বৃষ্টি, বৃষ্টি বিলাস, বৃষ্টি কোলাজ
অনেকদিন পর শহরে বৃষ্টি নেমে এলে ভাবি, কতোদিন পর আজ বৃষ্টি হলো! কতোদিন! কতো কথা মনে পড়ে, কতো স্মৃতি! বৃষ্টি মানেই যেন ছোটবেলা, গ্রামের পথ, মায়ের কোলের মধুময় ওম।
২
আমাদের বাড়িতে একটা বড়োসড়ো পুকুর ছিলো। সেই পুকুরে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে মাছ চাষ করার কথা কারো কখনো মনেই আসেনি। গ্রামের মানুষ, বিশেষ করে মেয়েরা, স্নান করতো এসে। আর তাছাড়া বর্ষায় মাঠ-ঘাট ভেসে যেত বলে নদী থেকেই প্রচুর মাছ এসে বাসা বাঁধতো পুকুরে, চাষ করার দরকারই হতো না। বর্ষা শেষে আর ফিরে যেতে পারতো না ওরা, রয়ে যেত ওখানেই। তো, চৈত্রের এইরকম সময়ে পুকুরের পানি যখন বেশ কমে যেত, তখন বছরের প্রথম দিকের এইরকম অঝোর বৃষ্টিতে ঝাঁকে ঝাঁকে কৈ মাছ উঠে আসতো পুকুর থেকে - ডাঙায়। সে এক অভূতপূর্ব দৃশ্য ছিলো। মাছগুলো কানকো দিয়ে ঠেলে ঠেলে এমনকি বাড়ির উঠোনেও চলে আসতো। বিস্মিত কিশোর এরকম অদ্ভুত দৃশ্য থেকে চোখ ফেরাতে পারতো না। আর কোনো মাছ তো এভাবে পানি থেকে ডাঙায় উঠে আসে না, কৈ মাছ আসে কেন - ফিসফিসিয়ে ভয়ে ভয়ে মাকে জিজ্ঞেস করলে মায়ের সরল স্বীকারোক্তি - ’জানি না, বাবা। হয়তো কিছু খোঁজে!’ মাছগুলোকে মারতেও দিতো না মা, সবাইকে বলতো- ’ওগুলোকে মারিস না তোরা, কী যে খুঁজতে এসেছে কে জানে! নইলে কি আর জলের প্রাণী এইভাবে ডাঙায় উঠে আসে!’ কি খোঁজে? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজেছি বহুদিন, বহুদিন। বড়ো হয়ে, এই সেদিন মাত্র, এক কৃষিবিজ্ঞানীর কাছে শুনলাম সেই ব্যাখ্যা (সত্য মিথ্যা যাচাই করিনি)। কৈ মাছ গভীর পানিতে ডিম ছাড়ে না, ছাড়ে অল্প পানিতে- সাধারণত ফসলের মাঠে। বর্ষায় পানি নেমে গেলেও সেই ডিম মাঠেই রয়ে যায়, বছরখানেক ধরে রোদ-তাপ-আলো-বাতাস সয়ে পুষ্ট হয়, তারপর আরেক বর্ষায় মেঘের গর্জন শুনেই মা-কৈ গুলো চঞ্চল হয়ে ওঠে, বৃষ্টি শুরু হলে উঠে আসে ডিমের খোঁজে।
ওরা যে মা!
