ইউজার লগইন

গুফনসূত্রের সন্ধানে

১.
- বৎস, তোমাকে একটি বই লিখিতে হইবে।
- জ্বি, আমার নাম বাৎসায়ন।
-বৎসয়ন , তোমাকে একটি বই লিখিতে হইবে।
- জ্বি, আমার নাম বাৎসায়ন।
- আরে তোরে একটা বই লিখতে কইতাছি, তোর নাম লিখতে কইতাছি না। দিলিতো সুশীল ভাষার ইলোকুয়েন্স নষ্ট কইরা, চোদনা।
-জ্বি, চোদনা ডাকলেও চলবে। আমার প্রিয় শব্দ।
- আবার, শুরু করছে... ডিম চিনস, ডিম?
- জ্বি, বলেন।
- এই পৃথিবী নিয়া আমার বড় আহলাদ ছিলরে।
- কি বলেন এইসব!! আহলাদ শেষ হয়া গেছেগা? সমাপ্তি আসন্ন??
- চুপ কর। পৃথিবী নিয়া আশা ছাইড়া দিছলাম। কিন্তু তারা আবার আলোর দিশা খুজে পেয়েছে। আমি পৃথিবীর ভাগ্যাকাশে উন্নয়নের রেখা দেখতে পাচ্ছি; রেখাটা কর্কটক্রান্তি রেখার মত ঠিক বাংলাদেশের উপর দিয়া গেছেরে ব্যাটা।
- তা ঐ রেখাটা বাকীদেরেও দেখায়ে দেন, ব্যাস।
- সেটাই চাচছিলাম, কিন্তু তারাতো উন্নয়নের সূত্র টা গুফন করে ফেলেছে।
- তো আমার কি করণীয়?
- তুই তো সূত্র নিয়া লেখালেখি করস। এইটা নিয়াও লেইখা ফেল। ধর নাম দিবি ''গুপান সূট্রা ''... ইংলিশে লিখবি, বেশী লোকে খাবে।
- আপনি নিজে লিখে ফেলেননা তাহলে?
- না রে , লাস্ট টাইম যেইটা লিখছিলাম ঐটা নিয়াই তাদের মইধ্যে বেজায় ভুল বোঝাবুঝি চলতাছে অহনতরি। আর তাছাড়া গূফনসূত্র টা ইরাম গুফন করছে যে আমারও জানা নাই।
- আচ্ছা।
- আচ্ছা না। পয়লা প্রোলগ লেখ। পছন্দ হইলে গ্রীন সিগনাল দিমুনে।

২.
- প্রোলগ লিখছস? পড়ে শুনা।
- সেইবার এক অতিকায় হস্তীনিকে এক ইদুর মালিশ করতে রজি হইলে পরে কিয়তক্ষণ পর হস্তিনী চিৎকার করিয়া উঠিল , '' জোরে দে খানকির পুলা ''... এমতাবস্হায় ইদুর দ্রুতবেগে কর্ম শুরু করিল। এইদিকে হঠাত দমকা বাতাসে একটি ডাব হস্তিনীর মাথায় পড়লে হস্তিনী ''আউ'' রব করিয়া উঠিলে ইদুর তৎক্সনাত বলিল '' অহন বুচ্ছস জোর মালিশ কারে কয়।'' এইদিকে রুয়ান্ডায় “ভীষণ ২০৪১” সাবমিট করার পরও দেশের উন্নতি হচ্ছেনা বলে চারদিকে কাউকাউ শুরু হলে জি-সেবেনের দাওয়াত পেয়ে রুয়ান্ডার উন্নয়নমন্ত্রী বলে উঠলেন '' এইবার বুচ্ছো উন্নয়ন কারে কয়। ট্র্ুডো পর্যন্ত আমার সামনে হাত কচলায়া কথা কয়।''

- কী সব আওফাও কাহিনী লিখছত। আর বারবার হস্তিনী হস্তিনী কি? তোরে প্রনাউনের ব্যাবহার কেউ শিখায় নাই। ভাষার মধ্যে সাধু চলিত মিশ্রন। জংগলের ইদুরের সাথে রুয়ান্ডার উন্নয়নমন্ত্রী এইটা কি সিমিলি, না মেটাফর, না এলিউশান, না এলেগরি? কি বাল এইটা?
-জ্বি, এলেগরি কি জানিনা। আমি শুধু বলতে চেয়েছিলাম বাউলের সুখ মনে মনে।

-- আর উন্নয়নের বইয়ে এইসব মালিশ করাকরি'র আলাপ কেন?

