ইউজার লগইন

ঈভ টিজিং ; অধরা প্রেম

বাংলাদেশের মানুষের কাছে সাধারণ তথ্য যতো দ্রুত পৌঁছে যায় ততো দ্রুত এমন আর্থসামাজিক পরিস্থিতিতে থাকা দেশ গুলোর মানুষের কাছে দেশ বা মানুষ সম্পর্কিত তথ্য পৌঁছায় না । এমনটা হওয়ার প্রধান কারণ হলো প্রায় পুরো দেশের সামাজিক প্রেক্ষাপটের সমতা এবং ঐতিহ্য গত সাদৃশ্য, এ ছাড়াও আছে বিস্তৃত সমভূমির ভূ-প্রকৃ্তি এবং মুঠো ফোনের সহজ লভ্যতা ।

যা হোক এ তথ্য প্রযুক্তির যুগে ঈভ টিজিং শব্দটির সাথে সবাই বেশি মাত্রায় পরিচিত যদিও তার সীমা , আওতা আর যৌক্তক সংজ্ঞা আমার কাছে পরিস্কার নয়। বাংলাদেশে সাধারন ছেলে মেয়েদের মধ্যে কৈশোরে বা তারুন্যে যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে তার শুরুটা অনেকটা বর্তমানে সংজ্ঞায়িত ঈভ টিজিং এর মতো ঘটনা দিয়ে আরম্ভ হয়। জানা নেই শোনা নেই বা অল্প জানা শোনা কোন ছেলে যখন একটা মেয়েকে প্রেম নিবেদন করে তখন সে নিবেদনের ধরণ বা প্রকাশ ভঙ্গি একটা মেয়ের কাছে পছন্দের নাও হতে পারে, আবার এটাও সত্য যে প্রথমবার বললেই যে ছেলেটার প্রতি মেয়েটা আগ্রহী হয়ে পড়বে এমন তো নয় । যেখানে সাফল্য পাবার জন্য শত বার চেষ্টা করবার কথা বলা হয়েছে সেখানে যে মেয়ে তার জীবনের সব কিছুর অংশ হয়ে যেতে পারে তার জন্য দু চার বার চেষ্টা কোন ভাবেই অযৌক্তিক হতে পারেনা।

প্রেমের বহিঃপ্রকাশ কি ঈভটিজিং হিসেবে গন্য হবে ? নিবেদনের কি কোন মাপকাঠি থাকতে পারতো না ? নারীর প্রতি পথে ঘাটে অফিস আদালতে অগ্রহণ যোগ্য কর্ম কান্ড বা অশালীন অপ্রয়োজনীয় শব্দ উচ্চারণ অবশ্যই ঈভ টিজিং তবে প্রেম নিবেদনের মতো পবিত্র আর জীবনের অনিবার্য আকুতির ব্যপারটাকে ঠিক কি চোখে দেখবো বুঝতে পারছিনা। যদি কোন ত্বন্বি তরুণী একই ছেলের কাছে একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাব পায় এবং গ্রহন করে তখন তা হয়ে যায় প্রেম, সনদ প্রাপ্ত প্রেমই বলা ভাল। আর সনদ লাভে ব্যর্থ হওয়া প্রস্তাব হয়ে যায় ঈভ টিজিং !! তাহলে এক জন মেয়েই ঠিক করবে কোনটা প্রেমের উদ্বাত্ত আহবান আর কোনটা হাড় জ্বালানো ঈভ টিজিং । বস্ত্র হরণ করেও কৃষ্ণই রাধার প্রেমিক আর স্কুল বাসে করে যাওয়া নীলাঞ্জনাকে দু বার সাহস করে " ভালোবাসি" বলাটা ঈভ টিজিং ।

দেশে গিয়ে জানলাম মেয়েদের স্কুলের সামনে সাদা পোষাকে কালো মনের মামাদের ঈভটিজার ধরতে বসানো হয়েছে । ভালোই হলো ডিউটি পোষাকে মামারা ইয়াসমীন আর সীমাকে নিয়ে খুব ঝামেলায় পড়েছিল এবার অন্তত সাদা পোষাকে হাজার হাজার সীমা ইয়াসমীন কে পেয়ে যাবে । ফুল ডিউটি আওয়ার জুড়ে চালাও ঈভ টিজিং আর প্রকৃ্ত অমানুষের পরীক্ষায় পাশ করে যাও। আবার, নিরীহ ও স্বচ্ছল পরিবারের ছেলেদের থানায় ধরে এনে ফাঁসিয়ে দাও ঈভ টিজিং এর গোলক ধাঁধাঁয় আর কামিয়ে নাও দু মুঠি ভরে । যোগ হলো নারায়ণের নতুন উৎস !!!!

