ইউজার লগইন

রাফি'এর ব্লগ

ছোট্ট সানিমের চিকিতসার জন্য সাহায্যের আবেদনঃ আসুন দুঃখ বদলে দেই সুখের গল্পে।

ছোট্ট সানিম। কতই বা বয়স, এই মাত্র চার। চার বছরের একটা ছেলে কি রকম দুরন্ত হয় আমরা জানি। সারাদিন মান দৌড়াদৌড়ি, ছটফট করা, ঘরের ভেতর সব উলট-পালট করে বাবা-মা'র নাভিশ্বাস তোলার বয়স এটা। অথচ সানিম অত দৌড়াদৌড়ি-ছটফট করার সুযোগটাই পাচ্ছে না। সানিমের বাবা-মা'র তবুও নাভিশ্বাস উঠছে, তবে অন্য কারনে।

sanim

জন্মথেকেই সানিম হাসান একটি জটিল হৃদরোগে আক্রান্ত। রোগটির নাম পালমনারি এট্রেসিয়া (Pulmonary Atresia)।

Pubmed Health এর বয়ানে রোগটার সম্বন্ধে কিছু এখানে তুলে ধরছি।

Pulmonary atresia is a form of heart disease that occurs from birth (congenital heart disease), in which the pulmonary valve does not form properly. The pulmonary valve is an opening on the right side of the heart that regulates blood flow from the right ventricle (right side pumping chamber) to the lungs.

(বর্তমান) প্যাচালঃ রোমান্সিচ্ছা

১। আমার বাবা হিমুর বাপের মত আমারে মহামানব বানাতে না চাইলেও জ্ঞানী বানাতে চাইছিলো, সো সরাসরি দৈনিক ইত্তেফাক দিয়েই বর্নপরিচয় ও পড়তে শেখানো হৈছিলো। কিন্তু ইত্তেফাক থেকে আমি পড়া শুরু করলাম কচি-কাচার আসর-সাহিত্য সামিয়িকী (না বুইঝাই)-সিনেমার বিজ্ঞাপণ আর মোস্ট ইম্পর্টেন্টলী রাশি ফল।

মেষ রাশির জাতক আমি, দৈনিকি "রোমান্স শুভ" থাকে। রোমান্স শব্দটাই কেমন চনমনে উত্তেজনা জাগানোর মত। কিভাবে যেন বুঝছিলাম রোমান্স মানে "ইয়ে" মানে "বিয়ে" আর কি। হয়তো রাজ্জাক-কবরী বা ববিতার সিনেমার একনিষ্ঠ দর্শক হিসেবে সিনেমার শেষে তাদের "মেলামেশা" পরবর্তী বিয়ে ও কাহিনীর সমাপ্তি দেখেই বিয়ের গুরুত্ব ও রোমান্সের সাথে এর অবিচ্ছেদ্য সম্পর্কের সম্বন্ধে ধারনা পাইছিলাম। তাই ছোট বেলা থেকেই আমার বিয়ের খুব শখ, কারন রোমান্সের খুব শখ।

চলমান প্যাচাল: হায়রে কলম্বাস........

১। গত সপ্তাহ থেকে জোরে শোরে ক্রিসমাস আর নিউ ইয়ারের ছুটি শুরু হয়েছে। দিনের বেলা রাস্তা-ঘাট ফাকা। বিকাল থেকে শুরু হয় গাড়ির আনোগোনা। এর মধ্যে বক্সিং ডে সেল হয়ে গেলো মার্কেট গুলোতে। পাবলিক, হায়রে পাবলিক... পাগলের মত সকাল থেকে বড় সড় স্টোর গুলির সামনে ভিড় করে দাড়িয়েছিলো, ন'টায় গেট খুলতেই হুড়মুড় করে ঢুকে গেলো, তার ছড়িয়ে ছিটিয়ে গেলো আনাচে কানাচে।

আল্লা বাংলাদেশে থাকে (আল্লা ইন দ্যা বাংলাদেশ)

আমার বউ আর মেয়েটা গত বছরের শেষে দেশে গিয়েছিলো ক'দিনের জন্য বেড়াতে, ফিরে এসেছে জানুয়ারীতে। দেশে গিয়ে এয়ারপোর্টের ঝক্কি, ট্রাফিক জ্যাম, জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম আর নিরাপত্তার ঝুকির মধ্যে পড়ে বউ আমার আল্লাহকে স্বাভাবিকের চেয়ে একটু বেশীই ডেকেছিলো ।

ট্রাফিক জ্যামে পড়লেও "আল্লাহই মালুম কখন ছাড়বে"।

রিক্সা-সিএনজি-ক্যাবের ভাড়া আর জিনিস পত্রের আকাশচুম্বী দাম দেখে "হায় আল্লাহ, দুই বছরে এই অবস্থা!"