৩
আখতারুজ্জামান ইলিয়াসের নিরুদ্দেশ যাত্রা গল্প থেকে-
''এই মনোরম মনোটোনাস শহরে অনেকদিন পর আজ সুন্দর বৃষ্টি হলো। রাত এগারোটা পার হয় হয়, এখনো রাস্তায় রিকশা চলছে ছল ছল করে...আমার জানলায় রোদন-রূপসী বৃষ্টির মাতাল মিউজিক, পাতাবাহারের ভিজে গন্ধভরা সারি, বিষাদবর্ণ দেওয়াল; অনেকদিন পর আজ আমার ভারি ভালো লাগছে। ছমছম করা এই রাত্রি, আমারি জন্যে তৈরি এরকম লোনলি-লগ্ন আমি কতোদিন পাইনি, কতোকাল, কোনোদিন নয়। বৃষ্টি-বুনোট এইসব রাতে আমার ঘুম আসে না, বৃষ্টিকে ভারি অন্যরকম মনে হয়, বৃষ্টি একজন অচিন দীর্ঘশ্বাস। এইসব রাতে কিছু পড়তে পারি না আমি, সামনে বই খোলা থাকে, অক্ষরগুলো উদাস বয়ে যায়, যেনো অনন্তকাল কুমারী থাকবার জন্যে একজন রিক্ত রক্তাক্ত জন্মদান করলো এদের। চায়ের পেয়ালায় তিনটে ভাঙা পাতা ঘড়ির কাঁটা হয়ে সময়কে মন্থর কাঁপায়। ষাট পাওয়ারের বাল্বে জ্বলছে ভিজে আলো, আর চিনচিন করে ওঠে হঠাৎ, কতোদিন আগে ভরা বাদলে আশিকের সঙ্গে আজিমপুর থেকে ফিরলাম সাতটা রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনে, 'তুই ফেলে এসেছিস কারে', সেই সোনার শৈশবে ভুল করে দ্যাখা একটি স্বপ্ন, স্বপ্নের মতো টলটল করে। আমার ঘুম আসে না, আলোর মধ্যে একলা জেগে রই।...''
এরপর আর কোনো কথা থাকে না!
৪
... আর অনেকদিন পর শহরে বৃষ্টি নেমে এলে ভাবি, কতোদিন পর আজ বৃষ্টি হলো! কতোদিন! কতো যে মুখ ভেসে ওঠে চোখে! কতো স্মৃতি! তুমুল বৃষ্টিতে বাড়ির উঠোনে ভাইবোনদের সঙ্গে কাঁদা ছোঁড়াছুড়ি খেলছে অথবা টিনের চালে বৃষ্টির শব্দ শুনতে শুনতে আর ঘরে থাকতে না পেরে উঠে গিয়ে বৃষ্টির পানি হাতে-মুখে মেখে নিচ্ছে যে কিশোর, আমার বন্ধু আহসান কবীর জামানের সঙ্গে রিকশায় যেতে যেতে হঠাৎ বৃষ্টি এলে ওর আপত্তি অগ্রাহ্য করে রিকশার হুড না ফেলেই বৃষ্টিতে ভিজতে ভিজতে আর হেড়ে গলায় গান গাইতে গাইতে চলেছে যে তরুণ, অথবা তপ্ত খরার পর একটানা বৃষ্টির মধ্যে প্রিয়তম মানুষটির সঙ্গে কথা বলে চলেছে ওই যে যুবক তাকে কেন এত চেনা লাগছে? ওইসব জীবন কি কখনো আমার ছিলো?
বাইরে বৃষ্টির শব্দ বাড়ে। অনেকক্ষণ শুয়ে থেকে একসময় জানালায় গিয়ে দাঁড়াই। নিরবিচ্ছিন্ন বৃষ্টিতে ধুয়ে-মুছে যাচ্ছে চরাচর। এই শহরের সমস্ত ক্লান্তি, জঞ্জাল, পাপ, বেদনা, আর হাহাকার কেন ধুয়ে মুছে যায় না? কী তুমুল, অহংকারী, একরোখা, জেদী বৃষ্টি। বৃষ্টির ছাঁট এসে ভিজিয়ে দিয়ে যাচ্ছে, কিন্তু তা গ্রাহ্যের মধ্যেই আসে না আমার। মনে হয়, আমাদের গ্রামে ঠিক এইরকম বৃষ্টি হতো। বিড়বিড় করে আমি কেবল বলতে থাকি, উদাসপুর - আমি তোমার কাছে যাবো।
(আমারই লেখা ‘বৃষ্টমুখর দিনরাত্রি’ থেকে!)
