ইউজার লগইন

রায়েহাত শুভ'এর ব্লগ

আত্মমগ্ন কথামালা ১৯

*
শুধু শেষটা ঠিক শেষের মত ছিলো না...

**
দিনগুলো উড়ে উড়ে চলে যাচ্ছে, পাখির কিংবা জেট প্লেনের ডানায় চেপে। বিভিন্ন ঘটনায় ভরা একের পর এক দিন। গাঢ় কুয়াশায় লাইটপোস্টগুলোকে গাছের মত লাগে, আর গাছ গুলোকে মনে হয় ভিনগ্রহের প্রাণী। কুয়াশা জমেই থাকছে মন মগজ চোখ এবং শহর জুড়ে।

***
অনেকের সাথে অনেক দিন কথা হয় না। দু'টো সবুজ সুতো গাঁটছড়া বেঁধে নিয়েছে আজকাল। একসময় হয়তো সবুজের স্থান ধীরে ধীরে দখল করবে খয়েরী রঙ; সুতো-পাতা-মনের। তবুও...

****
চেষ্টা করলেও অনেক কিছুই সরিয়ে রাখা যায় না। ঘুরে-ফিরে-ফিরে-ঘুরে আসে... কত কিছুই করছি আবার কিছুই করছি না, বেশ মজারই জিনিসটা। অনেক কিছু জমে উঠছে, আবার জমতে জমতে অনেক কিছুই গলে গলে যাচ্ছে।

*****
প্রথম...

******
বিষণ্ণ কুয়াশা জেগেছে খয়েরী পাতায়, মাঝবয়েসী গাছে
স্বর্ণলতার আলিঙ্গণে।
দূরে উড়ে যাও বর্ষামেঘ
বিষণ্ণ কুয়াশার ঝাঁকে হারিয়ে যাবে তোমার জলভরা চোখ।

র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব

এইতো বেশ!
মধ্যবিত্ত তরুণেরা ঘুরছে ফিরছে।
চা সিগারেট খাচ্ছে। আড্ডাবাজিতে মেতে উঠছে।
মৃদু খুনসুটি, ফোনকল,
হয়তো খানিক রঙীন নেশার আবেশ...
সবকিছুই ঠিকঠাক চলছে।
এরই মাঝে অনেকেই নেতা হয়ে উঠছে।
শরীর-বেশভুষায় নেতৃত্বের কিংবা বৈচিত্রের ছাপ,
শুধু মনটা শেষতক সামন্ত'ই থেকে যাচ্ছে।
বিপ্লব প্রয়োজন।
দেশের স্বার্থেই, তৃণমূল থেকে।
"বিকেলে প্রতিবাদ"
ব্যানার হাতে দাড়াতে হবে নির্দিষ্ট স্থানে,
মিছিল নিয়ে হাঁটতে হবে অতিপরিচিত রাস্তায়,
মেপে রাখা কদমের সংখ্যায়।
বন্ধুগোত্রীয় নেতৃবৃন্দ বা কমরেড সাথে নিয়ে।
রাত শেষে,

সবার হাতে রঙচঙে র‍্যাপিং এ মোড়ানো এক বাক্স বিপ্লব...

উড়ে যাও বর্ষামেঘ

বিষণ্ণ কুয়াশা জেগেছে খয়েরী পাতায়, মাঝবয়েসী গাছে
স্বর্ণলতার আলিঙ্গণে।
দূরে উড়ে যাও বর্ষামেঘ
বিষণ্ণ কুয়াশার ঝাঁকে হারিয়ে যাবে তোমার জলভরা চোখ।
__________________________________________

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক
ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক
ফাক ফাক ফাক ফাক ফাক

আত্মমগ্ন কথামালা ১৮

(মূলতঃ এটাই লিখবার কথা ছিলো আজ)

শীত এসেছে।
আমার অপছন্দের ঋতু।
এখন যেই শীতটা পড়ছে সেরকম যদি সারাটা শীতকাল জুড়ে থাকতো, তাহলে হয়তো শীত আমার প্রিয় ঋতুই থাকতো।