বাইরে থেকে ফিরতে রাত হলে "আল্লাহ ঠিক মত বাসায় যেন পৌছাতে পারি"।

আদনানের সাথে ভন্ডামী বিষয়ক কচকচানি

ঘটনাটা পুরো আদনানকে নিয়েই। আদনান মানে সেই ছেলেটা তার সাহিত্য রচনার প্রবল রোগ কিংবা ঝোক আছে, কিন্তু আরও আছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ ভাবার প্রবনতা। এরপরেও যদি কেউ তাকে চিনতে না পারেন তাহলে দুঃখিত, হয়তো আপনাদের না বলে অন্য কাউকে তার গল্প বলেছিলাম। যদিও আদনানকে নিয়ে যা বলতে চাইছি তা বুঝার জন্য অতীতের গল্প না জানলেও চলবে। আদনান আদনানই, প্রতি গল্পে সেই একই রকম নিত্য, মানসিকতায় শ্রেষ্ঠ ভাবার ভাবালুতায় আক্রান্ত।

আদনান নাম শুনলে যদি গাদুম-গুদুম ললি-পপ টাইপের কোন চেহারা মনে আসে তাহলে তা দুর করে দিন। এই আদনান লম্বা, কৃশ, মাথায় চুল ক্রমহ্রাসমান। সাথে ফর্সা তেকোনা মুখমন্ডল। চেহারায় শান্তির চেয়ে শ্রান্তির ছাপ বেশি, কারন সে সব সময় থাকে উত্তেজিত। সেটা নিজের চারপাশের অন্যায়-অসংলগ্নতার জন্য নাকি অবদমিত কামের বহিঃপ্রকাশ তা অবশ্য বুঝা মুশকিল।

.....পাবলিক ভদ্রতা শিখবে কবে ..... X(

মাথায় রক্ত উঠে আছে, কিছুক্ষন আগে পাওয়া এক ইমেইল পাবার পর। বাংলাদেশ থেকে একজন ইমেইল করেছেন, মোটামুটি বংগানুবাদ হচ্ছে:

জনাব.....
আমি অমুক বাংলাদেশ থেকে বলছি। জেনে খুশি হবেন যে আমি আপনার ইউনিভার্সিটিতে পিএইচডি করতে আসছি। দুর্ভাগ্যবশতঃ আমি থাকার জন্য কোন স্থান পাচ্ছি না। আমার একটা বাসা/স্থান দরকার যেখানে আমি এসে থাকবো আর পরে আমার ফ্যামিলী এসে আমার সাথে জয়েন করবে। এ ব্যাপারে আপনার হেল্প করার থাকলে জানাবেন।

.......................

পুরা চিঠিতে ভদ্রতার লেশমাত্র নাই। একজন অপরিচিত মানুষকে প্রথমবারের জন্য চিঠি লেখলে নিজের পরিচয়, বৃত্তান্ত দিতে হয় সেই ফর্মালিটির ধারে-কাছে নাই। গৎবাধা কথা, "জেনে খুশি হবেন.......।" সে কি শ্যালক হয় যে আমি খুশি হবো?

ফেরাল টক: শুন্য

আমাদের গতানুগতিক বিনোদনহীন-বৈচিত্র্যহীন জাতীয় জীবনে মাঝে মাঝে কিছু আন্দোলিত হবার মত ঘটনা ঘটে। ২০০৯ এ ঘটেছিলো পিলখানা হত্যাকান্ড আর এবার অনেক দিন পর "রুমানা মন্জুরকে" নৃশংসভাবে আহত করা। আমি সবসময়ই এসবে বিশালভাবে আন্দোলিত হৈ। রাগে চিড়বিড় করি, কিবোর্ড কাপাই, আর ফুটবলের মত গড়িয়ে একবার "এর" কথা, আরেকবার "ওর" কথা বিশ্বাস করি।

গত কয়েকদিনে এই ন্যাক্কারজনক ঘটনার উপর ব্লগে-ফেসবুকে-পত্রিকায় যত লেখা পাচ্ছি পড়ছি, আর গড়াচ্ছি। আমার এখনও হাতের লেখার চেয়ে টাইপ করা লেখায় বিশ্বাস বেশি কিনা। তো গত কয়েকদিনে এই তপ্ত ইস্যু আলোচনার সাথে সাথে অগোচরে আরো কিছু ইনফরমেশন পাওয়া যাচ্ছে তার কিছু কিছু গুরুত্বহীন হলেও, কিছু ইনফরমেশন ইস্যুটির ভবিষ্যত যাত্রাপথ কি হবে তার ধারনা দিচ্ছে।

গুরুত্বহীন কিন্তু মজার ইনফরমেশন:

কথা না রাখলেও যদি ভালো থাকা যায় তাইলে রাখার দরকার কি?