৫
বৃষ্টির গান শুনতে ও শোনাতে ইচ্ছে করছে। লিংক খোঁজার মতো ধৈর্য নেই। পারলে কেউ খুঁজে দেন-
আমি বৃষ্ট দেখেছি, বৃষ্টির ছবি এঁকেছি - অঞ্জন
অনেক বৃষ্ট ঝরে তুমি এলে - রুনা





প্রখম কমেন্ট করলে খাওয়ানের নিয়ম আছে। কি খাওয়াইবেন কন জলদি। পোষ্ট পইড়া পরে আবার কমেন্ট দিতাছি। আরেকটা পোষ্ট দিলেন তাইলে!
এই নিয়ম কবে থেকে শুরু হইছে! আমারে জানানো হয় নাই ক্যান? আগে জানলে তো নিজের পোস্টে নিজেই প্রথম কমেন্ট করতাম, আপ্নেরটা হইতো দ্বিতীয়! যাউকগা, ঘটনা ঘইটা যাওয়ার পর তো চিল্লাইয়া লাভ নাই! কন, কি খাইতে চান? কোথায় খাইতে চান?
নিজের পোষ্টে নিজে প্রথম কমেন্ট করে লাভ নাই। এরম কুনু নিয়ম নাই। কুথায় খাব? চিন্তার বিষয়। সবার সাথে বৈঠক করে জানাবো।
।
সবার সাথে বৈঠক করে জানাবেন মানে?
কমেন্ট করলেন আপ্নে একলা, এখন দুই-কুটি বন্ধু-বান্ধবের সাথে বৈঠক করতে চান, এইটা কিমুন অবিচার? আমি আরো কল্পনার রঙিন জাল বুন্তেছিলাম- আপ্নেরে একলা পাইলে কী কমু না কমু ইত্যাদি, আপ্নে দেখি সেইখানে পানি ঢাইলা সলিল সমাধি ঘটাইলেন!
ধিক আপ্নেরে! 
কামাল ভাই কি আমারে ডর দেখাইলেন? আরে, বন্ধুগো ছাড়া খাইলে আমারে ওরা গুল্লি করবো। আপনার সাথে বইমেলায় দেখা হলোই, কই কিছু জিগান নাই তো!
ডর দেখামু ক্যান? যা সত্য তাই কইলাম!
বন্ধুগো ডরে কাহিল, তাইলে তাগো নিয়াই থাকেন!
x(
আমার সাথে একলা ঘোরাফেরা-খাওয়াদাওয়া ইত্যাদি ইত্যাদি করলে সেইটা বন্ধুরা জানবো কেম্নে তা-ও বুঝলাম না! নাকি সব গোপন কথাই আপ্নে ব্লগে আইসা কয়া দেন?
যাউকগা, আপ্নের সাথে খাওয়ার প্রোগ্রাম বাতিল!
আপনি তো ব্লগেই বললেন, নাকি? না খাওয়ানোর জন্য গড়গড় করে কত্তগুলা কথা কইলেন! মাইনাস।

আমি ব্লগেই বলছি, তার মানে তো এই না যে, আপ্নের দুই-কুটি বন্ধু-বান্ধব নিয়া খাইতে যাবো। ভাবছিলাম আপ্নেরে একলা নিয়া... মানে ইয়ে... অনেক রুমান্টিক ভাবনাচিন্তা কইরা ফালাইছিলাম আর কি!... তা আপ্নে রাজি তো হইলেনই না, উল্টা রাগ করলেন, মাথায় বাড়ি দিলেন, গুলি করলেন, আবার মাইনাচও দিলেন!!!!!