- জ্বি, মালিশ করাকরি'ই আমার স্পেশালিটি; এক্ষেত্রে কড়াকড়ি করলে আপনি বরং ড্রোণাচার্য রে কল করেন। আর তাছাড়া বিষয়টা যেহেতু ফিকশান , তাই উনিই ভালো লিখতে পারবেন।

- ডিম চিনস, ডিম? যা নতুন কইরা লিখা নিয়া আয়। আর আরেকটু টোন-ডাউন করিস।

- জ্বি।

৩.

- প্রোলগ শুনা।
- জ্বি। রুায়ানডার লোকেরা বড়ই আজব প্রকৃতির। তারা যেনবা লজ্জা পায় এমনভাব নিয়া চারদিকে দেওয়াল দেয়া আড়ালের মধ্যে এটিএম থেকে টাকা তুলে, কিন্তু প্রস্রাব করে খোলায় দাড়িয়ে। এহেন জাতির উন্নয়নের তরীকা বাকিদের থেকে নিঃসন্দেহে ভিন্ন হইবে বিধায় বাকি রা কেউই তাদের উন্নয়নের পন্থা ঠাহর করিতে পারছিল না। এমতাবস্তায় পন্থা জানিতে চাহিয়া কল করিলে রুয়ান্ডার উন্নয়নমন্ত্রী উন্নয়নের গোপন সূত্র প্রকট করিতে নারাজি প্রকাশ করেন। হা ভাই, সেই উন্নয়নের কাহিনী জানতে হলে আজই পড়ুন আমাদের এই বই। জ্বি হা, এই বই পড়িলে আপনি আরো জানতে পারবেন রুয়ান্ডার জনসংখ্যা কত, কি করিলে রুয়ান্ডার জনগণ সব ভুলিয়া যায়, কি করিলে ৪০০০ কোটি টাকা লুট... এই বই পড়িলে আপনি আরো জানতে পারবেন...

- এইবার প্রোলগ ভালো হইছে। এইবার বাকীটা লিখে নিয়ে আয়।

- তার জন্য নীচে যেতে হবে যে?
- যা।

৪.
- কীরে, বৎসয়ন নীচে থেকে কি লিখে নিয়ে এলি? আর বইয়ের সাইজ এত ছোট ক্যান?
- জ্বি, উন্নয়নের খোজ নিতে গিয়ে ডিবি'র হাতে পড়েছিলাম।
- তো কি হইছে?
- তারা ক্রসফায়ারে দিতে চেয়েছিল।
- তারপর?
- আপনে পাঠিয়েছেন শুনে বেশ সফট আচরণ করল।
- কী কস? আমারে অহনো মান্যগন্য করে তাইলে?
- জ্বি, আপনার কথা শুনে সফট হয়ে গেল। জিগ্যাস করল ডিম চিনস, ডিম? এই বলতে বলতে ডিম চিনায়ে দিল।
- খাইসে, এরা তো হুমকি ধামকিতে বেশ উন্নয়ন করছে। তারপর?
- জ্বি ঐ সেক্টরে বেশ উন্নয়ন সাধন হইছে... এইটা নিয়া কোন গুফনীয়তাও নাই।
- উন্নয়ন নিয়া কিছু বলে নাই।
- সেইটা বলতে গিয়াই তো সেদ্ব ডিম দিল। দিয়ে জিগ্যেস করল কিছু অনুভব হচ্ছে?- হ। বলে কোন উপলব্ধি আসছে? হ, ভাই হ। বলল, এখন তাইলে ইনওয়ার্ড চাপ দিয়া ডিমটা আত্মস্হ কইরা ফেল।
- সেদ্ব ডিম আত্মস্হ করার সাথে উন্নয়নের কি ব্যাখ্যা?
- জ্বি , আমিও জিগ্যেস করেছিলাম। বলল, উন্নয়নও নাকি ডেকচি তে সিদ্ব করতে বসাইছে। পুরা সিদ্ব হয়া গেলে আমারে সূত্র সহ উন্নয়নও আত্মস্হ করায়ে দিবে।
- এইটা শুইনা পলায়া আসছস... খেক খেক খেক... তো বই লিখার কি করলি।
- জ্বি লিখসি।
-পড়ে শোনা।

- উন্নয়নের গোপন সূত্র হচ্ছে- উন্নয়ন গোপনে গোপনে করতে হইবে। এমন গোপনে করতে হইবে যেন দেশের লোকেরাই টের না পায়।