পরশু সন্ধ্যায় বছরের প্রথম কুয়াশা দেখলাম। গ্রাউন্ড লেভেলে যেইটা অদৃশ্য, ২৩ তলার উপর থেকে সেইটাই দেখলাম চাদরের মতো শহরটাকে জড়িয়ে ধরে আছে। দারুণ একটা সন্ধ্যা কাটলো সেদিন। রাত নামতে নামতে tipsy... অনেকদিন পর tipsy হতে আসলে খুব খারাপ লাগে নাই। এই অবস্থায় রিকশায় ঘোরা... আরও আরও আনন্দের...

আজ দেখলাম সকালের কুয়াশা। গাছের ডালে ডালে জড়িয়ে আছে। সুর্য উঁকি মারছে ডাল আর পাতার ফাঁক ফোকড় দিয়ে। সেই আলোগুলো ছায়াগুলো কুয়াশায় মিশে অপার্থিব একটা আমেজ ছড়িয়ে দিচ্ছে সকালে ব্যাস্ততার ভেতর।

আত্মমগ্ন কথামালা ১৮

*
মৃত্যু
ছোট্ট একটা শব্দ, কিন্তু কি ভয়ানক বিষণ্ণ... কি ভয়ানক একাকীত্বের একটা শব্দ...

**
অনেকগুলো মানুষের মৃত্যু হ'লো গত ক'দিনে। বিভৎস, ভয়ংকর মৃত্যু। ভাবলেই শিউরে উঠতে হয়। ফ্লাইওভারের গার্ডার পড়ে, আগুনে পুড়ে। সেদিন চট্টগ্রামে যখন ফ্লাইওভারের গার্ডার খসে পড়ছিলো; তখন হয়তো আমি উত্তরার পথে, নির্মিয়মান ফ্লাইওভারের নীচে দাঁড়িয়ে থাকা বাসটার ভেতর বসা কিংবা দাঁড়িয়ে আছি...

***
অনেকগুলো বছর আগে প্রায় এরকমই একটা ঘটনা ঘটে গেছিলো চোখের সামনে। সাইন্সল্যাবের ওভারব্রীজটার একটা গার্ডার খসে পড়েছিলো, আর চাপা পড়েছিলো একটা পাজেরো গাড়ি... এখনো মাঝে মাঝে চোখ বন্ধ করলে স্লো মোসান সিনেমার মত সেই ভয়ানক দৃশ্যটা চোখে ভাসে...

****

ভুতুড়ে হাতের ছায়া

জাস্ট একটা হাত, শরীর নেই, মাথা নেই...
হঠাৎ নেমে এলো ব্যস্ত রাস্তার ব্যস্ততা এড়িয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে...
যেখানে ধাতব প্রজাপতি স্থির হয়ে,
স্থির চোখে গিলে ফেলে
কালো ধোঁয়া, শব্দ দুষণ আর মানুষের শরীর;
ঠিক সেখানেই...
আধো অন্ধকার ভেদ করে নেমে এলো
শুধু একটা হাত
শরীর নেই, মাথা নেই, পা নেই
শুধু একটা হাত
প্রজাপতির ডানা ঝাপটানোর মত নেমে এলো,
আর নিমেষের জাদুতে
অদৃশ্য হয়ে গেলো হাতে থাকা মুঠোফোনের শব্দময়তা
বিস্মিত, দুঃখিত এবং ভীত চোখে তাকিয়ে থাকা সঙ্গিনীর
বিবিধ দুঃস্বপ্নের অনুষঙ্গে যোগ হলো
ভুতুড়ে হাতের ছায়া...