সাম্প্রতিক সময়ে পত্র পত্রিকায় প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত কোথাও না কোথাও ঈভ টিজিং আছেই । এটা সচেতনতা বৃ্দ্ধিতে যতো টুকু অবদান রাখছে তার থেকেও বেশি আড়াল করছে সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতির সাথে রাজনৈতিক ভাবে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির বিস্তর ফারাককে । সংস্থা ভিত্তিক দুর্নীতি, ব্যক্তি পর্যায়ে দুর্নীতি, রাজনৈতিক প্রতি হিংসা, যুব/ছাত্র লীগ/দলের দলবাজি, দলীয় আযানে লুটপাটের মহড়া, দেশ খুবলে খাওয়া নেতাদের দেশ প্রেমের আস্ফালন, অকার্যকর সংসদ সব কিছুকে আড়াল করতে অত্যন্ত কৌশলে ঈভটিজিং এর মতো একটা বিষয়কে সামাজিক সমস্যা থেকে জাতীয় সমস্যায় রূপান্তরের প্রচেষ্টা হয়েছে । এ থেকে মূলে পানি পড়েছে, ঈভটিজারদের দৌরাত্য বেড়েছে, এসেছে বৈচিত্রময় কুৎসিত উপায়। সারা সিনেমা জুড়ে মারা-মারি, খুন, হত্যা, লুট-তরাজ দেখিয়ে শেষে পুলিশের দু মিনিট রাখলে মানুষ যেমন আগে ঐ দু মিনিট ভুলে যায় ঠিক তেমনটা ঘটছে ঈভটিজারদের ক্ষেত্রে।

সামাজিক ও পারিবারিক শিক্ষা বিস্তার, মানবিক গুনাবলীর সাথে শিশুর পরিচয়, মানব মূল্য অনুধাবন, পারস্পারিক শ্রদ্ধাবোধের শিক্ষা বিস্তার, পুষ্টিকর খাবার নিশ্চিত করণ, সামাজিক অস্থিরতা দূর, কর্মের নিশ্চয়তা প্রদান, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, মনণশীল মানব সম্পদ গঠনে সরকার ও রাজনৈতিক ব্যক্তি বর্গের ভূমিকা দেশে এখনও প্রশ্ন বিদ্ধ । এ গুলোর ব্যবহারিক প্রয়োগ ও পরিচর্যা না করলে ঈভ টিজিং দূর করা সম্ভব নয়। আইন, সভা, মানব বন্ধন সাময়িক ব্যবস্থা মাত্র কোন টেকসই সমাধান নয় । কয়টা সাধারণ ছেলে ঈভটিজিং করতে পারে ? লীগ/দলের ছত্রছায়ায় বাস করা নেকড়ে গুলোই তো পেশী শক্তি আর ধারালো নখরে ক্ষত বিক্ষত করে চলেছে সমাজকে ।

নারীর প্রেম পারে সমাজকে শান্তি দিতে, ফিরিয়ে আনতে পারে পুরুষের আত্নবিশ্বাস, আদর্শহীন রাজনীতির যুবা গোলামকে মুক্ত করে খুলে দিতে পারে তার জন্য দিগন্ত মুখি সাফল্যের দরজা, ড্রাগ ও অস্ত্র থেকে হাত কেড়ে নিয়ে শক্ত করে ধরতে পারে একত্রে মিশে যাওয়ার স্বপ্ন দেখতে । অথচ আজ সেই নারীর প্রেম অধরা------------------
যদি ঈভটিজিং হয়ে যায় !!!!!!!!!!!!!!!!

পোস্টটি ৬ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

শফিক সাত্তার's picture


কিঞ্চিত চিন্তাতেই পড়লাম । ছেলেদের জন্য প্রেম করাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে । না এমন কনফিউজড করা পোস্ট পড়ে যে ঠিক কি করা যেতে পারে বুঝছি না।

আহমেদ মারজুক's picture


কনফিউশনের কি আছে এতে ? এটা মিশ্র একটা ব্যাপার । আলাদা করা কঠিন তবে এমন না যে এটাই হচ্ছে । ঈভটিজিং তো মহামারি রূপেই আছে এবং ছিল সমাজে তবে এটা নিয়ে বাড়াবাড়ি না করে মৌলিক জায়গা গুলোয় কাজ করতে হবে এটা দূর করতে হলে।

নীড় সন্ধানী's picture


প্রেমের মতো ইভ টিজিংও আদমের কাল থেকেই চালু ছিল। অন্য নামে ছিল। সোজা বাংলায় ফাত্রামি। প্রেম আর ফাত্রামির প্রকাশ এক নয়। প্রেম করুন, ভালো থাকুন। Party

আহমেদ মারজুক's picture


ভাল তো থাকতেই চাই কিন্তু হলো কই ?