পাষাণহৃদয় রমনী
( >)
আমারে আবার অপবাদ দেন! ঠিকাছে খাওয়াইয়েন না। (এটাই শেষ কথা না। )
রমনীর হৃদয় বুঝার ক্ষমতা তো ঈশ্বর ষ্টীল হৃদয়ের পুরুষদের দেননি, তাই পুরুষেরা রমনীকে নিজদেরে মতোই পাষাণ ভাবে।
পুরুষদের???? আপ্নে এইখানে বহুবচন আনলেন ক্যান? কথা তো হচ্ছিলো একবচনে- 'তুমি' 'আমি' ধাঁচে ; এর মধ্যে 'দের' আসলো কেম্নে? এইভাবে বহুবচনে চিন্তা করলে তো আপ্নের হবে না, একটু একবচনমুখী হন হে প্রস্তর-হৃদয় নারী!
এমনেই আসলো। একজন নরম হৃদয়ের কাউকে তো দেখি নাই যে আলাদা করবো।
এইটা কি বললেন?
আপ্নের সাথে কেবল পাথর-হৃদয় পুরুষদেরই দেখা হইছে?? 


অবশ্য আমার অবস্থাও তাই, খালি পাষাণ-হৃদয় মেয়েদের সাথেই আমার দেখা হয়
যেমন আপ্নে
আপনার জন্য সমবেদনা। তবে পুরুষেরা সত্যি মেয়েদের মন বুঝে না, তার প্রমাণ আবার পাইলাম। আমি পাষাণ হৃদয়? আমার হৃদয় তো কোমল
হ, পুরুষেরা মেয়েদের মন বুঝে না; আর মেয়েরা পুরুষদের মন খুব বুঝে! সেইজন্যেই তো রুমান্টিক একটা কথারে ব্যাপক ঘোরপ্যাঁচের মধ্যে ফালায়া পলায়া থাকতেছেন

ওওওওওওওওওও!!!!!!!! আপনি তাইলে আসিফের গাণের ভক্ত! একটা গান গাইছে বেটায়....ও পাষাণী বলে যাও.....(তারপর হাত পাও ছুঁইড়া, ওস্টা দিয়া চিল্লাইতেই থাকে।)
নং ৩... কথাগুলো কি অসাধারণ! শেয়ার করার জন্য
নং ৪
কত যে স্মৃতি! দিনগুলো হারিয়ে গেছে। মন খারাপ হলো।
সুন্দর পোষ্টের জন্য
মন খারাপ করে দেয়ার জন্যই তো লিখলাম!
আমি একা মন খারাপ করে বসে থাকবো, আর আপনারা সব ফূর্তি করবেন তা কেমনে হয়? 
ফুর্তি তো নাই। মন খ্রাপ। কত কি মনে পড়ে! কত কি মনে পড়ছে! ক-ত কি! রোমান্টিক বৃষ্টিটা বেরোমান্টিক ভাবেই কাটলো ।
আমার শ্রীকান্তের বৃষ্টির গানটাও পছন্দ।
আহা! আহারে!
শ্রীকান্তের গানটার কথা ভুলে গিয়েছিলাম! কেউ লিংক দেয় না কেন?
টুটুল তো অনেক লিংক দিলো।আমার বাসায় নেট প্রবলেম, তাই চাইলেও লিংক টিংক দিতে পারি না।
'আমার সারাটা দিন মেঘলা আকাশ' গানটার লিংক কেউ দিলো না!
এই নেন
ধইন্যা

ভার্সিটি থেকে যখন ফিরতাম, তখন প্রবল বৃষ্টির সময় বাস থেকে নেমে অনেকটা পথ দূরে আসতে হতো বাসায়। এতোটা পথ ভিজতে ভিজতে বাসায় আসতাম। সে কথা মনে পড়লো
বৃষ্টির গান
কতো কথা যে মনে পড়ে, মাসুম ভাই!
বৃষ্টি নিয়ে বৃষ্টি ঝরার পরপরই এমন চমৎকার লেখা লিখলেন!