আত্মমগ্ন কথামালা - ১৭


সেই কোন শিশুকাল কোনো একটা রূপকথায় পড়ছিলাম রাজকন্যারে পীরেনিজ পর্বতমালার ওইপাড়ের থিকা উদ্ধার কইরা নিয়া আসে রাজকুমার। সেই থিকাই মাথার ভিতর পীরেনিজ নিয়া একটা বিরাট ধরণের রোমান্টিসিজম লালন কইরা যাইতেছি। সাগরের জোয়ার-ভাটার মতো, এই রোমান্টিসিজম কখনো পিকে থাকে কখনো নাইমা যায়। সময়কালের কোনো ঠিক-ঠিকানা নাই...

*
আলতো আদরে মাতে
পীরেনীজ ছুঁয়ে আসা সোনালী মেঘের দল...
*

আইজ সকালের আকাশ দেইখা কোনো ফিলিং হয়নাই মাথার ভিতর। দুপুরে বেরইলাম, আর আকাশ দেইখা মনে হইতে থাকলো একেবারে জলরঙে আঁকা। ঘুইরা ফিরা আবারো সেই শিশুকাল মাথার ভিতর ফিরা আসলো। যেই সময় আমরা সিএমওয়াইকে চিনতাম না, আরজিবি চিনতাম না। রঙগুলারে আলাদা আলাদা নামে চিনতাম। সেই পিওর আকাশী নীল রঙের আকাশ ছিলো দুপুরে। সাথে পেঁজা তুলো মেঘের ছোপ ছোপ...

রোদের টুকরাগুলা পইড়া ছিলো সেই পুরানো সরকারী বাগানের সবুজ কার্পেটের উপরে। আশেপাশের বড়বড় গাছগুলা মনে হইতেছিলো স্নেহের দৃষ্টিতে তাকাইয়া ঘাস আর রোদের খুনসুটি দেখতেছে...

বহুদিন লেখতে পারতেছিনা। চেষ্টা কইরা চলতেছি। কিন্তু কিছুই জমাট বাধতেছে না।

পৌনঃপুনিক

মৃদুল প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ির কোনায় দাঁড়িয়ে থাকে, একটা নীল বেলুন হাতে।
........................

শোভনা প্রতিদিন তিনতলার সিঁড়ি বেয়ে উঠে আসে, কাঁধে থাকে একটা সাদা ব্যাগ।
........................

পুরোনো ধাঁচের তিনতলা এই বাড়ীটায় সিঁড়িগুলো অনেক উঁচু উঁচু আর অন্ধকার। অন্ধকার ঠিক না, আলো কম। তবে ঘন্টা খানেক দাঁড়ালে চোখ সয়ে আসে, সবকিছু দেখা যায়। শুধু রঙ আর আকারের কোনো থই পাওয়া যায় না।

মৃদুল অপেক্ষা করে শোভনার জন্যে।

শোভনা ক্লান্ত পায়ে এক একটা সিঁড়ি ভাঙ্গে, মৃদুল পায়ের শব্দ গোনে। শোভনার সাদা ব্যাগটা ঝলমল ঝলমল করে। মনেহয় এক খন্ড সুর্য নিয়ে সে ঢুকেছে অন্ধকার সিঁড়িঘরে। সেই সুর্যকে নীল মেঘ দিয়ে বরণ করে নিতেই মৃদুল দাঁড়িয়ে থাকে নীল বেলুন হাতে।

শোভনাও অপেক্ষা করে মৃদুলের সাথে দেখা হবার ক্ষণটার।

দু'জনে মুখোমুখি হয় তে'তলার ল্যান্ডিংএ। মৃদুল ঠোঁট আর চোখে হাসি নিয়ে শোভনার দিকে বেলুনটা বাড়িয়ে দেয়, শোভনাও চোখ আর ঠোঁটে মৃদু হাসি নিয়ে দুহাতে বেলুনটা ধরে।

আর বেলুনটা অদৃশ্য হয়ে যায়।

মৃদুল সিঁড়ি বেয়ে নেমে যায় নীচে, শোভনা নিজের বাসার দরজায় কড়া নাড়ে।

..................

