ইউজার লগইন

একজন মাকসুদুল আলম, পাটের জিনোম ডিকোডিং এবং একটি গর্বের কথন...।

এইতো মাস ছয়েক আগে রিসার্চ রিলেটেড কিছু পেপার খুজতে গিয়ে একটা পেপারে এম.আলম নাম দেখে একটু খোজাখুজি করলাম, পেয়ে গেলাম উনার লিঙ্ক। ইউনিভার্সিটি অব হাওয়াই (ম্যানোয়া) এর মাইক্রোবায়োলজির প্রফেসর। ল্যাবের নামটাও তার নামে, "আলম'স ল্যাব"। হাস্যোজ্জ্বল একটা মুখ তার প্রফাইলে। দেখে মনে হলো বাংলাদেশী অরিজিন, কিন্তু তেমন কোন ইনফরমেশন চোখে পড়লো না। এবং যথারীতি ভুলে গেলাম।

আজ সকালে অনলাইনে পত্রিকা পড়াতে গিয়ে দেখি হেডলাইনে আসা একটা খবর দেখে বিস্মিত হলাম, "পাটের জন্মরহস্য উদ্ধার" টাইপ কিছু একটা। খবরটা পড়ে বুঝলাম সাংবাদিকের ভুলে শিরোনামটা অমন হয়েছে। আসলে হয়েছে পাটের জিনোম রহস্য উদঘাটন বা জিনোম ডিকোডিং বা জিন সিকুয়েন্সিং। আর এটা করেছেন ডঃ মাকসুদুল আলম ও তার সহকর্মীরা।

এই জিনোম রহস্য উদঘাটন বা জিনোম সিকুয়েন্সিং সম্বন্ধে অনেকেরই হয়তো ধারনা আছে। একটু সহজ করে বলার চেষ্টা করি। যে কোন জীবের জীবন থেকে মরন পর্যন্ত সকল কার্যক্রমই নিয়ন্ত্রিত হয় তার জিনোম বা কিছু ক্রোমোজোম বা অনেক অনেক অনেক জিনের দ্বারা। জিনগুলি তৈরি ডিএনএ দ্বারা, আর ডিএনএ তৈরি নিউক্লিওটাইড দ্বারা। এই নিউক্লিওটাইডের বেস আবার চার ধরনের, এডেনিন (A), গুয়ানিন (G), সাইটোসিন (C) ও থাইমিন (T)। আসলে জীবের ক্রোমোজোমে এই চারটি বেসই ঘুরে ফিরে না কম্বিনেশনে আছে, এবং এদের কম্বিনেশন ও বিন্যাসের উপরেই নির্ভর করছে বিভিন্ন বৈশিষ্ঠ্যের প্রকাশ। তাই কোন জীবের এই জিনোম ডিকোড বা ATGC এর পারস্পরিক বিন্যাসটা আবিস্কার করা মানেই সেই জীবের বিভিন্ন বৈশিষ্ঠ্য নিয়ন্ত্রনকারী জিনগুলির অবস্থান ও ফাংশন সম্বন্ধে একটা ব্রড ধারনা পাওয়া। যেমন মানুষের জিনোম ডিকোডিং করে ইতিমধ্যে বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রনকারী বিভিন্ন জিনের অবস্থান জানা গেছে, এবং চিকিৎসা বিজ্ঞানেও তার ব্যবহার শুরু হয়ে গেছে। সুতরাং পাটের জিনোম ডিকোডিং বা জিন সিকুয়েন্সিং হওয়া মানে আমাদের এই অধুনা গৌরব হারানো ফসলটা সম্বন্ধে আমরা এখন অনেক কিছু জানি, বা এর বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রকারী জিনগুলোর সম্বন্ধেও জানি, জানি তাদের অবস্থান। এটা অবশ্যই একটা বিশাল অর্জন।

অর্থ্যাৎ সিকুয়েন্সিং করা হয়েছে মানে পাটের জিনগুলির বিন্যাস ও অবস্থান জানা গেছে, এদের ফাংশন জানা গেছে ব্রডলি। এখন পাটে কাংখিত জেনেটিক চেঞ্জ আনা আগের চেয়ে সহজ হবে। অনেক স্পেসিফিক ভাবে হবে। যদিও এই সহজ কাজটাও অনেক কঠিন।