নাম নাই's picture


ইভ টিজিং শব্দটা এইভাবেই সেক্সুয়াল হ্যারাসমেন্ট ব্যাপারটাকে জায়েজ করে ফেলে। হাই কোর্ট একটা ভাল সিদ্ধান্ত নিছে, ইভ টিজিং শব্দটাকে নাকচ করে 'যৌন হয়রানী' ব্যবহার করতে বলছে। প্রেমের প্রস্তাব দেয়া আর প্রেমে রাজি না হইলে হুমকি ধামকি দেয়া, জোরজারি করা অথবা মেয়ে বলেই রাস্তাঘাটে তাকে উত্যক্ত করা দুইটা আলাদা জিনিষ। এই দুইটা গুলায় ফেল্লে মুশকিল।

আহমেদ মারজুক's picture


আপনার সাথে এক মত আমি । তবে ব্যাপারটা এখনও অনেকটা মেয়েদের হাতেই রয়ে গেছে ।

নাম নাই's picture


ব্যাপারটা 'এখনও' অনেকটা মেয়েদের 'হাতেই' রয়ে গেছে।

ব্যাখ্যা করেন একটু। বুঝিনাই।

আহমেদ মারজুক's picture


যদি কোন ত্বন্বি তরুণী একই ছেলের কাছে একাধিকবার প্রেমের প্রস্তাব পায় এবং গ্রহন করে তখন তা হয়ে যায় প্রেম, সনদ প্রাপ্ত প্রেমই বলা ভাল। আর সনদ লাভে ব্যর্থ হওয়া প্রস্তাব হয়ে যায় ঈভ টিজিং !! তাহলে এক জন মেয়েই ঠিক করবে কোনটা প্রেমের উদ্বাত্ত আহবান আর কোনটা হাড় জ্বালানো ঈভ টিজিং ।

নাম নাই's picture


আপনার বক্তব্যটা বুঝতেছিনা। আপনি বলতে চাইতেছেন যে মেয়েরা নির্ধারন করতেছে কোনটা 'যৌন হয়রানী' আর কোনটা প্রেম নিবেদন? আর ছেলেরা আজ বিভ্রান্ত যৌন হয়রানী আর প্রেম নিবেদনের পার্থক্য নিয়ে? এইটা তো হবার কথা না। কোনটা জোরপূর্বক হয়রানী আর কোনটা স্টারিআইড প্রেম এইটা যেকোন মানুষ বুঝতে পারে বলে আমার ধারনা।

'আর সনদ লাভে ব্যর্থ হওয়া প্রস্তাব হয়ে যায় ঈভ টিজিং !! ' আপনি যদি এইটা বলতে চাইয়া থাকেন যে মেয়েরা অপছন্দের কারো কাছ থেকে প্রেমের প্রস্তাব পাইলে সাথে সাথে সেইটাকে ইভ টিজিং (যদিও নামটা এখন লিগ্যালি 'যৌন হয়রানী') হিসাবে চিন্হিত করে ফেলে, তাইলে আমার হাসি ছাড়া আর কিছু বলার নাই।

১০

আহমেদ মারজুক's picture


তবে হাসিই শ্রেয় ।

১১

মীর's picture


শুধু তাই না, নাম নাইএর কথা ধরে আমি আরেকটু বলি; আকাশের চান-সুরুজ জ্বালায়-পুড়ায় ছারখার করে দেবরাজ ইন্দ্র যখন তার মহান প্রেমের ওহী নিয়ে সশরীরে হাজির হয়েছেন মর্ত্যলোকে, তুচ্ছ মেয়েমানুষের তখন এতবড় সাহস সেটা 'ইনকার' করে?
দাও তবে ওর মা'র গায়ে মোটরসাইকেল চড়িয়ে, দাও মুখ সই করে এসিড ছুড়ে, দাও তার বুড়ো নানার মাথায় লাঠির এক ঘা' বসিয়ে।
দেবরাজের অপমান, তাও কি সওয়া যায়?

