nmmnmn
গত বুধবারে যখন স্কুলের গণ মেইলে জানলাম ২৫টি শিশুর জন্য নতুন হোম দরকার, না হলে একসপ্তাহের মধ্যেই এদের শেষ করে ফেলা হবে তখন থেকেই এদের অন্তত কয়েকজনকে নতুন হোম খুজে দেয়ার তাগিদ অনুভব করলাম।
এই শিশুগুলো, মানে চন্দন গাছের চারা গুলো জন্মাবধী সুর্যের আলো দেখেনি, বড় হয়েছে কয়েক মাস কৃত্রিম নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে। স্বাভাবিকি ভাবেই গবেষনার কাজে লাগছে এমন বাড়তি চারা গুলো নষ্ট করে ফেলতে দ্বিধা করা হবে না। তবে চন্দন গাছ বলে কথা, স্যান্ডালউড।
প্রথমে পাকড়াও করলাম সৌদী ল্যাবমেটকে, ব্যাটা একা বাসা নিয়ে থাকে বড় ড্রামে চন্দন গাছটাকে রাখতে পারবে। সৌদী ল্যাবমেটটা এমনিতে খাঢ়ুস, কিন্তু ঠিক লাইন মত এগোনে গেলে একে সব কিছুতেই মানানো যায়। ঠিক লাইনটাই ধরলাম, বল্লাম চন্দন কেন বিখ্যাত (সুগন্ধী কাঠ, কসমেটিকস তৈরীতে লাগে....ইত্যাদি ইত্যাদি)। ফলাফলঃ সে নেবে একটা।
মাথায় আরো সম্ভাব্য কয়েকজনের নাম এলো, বাংলাদেশী, যাদের নিজ বাড়ী আছে এই মুল্লুকে, মাটিতেই লাগাতে পারবে। সাথে নিজেকে কাউন্ট করলাম, সব মিলিয়ে ৪টা চারা নিলেই হবে।
জীবনে শুধু এই গাছের নামই শুনেছি, দেখা হয়নি, যদিও বাংলাদেশেও এই গাছ হয়।





মন্তব্য করুন