যারা এই লাইনের তারাই বুঝবে তার এই কাজের গুরুত্ব কতটুকু। আধুনিক বিজ্ঞান আমাদের জৈবিক কার্যক্রমের অন্তর্নিহিত নিয়ন্ত্রক গুলি বের করার সুযোগ দিয়েছে, কিন্তু সেই নিয়ন্ত্রক গুলি বের করা এখনো শেষ হয় নি, সেটাও করতে আরো অনেক সময় লাগবে। এ পর্যন্ত মাত্র ১৭টা উদ্ভিদের জিনোম সিকুয়েন্সিং হয়েছে, ডঃ মাকসুদই করছেন তার মধ্যে তিনটা। তাই তার এই অর্জন ছোট কিছু না।

আজকের খবরে জনাব মাকসুদুল আলমের নাম পড়ে পরিচিত মনে হলো না, মনে হয়নি আগে কোথাও তার নাম শুনেছি কিনা। কিন্তু ছবিটা দেখে মনে হলো কোথায় যেন দেখেছি। যথারীতি আবার নেটে খোজাখুজি। এবার তার ল্যাবের ওয়েবসাইটে আবার গেলাম। সেই ছয় মাস আগে লিনক খুজে বের করা লোকটাই উনি। নিশ্চিৎ হলাম এবার, উনি বাংলাদেশেরই।। ।।

ঢাবির হাসিনা ম্যাডাম এ ধরনের কাজ করতে চাচ্ছিলেন সেটা জানি, তবে তার ফলাফল কি হলো জানতাম না। এখন শুনলাম ডঃ মাকসুদকে হেল্প করেছেন হাসিনা ম্যাডাম আর ঢাবির অনেক তরুন গবেষক। অভিনন্দন সবাইকে।

প্রধানমন্ত্রী ও কৃষিমন্ত্রীর সরাসরি পৃষ্টপোষকতায় এ কাজটা পুর্নতা পেয়েছে, তাই তাদেরও অনেক ধন্যবাদ। এমনটাই চাই। এবং সংসদে এই খবরটা উপস্থাপনকেও সমর্থন করি। ভালো অর্জনকে অবশ্যই স্বীকৃতি দিতে হবে। আশা করি এই উদ্যোগকে উদাহরন হিসেবে ধরে ভবিষ্যতেও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ কুপমুন্ডুকতার বাইরে এসে এমন উদ্যোগ গুলোকে পৃষ্টপোষকতা দান করবেন। তবেই মানুষ আরো বেশি বিজ্ঞানমনষ্ক হবে, আর আগ্রহী হবে নতুন নতুন উদ্ভাবনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।

ডঃ মাকসুদের ওয়েবসাইট।
http://www.hawaii.edu/microbiology/Alam/
dr. maqsud

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রাসেল আশরাফ's picture


কাল রাতে খবরটা বিডিনিউজ২৪ এ দেখেছিলাম।আজ সকালে বিস্তারিত পড়লাম।
খুব ভালো লাগছে। আমরাও পারি তা আবার প্রমানিত হলো।

রাফি's picture


সেটাই। আমরাও পারি.....।

হাসান রায়হান's picture


গতকাল টিভিতে প্রধানমন্ত্রীর এই বিষয়ে বক্তব্য শুনলাম, সকালে কাগজে বিস্তারিত পড়লাম আর এই পোস্টে টেকলিক্যাল ব্যপারটা খোলাসা হল। অভিনন্দন ডঃমাকসুদ ও এর সাথে সংশ্লিষ্ঠ সবাইকে। আমাদের মত গরীব দেশে একটা সফল গবেষণা বিশাল একটা অর্জন।

রাফি's picture


বিশাল মানে অনেক বিশাল। অনেক উন্নত দেশই এখনও পারে নাই। চীন তাদের জিনসেং এর জিনোম ডিকোডিং এর প্রজেক্ট হাতে নিয়েছে।