১২

আহমেদ মারজুক's picture


এগুলো কিন্তু সেকেন্ড ফেজের ক্রাইম । ঈভ টিজিং করতে করতে সেকেন্ড ফেজের ক্রাইম করে। দুটোকে এক করে ফেলছি মনে হয় । আসলে এর সীমা পরিসীমা নিয়ে কনফফিউশন আছে অনেক।

১৩

মীর's picture


ঈভ টিজিং করতে করতে সেকেন্ড ফেজের ক্রাইম করে

ইভটিজিং=ফার্স্ট ফেইজের ক্রাইম।

যেই ফেইজেরই হোক না কেন, ক্রাইম ইজ ক্রাইম।

১৪

আহমেদ মারজুক's picture


মত পার্থক্য নেই আপনার সাথে । প্রেম নিবেদন প্রক্রিয়ার কতো টুকু ঈভটিজিং এর বাইরে সেটাই জানা দরকার ।

১৫

নাজমুল হুদা's picture


সাম্প্রতিক সময়ে পত্র পত্রিকায় প্রথম পাতা থেকে শেষ পাতা পর্যন্ত কোথাও না কোথাও ঈভ টিজিং আছেই । এটা সচেতনতা বৃ্দ্ধিতে যতো টুকু অবদান রাখছে তার থেকেও বেশি আড়াল করছে সরকারের উন্নয়ন অগ্রগতির সাথে রাজনৈতিক ভাবে প্রদত্ত প্রতিশ্রুতির বিস্তর ফারাককে ।

উপলব্ধির সাথে একমত ।

১৬

আহমেদ মারজুক's picture


ধন্যবাদ । অনেক কিছুকে আড়াল করতে অনেক কিছুই করে ফেলছে মানুষ আজ কাল । আপনার কমেন্ট খুব ভালো লেগেছে।

১৭

সাহাদাত উদরাজী's picture


আমার দিন শেষের দিকে। এ সব নিয়ে আর ভাবছি না! আমার ছেলেকে বুঝাতে হবে? কোনটা কি, কি করলে ভাল থাকা যাবে.।.। আর ওকে তাড়াতাড়ি বিয়ে করাতে হবে!

আমার ছেলেকে যখন বলি, তোকে বিয়ে করাবো। ওর সরাসরি উত্তর, তুমি পারলে আর একটা কর, আমি বিয়ে করব না।

আমি হাসি, আমার কি সেই দাত আছে? (অনুমতিহীন দ্বিতীয় বিয়েতে নাকি ৭ বছর জেল! পুরা আইন জানি না, জানলে ভাল হত।)

১৮

মাহফুজ's picture


নারী সংক্রান্ত অনেক অপরাধেরই সূত্রপাত এই টিজিং থেকে। দেশে মহামারী আকার ধারণ করেছে ঠিকই। তবে অন্যদিকে কিছুটা সমস্যাও দেখা দিয়েছে। টিজিং না করেও অনেক সময় ছেলেরা ফেসে যাচ্ছে এই অপরাধে।
পোস্টটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বর্তমানে কালের প্রেক্ষাপটে। এটা দ্বারা সকলের বোধোদয় ঘটুক।

১৯

আহমেদ মারজুক's picture


ধন্যবাদ মাহফুজ । যখন আমাদের সব কিছুই দায় সারা আর লক্ষ্যই ফাইদা লুটা তখন বেশির ভাগ অভিযোগ হয় কোন মেয়ে বা পুলিশ দ্বারা সাজানো হবে । দেশে ৭০ ভাগ লোক হয় বিনা অপরাধে অথবা বিচারের অপেক্ষায় জেলে বন্দী , এমন পরিস্থিতিতে একজন নিরাপরাধ ছেলে ফেঁসে যাবে এটাই স্বাভাবিক । আর যারা ভয়ানক ঈভ টিজার তাদের অবশ্যই শক্ত রাজনৈতিক খুঁটি আছে, ওদের পুলিশ কখনই দেখবে না ।

২০

নাজমুল হুদা's picture


যারা ভয়ানক ঈভ টিজার তাদের অবশ্যই শক্ত রাজনৈতিক খুঁটি আছে, ওদের পুলিশ কখনই দেখবে না ।

একমতের উপরও সহমত । শতভাগ খাঁটি কথা ।

২১

আকাশ's picture


সময় উপযোগী লেখা.।.।।।

২২

আহমেদ মারজুক's picture


ধন্যবাদ আকাশ ।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

আহমেদ মারজুক's picture

নিজের সম্পর্কে

আমি লিখতে ভালোবাসি আর কবিতা শুনতে