ইউজার লগইন

রায়েহাত শুভ'এর ব্লগ

বদলি বিষণ্ণতার শব্দ

*
চোখ দুটোতে কাজলের বদলে বিষণ্ণতা মাখা।

আয়নায় কি দেখেছিলে নিজেকে আজ?

চুলে চিরুনী বোলাবার সময়?

নয়তো পথে আসতে তাকিয়েছিলে কি কোনো চকচকে সারফেসে?

আমি জানি,
যতবারই তুমি নিজের প্রতিচ্ছবি দেখেছিলে,
ততবারই নিজেকে লুকিয়েছিলে নিজের কাছ থেকে।

কেন,
বিষণ্ণতার সাথে এমন লুকোচুরি খেলে যাওয়া?
নিজের সাথে নিজের মিথ্যাচার?

আমি বুঝিনা তোমাকে,
আসলে বুঝতে চাইনা।

শুধু জানি তোমার বিষণ্ণতা আমাকেও স্পর্শ করে।

কুয়াশা যেভাবে আলতো স্পর্শে জড়িয়ে থাকে হলদে খড়ের স্তুপ
ভিজিয়ে দেয় নিজের অশ্রুতে।
তোমার বিষণ্ণতাও আমাকে ঘিরে ফেলে মন খারাপের কুয়াশায়।

মাঠ ফেলে রেখে আসি পিছনে,
বিষণ্ণতা লেপ্টে নিয়ে আমার দু'চোখে।

এলোমেলো রক্তছোপ

ইদানিং এসফল্টের রাস্তায় ছোপছোপ রক্ত দেখতে পাই। কুয়াশা মাখা সোডিয়াম সোনালী আলোয় হাঁটতে হাঁটতে যতবারই এগিয়ে যাই, রক্তের ছোপ গুলো দূরে সরতে থাকে। আর সেখান থেকে জন্ম নেয় ঘিনঘিনে পোকারা।

কি খবর হে? দিনকাল কেমন যায়।

পাঠ প্রতিক্রিয়া : রশীদ করীম

রশীদ করীমের উপন্যাস সমগ্র পড়া শেষ করলাম।
সেই ১৯৬১ এ লেখা প্রথম উপন্যাস “উত্তম পুরুষ” থেকে ১৯৯৩ এ লেখা শেষ উপন্যাস “লাঞ্চবক্স” পর্যন্ত। প্রথমেই বইলা রাখা ভালো, আমি কোনো সমালোচক নই। যার জন্য এই উপন্যাস সমগ্র নিয়া যা যা লিখতেছি তা সবই আমার নিজস্ব ভাবনা।

উপন্যাস সমগ্র পড়বার একটা সুবিধা আছে। বিভিন্ন সময়ে লেখকের বিভিন্ন রকম ভাবনা-চিন্তা গুলারে এক মলাটে পাওয়া যায়। তাতে লেখকের চরিত্র সম্পর্কেও মোটামুটি বেশ পরিষ্কার ধারণা জন্মায়। যাক এইসকল কথাবার্তা, পাঠ প্রতিক্রিয়ায় আসি।

আনটাইটেলড-১

ধরি,
আগামী রোববার আমাদের হাতে কোনো কাজ থাকবে না।

সেদিন সূর্যের আলো থাকবে গাঢ় কুয়াশায় ঢাকা,
বছরের প্রথম শৈত্য প্রবাহে থরথর কাঁপবে হলদেটে পাতার দল
বুড়িগঙ্গা থেকে ছেড়ে যাওয়া লঞ্চগুলো
হাঁসের মত পালক গুটিয়ে জবুথবু সদরঘাট,
মোটা মাফলার জড়িয়ে অপেক্ষাক্লান্ত হয়ে পড়বে মুদি দোকানীর,
চা'য়ের কাপ ছেড়ে ধোঁয়ারাও উড়বেনা ছাদ কিংবা আকাশের দিকে,
কোনো কাজই হবেনা সেদিন।

কারণ, আমরা প্রথমেই ধরে নিয়েছি আগামী রোববার আমাদের হাতে কোনো কাজ থাকবেনা।

হাবিজাবি... হাবিজাবি...