আত্মমগ্ন কথামালা - ১৬

ঘুরেফিরে বার বার চলে আসি নিজের পাশেই। বসে থাকি চুপচাপ, হাতটা বাড়িয়ে একটা মশা মারি, ঠাস্‌! করে শব্দ হয়। নিজের তৈরী শব্দের প্রতি নিজেরই মুগ্ধতা তৈরী হয়। মৃত মশার প্রতি সহানুভুতি জাগে। হাতে বা পা'এ লেগে থাকা নিজের রক্তের রঙের দিকে ভালোবাসা নিয়ে তাকিয়ে থাকি। একটু ওপাশ থেকে কখনো ভেসে আসে বাঁশির শব্দ, কখনো ভেসে আসে সেতার বা গীটারের সুর, কখনোবা দ্রুততাল আর লয়ে ড্রামের বিট। এগুলোর সাথে সঙ্গত করে বিভিন্ন স্বর। ভালো লাগে বা লাগেনা...

উড়ে যাবার শখ ছিলো একটা সময়। বয়সের সাথে সাথে পিঠে গজানো ডানার পালকে ধুসর ছোঁয়া লাগে। হয়তো কিছুদিনের ভেতর মরে যাবে পালকের জন্মদাত্রীরা। সেখানে জমে উঠবে মৃত ঘাসের দঙ্গল। পিঙ্গল না আরো ফিকে কোনো রঙের?

একঝাঁক পাখি মরে গিয়েছে পার করতে থাকা সময় জুড়ে। তাদের জন্য একটা ব্যক্তিগত গোরস্থান তৈরী জরুরী হয়ে দাঁড়িয়েছে। নয়তো তাদের এপিটাফের পদ্যে ভুল পালকের ছন্দ আঁকা হয়ে চলেছে প্রতিটা সেকেন্ড-মিনিট-ঘন্টা-প্রহর-দিন-সপ্তা-মাস-বছর ধরে। স্মৃতি যতই বেদনাদায়ক হোক না কেন, সেটাকে উপভোগ করার চাইতে অন্য কোনো উপায় জানা নেই যে...

আত্মমগ্ন কথামালা ১৫

রিসেন্টলি কক্সবাজারে ভয়াবহ কিছু ঘটনা ঘইটা গেলো। যেইটার কোনো লজিকাল কারণ খুইজা পাইতেছি না। মাথার ভেতর একাধিক হাইপোথিসিস ঘুরতেছে এই ইস্যুতে। কিন্তু সেগুলা নিয়া লেখতে গেলেই কই কই যানি হারায়া যাইতেছে। ভাবনাগুলা থাকতেছে, বাট, লেখায় প্রকাশ করতে পারতেছি না। ওয়ার্ড হারায় যাইতেছে, লাইন হারায়া যাইতেছে।

কবিতা আমার এত প্রিয় একটা বিষয়। কিন্তু সেই জিনিসটারেও ঠিকঠাক মত লিখতে টিখতে পারতেছিনা। শুধু ফেসবুকে একটা দুইটা কইরা লাইন দিতেছি। সেগুলাও আমার নিজের কাছে আপ টু দ্য মার্ক হইতেছে না। সেদিন দেখি এক ফ্রেন্ডও সেইম জিনিস কইলো। সে কইতেছে, "তোর লেখাগুলা শুধু শব্দের ভারে ভারাক্রান্ত হইয়া যাইতেছে। কোনো প্রাণ নাই, ইমোশন নাই। তুই বেটার কিছুদিন ব্রেক নে।" কথাগুলা শুনতে খারাপ লাগছে, কিন্তু বন্ধুটারে থ্যাংক্স জানাইতেই হয়। সে নির্মোহ থাইকা আমার সাম্প্রতিক লেখাগুলারে জাজ করনের চেষ্টা করছে।

অস্থিরতা বাড়ছে গত মাস দু'য়েক ধইরা। যদিও এইটা ক্রনিক ব্যাধি হইয়া গেছে সেই ৭/৮ বছর ধইরা। তবুও ব্যাধিটারে আয়ত্ত্বে আনবার কোনো উপায় বের কইরা আনতে পারি নাই।

মজার এক প্রোজেক্ট হাতে নিছি Smile কাজেও খাটতেছে বইলাই মনে হয়...