- দেশের লোকেরা উন্নয়ন টের না পাইলে উন্নয়ন কেমনে বুঝন যাইব, বায়াপারটা ক্লিয়ার হইলো না তো?
- জ্বি ঐটা বোঝার জন্য মোদিজীর লাল কার্পেটে সশরীরে অভ্যর্থনার ভিডিও, জাস্টিন ট্রুডোর হাত কচলানির ছবি দেখলেই চলবে।
- বুঝলাম না। গেরামের অশিক্ষিত মূর্খ লোকেরা কেউ যদি মোদি, ট্রুডোরেই না চিনে তাইলে?
- তুমি ডিম চিন, সিদ্ব ডিম? অহনো ব্যাদনা যায় নাই। সিদ্ব ডিম ঢুকাইলে মোদি, স্যাটেলাইট, ট্রুডো, নোবেল, উন্নয়ন সব এমনেই টের পাইবা। শালার সুশীল ভাষার মুডটাই নষ্ট কইরা দিলা গুরু।
- আহা, উত্তেজিত হচ্চিস ক্যান। এনেমা দেওয়ার ব্যাবস্হা করছি। কিন্তু বহির্বিশ্ব কি তাইলে কোনদিনও উন্নয়নের এই রহস্য জানতে পারবে না?
-- পারবে, পারবে।
-সেটা কবে, বৎসয়ন, কবে?
- রুয়ান্ডায় নির্বাচনের বছর চলতেছে বিধায়... আর তাছাড়া ডিমের দামও আকাশছোয়া। খামারবাড়ির ঐ দশটাকা হালি ডিমের মেলা শুরু হইলে পরে ডিম স্টক কইরা গুফনসূত্র নিয়া হাহাকার করা সকল দেশের সবাইকেই ডেকে ডেকে এনে উন্নয়নের গুফন সূত্র আত্মস্হ করায়ে দেয়া হবে।

রখস - এ - বিসমিল

পোস্টটি ৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মীর's picture


লেখাটা অবশ্যই অন্যরকম। এবং বাফড়ার লেখা খারাপ লাগার কোনো উপায় নেই বহুদিন আগে থেকেই আমার জানা। তাই শেষ পর্যন্ত লেখাটা ভাল লেগেছে বলতেই হবে। তবে আমার মাথায় যে প্রশ্নগুলো উঁকি দিলো লেখাটা পড়ে সেগুলোও বলা উচিত, নাহলে লেখকের প্রতি সুবিচার হবে বলে মনে হচ্ছে না।

লেখাটা অন্যরকম বলেছি কারণ এটার ভেতর প্রচুর রেফারেন্স আছে আড়ালে-আবডালে। দেশের খোঁজখবর খুব ভালভাবে না রাখলে যেগুলো ধরা সহজ না। আমি পড়ে যেটুকু বুঝলাম, তাতে লেখক দেশের উন্নয়নের সচিত্র বহিঃপ্রকাশের খোঁজ না পেয়ে তার হতাশা ব্যাখ্যার চেষ্টা করেছেন। যা বেশ কিছুটা একপেশে হয়ে গেছে। অবশ্যই এটা আমার নিজস্ব মতামত। উন্নয়নের গোপনসূত্র বলে আসলেই কি কিছু আছে? আমরা যদি পাঁচ বছরে একবার নির্বাচনে একটা রায় দিয়ে নিজেদের দায় শেষ করে ফেলি, তাহলে প্রকৃত উন্নয়ন হবে? নাকি প্রত্যেককে নিজের জায়গায় উন্নতি করতে হবে? আর বাঁধার কথা যদি বলি, পৃথিবীর কোন ভাল কাজটা বাঁধা ছাড়া সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে?

এরপরে যদি রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা নিয়ে বলি, আওয়ামী লীগ কি আমাদেরকে মোটা দাগে ২০০১-২০০৬ এর চেয়ে নিরাপদ কিংবা ২০০৭-২০০৮ এর চেয়ে মুক্ত একটা পরিবেশের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে নি? আমরা কি ধীরে হলেও একটা অপেক্ষাকৃত স্থিরাবস্থার দিকে যাচ্ছি না? নাকি আপনি একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে সব সমস্যা মিটে গেছে দেখতে চেয়েছিলেন। অর্থনৈতিক ফ্লাকচুয়েশন, এখন-তখন হরতাল, মারামারি, প্রাণহানি- কি এখন আগের চেয়ে কমে নি?

