অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ১৮ জন অতিথি অনলাইন

আইসিএসএফ থেকে নিঝুম মজুমদার এর বহিঃস্কার প্রসঙ্গে

২০০৯ সালের ফেব্রুয়ারীতে প্রতিষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস স্ট্র্যাটেজি ফোরাম (আইসিএসএফ) মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের ১২টি সংগঠন, এবং সংগঠন বহির্ভুত একক ব্যক্তিদের নিয়ে একটি জোট। জোটভুক্ত সংগঠনগুলোর মধ্যে রয়েছে – ইংরেজী এবং বাংলা মিলিয়ে বাংলাদেশের ৮ (আট)টি কমিউনিটি ব্লগ, গণহত্যার ওপর একটি প্রধান আর্কাইভ, গণহত্যার ওপর বিশেষায়িত একটি গবেষণানির্ভর সংগঠন, এবং একটি বিশেষায়িত উদ্যোগভিত্তিক অলাভজনক প্রতিষ্ঠান। আইসিএসএফ কিছু মৌল নীতি এবং মূল্যবোধ এর ওপর প্রতিষ্ঠিত, যার সরাসরি প্রতিফলন হল আমাদের অনুসৃত স্তরবিহীন সামষ্টিকতার ধারণা এবং অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্তগ্রহণ প্রক্রিয়া/সংস্কৃতি।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড ফোরঃ সবুজ বাতাসের শহর!

কালই প্রথম বাসা ওরফে বাড়ী থেকে বেরিয়েছিলাম। বের হয়ে কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই। তাও বের হই। ঘুরে ফিরে যাওয়ার জায়গা তো সেই এতটুকুই। বাড়ী থেকে বের হও, শহরের রেল স্টেশন যাও, পেপারের দোকানে বসে থাকো। গতকাল সেই মনে করে বাসা থেকে বের হলাম। হাটতে হাটতে মোড়ে যাই। রোজার দিন একযুগ ধরে রোজা রাখতেই হয় বলে চায়ের তেষ্টা পেলেও পর্দাওয়ালা দোকানে গিয়ে বসা হয় না। জানি কেউ জানবে না, তাও নিজেকে নিজে কখনো ফাকি দেই নাই। নিলাম রিকশা। জামালপুরে রিকশা এখন খুব দুর্লভ জিনিস। ইজি বাইক কিংবা ব্যাটারি চালিত অটোরিকশার প্রতাপ এখন সব খানে। ভাড়া কম ও এক সাথে ছয়জন উঠা যায়। আমার আব্বাজানের খুব পছন্দ এই জিনিস। আমার মোটেও পছন্দ না। কিছু না পেলে উঠি। উঠলেই ভয় করে, কোনসময় না উল্টে যায় গাড়ী, এত পাতলা। আর ড্রাইভাররা এই হালকা চায়নিজ গাড়ী নিয়েও রেসের মত চালায় নির্জন রাস্তায়। তাই রিকশাই আমার ভালো লাগে। রিকশা এখন এই শহরে বড়লোকদের বাহন, যখ

পবিত্র মাস

রোজার সময় একান্ত বাধ্য না হলে বাসার বাইরে যেতে ইচ্ছা করে না। জীবন যাপন সংস্কৃতির উপরে গণমানুষের বিশ্বাসের আরোপ আমার ভেতরে যে মানসিক পীড়ন তৈরী করে তা প্রতিমুহূর্তেই উপলব্ধি করি। শুধুমাত্র এই একটি মাস আমাকে কোনো একটা সভ্য দেশের বাসিন্দা হিশেবে জীবনযাপন করতে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ করে তোলে।