শওকত মাসুম's picture


অর্থের জন্য তিনি গেছিলেন একজন বড় মন্ত্রীর কাছে। তিনি পাত্তা দেন নাই। পরে এইটা নিয়া একটা নিউজ করছিলো প্রথম আলো। মতিয়া চৌধুরী সেই নিউজ পড়ে প্রথম আলো থেকে ঠিকানা নিয়ে উনাকে নিয়ে আসেন ঢাকায়। মতিয়া চৌধুরী নিয়ে যান প্রধানমন্ত্রীর কাছে। তারপর প্রধানমন্ত্রী সব ধরণের সহায়তা দিয়েছেন।
আর সাংবাদিকরা ভুল করেনি। এই বাংলা নামকরণ যিনি কাজটা করেছেন, তারই দেয়া।প্রথম আলো পরে তাকে প্রশ্ন করে জন্ম না লিখে জীবন রহস্য লিখেছে।

এটা একটা বিশাল অর্জন।

রাফি's picture


মতিয়া চৌধুরীর এই জিনিসগুলি ভালো।

আর নামকরন নিয়া কিছু তাইলে কৈলাম না। তবে জিনোমের ডিকোডিং কৈরা জন্মরহস্য আসলে উদঘাটন হয়না, জীবনরহস্য মোর এপ্রোপ্রিয়েট। তবে জন্মরহস্য বের করাও এখন আগের চেয়ে সহজ হবে।

রাসেল আশরাফ's picture


কাল জন্মরহস্য শব্দটা শুনে আমিও কিছু বুঝি নাই।আজ পেপার পরে বুঝছি।আরেকটা ব্যাপার হছে পাট থেকে যে ইথানল বানানো যায় এই ধারনার উপর ভিত্তি করে আমি এমএসসিতে থিসিস করেছিলাম।নাম্বারও সেইরকম পাইছিলাম ৮২%।

রাফি's picture


হাহাহা। আমাগো আশরাফ তো কামেল লুক দেখা যাক। এমএসসির রেজাল্টের জন্য দেরীতে হৈলেও অভিনন্দন।

রাসেল আশরাফ's picture


কামেল না ছাই!!!!!!!আমি থিসিসে পাইছিলাম ৮২%।আসলে আমি আজ একটু আবেগআপ্লুত কারন আমার এমএসসি থিসিস নিয়া কোরিয়ান সুপারম্যানরে ৩ দিন বুঝাইছি কিন্তু শালা কোনমতে বুঝেই না।আজ খবরটা প্রিন্ট করে ল্যাবমেটদের ধরায় দিছি সাথে সুপারম্যানরেও.।।

১০

মাহবুব সুমন's picture


এটা একটা বিশাল কাজ ........ বিশাল বিশাল কাজ
খুবই ভালো লাগছে
যারা করেছেন তাদেরকে ধন্যবাদের চাইতেও বড় কিছু দিতে চাচ্ছে মন

১১

রাফি's picture


আসলেও মাইট। কত বিশাল কাজ যে হয়েছে তা কয়েকদিন পর সায়েন্টিফিক কম্যুনিটিতে তোলপাড় দেখলেই বুঝা যাবে।

১২

রাফি's picture


পোষ্ট আঠা লাগানোর জন্য মডুরে ধন্যবাদ। তার সাথে সময়োপযোগী ব্যানারের জন্যও......।

১৩

নজরুল ইসলাম's picture


এ এক বিশাল অর্জন। বিশাল সাফল্য, আবার ফিরে আসবে আমাদের সোনালী স্বপ্নের দিন... জয় বাংলা

১৪

রাফি's picture


অবশ্যই ফিরে আসবে.....