╙╜ ইদানিং... না ঠিক ইদানিং না, বেশ কিছুদিন হইলো আমার কি জানি হইছে। লেখালেখি করতে পারি না। ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে ঢুইকা বইসা থাকি, ব্লগে ঢুইকা ঝিমাই, ফেসবুক ওপেন কইরা রাইখা দেই। লিখতে পারি না। ব্লগে লগিন করি না, অফলাইনে বইসা মন্তব্যের ঘরে একটা দুইটা শব্দ লেখার চেষ্টা করি কী-বোর্ডের কী গুলা মনে হয় লাফাইয়া লাফাইয়া সইরা চইলা যায়। পড়ছিলাম, ডিস্লেক্সিয়া হইলে মানুষ পড়তে পারেনা, অক্ষরগুলা মনে হয় দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি করতেছে। কিন্তু অনেক খুইজাও আমার রোগের কোনো ব্যখ্যা পাইলাম না Sad

╙╜ মাথার ভেতর কয়েকজন মানুষের নাম নিয়া ঘুরতেছি অনেক অনেক দিন ধইরা। কেউ বাইরে আসতে চায়না Sad

সাময়িক আড্ডাদায়ী পোস্ট

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

আছেন নাকি জনগন? আড্ডা দিবার মঞ্চাইতেছে। কিছু লেখতে ইচ্ছা কর্তেছে না। খালি আড্ডা দিতে শখ হৈছে। আছেন না নাই???

শূন্যে ছুঁড়ে দেয়া কয়েনের দিকে তাকিয়ে

ব্যাকস্টেজেঃ

প্রৌঢ় দড়াবাজ দাঁড়িয়ে।
জীবনের শেষ দড়াবাজির খেলা দেখাবে বলে
রং মেখে লুকানো, ভাঁজ পড়া চেহারায়
মঞ্চ ফাঁকি দিয়ে আসা টুকরো আলোরা আলতো ছুঁয়ে যাচ্ছে,
বুঝিবা সান্তনার হাতে।

মঞ্চেঃ

চড়া তালে বেজে চলেছে বাজনা
উদ্দাম ড্রাম বিটের সাথে ছন্দ মিলিয়ে এগিয়ে আসছেন প্রেজেন্টার
তার চকচকে জুতোয় পিছলে যাচ্ছে স্পট লাইট
ধাঁধিয়ে দিচ্ছে চোখ, দর্শকদের।
ভরাট গলায় ঘোষিত হচ্ছে খেলা এবং খেলোয়াড়ের নাম।

বাইরেঃ

কুয়াশার মৃদু গন্ধ মাখা রাতের চাদরে
থিতিয়ে আসা ধুলোরা জমছে ধীরে
একঝাঁক রাতজাগা পাখি
নড়েচড়ে বসছে দূরবর্তী গাছের ডালে
নৈশব্দ এবং কোলাহল হাতধরে চলছে এসফল্টের রাস্তা জুড়ে।

আবার ব্যাকস্টেজেঃ

দড়াবাজের কাঁপা হাত খুঁজে নিয়েছে
জীবনের প্রথম রোজগারের কয়েনটাকে, যেটা

বিচ্ছিন্ন পংক্তিগুলো

বাতাসের দেওয়াল তৈরী হয় অগোছালো নদীতীরে
স্পর্শপাপ বাঁচিয়ে বেড়ে ওঠা ফুলেরা
এলোমেলো হয়।

অস্ফুট আবেগ এবং শরীরের গান মিলেমিশে একাকার

কুয়াশাঘোর মাখা চোখ জুড়ে ছেঁড়াখোঁড়া ছবি
একই নিঃশ্বাসে মিশে থাকা অনাকাংখিত উত্তাপ
আর, অতৃপ্তির ছোপছোপ দাগ।

শিরোনামহীন সম্পর্কের দায় জুড়ে থাকে বর্তমানের সবটা

দৃশ্যতঃ ঘোরাক্রান্ত হই নানাবিধ সম্পর্কে
ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বাস্তবতা
ঘোর ঘোর ঘণঘোর...

________________________________________
ডিস্ক্লেইমার:- এই পঞ্চাশ শব্দের যন্ত্রণাটা বড়ই পেইনফুল Sad

জেগে থাকা এবং বিবিধ...

*
জেগে থাকি, জেগে থাকি
অনিবার্য মৃত্যুর মতন জেগে থাকি।
মন বিবশ করা সৌন্দর্যের মতন জেগে থাকি।
হৃদয় বিদীর্ণ করা বেদনার মতন জেগে থাকি।
শিশুর প্রথম হাসির মতন জেগে থাকি।
ফেলে আসা অতীতের মতন জেগে থাকি।
ঘুম ঘুম চোখ নিয়ে জেগে থাকি তারই প্রতীক্ষায়...