পরধর্ম সহিষ্ণুতা, অপরের ধর্মবিশ্বাসের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আচরণ করা, অপরের ধর্মীয় অনুভুতিকে যতটা সম্ভব আহত না করে নিজের জীবনযাপন সংস্কৃতি অক্ষুন্ন রাখবার কোনো সুযোগ থাকে না এই মাসটিতে। সকল নাগরিক সভ্যতাবোধ ঘাড়ের উপরে তার অনিবার্যতা সমেত চেপে বসে। এই একপাক্ষিক পরমত, পরসংস্কৃতি, পরধর্মের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার বোঝা বহন করতে ক্লান্ত লাগে এই বয়েসে।

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু, এপিসোড থ্রিঃ স্বর্গে দিন যাপন

পোষ্টটা কালই লিখতাম। কিন্তু মনে ধরলো না লিখতে। তার আগে অবশ্য নোটবুকটা নিয়ে অশান্তিতে ছিলাম। চার্জ হয় না। কাল থেকে অশান্তি দুর চার্জ হলো, নেটের স্পীডও কিঞ্চিত ভালো হলো। জিপির মডেম দিয়ে চালাচ্ছি নেট। খুবই বাজে অবস্থা ছিল। মোবাইলেই এরচেয়ে ভালো সার্ভিস দেয়। গতবার থেকে নোটবুকটা আনছি, সেবার ভালোই ছিলই নেটের অবস্থা। এবার অবস্থা দিশাহীন বেগতিক। এই দুইদিন মনটা উদাস ছিল, আহা পোষ্ট লিখতে পারবো না, সেই নোকিয়া সেটও নাই যে শুয়ে শুয়ে লিখবো। এত কষ্ট করে টেনে আনলাম নোটবুকটা। নোটবুক আনতে বেশী কষ্ট না, কষ্ট হলো এক্সটারনাল কিবোর্ড মাউস, ঢাউশ হেডফোন, ইউ এসবি হাব এইসব টেনে আনতে। আমার বিছানায় এখন ক্যাবল আর বইয়ের জঞ্জালে সেই পুরোনো অবস্থা। আম্মু দেখেই বলে, যেখানেই যাক শান্তর কাজ একটাই, সব কিছু বিতিকিশ্রী বানানো। বাসায় আজ মেহমান, তাই আমার অবস্থান আজ টিভি রুমে। সেখানেও একই দশা করে রেখেছি। আসলে আমি এক সাথে অনেক কিছু

যদি গাছেরা কথা বলতে পারতো

প্রিয় উর্বশী

তুমি আমার ওপর রাগ করে আছো। তাই আমি তোমাকে সবকিছু বুঝিয়ে বলার জন্য লিখতে বসেছি।

আমি তোমাকে শুরু থেকেই বলেছি যে তোমার শুধু আমার কথাগুলো শুনতে হবে, আরও আগে বলেছি স্বাধীনতার কথা, আর নিজের ভালো লাগাকে সম্বল করে বেঁচে থাকার আমার ইচ্ছার কথা- যে ইচ্ছা তোমার ভিতরেও ঢুকিয়ে দেবার চেষ্টা করেছি। কিন্তু তুমি কথাগুলোতে গুরুত্ব না দিয়ে শুধু তোমার আবেগকেই অনুসরণ করেছ। এবং আমার কথা শোনো নি। এখনো শুনছো না।

আমি আবার বলছি- তুমি যে সব চিন্তা ভাবনা নিয়ে আছো সেসব অনেক আগে আমিও করতাম। কিন্তু আমার চিন্তা ভাবনা পরিবর্তন হয়েছে। সময় হলে তোমারও হবে। তোমার পড়াশোনার ব্যাপারে যেসব আমি বলেছি সেসব না শুনলে তুমি আগামি কয়েক বছর পর বুঝতে পারবে যে শুনলে ভালোই হত।

যাবো আবার যাবো, আমি বাড়ী ফিরে যাবো!