১৫

মীর's picture


আমাগো মতোন ম্যাংগো পিপলরে সহজ কইরা বুঝানির লিগ্যা আপানারে কেজি কেজি ধইন্যা।

পোস্ট স্টিকি করা এবং নতুন ব্যনারের মধ্যে দিয়ে এবি কিন্তু উৎকৃষ্ট মডারেশনের একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো। আগেও দেখেছি এবি এ বিষয়গুলো যথেষ্ট উদার। এজন্য মডুদের ধইন্যা।

১৬

রাফি's picture


পড়ার লেইগা আপনেরেও ধৈন্যা।

১৭

সাঈদ's picture


আমি পেপার পড়ে এত ক্লীয়ার বুঝি নাই। শুধু বুঝছি যে বিশাল অর্জন।

ধইন্যা।

১৮

রাফি's picture


বিশাল মানে......। অনেক বিশাল।

১৯

তানবীরা's picture


সাঈদ ভাই আমার মতো না আমি সাঈদ ভাইয়ের মতো?

২০

জ্যোতি's picture


আমি পেপার পড়ে বুঝার চেয়ে পোষ্ট পড়ে ভালো বুঝলাম।

২১

আবদুর রাজ্জাক শিপন's picture


 

 

অ  ভি ন ন্দ ন পুরো টিমকে ।

২২

নাঈম's picture


গতকাল খবরে দেখেছিলাম এটা, তত পরিষ্কার বুঝিনি তখন, এই পোষ্টটা পড়ে বুঝলাম সব।

একজন বাংলাদেশী হিসেবে সত্যিই আজ গর্ব হচ্ছে আমার। ডঃ মাকসুদুল আলম ও তার টীমের সকল সদস্যদের অভিনন্দন।

২৩

রাফি's picture


আসলেও গর্বের কাজ হৈছে একটা।

২৪

নজরুল ইসলাম's picture


হ, মডুদের ধইন্যা...

২৫

শাওন৩৫০৪'s picture


ব্যাপারটা এত চমৎকার সহজ বোধ্যভাবে উপস্থাপনের জন্য অনেক ধন্যবাদ----

২৬

রাফি's picture


আপনেরেও ধন্যবাদ অনেক।

২৭

নাহীদ Hossain's picture


বাহ্‌ দারুন খবর। অভিনন্দন ডঃ মাকসুদুল আলম ও তার টীমের সকল সদস্যদের।

২৮

রাফি's picture


সেটাই। আসলেও দারুন খবর।

২৯

জ্বিনের বাদশা's picture


চমৎকার নিউজ!
আজকে জাফর ইকবালের লেখাটা পড়ে বোঝা গেলো সম্ভবতঃ মেধাস্বত্ব অর্জনটা একটা বড় লক্ষ্য ছিলো এই গবেষণার। কিন্তু মেধাস্বত্বটার শেয়ার কার কার? বাংলাদেশ সরকার, ঢাবি, হাওয়াই ইউনিভার্সিটি -- সবার?
যাই হোক, শেখ হাসিনা আর মতিয়া চৌধুরীকে স্যাল্যুট এরকম ভিশনারী ভূমিকার জন্য, বাংলাদেশের প্রশাসনে এরকম ভিশনওয়ালা লোক যত আসবে ততই ভালো। মতিয়া চৌধুরীরে আওয়ামী লীগের নেক্সট টার্মে প্রাইম মিনিস্টারের ভূমিকায় দেখতে চাই (তাজউদ্দিনের যোগ্য উত্তরসুরী বললে কি বেশী বলা হয়ে যাবে?)

৩০

ভাস্কর's picture


আমার কাছে মতিয়া চৌধুরীরে ভিশনারী লাগে নাই। বুদ্ধিমান এবং সচেতন মনে হইছে। পাট নিয়া এইরম একটা গবেষণা হওয়াটা জরুরী সেইটা যারা পরিকল্পনা করছে ভিশনারী হইলেন তারা। আমাগো দেশের কৃষিমন্ত্রী কিংবা প্রধানমন্ত্রী যেইদিন এইসব উদ্যোগ নেওনের পরিকল্পনা প্রণয়নের লেইগা তাগো সাবঅর্ডিনেটগো নির্দেশ দিবো সেইদিন বুঝুম তারা ভিশনারী। আমাগো দেশে সেইরম ভিশনারী লোকেরা আওয়ামি বিএনপি করেন না, আর তাই প্রশাসনেও তাগো দেখা মিলে না।

৩১

টুটুল's picture


বিষয়টা ভালমত বোঝার জন্য ...