অবশ্যই সমালোচনা আছে আওয়ামী লীগের। ক্ষেত্রবিশেষে তা পূর্ববর্তী সরকার-গঠনকারী দলগুলোর চেয়ে বেশিই কিন্তু আপনি কি সত্যিই আর্মির শাসন কিংবা জামায়াত-বিএনপি'কে লীগের ওপরে রাখবেন? এ প্রশ্নটা করলাম এই জন্য যে, আপনার লেখায় শ্লেষের ছোঁয়াটুকু যতো গাঢ়, সমাধান খোঁজার প্রবণতাটুকু ততোই ম্রীয় বলে মনে হচ্ছে আমার কাছে।

নরাধম's picture


"এরপরে যদি রাজনৈতিক দলগুলোর সমালোচনা নিয়ে বলি, আওয়ামী লীগ কি আমাদেরকে মোটা দাগে ২০০১-২০০৬ এর চেয়ে নিরাপদ কিংবা ২০০৭-২০০৮ এর চেয়ে মুক্ত একটা পরিবেশের পথে এগিয়ে যেতে সাহায্য করে নি? আমরা কি ধীরে হলেও একটা অপেক্ষাকৃত স্থিরাবস্থার দিকে যাচ্ছি না?"

-----হাহাহা, ইহা আমি কি শুনিলাম? মনটাই ভাল হইয়া গেল গা! এই লেভেলের লোক এখনও দুনিয়ায় আছে সেটা জানতাম না।

মীর's picture


শুনে ভাল লাগলো যে আমার কমেন্ট পড়ে আপনের মন ভাল হয়ে গেছে। হ্যাঁ আমি যেটা বিশ্বাস করি, সেটাই লিখেছি। এবং হ্যাঁ এখনও পৃথিবীতে এমন মানুষ আছে। করে খাচ্ছে। বিএনপি-জামায়াতের সময় যে বিভীষিকা আমি নিজের চোখে, শরীরে অনুভব করেছি, দেশের প্রায় কেন্দ্রে থেকে, এবং ঘটনার কেন্দ্রে সৎ সাংবাদিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে- সেখান থেকে আমার এই অনুধাবন।

আপনি যদি সিরিয়াসলিই এটা নিয়ে আলাপ করতে চান, তাহল দয়া করে 'হইয়া গেল গা!' কিংবা 'লেভেলের লোক' টাইপের শব্দ ও বাক্য ব্যবহার করে চেষ্টা করতে পারেন। এটাও আমার পার্সোনাল প্রিফারেন্স। আমার ওইভাবে অচেনা বা অনলাইনে চেনা মানুষজনের সাথে আলাপ করতে ভাল লাগে না।

আলোচনার আহ্বান কেন? কারণ আমার কারো সাথে আলোচনা যেতে সবসময়ই ভাল লাগে। তবে হ্যাঁ সেটা সবার সাথে ইনফর্মাল পন্থায় করতে পারি না। স্যরি। আহ্বান ভাল না লাগলে অগ্রাহ্য করতে পারেন। আসলে আমার কমেন্টটাও আপনাকে উদ্দেশ্য করে না, পোস্ট-লেখকে লেখার সুনির্দিষ্ট পয়েন্টকে উদ্দেশ্য করে দেয়া। এমনকি পোস্ট-লেখকও উদ্দেশ্য না।

মীর's picture


ব্যবহার না করে*

নরাধম's picture


আলোচনার কিছু নাই, আপনি আপনার মতামত জানাইছেন, আমার কাছে সে মতামত দলকানা এবং হাস্যকর মনে হইছে। আপনার মতটা হাসিনাও বিশ্বাস করেনা, করলে নিরপেক্ষ নির্বাচন দিত, ভোটচুরির দরকার পড়তনা। আপনার মত যেহেতু হাসিনাও বিশ্বাস করেনা, তাই সে মতের সাথে খাজুইরা আলাপের প্রয়োজন নাই। আপনার চেয়ে বরং হাতুড়ী দিয়ে ঠ্যাং গুড়িয়ে দেয়া ছাত্রলীগের সোনার ছেলেদের সাথে আলোচনা চালানো ভাল হবে, কেননা তারাও মনে হয় আপনার সাথে একমত হবে না!

ধন্যবাদ। চালিয়ে যান!

নরাধম's picture


তুমি ফাটাইয়া লিখছ, ভাল্লাগছে। অনেকদিন পরে লগিন করলাম তোমার লেখায় কমেন্ট করার লাইগা!

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

বাফড়া's picture

নিজের সম্পর্কে

অবৈধ সংগম ছাড়া সুখ, আর অপরের মুখ ম্লান করে দেয়া ছাড়া কোন প্রিয় অনুভূতি নেই ...

...টাং ইন চিক ব্লগ...

থ্যাংকিউ ফর ফলোয়িং মাই স্টুপিড ব্লগ Smile.। ফীল ফ্রী টু কমেন্ট, অলদো দ্যর ওন্ট বি আ রিপ্লাই... 27.02.2011