বাড়িতে যাবো আরেকটু পরেই। সকালের ট্রেন। ট্রেনের নাম তিস্তা। উঠবো কমলাপুর থেকে। টিকেট মামা অনলাইনে কেটে দিয়েছে। অনলাইনে পাওয়াই যায় না টিকেট। পাওয়া গেলে আরো দু চারদিন পরেই হয়তো বাড়ীতে যেতাম। কিন্তু বারবার এত গেঞ্জামে বাড়ীতে যেতে ইচ্ছে করে না। তাই আগেভাগেই এবার ট্রেন ধরলাম। বিশাল লম্বা সময় এবার বাড়ীতে থাকতে হবে হয়তো। বাড়ীতে যাবার আগের তিন চার ঘন্টা আমার ভীষন মন খারাপ থাকে। মনে হয়, ভালোইতো ছিলাম এখানে। দিব্যি ভালোয় ভালোয় যায় দিন। সেখান থেকে জামালপুর যাওয়া, অল্প কিছুদিনের জন্য এক অন্য ধরনের চেনাজানা জীবনে অভ্যস্ত হওয়া। ঢাকা কিংবা চিটাগাংয়ে থাকতেই আমার শান্তি। শহরে শান শওকত- আড্ডা- ঘুরে বেড়ানো জীবন যাপনই আমার আনন্দের। বাড়ীতে কত দিন ধরে যাচ্ছি তাও কোনো বন্ধু নেই, সেই ঘর- মসজিদ- পত্রিকার দোকান- জঘন্য টিভি, মফস্বলের নির্জন রাস্তায় হাঁটা, এই তো!

বির্বণ দিনরাত্রি

মন মেজাজ প্রচন্ড মাত্রায় খারাপ। দুই দিন থেকে যেন জীবন যাত্রার গতিও থেমে গেছে। শুধু আফসোস করছি আর বলছি, পারল না মেসি এবারো পারল না। এত কাছে এসেও পারল। আগে যদি কখনো মন খারাপ হত তো রবীন্দ্রনাথের শেষের কবিতা বইটা পড়তাম। এই বই অসম্ভব ক্ষমতায় আমার মন ভালো করে দিত। কিন্তু এই মেসি আর্জেন্টিনার ব্যাপারটায় গুরু রবীন্দ্রনাথও ফেল। বইটা নিয়ে বসার মত সাহসও নাই। আমার ত শুধু মন খারাপ কিন্তু শুনলাম অনেকে নাকি আত্নহত্যা করছে আবার দেশের অনেক জায়গায় নাকি দাঙ্গা হাঙ্গামাও হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটা হাস্যকর হলেও সত্য যে বিপরীত গোর্ধাধের এই দেশের প্রতি, দেশের মানুষের প্রতি যত না ভালবাসা তার চেয়ে ঐ দেশের খেলোয়ারদের দুই পায়ের প্রতি আমাদের ভালবাসা অনেক বেশী। শুনেছিলাম নব্বইয়ের দশকে নাকি আমাদের দেশেও এই ফুটবল খেলা সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল। দলের অবস্থাও অনেক ভাল ছিল। মোহামেডান আবহানীর খেলা হলে রীতিমত যুদ্ধ বেধে যেত। কিন্তু কা

ঈদ

বেঁচে থাকা মানে অবিরাম স্মৃতির কোলাজ তৈরী করা, হঠাৎ চলতি পথে কোনো একটা দৃশ্য দেখেথমকে দাঁড়ানো- হুবহু এমনই কোনো একটা দৃশ্য অতীতে তৈরী হয়েছিলো- সেটার পুনচিত্রায়ন ঘটলো এই মুহূর্তে- আমি একটা মুহূর্তে দাঁড়িয়ে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে ভিন্ন একটি মুহুর্তে জেগে উঠলাম- সংলাপ থেমে যাওয়ার পর এক ধরণের শব্দহীন বিবশতা অদৃশ্য পর্দার মতো চারপাশে ঝুলে থাকে - তেমন শব্দহীনতার মূহুর্ত থেকে ধীরে ধীরে বর্তমানের শব্দমুখরতার ফিরে আসা- কেউ ডাকছে না তবু কোনো একটা পিছুডাকের জন্যে উৎকর্ণ হয়ে থাকা।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা, তানবীরা আপুর জন্য!