**
অন্ধ উইপোকা জানেনা জীবনের মানে
দিনভর বাসা বেঁধে যায় ধ্বংস হবার জন্য।
তেমনি তোমারও জানা নেই ভালোবাসার গান
চোখ বুজে আশ্রয় খুঁজে ফেরো কোমল হৃদয়ে।

***
সীমান্তে, কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁধা পড়ে থাকে বিবিধ স্বপ্নাবলী,
সচরাচর বাঁধা পড়ে যাই ব্যাক্তিগত দুঃখের ঘেরটোপে।
স্বপ্নাবলী, সীমান্তে পৌছুবার আগেই আশ্রয় নেয় ক্লান্তি ও বাস্তবতার ওয়েস্ট বাস্কেটে।

****
চাঁদের ঝলমলে পোশাকে অভিজাত রাত
ঘৃণার দৃষ্টি ফেলে ফুটপাথে,
টুকরি বিছানায় গুটিসুটি মেরে থাকা নোঙরা জীবগুলোর পানে।

বিপ্রতীপ সম্পর্কের জ্যামিতি

*
দেয়াল ঘেঁষে নেমে আসে বোকাটে রোদ,
সাময়িক শ্যাওলার ভেলভেটে আয়েশী হামাগুড়ি দিয়ে।

দেয়ালের ওপাশে থাকা বিষণ্ণ গাছটিও জেনেছে বোকাটে নেমে আসা গান।
বোঝেনি তারা,
বোকাটে গানের সুরটা লেখা হয়েছে বিষণ্ণ গাছটাকে ভেবেই।

শ্যাওলা বেছে নিয়েছে আধো আলো আধো ছায়ার সম্পর্ক,
সে ভাবতে পারেনি উজ্জ্বল রোদ তাকে দিতে পারে বৃক্ষের স্বাধীনতা।
বিষণ্ণ গাছটিও রয়ে গেছে দেয়ালের ওইপাশে, যেখানে ছিটেফোঁটা রোদ উঁকি মারে অনভ্যাসে।

রোদের সাধ্য ছিলো দেয়ালটাকে ভেঙ্গে ফেলে
বিষণ্ণ গাছটাকে আলিঙ্গনের,
তার মনের অশ্রুগুলোকে এক নিঃশ্বাসে পান করার,
দু’জন মিলেমিশে জীবনের গানে মেতে ওঠার।

বোকা রোদ,
বরাবরের অনভস্ততায় বাঁধা পড়ে রইলো দেয়ালের কার্ণিশে,
আর লিখতে থাকলো বিপ্রতীপ সম্পর্কের সংখ্যাতত্ত্ব।



_________________________________________________________
*আলসেমীর জং কাটানোর চেষ্টা

ইফতারাড্ডা

"আমরা বন্ধু"রা মাঝে মাঝে কিছু খুচরো আড্ডা দেই। যেখানে আমরা আসলে ব্লগের সবাইকে খুব মিস করি। আড্ডার অবশ্য আলোচ্য একটা বিষয় হলো "আমরা বন্ধু" ব্লগের সবাই মিলে একটা বড়সড় আড্ডা আয়োজন করা। বিবিধ ভেজালে পইড়া আয়োজন ভেস্তে যায়। তো এইবার অন্য কোনও ভেজালে পড়নের আগেই একখান ইফতার আড্ডার আয়োজন কইরা ফেলছি। সো এখন সময় ঘোষণা দেবার...

**************
আগামী ২২শে অগাস্ট সোমবার জন্মাষ্টমীর ছুটি। "আমরা বন্ধু"র সবাই একটু কষ্ট কইরা নিকেতন চইলা আসেন। আমরা আশা করি দুপুর দুইটা থেকে সবাই উপস্থিত থাকবো। তয় যারা মনে করতেছেন দুপুর দুইটায় চান্দি ফাটা রোদ শুরু হইয়া যাবে তারা সক্কাল সক্কাল চৈলা আসতে পারেন কোনৈ সমস্যা নাই..

যেইখানে যাইতে হইবো সেই ঠিকানাটা

***************

এইবার স্পন্সর ইত্যাদি...

বাড়িওয়ালা স্পন্সর করতেছে ভ্যেনু পেলাস খিচুড়ী

এক ছিলো গূড় আর অনেক ছিলো পির্ফা

তো একজন কইলো
: মনে হইতাছে, ___ ভাই আবারো কাঠির আগায় গুড় লাগাইয়া গেছেন! সব পিপড়া এক লগে হাজির হইতাছে এইখানে!!

ভাব্লাম, জুকার্বার্গের এত্তবড় একটা সাইট্রে কাঠি কইতেছে বেপার্টা কি?
জিগাইলাম কে গুড় আর কেডাইবা পির্ফা?

আসলেইতো???
আসল কাঠি কুনটা, গুড় কুন্টা আর পির্ফাই বা কারা...

আসলে ভেজাল হইছে কি, ইদানিং লুকজন খালি ঝিমায়।ঝিমায় আর জুকার্বার্গের সাইটে গিয়া একটা ঘরের ভিত্রে ঢুইকা ঝিমাইতে ঝিমাইতে আড্ডা মারে। এদিকে মাঠ খাখা করে। কেউ কস্ট কৈরা মাঠে আসে না, সবতে মিল্যা ঠিকঠাক মতো খেলাধুলাও করে না। এইটা আসলে ঠিক না। মাঠে নাম লেখাইয়া সেই মাঠে না আইসা ঘরের ভিত্রে বৈয়া বৈয়া আড্ডা দেওনটা আসলে একটু কেরাম কেরাম জানি লাগে।

যাই হৌক, ঘটনা হৈলো একজনে কইলো যে মাঠে না আইসা ঘরে বৈসা আড্ডা দেওন উচিত না, লগে লগে ঘরে ভিত্রে হাজির হয়া গেলাম আম্রা সবতে। পুলাপান সব খ্রাপৈয়া গেছেগা। কলিকাল ঘোর কলিকাল...

