রাফি'এর ব্লগ
একজন মাকসুদুল আলম, পাটের জিনোম ডিকোডিং এবং একটি গর্বের কথন...।
এইতো মাস ছয়েক আগে রিসার্চ রিলেটেড কিছু পেপার খুজতে গিয়ে একটা পেপারে এম.আলম নাম দেখে একটু খোজাখুজি করলাম, পেয়ে গেলাম উনার লিঙ্ক। ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই (ম্যানোয়া) এর মাইক্রোবায়োলজির প্রফেসর। ল্যাবের নামটাও তার নামে, "আলম'স ল্যাব"। হাস্যোজ্জ্বল একটা মুখ তার প্রফাইলে। দেখে মনে হলো বাংলাদেশী অরিজিন, কিন্তু তেমন কোন ইনফরমেশন চোখে পড়লো না। এবং যথারীতি ভুলে গেলাম।
আসেন দিল খুইলা হাসি, এমন সুযোগ আর পাইবেন না.......।।...
অনেক আগে এক মুভিতে রাজনীতিবিদদের নিয়ে একটা মজার ঘটনা দেখছিলাম। এক অশিক্ষিত সন্ত্রাসী কাম রাজনৈতিক নেতা সংসদ সদস্য হবার পর সংসদে গেছে। কে কি আলাপ করে বুঝে না সে, কিন্তু তার তো কিছু বলতেই হবে। সুযোগ খুজছে সে। এমন সময় যখন মন্ত্রী বললেন "অমুক নদীর পানি কৃষকরা সেচের কাজে ব্যবহার করে, আমাদের প্ল্যান হচ্ছে সেই নদীর পানি বা স্রোতকে ব্যবহার করে প্রথমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করবো, তার পর সেই পানি কৃষককে দেবো সেচের
তোমার হলো শুরু, আমার হয়নি সারাঃ ২
গতকাল রাত থেকে মেয়েটার শরীর খারাপ, ঠান্ডা লেগেছে-জ্বর জ্বর ভাব। এমনিতে এখানে ঠান্ডা পড়ছে এখন তার উপর বিকালে জেদ করে খেয়েছে ঠান্ডা দুধ....। তাই আজ সকালে মেয়েটাকে চাইল্ড কেয়ারে পাঠালাম না। ল্যাবে যা কাজ আজ ছিল তা সোমবারে এক্সট্রা পরিশ্রম করলে শেষ করতে পারবো, তাই মেয়েকে নিজের কাছে রাখার জন্য ল্যাব ফাকি দিলাম। মেয়েতো মহা খুশি।
পুর পুর সিংগাপুর.....................।
কাহিনী একেবারে টাটকা। এই ধরেন এই পোষ্ট পাবলিশ হবার ২ঘন্টা আগে ঘটেছে। কাহিনী এইবার শোনেন।
বাংলাদেশে একটা ইএমএস (পার্সেল) পাঠায়ছিলাম গত ৯ই এপ্রিল। নরমাল পার্সেল করলেও হইতো, কিন্তু আমার বউয়ের প্রথম ভাস্তির জন্য পাঠানো জিনিসপত্র যেন ঠিক মত তাড়াতাড়ি পৌছায় তাই করলাম ইএমএস, টাকা বেশি লাগলেও। বউরে তেল মারাও কইতে পারেন এইটারে.।.।.।.।।।
তোমার হলো শুরু, আমার হয়নি সারাঃ ১
কন্যা আমার বড় হচ্ছে, যদিও বয়স বেশি না, মাত্র ২ বছর ৮ মাস। কিন্তু বড় তো হচ্ছে। কথা বলা শিখে গেছে, অনুকরনতো শিখেছিলো আগেই। ফলাফল, আমাদের কথা-কাজকারবার অনুকরন করে তার সাথে নিজের ভান্ডারে থাকা শব্দগুলো এড করে নতুন নতুন কথা বলে।
কথাগুলো শুনতে ভালো লাগ্লেও তা মাঝে মাঝে অত্যাচারের পর্যায়ে চলে যায়। কারন তার সামনে ঘটা প্রতিটা বিষয় নিয়ে তার প্রশ্ন থাকবেই।
“কোথায় যাও?”
“কেন যাও?”
“কি করবা?”
ওহে নর! ভাবিয়া চিন্তিয়া মর!
ভদ্র মানবসমাজে মহিলা নির্যাতনের নানা কথা শোনা যায়, পেপারে আসে, টিভিতে দেখায়। কঠোর কঠোর আইন হৈছে এইরাম নির্যাতন রোধে। একসময় হয়তো নির্যাতন বন্ধই হয়্যা যাইবো। সেইদিন কি আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারুম? নারীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবো কিন্তু পুরুষরা পারবো না, কারন....
শেখার কুনো শ্যাষ নাই, সব বয়সে শেখন যায়
আমি শিখতে এয়েছি, বয়স যদিও ত্রিশ পার হয়্যা চল্লিশের দিকে ধাবমান। তাই পুরান পরিচয় বাদ দিয়ে....নতুন পরিচয়ে আইলাম...।
লেখুম কম, পড়ুম বেশী।....।
ভালু থাকেন সবাই। দেখা হপে......