল খালেদের এই নোট পড়ে আশা করি তার অনুসারীদেরও বোধোদয় ঘটবে।
নিচে তার ফেসবুক নোটের লিঙ্ক দিলাম। যারা ফেসবুকে যেতে পারবেন না, তাদের জন্য নোটটা কপি করেও তুলে দিলাম।
আর আবারো অভিনন্দন মুসা ইব্রাহীমকে।
সজল খালেদের ফেসবুক নোটের লিঙ্ক-
http://www.facebook.com/notes/sajal-khaled/abhinandana-musa-ibrahima/111011018943121
অভিনন্দন মুসা ইব্রাহীম
অভিনন্দন মুসা ইব্রাহীম, পৃথিবীর সর্বোচ্চ চূড়ায় প্রথম বাংলাদেশী হিসাবে পা রাখার জন্য। এই অর্জন আমাদের বাংলাদেশী হিসাবে গর্বিত করেছে।
২৩ মে দুপুরে যখন ঢাকায় খবর এলো মুসা ইব্রাহীম মাউন্ট এভারেস্ট সামিট করেছেন তখন সম্পুর্ণ ব্যাপারটাই আমাদের সবার কাছে ধোঁয়াটে ছিল। সংশয়ও ছিল, প্রধানত এ কারণে যে, মুসার সাথে বাংলাদেশী আরেক পর্বতারোহী এম এ মুহিতের এই দীর্ঘ অভিযানের প্রায় পুরোটা সময় কাকতালীয়ভাবে দেখা হয়নি, মুসা’র ব্যাপারে তার স্ত্রী, মুখপাত্র মুক্তিনাথ ট্রাভেলস এবং বাংলাদেশের প্রায় সব পর্বতারোহী যোগাযোগের অভাবে অন্ধকারে ছিলেন, আর সাফল্য নথিকরনের প্রায় সবকটি ওয়েবসাইট এই তথ্য অনেক দেরিতে প্রকাশ করেছে। প্রথম দিন’ই সংবাদ মাধ্যম থেকে যারা খোজখবর করছিলেন তাদের সবাইকেই আমরা বলেছিলাম মুসা সফল হলে আমরা সবাই আনন্দিত ও গর্বিত হবো, কিন্তু খবরটার ব্যাপারে আগে নিশ্চিত হতে হবে। গত কয়েকদিনের মধ্যে সাফল্যের ব্যাপারে এই সংশয় প্রায় সবটাই কেটে গেছে সবার। সবার পক্ষ থেকে মুসা ইব্রাহীমকে অভিনন্দন এভারেস্ট জয়ের জন্য আর এম এ মুহিতকে এভারেস্ট জয়ের চেষ্টা করার জন্য।
পর্বতারোহণে শিখরজয়ের সম্ভাবনা সামর্থ ও যোগ্যতার পাশাপাশি সবসময়ই অনেকাংশে আবহাওয়া, শারিরীক ও মানসিক সুস্থ্যতাসহ বেশ কয়েকটি ব্যাপারের উপর প্রবলভাবে নির্ভরশীল। মুসা যখন সবার যোগাযোগের বাইরে ছিলেন তখন তার স্ত্রী খবর জানার জন্য যোগাযোগ করেছিলেন। যদিও আমরা সবাই তাঁর মতই অন্ধকারে ছিলাম কিন্তু দুশ্চিন্তার কিছু নেই বলে তাঁকে অভয় দিয়েছিলাম এবং বলেছিলাম কোন খবর পাওয়া মাত্র আমরা তাঁকে জানাবো এবং যেকোন সহযোগীতায় সাধ্যমত সাহায্য করব। হাজারো প্রতিকুলতার মধ্যেও সবকিছু ঠিকভাবে শেষ হয়ে মুসা সুস্থ্যদেহে ফিরে আসছেন এটা আমাদের সব দুশ্চিন্তা দূর করেছে।
এভারেস্ট বিজয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্বতারোহন চর্চ্চা এখন এক নতুন অধ্যায়ে প্রবেশ করলো। প্রায় সাত বছর আগে আমরা সবাই মিলে একসাথে পর্বতারোহন চর্চ্চা প্রসারের প্রতিকুল চেষ্টা শুরু করছিলাম, পরে বিচ্ছিন্নভাবে হলেও আন্তরিকতার কোন অভাব আমাদের কারোই ছিলনা এবং এখনো নেই। মুসা ইব্রাহিমের এভারেস্ট জয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশে পর্বতারোহন চর্চ্চা প্রসারে এবার দারুণ গতি সঞ্চার হবে এবং এই ক্ষেত্রটি খুব দ্রুত সবার সহযোগীতায় বিকাশ লাভ করবে এই প্রত্যাশা আমাদের সবার। এবার খুব দ্রুত আমরা এভারেস্টে প্রথম বাংলাদেশী মেয়েকেও দেখতে চাই।
সজল খালেদ
অভিযান পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণ সচিব
বাংলা মাউন্টেনিয়ারিং এন্ড ট্রেকিং ক্লাব (বিএমটিসি)





সজল খালেদ মানসিক ভাবে মেনে নিতে পারছিলেন না মুসার সাফল্য। ধন্যবাদ লেখক।
ব্যাস? তারে মাফ করা হইলো? আমি অন্তত করতে পরলাম না। এইটা আমার সংকীর্ণতা।
সে এখন যা বললো সেটা বলার জন্য আরও দুদিন অপেক্ষা করতে পারলো না?