বৃষ্টি নিয়ে কত শত স্মৃতি.......গ্রামের বাড়িতে টিনের চালে বৃষ্টির রিনিঝিনি শব্দ...........নিজেদের ছোট্ট শহরে অবিরাম বারিধারায় সব ভাইবোন মিলে গোলবেঁধে ভেজা.....আর এই ইটকাঠের শহরে....বৃষ্টি মাথায় করে বান্ধবীরা সবাই মিলে ভিজে ভিজে বাড়ি ফেরা......আজ কোথায় সেই দিন, কোথায় কীভাবে রয়েছে সেইসব মানুষ.......।
বৃষ্টি নিয়ে আমার পছন্দের গান, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরীর, আজ এই বৃষ্টির কান্না শুনে, মনে পড়লো তোমায়.....
বৃষ্টিটা আমাকে খুব জ্বালায়! নিজের উতলা ভাব সবার মাঝে ছড়িয়ে দেয়ার জন্যই...
গানটা আমারও খুব পছন্দ...
উদভ্রান্ত করে দিলেন তো। এখন কন্টিনিউয়াসলি অন্জনের গানটা শুনছি...
আমারও একই অবস্থা বৃত্ত...
আপনার লেখা পড়ে মনে মধ্যে বেশ কিছু ইচ্ছের উদয় হলো। কিন্তু অনেক গুলো বৃষ্টির দিন আসবে আর যাবে, আর আমার ইচ্ছে গুলো ইচ্ছেই থেকে যাবে, জানি।
এত করুণ একটা কমেন্ট করেলন, অন্তত ইচ্ছেগুলোর কথা বলে ফেলতেন!
আপনার লেখা পড়ে আমারো অনেকদিন পর একটা গা ছমছম বৃষ্টি ভেজা রাতের কথা মনে পড়ল
বৃষ্টি নিয়ে আমিও একটা পোষ্ট দেই কি বলেন?
দেন, দেন, এখনই তো বৃষ্টি-পোস্ট দেয়ার উত্তম সময়!
ধুর ভাই ! কি আকামে আপনার পোয্ট
পড়লাম শুধু শুধু রাত ২টা পর্যন্ত জাগতে হ্ল 
ভালো করছেন, একটা লেখা তো হইলো!
আপ্নার মত লেখা হইলেতো কাম হইত, আমগো যা লেখা
পড়ব কে? 
আমার লেখাই বা কে পড়ে? সারাদিনে কেউ একটা কমেন্টও করে নাই! দেখছেন ইকরম আনপপুলার ব্লগার আমি?
্কাল রাতে লেখা দেবার সাথে সাথেইতো কমেন্টের বৃষ্টি বইল
খুব পপুলার যে আপনি তা আপ্নিও জানেন। আপ্নিও বিনয় মজুমদার কম পড়েন 
আমার পোস্টে কমেন্টের বৃষ্টি শুধু কাল রাতেই ঝরলো, আর আপ্নের পোস্টে কাল রাত থেকে এখন পর্যন্ত কমেন্ট-বৃষ্টি ঝরছে তো ঝরছেই! তাইলে ব্যাপারটা কি দাঁড়াইলো???
কমেন্ট-বৃষ্টি ঝরলেই লেখা ভাল হইছে এমন ভাবার কোন কারণ নাই, কমেন্ট বাড়ে ইন্টারেক্সনের জ়ন্য, এইযে দেখেন এখন আপ্নারও বাড়ছে। ভাই লেখার জন্য পুরস্কার কিন্তু সবাই পায় না
তার মানে আপ্নে কইতে চাইলেন আমার ইন্টারেকশন নাই বা কম?
এখন দেখি আপ্নেই বিনয় মজুমদার হয়ে গেলেন
ভুল বুঝলেন রে ভাই, সারাদিন ব্লগে ছিলেন না তাহলে ইন্টারেকশন হবে কিভাবে? এই যে আসলেন তাই হচ্ছে
নারে আফামনি, ভুল বুঝি নাই। যারা পায় তারা এম্নে ্ম্নেই পায়, যেমন আপ্নে!
