ফুলে গন্ধ নেই...... এ তো ভাবতেও পারি না
অবশেষে পেয়ে গেলাম আমরা ফুল বিক্রির স্বীকৃতি। যদিও একটু দেরীতে পেলাম। তবে বেশ ঘটা করেই হলো সে আয়োজন। আমরা এখন সার্টিফায়েড ফুলওয়ালা।

একদিন ফুল বিক্রি করলাম বলে আমাদের নিয়ে কি বিশাল ব্যাপার-স্যাপার!!!

আসলে কি এত আয়োজনের দরকার ছিল?
সত্যি বলতে এটার দরকার ছিল। কার না ভালো লাগে নিজের কাজের স্বীকৃতি পেতে। আর আমাদের দেশে যেহেতু এরকম কাজ কম হয় তাই সবাইকে জানানো আরও বেশী জরুরী। সেদিন মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি ছিলেন আমেরিকান এম্বাসাডার জেমস মরিয়ার্টি। আরও ছিলেন আসাদুজ্জামান নূর, ট্রান্সকম ফুডস এর আক্কু চৌধুরী সহ অনেক গণ্যমাণ্য ব্যক্তিত্ব।

অনুষ্ঠানে আরো ছিলো ব্যান্ড শুন্য, ওল্ড স্কুল এবং জাগো ফাউন্ডেশনের বাচ্চাদের পরিবেশনা।

আর আমাদের বলা হলো “Youth Of The Nation”

আর যারা প্রতিদিন কাজটা করে তাদের জন্য কি আসলেই আমরা কিছু করতে পেরেছি? আসেন দেখি কি এবং কতোটুকু করা গেলো!

গত বছর নভেম্বরের ১১ তারিখে ঢাকার রাস্তা হলুদ হয়ে গিয়েছিল। জাগো ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দু’হাজারেরও বেশী ছাত্র-ছাত্রী, কর্পোরেট ব্যাক্তিত্ব, শিল্পী-কলাকুশলী নেমেছিলেন ঢাকার বিভিন্ন রাস্তায়। আর রোজদিন যে শিশুরা রাস্তায় ঘুরে ঘুরে তাদের জীবন ধারণের জন্য নূন্যতম অর্থ জোগাড়ে ব্যস্ত থাকে, এমন ১০০০ ছেলেমেয়েকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল গুলশান ওয়ান্ডারল্যান্ডে। সেখানে ছিল তাদের স্ব্যাস্থ পরীক্ষা, সারাদিনের জন্য বিনোদন ব্যবস্থা, খাওয়া এবং দিন শেষে বাড়ি ফেরার সময় তাদের হাতে ১০০ টাকা।

ফুল বিক্রি করা বা টাকা তোলাটা আসলে সেদিন আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল না। 'ইউনিভার্সেল চিল্ড্রেন্স ডে' বলে যে কিছু আছে সেটা শুধু টেবিল-চেয়ারে বসে, সেমিনার করে পালন করার চেয়ে কিছু করে দেখানোটা ছিল মূল উদ্দেশ্য।

ঢাকার ১৮ টি সিগন্যাল পয়েন্টে ফুল বিক্রি করে সেদিন সংগ্রহ হয়েছিল চব্বিশ লাখ আঠারো হাজার নয়শ তের টাকা। সে টাকা দিয়ে জাগো ফাউন্ডেশনের স্কুলের সংখ্যা বাড়ানোর কথা ছিলো।
জাগো ফাউন্ডেশন, টঙ্গী

জাগো ফাউন্ডেশন, কারাইল, বনানী

এরই মধ্যে শুরু হয়ে গেছে এ স্কুল গুলোর যাত্রা।

জাগো ফাউন্ডেশনের কাজ সম্পর্কে আরও জানতে চাইলে
জাগো ফাউন্ডেশন





জন্মদিনের শুভেচ্ছা
ফুল বিক্রিতে আরো সাফল্য আসুক, জাগো এর কার্যক্রম আরো সফল হোক এই কামনা

থ্যাঙ্কু
খাও
জাগো জেনো জেগে থাকে বাংলার বুকে।
আজকে জন্মদিন নাকি? তাইলে জন্মদিনের ব্যাপক শুভেচ্ছা
আপনাকেও ব্যাপক ধন্যবাদ
শুভ জন্মদিন
এ ও কি সম্ভব? হ্যাটস অফ....
আর হ্যাঁ, শুভ জন্মদিন!
এমনই হয়েছে আপু। এতটা যে সম্ভব হবে আমাদেরও ধারণা ছিল না।
ধন্যবাদ।
জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা। আর এ ধরনের শুভঁ উদ্যেগের জন্য ভালো লাগা
মায়াবতীর জন্মদিনে এক পৃথিবী শুভকামনা...
আপনারে অনেক
I was one of the customer and felt proud. They proved on that day they can change everything...Hope one day they will change our nation and it was just starting....carry on.
আপনাকে অনেক অনেক
শুভ জন্মদিন।
বাহ!
জন্মদিনে বিলম্বিত শুভেচ্ছা।
আপনের নতুন লেখা কই?
proud to be your friend.
hats off to u..
মন্তব্য করুন