হাবাজাবা বাবা কাহিনী

ওয়েল... আমরা সবাই মোবাইলে বিভিন্ন বাবা জাতীয় প্রতারণার কাহিনী শুইনা আসতেছি বেশ কিছুদিন ধইরাই। ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স বইলা একটা কথা আছে। সেই এক্সপেরিয়েন্স আমার হইছে প্রায় ৪/৫ বছর আগে। তো সেইবার জ্বীনের বাদশারে গালাগালি কইরা ভুত ছাড়ায়া দিসিলাম। আরেক ফার্স্টহ্যান্ড এক্সপেরিয়েন্স হইলো আইজ রাইত আড়াইটায়।
ইউজুয়াল্লি অফিস দিনগুলাতে ঘুমাইতে যাই রাইত একটা দেড়টার দিকে। আইজ রাইতেও তাই গেছিলাম। বিজ্ঞানীরা কইয়া থাকে ঘুমাইতে যাইবার ঘন্টা খানিক পর থিকাই আস্তে আস্তে ঘুম গাঢ় হইয়া আসতে থাকে, রেম (REM) ফেম ইত্যাদি কাজকার ঘটে। যাই হউক, বিজ্ঞান কপচাইতে বসি নাই এক্সপেরিয়েন্স কইতে বসছি।
তো রাইত আড়াইটার দিকে হঠাত ফোন বাইজা ঘুমটা ভাঙ্গাইয়া দিলো। অচেনা নাম্বার। ভাব্লাম পরিচিত কোনো দোস্ত বন্ধু হয়তো জরুরী দরকারে ফোন্দিসে।
রিসিভ কইরা হেলু কইলাম, পয়লা কিছু বলে না।
আবার কইলাম, কে বলছেন কারে চাইতেছেন?
এই বার খ্যানখ্যানা গলায় কেউ একজন কইতেছে, তোর সাথে জ্বীনের বাদশা অমুক (খ্যানখ্যানা গলার লাইগা কি বাবা কইছিলো ভুইলা গেছি) বাবা কথা বলতেছি।

ফেরার গল্প (দুইখন্ড একত্রে)

_________( পাঠকের সুবিধার্থে দুই খন্ডকে একসাথে করে দিলাম)___________

এখানে একটা সত্যিকারের পুকুর ছিলো। আর কেউ না মনে রাখলেও আমি সেটা মনে রেখেছি। সেই পুকুর পাড়ে কত শত উদাসী দুপুর যে কাটিয়েছি ভাবলেই এই খড়খড়ে রোদের দুপুরটাও বেশ মায়াময় হয়ে ওঠে। আমি অনেকদিন পরে এই রাস্তায় ফিরছি। ঐ যে ওখানে একটা বিষণ্ণ আতাগাছ দেখছেন, ওটার পাশের গলিটা দিয়ে পঞ্চাশ গজ মত গেলেই আমার বাড়ী। কিংবা বলতে পারেন আমার বাড়ী ছিলো। এখন কেউ আছে কি না, সেটা জানা নেই।

একবিন্দুও বাড়িয়ে বলছিনা, আমি আসলেই ফিরে এসেছি। যদিও চেনা রাস্তাটা আর আগের মতো চেনা নেই। কালাম মামার চা সিগারেটের দোকানটা যেখানে ছিলো, সেখানে একটা কিম্ভুত আকৃতির হাইরাইজ দেখছি। কে জানে, কালাম মামাই এটার মালিক কি না।