পাওয়ার জন্য কি সবসময় উপস্থিত থাকা লাগে? 
ভাল লেখায় দমকে দমকে এই রকম বৃষ্টি হ্য়, প্রথম পাঁচের সবচেয়ে উপরে যাবে
আপ্নের কথা বুঝতারলামনা
বাংলায় কইছি, বাংলা ভুলে গেছেন নাকি ! আপনার লেখা এই সপ্তাহে সেরা লেখা। আর কমেন্টের বর্ষণ দেখছেন, এক্কেরে ভিজ্জা যাইতেছেন। ছাত্তি লাগব নাকি ভাই সাহেব? বেশী ভিজলে ঠান্ডা লাগব
এই এলেবেলে লেখারে বলতেছেন সপ্তাহের সেরা লেখা?
কী কন এইসব?
বৃষ্টিতে ভিজে আসেন, মাথা ঠান্ডা হবে! 
কামাল ভাইয়ের জ্বালায় আর থাকা গেল না
...
আমার অনেক প্রিয় একটা গান অনেক বৃষ্টি ঝরে তুমি এলে
বড়োই প্রীত হইলাম। আপ্নের দয়ালু মন টুটুল, আর তো কেউ সাড়াই দিলো না! অনেক ধইন্যা।
১. ছোটবেলায় গ্রামের বাড়ির উঠোনে দেখেছি নীলচে রঙের সেই কৈ । কোথায় গেল সেসব কৈ?
এখন কি আর সেসবের দেখা মেলে ?
২. নির্বাক
৩. মোবাইলের ছোট স্ক্রীণে ব্লগ পড়তে পড়তে ঘুমোতে যাবার অভ্যেস করেছিলাম বছর তিনেক আগে । বৃষ্টিমুখর এক রাতে নবাগত এক ব্লগারের লেখায় বৃষ্টির ছাঁট পেয়ে পড়তে শুরু করলাম । অনেক দীর্ঘ ছিল সে লেখাটি , পুরোটা সময় সম্মোহিতের মত স্ক্রল করে গেলাম । এরপর কতবার যে লেখাটা পড়েছি , বৃষ্টি হলেই বৃষ্টিকাতর বন্ধুদের পড়তে দিয়েছি । লেখার শিরোনামে লেখা থাকত -- বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি
কৈ হারিয়ে যাচ্ছে! হয়তো ফসলের মাঠে অতিরিক্ত কীটনাশক ব্যবহার করার ফল এটা! কে জানে!
'বৃষ্টিমুখর দিনরাত্রি' নিয়ে আপনার আবেগ বিস্ময়কর!
* লেখায় ১ নেই , তাই কমেন্টে ১ হবে ২ , ২ হবে ৩ , আর ৩ যাবে ৪ এ
আমি বৃষ্টি দেখেছি, বৃষ্টির ছবি এঁকেছি
বৃষ্টি পরেরে.... মৌসুমি ভৌমিক
বৃষ্টি ঝড়ে যায় দুচোখে গোপনে - তৌসিফ
বৃষ্টি পড়ে... বাপ্পা
বৃষ্টি - ইন্দ্রনীল (জোশ একটা গান)
এইখানে একগাদা আছে
সব ঝামেলা একবারে মিটায় দিয়ে গেসে 22ল ভাই।
ধন্যবাদ জানানোর ভাষা হারিয়ে ফেললাম!!!!
২ নং অংশটা বেস্ট লেগেছে কামাল ভাই। দূর্দান্ত।
হু! আমারও। বিশেষ করে শেষ'টা....
নাজ আপু কেমন আছেন এবং পড়াশোনা কেমন চলছে?
আপনার কোন কথা'র উত্তর দিমু না বইলা ঠিক করছি
কোনো কথারই উত্তর দিবেন না?