মন মেজাজ খুবই খারাপ। আর্জেন্টিনার হারে শরীর মন সব কেমন জানি কামড়াকামড়ির উপরে আছে। এতদিন পর ফাইনাল, কত আশা ভরসা, সব জাহান্নামে গেল। তার ভেতরে একটু আগে ফেসবুকে দেখলাম মিলন চৌধুরী নামের এক কলকাতার ছেলে আত্মহত্যা করেছে, ফেসবুকে ঘোষনা দিয়ে। বেচারার জন্য মনটা খারাপ। আমরা বাঙ্গালীদের আবেগ এত বেশী তাই এইসব হতেই পারে। এমনিতেই না চাইতে কত ভাবেই মরতে হয়, তারপর আবার খেলায় হারজিত লইয়া এত চিন্তা, যে মরিতে হবে নিজে নিজে। সবাই বলবে বেকুব মানুষ তাই মরেছে। আমি তেমন বলবো না। মানুষের মাঝে মাঝে এত আবেগ আসে নানান ঘটনায় তাতে এরকম ঘটনা অস্বাভাবিক কিছু না। যখন শিশুকালে সালমান শাহ মারা গেল, জনকন্ঠ তখন পড়তাম, বাসায় রাখতো না, গন পেপার রুমে পড়তাম। পেপারে তখন দেখেছিলাম- বাংলাদেশের নানান স্থানের যুবক যুবতীরা আত্মহত্যা করছিলো এক উসিলায়। তখন ভাবছিলাম সামান্য মুভি স্টারের জন্য কেউ মরে নাকি!

বই বসন্ত!

ফেসবুকে আপনি যখন বইয়ের ছবি আপলোড দিবেন। দেখবেন কত পাঠক, কত বন্ধু বলছে-- ইশ, আমার যদি থাকতো। অনেক বুক রিডার গ্রুপে দেখি, লাইব্রেরীর ছবি দিলেই লোকজন আহ-উহ করে বলে উঠে, আহা আমি যদি যেতে পারতাম এই খানে। কিন্তু যায় কই মানুষ? আর পড়েই বা কই? চায়ের দোকান হাটে মাঠে ঘাটে অনেকের সাথেই তো আমাদের সামাজিকতা, হাতে বই দেখলেই প্রশ্ন। 'এখনো এই সব পড়োস? আর পড়ে কি হবে? এত জেনে জেনে জানোয়ার হবার মানে কি?' আর সত্যজিৎ রায় কি এক সিনেমা বানিয়েছিল- হীরক রাজার দেশে, তার ডায়লগ সবাই দেয়ঃ জানার কোনো শেষ নাই, জানার চেষ্টা বৃথা তাই। সিনেমাতে তো পলাতক মাষ্টারও ছিল তার কথা কেউ মনে রাখে নাই। মনে রাখছে নরপিশাচ রাজার কথা। তাহলে ফেসবুকে এত ঢংয়ের মানে কি? সেই ঢংওয়ালা মানুষদের আবাস কোথায়?

বিক্ষিপ্ত ভাবনা

আমার মাঝে মাঝে মনে হয় কৌতুহল আর ভয়- আমাদের বর্তমান সভ্যতার প্রধানতম চালিকাশক্তি মানুষের এই দুটো অনুভুতি তবে এই দুটো অনুভুতির ভেতরে ভয়ের অনুভুতিটাই প্রবল। আমাদের ভাবনার জগতটা সম্পূর্ণ ভয় নিয়ন্ত্রন করে। কখনও কখনও ভয়টা ভীতির পর্যায় পার হয়ে আতংকে পরিণত হয়, কখনও ভয়টা আমাদের কৌতুহল নিবৃত করে।

