ওহে নর! ভাবিয়া চিন্তিয়া মর!
ভদ্র মানবসমাজে মহিলা নির্যাতনের নানা কথা শোনা যায়, পেপারে আসে, টিভিতে দেখায়। কঠোর কঠোর আইন হৈছে এইরাম নির্যাতন রোধে। একসময় হয়তো নির্যাতন বন্ধই হয়্যা যাইবো। সেইদিন কি আমরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারুম? নারীরা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলবো কিন্তু পুরুষরা পারবো না, কারন.... পুরুষরা নির্যাতিত হয় প্রতিনিয়ত, কিন্তু সেইটা কৈতে পারে না। বীরপুংগবের ভাব নিয়া বেচারারা বাসর ঘরে ঢুকে বিড়াল মারতে, লেকিন নিজেই বিড়াল হয়্যা বের হয়।
তাই সৃষ্টির আদিকাল থেইকা এই অত্যাচার শুরু হৈলেও পুরুষ শার্দুল ইতিহাসবিদরা ভাব বজায় রাখা অথবা গৃহশান্তি বজায় রাখার জন্য সত্যপ্রকাশে বরাবরই অনীহা দেখাইছে। দেখা গেলো কেউ সাহস কৈরা লেখতেছে পুরুষ নির্যাতনের কথা, কিন্তু বউ দেইখা ফেলায় তুলকালাম। ইয়া...আ...প্লিজ...নো..সরি..... দোয়াত উল্টায়া পড়লো কাগজের উপর, ফলাফল খুব খারাপ। পুরুষদের উপর অত্যাচারের কথা এইভাবেই অন্ধকারে থেকে যায়। আবার যে কোন পার্টিতে-সমাবেশে-গ্যাদারিং এ জেন্টেলম্যান বৈলা আগেই সুক্ষ্ম মানসিক চাপ তৈরী করা হয় পুরুষগো উপর, আর এই জেন্টেলম্যান থাকতে গিয়া ঘরের কথা পরে যেনো না জানে এই চিন্তা কৈরা পুরুষরা অত্যাচারের কথা বাইরে কয় না। তাই মাঝে মাঝে নারীগো আক্ষেপ, "সৃষ্টিকর্তা মনে হয় একজন পুরুষ" শুনলে বিদ্রুপের মত মনে হয়।
পুরুষের গায়ে জোর বেশি, এইটারেও এক্সপ্লয়েট করা হয় সুচারু ভাবে। সব ভারী ভারী কাম পুরুষগো দিয়া করানো হয়।
তবু আমরা কৈশোরে আইসাই স্বপ্ন দেখা শুরু করি বিবাহ বা মরনের। তরুন হৈলে আর তর সয় না, আর কোন মতে একটা চাকরী পাইলেই দেই নিজেগো গলাটা পাইতা। মরনে যে কি সুখ..... আয়োজন কৈরা মরে মাইনষে.....। পুরুষ মাইনষে..।
যারা এখনও মরেন নাই তেনারা ভাইবা দেখতে পারেন।
ধুরু, লেখতে চাইছিলাম পতংগের কথা, লেখলাম কি..... ভদ্রলুক আর থাকতে পারলাম না। নেক্সট টাইম লিখুম..





এই ল্যাখনের সাবাস কই পাইছেন?
ইটা কি থ্রেট দিলেন?
বউ কি বেশি মারে?
দীর্ঘশ্বাস ইমু হৈপে।
আহারে...বকলম ভাইডি না বুইঝাই একবারে ক্ষতস্থানে খোঁচা মারছে
ভাইস-ভার্সা
হ
বউয়ের মাইরে কোন ভিটামিন নাই, খাইলেও চাপায়া যান, আবিয়াইত্যা অনেক আছে এখানে
আমি কিন্তুক ভুলেও স্বীকার যাই নাই। নির্যাতন মানে তো শুধু মাইর বুঝায় না, আবিয়্যাইত্যা অনভিজ্ঞগুলা কি বুঝবো?
কথা কইয়াই যেমনে সাইজে রাখে সেইটা বিয়ার পরই টের পাওন যায়।
গতকাল রাতেও এনিম্যাল প্ল্যানেটে দেখলাম ম্যানটিসদের কার্যকলাপ। বাংলায় কী নাম ঠিক জানিনা তবে আমরা ঘাস ফড়িং ই বলি। রাফি'র সাথে একদম মিলে যায় এই ফড়িংএর পুরুষ প্রজাতির কাজ।