এই দুইজনের সমস্যা কি? মান-অভিমান পর্ব চলে নাকি?
হু! ঋহান এর মীর চাচ্চু ঋহান'কে কোলে নেয় না, তাই সে তার মীর চাচ্চু'র উপরে নাগ কচ্চে। এখন মনে হলো আমারও রাগ করা উচিৎ, তাই করলাম
ঋহানের 'নাগ' করার কারণটা না হয় বোঝা গেল, কিন্তু ঋহানের মায়ের রাগের কারণটা রহস্যময় মনে হইতেছে! যাউগ্গা, দেবর-ভাবীর ব্যাপার-স্যাপার নিয়া আমি কথা না বলি...

এই তো আপনি-ই বুঝলেন, কিন্তু যার বুঝার দরকার সে বুঝলো না
আহাহা... কাইন্দেন না! বুঝবো না মানে? তারে ধইরা আনেন, ঘাড় ধইরা বুঝায়া দেই!
অনেক ধন্যবাদ...
্নিজেকে এসব লেখা পড়লে মাঝে মাঝে দুর্ভাগা মনে হয়। গ্রামের বাড়ি নেই। নেই মানে ছিল,এখন সমুদ্রের নীচে। তাই,মনোটনাস শহরের বৃষ্টিই সই।
আপনার বাড়িও সমুদ্রের নিচে!! আমার অভিজ্ঞতাও আপনার কাছাকাছি! আমাদের বাড়িটিও বিলীন হয়ে গেছে পদ্মার গর্ভে। হারিয়ে ফেলেছি জন্মভিটে, পূর্বপুরুষের স্মৃতি, বাবার কবর...
অসাধারণ একটা লেখা...
থ্যাংকস নজরুল ভাই...
বৃষ্টির সময় এই দারুন পোস্ট টা পড়লে আরো জমত। আমি এখনো বৃষ্টি তে ভিজি। বাসায় থাকলে আমি আর আমার মেয়ে ছাদে ভিজি।
পরপর দুই রাতে বৃষ্টি হলো, আপনি তখন কোথায় ছিলেন? আজকে রাতেও বৃষ্টি হবে, তখন এসে এই লেখা পড়ে জানিয়ে যাবেন!
এই বৃষ্টিভেজা রাতে চলে যেও না - কোনো এক সিনেমার গান যার নাম ভুইলা গেছি বয়সের ভারিক্কী ভাবরে মনে রাখতে গিয়া।
''বয়সের ভারিক্কী ভাবরে মনে রাখতে গিয়া'' হাহাহা...
বয়স তো এম্নেই হইছে ভাস্করদা, ভারিক্কি ভাবও না চাইতেই চইলা আসছে, মনে রাখার আর দরকার কি?
বৃস্টি ভেজার সুযোগ হয় না এখন আর
আমারও সুযোগ হয় না!
কামাল ভাই !!!!
কেমন আছেন ? অনেকদিন পর আপনার লেখা পড়লাম। এবং অসাধারণ
হ্যাঁ এপু, অনেকদিন পর ব্লগে ফেরা হলো! আছি ভালোই, চলে যাওয়ার মতো ভালো! তুমি কেমন আছো? অনেকদিন তোমার লেখা পড়ি না। ব্লগে আর লিখবে না বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছ নাকি? নাকি কোথাও লেখ, কিন্তু আমি জানি না? তোমাকে লিখতে দেখলে ভালো লাগবে আমার!
এই এলেবেলে লেখার প্রশংসা করলে? ঠিক আছে, মানলুম!
এই বৃষ্টি ভেজা রাতে চলে যেও না, এই হিট গানটার কথা বাদ গেলো ক্যানো লেখাতে
বাদ গেল কই, এই যে আপ্নে যোগ কইরা দিলেন
কামাল ভাই লেখা কই??
কোন লেখার কথা কন? ই-বুকের জন্য? দেরি আছে তো!
মন্তব্য করুন