আগেই বলে দেই বিশাল বড় শিরোনামের রহস্য, পোষ্টে আসলে কিছু নেই, স্রেফ হাতের লেখার প্র্যাক্টিস করি। সোলায়মানলিপিতে হাতের লেখা ভালো হয়।

তো পোষ্টের শিরোনাম দেখে বুঝা যায় এই পোষ্টে প্রতিজ্ঞা না রাখা বিষয়ক হতাশা বিষয়ে আলোচনা হবে। এই প্রতিজ্ঞা করা ও ভাংগা বিষয়ে অনেক কবিতা (কেউ কথা রাখেনি: সুনীল কাকাবাবু), গান (মনে পড়তেছে না), নাটক (মনে পড়তেছে না), গল্প (মনে পড়তেছে না), উপন্যাস (মনে পড়তেছে না), চিঠি (না বলি) লেখা হয়েছে। তবে প্রতিজ্ঞা করা যেহেতু থেমে নেই, তাই প্রতিজ্ঞা ভাংগা বা বেমালুম ভুলে যাওয়াও থেমে নেই। সো এই বিষয়ে আলাপ করা অর্থহীন।

দিন যায়..থাকে ক্লান্তি......।

১। ইদানিং খুব ক্লান্ত থাকি, ব্যস্ততার কারনেই হয়ত। একের পর এক ড্রাফট জমা দিচ্ছি থিসিসের বিভিন্ন পার্টের, তার সাথে থাকছে ডিলে করা এক্সপেরিমেন্টটা।যেহেতু ট্রাউজারের উপর আন্ডু পরি না, তাই এত ডামাডোলে ক্লান্তিটাকে এভয়েড করা সম্ভব হয় না।

২। মেয়ে বড় হয়ে যাচ্ছে। কেমন বড়? "আই নো এভরিথিং" টাইপের চাপাবাজি করার মত। তার সাথে নানা ধরনের পরামর্শ মুলক ডায়ালোগ থাকে। Sad

ছোটবেলায় টিভির পোকা ছিলাম আমরা, তবে পুরাটা সময় টিভি দেখার ধৈর্য্য ছিলোনা, কারন কার্টুন ছবি চলতো সেই বিকেলেই শুধু। সন্ধ্যার দিকে হাতে দশটা আংটি পরে লোকজন কেতাবী আলোচনা শুরু করতো, তখন থেকে রাতের নাটক বা ইংলিশ সিরিয়ালের আগ পর্যন্ত টিভি দেখার কিছু ছিলো না। তাতেও আব্বার বকুনি...."এত মনোযোগ টিভিতে না দিয়ে পড়ালেখায় দিলেই তো হয়.....।" কথাটার ৬০% বাসার বড় সন্তান আপাকে উদ্দেশ্য করে বলা, কারন তার নেতৃত্বে আমাদের টিভি দেখা চলতো.....

রোমান্টিক পতন......

এক
সময়টা তখন একেবারে খারাপ চলছিলো না, ছোট্ট মেয়ে আর বউটাকে নিয়ে গৎবাধা নিয়মে জীবনটা চালিয়ে নিচ্ছিলাম, যেমন সবাই নেয় আর কি। সকলে ল্যাবে যাওয়া, দুপুরে পারলে খেতে আসা, নইলে একেবারে বিকেলে এসে পারিবারিক আবহে চা-নাস্তায় সময় পার। মাঝে মাঝে হাটতে যাওয়া নদীর পাড়ে, নইলে কারও বাসায়। আর উইকেন্ডে বাজার করা সপরিবারে। একটা সুখী পরিবারের সব গৎবাধা উপাদান নিয়েই সুখী আর কি!