আমাদের দৃশ্যমাণ, ইন্দ্রিয়গ্রাহ্য পৃথিবীর বাইরের সবটুকুই আমাদের ভীতির জগত। অন্ধকার- অপরিচিত ভূখন্ড কিংবা অজানা গন্তব্য- সবই আমাদের ভেতরে এক ধরণের সংকেত- এক ধরণের সাবধানবার্তা তৈরী করে। যে নিরাপত্তাহীনতার বোধ থেকে মানুষ আগুণকে ভক্তি শ্রদ্ধা করতে শিখেছে, প্রযুক্তির অভাবনীয় অগ্রগতি এবং এত শত মারণাস্ত্র নির্মাণের পর সেই নিরাপত্তাহীনতার বোধ আরও তীব্র হয়েছে। যন্ত্রের যান্ত্রিক দক্ষতা, যন্ত্রগণকের সমস্যা সমাধানের অভাবনীয় গতি সবই এখন মানুষের ভয়ের কারণ।

জার্সি

কেউ পরেছে ব্রাজিল টিমের হলুদ জার্সি, কারো বা আর্জেন্টিনার। আছে জার্মানির, স্পেনের , ডাচদেরও।
যদিও তাদের অনেকেই জানে না, এই রঙ্গিন জামাগুলো বিশ্বের মানুষের মনযোগে ছিল এতোদিন।

বেশ কয়েকজনের জার্সি গায়ের তূলনায় বড়, তাতে কী, নতুন পওয়া এই গেঞ্জি, তাদের ছোট জগতে অনেক বড় আনন্দের ঢেউ এনেছে।

কথা বলছিলাম কতগুলো পিচ্চিদের ড্রেস নিয়ে। ওরা পড়তে বসেছে পাণ্থকুঞ্জ নামে একটা পার্কে। পার্কটি পাঁচতারা হোটেল সোনারগাঁওয়ের কাছে। মানে উল্টোদিকে।
সেই স্কুলে বেঞ্চ নাই, স্কুল ড্রেসের বালাই নাই। মাটিতে মাদুর বিছিয়ে পড়ে তারা। অ-তে অজগরটি আসছে তেড়ে। আ -তে আমটি আমি খাব পেড়ে। ভালো কথা পেড়ে খাওয়া আমে ফর্মালিন থাকে না।

যাহোক,এটা আমার কল্পনা। বাস্তবে ওই ছেলে-মেয়েরা জর্সি গায়ে দেয়ার স্বপ্নও বোধ হয় দেখে না। ওরা ঘুমায় ফুটপাতে। ওদের ঘর পলিথিনে তৈরি। বিশ্বকাপ মানে কী. তা বুঝতেও তাদের অনেক সময় লাগবে।

সমর্থক সমাচার

ব্রাজিল টিমের ভক্তদের প্রাণের মনি নেইমার এবার চান বিশ্বকাপ জিতুক আর্জেন্টিনা। ব্রাজিল হেরে যাবার পর ল্যাটিন ফুটবলের পতাকা এখন আর্জেন্টিনার কাছেই।
আর্জেন্টিনার মেসি বার্সাতে তার সহকর্মী।এরইমধ্যে ডাক্তার পাঠিয়ে নেইমারের পাশে আছে ক্লাবটি। এরআগে হরমোনজনিত অসুখের চিকিৎসার ব্যয়বহন করে মেসিকে ফিট করে তোলে ক্লাবটি। বিনিময়ে মেসি সেই কিশোরবেলা থেকেই ক্লাবটির সঙ্গে।
আবার দীর্ঘদিন দেশের বাইরে থাকায় মেসিকে পছন্দ করেন না আর্জেন্টিনার মানুষরা।এমনকী তারা মনে করেন মেসির ব্যক্তিত্ব নাই। মার্কিন সাংবাদিকরা এসব তথ্য দুনিয়ার মানুষদের জানিয়েছেন।

এসব কথা বলছি বাংলাদেশে ওই দুই দলের ভক্তদের কথা মাথায় রেখে। বিশেষ করে যারা অন্যদের হেয় করে মন্তব্য করেন বা হাসাহাসি করেন। তাদের আচরণ চর দখলের জন্য লাঠিসোটা নিয়ে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া করার মতোই। গালাগালি, পচানো, হিংসা, হেয় করা এসব কোন বিচারে খেলোয়াড়সুলভ মনোভাব হয় ?