মুক্তগদ্যঃ আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু

*

আমার পা'য়ে পা'য়ে জড়ায় ঘাসে জমা মেঘেদের অশ্রু।

**

তুমি অবাক তাকিয়েছিলে জানালার শিক ধরে। মেঘেদের ঘনকালো ছায়া পড়েছিলো তোমার চোখে। বিষণ্ণ আকাশের শোকে, তোমার চোখের কোলেও জমেছিলো জল। ছিটে ফোঁটা বৃষ্টিরা, ঠিকানা খুঁজে খুঁজে হয়রান। দু' দণ্ড বিশ্রামে তোমার গালের শ্যামলা মাঠে নিয়েছিলো আশ্রয়য়। আমি অপেক্ষায় ছিলাম, গাঢ় বৃষ্টির কিংবা তোমার জানালা ছেড়ে চলে যাবার।

কে বলবে, পাওয়াতে বেশী সুখ? না কি হারানোতে?

***

দুরের বটগাছটাতে উথাল পাঠাল বাতাসের ঢেউ এসে আছড়ে পড়ছে। তরুণ গাছটার বুড়োটে হলুদ পাতাগুলো এলোমেলো ছুটছে মুক্তির আনন্দে। পিচ ঢালা পথটা যেন নদী। বর্ষায় ভরভরন্ত যৌবন। ওই বাঁকে, এলোমেলো ওড়না নিয়ে ব্যাস্ত কিশোরী। আমি হেঁটে চলেছি... না... না... আমি নৌকা বেয়ে চলেছি পিচ ঢালা নদীতে। বাতাসের মাতলামিতে বারবার নিভে যাচ্ছে হাতের ম্যাচ, তবুও চেষ্টা করে চলেছি।

****

স্মৃতির নরোম রোদমাখা গলিপথে

গত পনের দিন যাবত অফিসে উদভ্রান্ত কাজের চাপ যাচ্ছে। বেশ ভালই দৌড়ের উপরে আছি। কাজের চাপ বা দৌড়ের উপর থাকাটা উপভোগই করি মোটামুটি। আবার মাঝে মাঝে মন বিদ্রোহ করে বসে, তখন মনকে সুস্থির করার জন্য কাজের ফাঁকে ফাঁকেই ঘুরে বেড়াই স্মৃতির রাজপথ থেকে গলিপথে গলিপথে।
শিশুবেলার স্মৃতির গলিটা মাখামাখি করে আছে সকালের নরোম রোদে। গলির দু'পাশে সারি সারি দাঁড়ানো ঘর গুলোর জানালা থেকে হাত বাড়িয়ে এই স্মৃতি ওই স্মৃতি আমাকে ডেকে চলে। আমি আনন্দিত হই। আমার রক্তে কাঁপন ওঠে শিশুবেলার স্মৃতিদের দেখতে পেয়ে। হাঁটতে হাঁটতে চলে যাই গলির প্রায় শেষ মাথার একটা ঘরে। যেখানে আমার অনেক পুরোনো স্মৃতিগুলোর বসবাস। এই ঘরটার অনেক বাসিন্দাই চলে গেছে সময়ের সঙ্গী হয়ে, আবার কেউ কেউ রয়ে গেছে আমারই মায়ায়।
তাদের ভেতর থেকেই খুঁজে পাওয়া কিছু স্মৃতির সাথে...

*
কেজিতে পরতাম। বাসায় আব্বু মাঝে মাঝে গুন গুন করে গাইতো

চিত্রগ্রাফী...

বেশ কিছুদিন ধইরা একটা ছবিব্লগ দিবো ভাবতেছিলাম। আজকা দিয়াই ফেল্লাম। ছবি ব্লগে কিছু লিখতে ইচ্ছা করে না। তারপরও, ছবিগুলার টাইটেল তো দিতেই হইবো। সো...
সাথে কোথায় তোলা সেইটাও দিয়া দিলাম...

IMG_4575_.jpg

ফাগুনের আহ্বান
স্থান:- জংগলছড়া চা বাগান, শ্রীমঙ্গল

IMG_4791_.jpg

নীলিমা যাত্রার প্রতীক্ষায়
স্থান:- জাফলং

IMG_4049.jpg

Togetherness / যুদ্ধ ও ভালোবাসায়
স্থান:- বলধা গার্ডেন, ঢাকা