স্ত্রী ম্যানটিস পুরুষটার থেকে আকারে বড়। তবে সাধারণত এইটাই পুরুষটার জীবনের প্রথম ও শেষ প্রেম। কারণ লাভ মেকিং শেষে স্ত্রী ম্যানটিস তার ভালোবাসার সংগীটাকে ধরে রসিয়ে রসিয়ে খেয়ে ফেলে। ভালোবাসার জন্য প্রণয়িনির হাতে নিজের জীবন এমনভাবে উৎসর্গ আর কেউ করে না। অনেক সময় মিলনের সময়ই ফিমেলটা সংগীর মাথা খাওয়া শুরু করে। আজব ব্যপার তারপরো পুরিষটা কাজ চালিয়ে যায় এবং কাজ শেষে মাথাহীন তৃপ্ত পুরুষ ম্যানটিস পালিয়ে যাওয়ার পায়তারা করে। কিন্তু তাকে সে সুযোগ না দিয়ে স্ত্রী ম্যানটিস খপ করে ধরে ছিড়ে ছিড়ে খায়।
ভিডিওটা এইখানে
দিলেন তো একটা পোষ্ট কমায়া। পোষ্টের শেষে যে পতংগের কথা কৈলাম, মানে যেইটা লেখতে চাইছিলাম সেইটা এই পতংগই...। প্রেইং ম্যানটিড।
শুধু ম্যানটিড না, মৌমাছির ক্ষেত্রেও প্রায় একি কাহিনী। আকাশে রানী মৌমাছির সাথে মিলনের পর পুরুষ মৌমাছি মারা যায়। কারন পুরুষের জননেদ্রিয়টা ভেংগে স্ত্রী জননেদ্রিয়তে রয়ে যায়, যেন সিমেন বের না হয়ে আসে.......... বেচারা... কি স্যাক্রিফাইস।
তবে পোকামাকড়ের রাজ্যে সবচে ভাগ্যবান সিকাডা বা ঝিঝিপোকা। কারন স্ত্রী সিকাডা কোন শব্দ করতে পারেনা। ;) চিন্তা করেন, পুরুষ সিকাডার কি আনন্দ, কেউ কান ঝালাপালা করে না। তাদের নিয়া কবিতাই আছে.....
হ্যাপি দ্যা সিকাডা'স লাইফ
কজ' দে হ্যাভ ভয়েসলেস ওয়াইভস.....
যাইক, মুল কথায় আসি। প্রেইং ম্যানটিডের আমার মিল পাইলেন কোততে? আমি তো বাইচা আছি.......
এই প্রথম শুনলাম বিয়ার পর কোনো পুরুষ বাইচা থাকে।
সবই ভ্রম হরি, সবই ভ্রম।
=))আম্রাও প্রথম শুনলাম
বার্ডস অফ প্যারাডাইজ নামের এক ধরণের পাখি, রেইন ফরেস্টগুলায় থাকে...মাইয়া পটানোর জন্য কি নাচটাই না দেয়! মাইয়াটা দেখতে বহুত বদখত, কিন্তু তাতে কি! নাকখানা মাশাল্লাহ সেরাম উঁচা! ঘুইরা ঘুইরা দেখে যে নাচতাছে হের চেহারা ফিগার ভালা নি...না হইলে ফুড়ুৎ! আম্রা আবিয়াইত্যাদের হইলো বার্ডস অফ প্যারাডাইজ অবস্থা, আর আপ্নেগো হইলো প্রেইং ম্যান্টিড অবস্থা!
হাহাহা, খাইলাম না ধরা.....
Bishon Bipoder kotha!!!
উদরাজী, আপনে এই কথাটা লিখলে এমনেই বাংলা হয়ে যাওয়ার কথা, আপনে ইংরেজিতে ক্লিক করে লিখছেন? বাংলা না লিখে ইংরেজিতে বাংলা কথা লিখছেন কেনো?
এইখানে একটা মুহাহা হইবে

নয়া পাঞ্জাবীতে স্বাগতম ভ্রাত
লেখা লাইক্কর্ছি
কাজী সাবরে থ্যান্কি....।
দিল্লিকা লাড্ডু জিনিষটাই এমন ; সবাই আগে খাইয়া দাইয়া তারপর অন্যেরে খাইতে না করে
কয়া নিলাম, পরে যেন দোষ দিতে না পারে,....।
আপনারে চিনা চিনা লাগে!
চিনেনি তো...
পরিো হাসান বহাি,
পুরো পারছি না! কিসু হোয় কিসু হোয় না।
শোমোসশা টা ামার। ামি বুজটে পারছি না।
ঢাকহুন নমুনা (Dhakun nomuna)।
ছেসটা চলবে।
সাহাডাট ুডরাজি..। হা হা হা হা হা.। হবে হোয়
সামহোয়ারে একটা টিটরিয়াল আছে ফোনেটিকে বাংলা লেকহার জন্য। নিচের লিংক টা ফলো করেন দুউদিনেই শিখে যাবেন।
http://www.somewhereinblog.net/banglawriting
আপ্নেতো বাংলিশই ঠিক মত পারেন্না
এইটা হবে দেখুন নমুনা (dekhun nomuna)
মাকড়শাও কিন্তু এভাবেই মরে... যা করার জীবনে একবারই করতে হয়। তারপরেই কল্লা [কেল্লা না কিন্তু] ফতে
দেখা গেলো কেউ সাহস কৈরা লেখতেছে পুরুষ নির্যাতনের কথা, কিন্তু বউ দেইখা ফেলায় তুলকালাম। ইয়া...আ...প্লিজ...নো..সরি..... দোয়াত উল্টায়া পড়লো কাগজের উপর, ফলাফল খুব খারাপ।
নির্যাতন মানে তো শুধু মাইর বুঝায় না, আবিয়্যাইত্যা অনভিজ্ঞগুলা কি বুঝবো?
পোস্ট না মনে হৈতেছে রসের হাঁড়ি। অদ্ভুত।
প্রিয়তে গেল।
মন্তব্য করুন