উপোষের দিন রাত্রী, সিজন টু- এপিসোড টু!

শরীরটা ভালো লাগছে না। ইফতারের পর থেকেই কেমন জানি করছে। তাও ঘুম আসে না। ভোর না হলে ঘুম আসার কোনো সম্ভাবনাই নাই। খুবই খারাপ অভ্যাস এই দিনে ঘুমানোর। কিন্তু কি আর করা, করেই যাচ্ছি। ঘুম ছাড়াই শরীর কেমন জানি টানছে। এর কারন সম্ভবত গত দুই দিনের কম ঘুম আর ইফতারে অহেতুক বেশী খাবার। ইফতার যখন খাই তখন তো হুশ থাকে না। খালি গিলি আর পান করি। কিন্তু খাবারের পর বুঝি অযথাই এত জিনিস কিনে এনে খাওয়া। লোকজন বলে রাতে খাও না, ইফতার বেশী খাওয়া দোষের কিছু না। কিন্তু খাওয়ার পরে বোঝা যায় ঠেলা, হাঁটা যায় না মোটেও, শরীর ঝিমিয়ে আসে। শরীর খারাপ হবার আরো কারন থাকতে পারে গত দুই দিনই খুব হাইপারের ভেতরে ছিলাম ওয়ার্ল্ডকাপ নিয়ে। প্রথমটায় ব্রাজিলের ডিজাস্টার হারে প্রথমে উৎফুল্ল হলেও পরে খুবই মন খারাপ ফ্যানদের কথা ভেবে, আর সেকেন্ডদিন আর্জেন্টিনার প্যানাল্টিতে জয়। ভাগ্য ভালো রোমেরো সেভ করেছিল নয়তো তখন মনে হচ্ছিলো টেনশনে মরেই যাই

ফিরে দেখা

২০১৩ সাল ছিলো নাগরিক অসন্তোষের বছর, বছরের শুরুতেই কাদের মোল্লার যাবজ্জীবন কারাদন্ডের রায়ে ক্ষুব্ধ তরুণেরা শাহবাগ মোড় দখল করে নেয় ফাঁসীর দাবীতে। শাহবাগ মোড় প্রজন্ম চত্ত্বরে পরিণত হওয়ার পর টানা ৩ সপ্তাহ সাধারণ মানুষ শাহবাগ মোড় অবরুদ্ধ করে রাখে।
সাঈদীর ফাঁসীর আদেশে আদালত লিখেছিলো ধর্মবেত্তা দেলোয়ার হোসেন সাঈদী নয় বরং আদালত একজন মানবতা বিরোধী অপরাধী দেইল্যা রাজাকারকে ফাঁসী দিচ্ছে- যদিও আদালতের রায়ে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর ভিন্ন দুটো পরিচয় লিপিবদ্ধ করার কোনো প্রয়োজন ছিলো না কিন্তু তারপরো গুজব ছড়িয়ে পরিকল্পিত ধ্বংসযজ্ঞ চালানো হয়। এপ্রিলে হেফাজতে ইসলামী ইসলাম রক্ষার দাবীতে এবং বাংলাদেশে এক ধরণের ইসলামী রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েমের দাবীতে ঢাকা মার্চ শুরু করে- সরকার নিজেই ঢাকাকে অবরুদ্ধ করে ফেলে এবং হেফাজতে ইসলামী ১৩ দফা ঘোষণা করে এক মাসের সময়সীমা বেধে দিয়ে ঢাকা ত্যাগ করে।

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