আর আমি যতদূর জানি, মুহিতের সাথে মুসার ধেখা হয়েছিল বেজ ক্যাস্পে। মুহিত কেন অস্বীকার করলো?
কে মাফ করছে? কোনোদিন না। সজল খালেদ আজীবন ধিক্কার পেয়েই যাবে এই জাতির কাছে।
মুহিত নিজে খারাপ আবহাওয়ার দোহাই দিয়া পলাইছে, অথচ ফকফকা আবহাওয়া ছিলো। এখন স্পন্সরদের কাছে কী জবাব দিবে? যেখানে মুসা উঠে গেছে? সেটা ঢাকতে অনেক হাচামিছা কইতে হইবো তারে... পাগলের প্রলাপ কী আর সহজে থামে? সহজে কি থামে ছাগলের ম্যাৎকার?
মাসুম ভাই, আগের সন্দেহভরা মেইলটি যেমন আমাকে পাঠিয়েছিলো- তেমনি মুসাকে অভিনন্দন জানানো মেইলটিও আমাকে পাঠিয়েছে- সজল। আমি রাগে, ক্ষোভে, ঘৃনায় আগের মেইলের কোনো উত্তর জানাইনি। আজ জানালাম, সজল যেনো একটা প্রেস কনফারেন্স করে মুসা এবং সারা দেশবাসীর কাছে প্রকাশ্যে নিঃশর্ত ক্ষমা চায়। এতে সজল, মুহিত এবং এনাম আল হকের মত মানুষদের কিছুটা যদি পাপ ষ্খলন হয়...
(বাই দ্য ওয়ে, কাল মুসার সাথে কথা হয়েছে নেপালে... ও ভালো আছে। দেশে ফেরার জন্য মুখিয়ে আছে। ২/৩ দিনের মধ্যে ফিরবে বললো)।
এখনো তো শুনলাম লাফালাফি বন্ধ হয় নাই
স্যালুট মুসা ভাই কে ......
সজল খালেদের জন্য ঘৃণা ... ঘৃণা ...ঘৃণা ...
আমি একরকমের বাক্যহারা হয়ে গেসিলাম সজল সাহেবের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া দেখে। এখন উনি নিজের কথা গেলার চেষ্টা করলেই কি আর মানুষ সে সব ভুলে যাবে। মাঝে মাঝে আসলেই নিজেরে খুব ছোট মনে আমাদের দেশের কিছু ছিদ্রান্বেষী, হিংসুটে, পরশ্রীকাতর মানুষের কার্যকলাপ দেখলে।
আশাকরি সজল সাহেবের শুভবুদ্ধির উদয় হবে, এবং আগামীতে উনি এ ধরনের আলগা কথাবার্তা বলে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অপপ্রয়াস থেকে বিরত থাকবেন।
নজরুলকে অনেক ধন্যবাদ শুরু থেকেই এই বিষয়টাতে কঠোরহস্ত হবার জন্য।
মুসাভাইয়ের প্রতি হ্যাটস অফ, সমস্ত জাতির মুখ উজ্জ্বল করেছেন আপনি।
সজলকে মাফ করা যায় না। সে তার ঈর্ষার কারনে পুরো জাতিকে বিভ্রান্ত হয়েছে। আমাদেরকে সন্দিহান করেছে ভুল তথ্য দিয়ে। তার সাফাই ইগনোরড!
পাগলের প্রলাপ কী আর সহজে থামে? সহজে কি থামে ছাগলের ম্যাৎকার?
সজল খালেদের ফেসবুক একাউন্ট ব্লক করা উচিত।যেন জীবনে আর কোন দিন নোট লিখতে পারে।কত বড় হারামজাদা এক পাতা নোট লিখে গোটা জাতিকে সন্দেহের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলো.।
হাহাহাহাহাহা
হয়, রাগে-ক্ষোভে-দুঃখে-হিংসায়-অস্থিরতা-কুটকুটানি আর পেইনের চোটে মাঝে-মইদ্যে মাইনষের ব্রহ্মতালু চিলিক পাড়তে থাকে। এই সময় তারে ধইরা পুষ্কুন্নীতে চুবরাইতে হয়। গ্রামে-গঞ্জে কোথাও কোথাও এই সিস্টেম এহনও চালু আছে।
এরে কয় হিংসা-পরশ্রীকাতরতা। যাক এই ফাকে এইটাও এনজয় হৈলো।
মন্তব্য করুন