পাট জিনোম যেহেতু পাটের গঠনের নীলনকশা, তাই তার মাঝে পাটের সব তথ্য সাজিয়ে রাখা আছে। আমাদের দেশে শীতকালে পাট হয় না_ যে কারণে হয় না সে তথ্যটাও পাটের জিনোমের কোথাও না কোথাও আছে। বিজ্ঞানীরা খুঁজে বের করে সেটা পাল্টে দিতে পারেন_ তখন দেখা যাবে নতুন প্রজাতির একটা পাট চলে এসেছে, যেটা কনকনে শীতেও লক লক করে বেড়ে উঠছে। কাজেই বিজ্ঞানীরা চাইলে ঠাণ্ডা পানির পাট, লোনা পানির পাট, কম পানির পাট, কাপড় বুননের পাট, তুলার মতো পাট, শক্ত পাট, নরম পাট, পোকা নিরোধক পাট, ঔষধি পাট, সুস্বাস্থ্য পাট, লম্বা পাট, খাটো পাট, এমনকি রঙিন পাট পর্যন্ত তৈরি করতে পারবেন! পাট জিনোম বের করে সবচেয়ে বড় কাজটি হয়ে গেছে_ এখন বাকিটুকু শুধু সময়ের ব্যাপার।

সমকাল লিংকু

৩২

মামুন হক's picture


আমিও প্রথমে বুঝি নাই। এখন কিছুটা বুঝলাম। বুঝে টাশকিও খাইলাম!
অভিনন্দন সংশ্লিষ্ট সবাইকে Smile

৩৩

একলব্যের পুনর্জন্ম's picture


সশ্রদ্ধ অভিনন্দন মাকসুদ স্যার এবং টিমের অন্য সবাইকে ।

৩৪

মুকুল's picture


সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন! অসাধারণ কাজ হয়েছে। Party

৩৫

মাহমুদ ফয়সাল's picture


অনেকদিন পর এই খবরটা খুব ভালোলাগার জন্ম দিয়েছে...
সত্যিই আমাদের বিজ্ঞানীরা একটা কাজ করেছেন, আমরা পৃথিবীর বুকে এরকম কাজে একদম সামনে এগিয়ে থাকলাম...

অভিনন্দন ডক্টর আলম এবং তার সহযোগিদের...

৩৬

বাতেন ছিদ্দিকী's picture


সরকারের উচিৎ টাকা পয়সা আউল ফাউল যায়গাই নষ্ট না করে, এরকম গঠনমূলক কিছু করা। ইন্ডিয়া যে কাজটা বেশ আগে থেকেই শুরু করেছে। এসব মেধাবীদের দিয়ে ইউরোপ, আমেরিকা লাভবান হচ্ছে কিন্তু আমরা তাদের ধরে রাখতে পারি না।

৩৭

মীর's picture


বাংলাদেশে যেদিন আদমজী পাটকল বন্ধ হয়েছিলো সেদিনই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যসরকার সেখানে ৭২টি পাটকল অনুমোদন দেয়া হয় - শোনা কথা।

তবে আমি বলতে চাই আমার বসানো দইয়ের সর যেনো অন্য কেউ খেয়ে যেতে না পারে।

৩৮

মীর's picture


বাংলাদেশে যেদিন আদমজী পাটকল বন্ধ হয়েছিলো, সেদিনই পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যসরকার সেখানে ৭২টি পাটকল অনুমোদন দেয় - শোনা কথা।

তবে আমি বলতে চাই আমার বসানো দইয়ের সর যেনো অন্য কেউ খেয়ে যেতে না পারে।

৩৯

রুম্পা's picture


ভাবতে ভালো লাগছে আমি তার পরিবারের একজন সদস্য... Smile

৪০

শেখ আমিনুল ইসলাম's picture


ধন্যবাদ বিস্তারিত আলোচনা করার জন্য।
শুভেচ্ছা।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রাফি's picture

নিজের সম্পর্কে

লাইফটা শ্যাষ পর্যন্ত কষ্টেরই.........