ফেরার গল্প-১

এখানে একটা সত্যিকারের পুকুর ছিলো। আর কেউ না মনে রাখলেও আমি সেটা মনে রেখেছি। সেই পুকুর পাড়ে কত শত উদাসী দুপুর যে কাটিয়েছি ভাবলেই এই খড়খড়ে রোদের দুপুরটাও বেশ মায়াময় হয়ে ওঠে। আমি অনেকদিন পরে এই রাস্তায় ফিরছি। ঐ যে ওখানে একটা বিষণ্ণ আতাগাছ দেখছেন, ওটার পাশের গলিটা দিয়ে পঞ্চাশ গজ মত গেলেই আমার বাড়ী। কিংবা বলতে পারেন আমার বাড়ী ছিলো। এখন কেউ আছে কি না, সেটা জানা নেই।

একবিন্দুও বাড়িয়ে বলছিনা, আমি আসলেই ফিরে এসেছি। যদিও চেনা রাস্তাটা আর আগের মতো চেনা নেই। কালাম মামার চা সিগারেটের দোকানটা যেখানে ছিলো, সেখানে একটা কিম্ভুত আকৃতির হাইরাইজ দেখছি। কে জানে, কালাম মামাই এটার মালিক কি না।

অসংলগ্ন

একটা নদীর মৃত্যু হয়েছে সেদিন...

আলফেসানী দাঁড়িয়েছিলো একটা রিকশা কখন এসে টুনটুন নুপুর বাজাবে সেই অপেক্ষায়। সেই রিকশাই এলো, সাথে করে নুপুরের ছন্দের বদলে নিয়ে এলো নদীর মৃত্যু সংবাদ। নদীটার সাথে আলফেসানীর পরিচয় ছিলোনা। শুধু ঢেউয়ের ছন্দটা সে দেখেছিলো কোনো এক আর্ট গ্যালারীর আলো আঁধারীতে।

ঝাঁক বেঁধে দানবেরা ছুটে এসেছিলো মৃত নদীর দৃশ্যমান সম্পদ ছিঁড়ে খুঁড়ে নেওয়ার জন্য। যেটা আলফেসানীর একেবারেই পছন্দ হয়নি। তাই সে জবথবু হয়ে বসে পড়লো গ্যালারীর অন্ধকার সিঁড়ির নীচে। যেখানে তৈলচিত্রদের বৃদ্ধাশ্রম। হঠাতই অন্ধকার ভরে উঠলো ফিসফিস স্বরে। শুনবেনা শুনবেনা করেও আলফেসানী শুনে ফেললো বৃদ্ধ তৈলচিত্রদের একান্ত গোপন কথাগুলো। এর ভেতর কোনো একটা তৈলচিত্র আবার সানাই বাজিয়ে চলেছিলো অবিরাম।

দুই এবিবাসীর জন্মদিনের শুভেচ্ছা...

যদিও পার্টি পুর্টির দাবাত ইত্যাদি পাইনাই, তবুও সবাইরে জানায়া দিয়া যাই...

আজ এই মহান দিনে, মহান লগ্নে, দুই জন মহামানব এসেছিলেন এই পাপিষ্ঠ ধরাধামে।
এই দু'জনে আগমনে হেসে উঠেছিলো পৃথিবী, নেচে উঠেছিলো সকল ব্যলেরিনারা, নতুন গানে সুর দিয়েছিলো অনেক সুরকার (এগুলো সব কাব্যিক কথাবার্তা)। আসলে তাদের আগমনে সবচাইতে খুশি হয়েছিলেন তাদের জন্মদাতা জন্মদাত্রীরা।
এই দু'জনকে নিয়ে আমার অনেক কিছু বলবার আছে, কিন্তু সময় হাতে কম। তাই শুধু এটুকু বলে যাই যে, উনারা দুইজনেই আমার খুব ভালো বন্ধু। উনাদের মত বন্ধুসুলভ বন্ধু আমি খুব কমই পেয়েছি আমার জীবনে।

শুভ জন্মদিন প্রিয় হাসান রায়হান ভাই এবং রাসেল আশরাফ ভাই...

অনেক অনেক বছর বেঁচে থাকেন, অনেক অনেক বছর বন্ধু হয়ে থাকেন...