কিন্তু সমস্যাটা বাধালো বাদল, আর তার কথিত অতুলনীয়া বউ নীলিমা।

আমার একবছর পর একি ইউনিতে পিএইচডি করতে আসা বাদল। দেখতে শুনতে এভারেজ, কথা-বার্তাতেও। তবে একমাত্র বিশেষত্ব হলো তার প্রতি তিনটি কথার কমপক্ষে একটা দেশে রেখে আসা তার বউ কেন্দ্রিক।

আজ আমাদের নুরুজ্জামান মানিক ভাইয়ের জন্মদিন....। শুভেচ্ছা নিরন্তর...।

ফেসবুকে লগিন করেই ইভেন্ট চেক করি সবসময়, আজ চেক করতেই দেখলাম, আজ ওয়ান এন্ড ওনলি মানিক ভাইয়ের জন্মদিন। Party

ব্লগিং এর হাজারটা নেতিবাচক দিকের মধ্যেও কিছু পজেটিভ দিকও আছে, যে জন্য এখনও অফলাইনে হলেও ব্লগ পড়ি। তেমনি একটা পজেটিভ দিক হচ্ছে কিছু অসাধারন মানুষের সাথে পরিচয়। মানিক ভাই তেমনি একজন অসাধারন মানুষ।

দেশ-মুক্তিযুদ্ধ-রাজনীতি নিয়ে ইতিহাস নির্ভর নির্মোহ-নিরপেক্ষ লেখা যে কয়েকজনের কাছ থেকে পেয়েছি (খুব অল্পসংখ্যক) তাদের মধ্যে মানিক ভাই নিঃসন্দেহে প্রথম সারিতে আছে। এই লোকের চ্যাট করলেও না জানা অনেক ইতিহাস জানা যায়। Stare

ভালো থাকুন মানিক ভাই, সুস্থ থাকুন, বেচে থাকুন হাজার বছর। আপনার শক্তিশালী নিরপেক্ষ লেখনী দিয়ে আমাদের না বলা ইতিহাস গুলোকে নিয়ে আসুন প্রাদ-প্রদীপের আলোয়, এই কামনা।

শুভ জন্মদিন ওয়ান্স এগেইন। Party

তুর্কের ঈদ!

হাত যতই চালাই সেই কাজ শেষ হতে হতে রাত ১১-১২টাই বেজে যায়। চাইলেও আগে ফিরতে পারিনা বাসায়।

ল্যাবের দুটা মাত্র পিসিআর মেশিন, ১২ জন মিলে তাই একের পর এক বুকিং দিয়ে কাজ চালায়। তার উপর আমি এই কোরিয়ান ল্যাবে নতুন। যদিও ছয়মাস হয়ে গেছে এসেছি এখানে, কিন্তু নতুনের তকমা এখনও সেঁটে আছে মাথায়।

কুফা কাল ও সুপারী নেওয়া বিষয়ক ঘোষনা

"একটি বিশেষ ঘোষনা!!"
"আমার বর্তমানের কুফা কালের যথাযোগ্য ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আপনার অপছন্দীয় পাত্র/পাত্রীকে যে কোন প্রতিযোগীতায় হারানোর সুপারী নেয়া হচ্ছে। ১০০% নিশ্চয়তাসহ। বিফলতা সেলিব্রেট করা হবে।"

একজন মাকসুদুল আলম, পাটের জিনোম ডিকোডিং এবং একটি গর্বের কথন...।

এইতো মাস ছয়েক আগে রিসার্চ রিলেটেড কিছু পেপার খুজতে গিয়ে একটা পেপারে এম.আলম নাম দেখে একটু খোজাখুজি করলাম, পেয়ে গেলাম উনার লিঙ্ক। ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই (ম্যানোয়া) এর মাইক্রোবায়োলজির প্রফেসর। ল্যাবের নামটাও তার নামে, "আলম'স ল্যাব"। হাস্যোজ্জ্বল একটা মুখ তার প্রফাইলে। দেখে মনে হলো বাংলাদেশী অরিজিন, কিন্তু তেমন কোন ইনফরমেশন চোখে পড়লো না। এবং যথারীতি ভুলে গেলাম।

আসেন দিল খুইলা হাসি, এমন সুযোগ আর পাইবেন না.......।।...

অনেক আগে এক মুভিতে রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটা মজার ঘটনা দেখছিলাম। এক অশিক্ষিত সন্ত্রাসী কাম রাজনৈতিক নেতা সংসদ সদস্য হবার পর সংসদে গেছে। কে কি আলাপ করে বুঝে না সে, কিন্তু তার তো কিছু বলতেই হবে। সুযোগ খুজছে সে। এমন সময় যখন মন্ত্রী বললেন "অমুক নদীর পানি কৃষকরা সেচের কাজে ব্যবহার করে, আমাদের প্ল্যান হচ্ছে সেই নদীর পানি বা স্রোতকে ব্যবহার করে প্রথমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো, তার পর সেই পানি কৃষককে দেবো সেচের