আবোল তাবোল - ২
[ডিসক্লেইমার :হাবিজাবি টাইপ পোষ্ট।অলস সময়ের এলোমেলো চিন্তাভাবনা।যুক্তি খুঁজে লাভ নাই,মন চলে আবেগের রেলগাড়িতে!করার মত কোন কাজ থাকলে ইহা না পড়াই উওম]
#বিষয় ¤
আশা - নিরাশা, হতাশা ও ভালবাসা :
বাংলাদেশের 'ট্যুর অফ জিম্বাবুয়ে '।
আমি ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ নই।অনেক কিছুই ভাল ভাবে বুঝি না,নানান পরিসংখ্যান তো মনে থাকেই না।
বরং ক্রিকেট ভালবাসি বলা যায়।ছোট থাকতে ওয়াসিম আকরাম,সাঈদ আনোয়ারের পাকিস্তানের খেলা দেখেই ক্রিকেট ভালবাসা।মনে আছে,স্কুল লাইফের অনেকটা সময় কেটেছে বাসার ছাঁদে গনগনে রোদের মধ্যে ভাইয়ার সাথে ৫০ ওভারের ওয়ান ডে আর দিনে ৯০ ওভার করে ৫ দিনের টেষ্ট ম্যাচ খেলে!এখন সময় অনেক বদলে গেছে।আগের মত ক্রিকেট খেলা তো দুরের কথা,বাংলাদেশ ছাড়া আর কারো খেলা টিভিতেও দেখা হয়না খুব একটা।
তাই বরং বলা ভাল ক্রিকেট না,বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ভালবাসি।
দল হেরে গেলে কিছুই ভাল্লাগেনা।বাংলা ৫ এর মত মুখ করে ঘুরি।মন ভয়ংকর খারাপ হয়ে থাকে,কেউ কিছু বললেই মেজাজ গরম হয়ে যায়।ভাল খেললে মন বেশ ফুরফুরে আর জিতে গেলে তো কথাই নেই.আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে!একভাবে চিন্তা করলে-
আমাদের দেশটার গর্ব করার মত সবকিছুই দিনে দিনে কমছে,তাই এই ক্রিকেট কেই আঁকড়ে ধরে আছি!
এইবার অনেক দিন পর ইংল্যান্ড বনাম ইন্ডিয়া সিরিজের খেলা দেখছি।দেখতে দেখতে মনে হল বাংলাদেশ শেষ টেষ্ট খেলেছিল এই ইংল্যান্ডের সাথেই।ভাবছিলাম, ওখানে তামিমের ফর্ম টা যদি জিম্বাবুয়ে তে থাকে আর আশরাফুল যদি নতুন কোচের অধীনে একটা কিছু করতে পারে তাহলে আর চিন্তা করতে হইবো না।বাকিটা সাকিব সামলাইয়া নিব।
কিসের কী?!একমাএ টেস্ট টায় জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তাই পাইলো না বাংলাদেশ।
নিজেরেই বুঝ দেই,এক দল ১৪ মাসে ৫০ ওভারের চেয়ে বড় দৈর্ঘের ম্যাচ খেলেনাই।আরেক দল ৪/৫ বছর ধইরা টেষ্টে ফেরার প্রস্তুতি নিছে,রেজাল্ট তো এমনি হওয়ার কথা!
চিন্তা করলাম,ওয়ান ডে সিরিজেই দেখা যাইবো আসল খেইল।
প্রথম দুই ম্যাচ হারতে হইল ভয়ংকর সুইসাইডাল টেনডেনসির ব্যাটিং-এ।বরাবরের মতই কোঁপ টা গেল বলির পাঁঠা আশরাফুলের উপর দিয়েই।আজকে বাঁচা মরার ম্যাচে মুশফিকের প্রথম সেঞ্চুরি,শেষে এসে হিসাবে একটু ভুলে হারতে হইল।তাও আবার মাএ ৫ রানে।হয়ত ফিল্ডিংএ ৫ টা ক্যাচ মিসের কথা মনে করিয়ে দিতেই।
৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হার,তাও কীনা ২ ম্যাচ বাকি থাকতেই!
দলের মানসিক অবস্হার যে হাল.০-৫ হোয়াইওয়াস ও হইতে পারে!
এমনিতেই মন খারাপ,পেপার -ব্নগ-ফেসবুকে মানুষজনের কথাবার্তায় মন মেজাজ আরো খারাপ হইতাছে।
আরে ভাই,ভাল খেলুক খারাপ খেলুক ওর ওদের কাজ করতেছে।আমাদের কাজ সাপোর্ট দিয়া যাওয়া,জিতলে যতটা হারলে আরো বেশি!ওরা যেন কখনো কইতে না পারে,দেশের মানুষের সাপোর্ট নাই-কী খেলুম!
আমার খেলা দেখার ভাগ্য খারাপ না।বিশ্বকাপে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ আর দক্ষিন আফ্রিকার কাছে চরম লজ্জাকর হার যেমন দেখছি।চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের সাথে খুশী তে চোখে জল আইনা দেওয়া আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে অসাধারন জয় টাও মাঠে বইসাই দেখছি।
বিশ্বকাপের পরে অষ্ট্রেলিয়ার কাছে টানা ৪ ম্যাচ হারতে যেমন দেখছি,
বিশ্বকাপের আগে সারা স্টেডিয়ামের মেক্সিকান ওয়েভে দুলতে দুলতে নিইজিল্যান্ডকে বাংলাওয়াশ ও মাঠে বইসা দেখা মিস করিনাই।
আমার ভাই,বেহায়ার এক কথা।অয় যাই করুক,আমি সাথে ছিলাম-আছি-থাকব!
হারলে হারবো,বাংলাদেশের জার্সি পইড়া সব মানুষের কটাক্ষ শুনতে শুনতে পা দুলিয়ে চা খাব!
নভেম্বর ডিসেম্বরে আসতাছে পাকিস্তান আর ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।আবার মাঠে যাব।আবার সারা শরীরের শক্তি দিয়ে বোতলের বারি দিয়ে তাল তুলবো।গলা ফাটাইয়া চিল্লাইয়া আবার টাইগারদের সাথে ম্যাচ জিতাইয়া আনবো।ইন শা আল্লাহ!
এ ছাড়া আর কী ই বা করার আছে?
একটাই তো দেশ আমার।আমার বাংলাদেশ। <3
আর দিনে ৯০ ওভার করে ৫ দিনের টেষ্ট ম্যাচ খেলে!এখন সময় অনেক বদলে গেছে।আগের মত ক্রিকেট খেলা তো দুরের কথা,বাংলাদেশ ছাড়া আর কারো খেলা টিভিতেও দেখা হয়না খুব একটা।
তাই বরং বলা ভাল ক্রিকেট না,বাংলাদেশের ক্রিকেট কে ভালবাসি।
দল হেরে গেলে কিছুই ভাল্লাগেনা।বাংলা ৫ এর মত মুখ করে ঘুরি।মন ভয়ংকর খারাপ হয়ে থাকে,কেউ কিছু বললেই মেজাজ গরম হয়ে যায়।ভাল খেললে মন বেশ ফুরফুরে আর জিতে গেলে তো কথাই নেই।আহা কী আনন্দ আকাশে বাতাসে!একভাবে চিন্তা করলে-
আমাদের দেশটার গর্ব করার মত সবকিছুই দিনে দিনে কমছে,তাই এই ক্রিকেট কেই আঁকড়ে ধরে আছি!
এইবার অনেক দিন পর ইংল্যান্ড বনাম ইন্ডিয়া সিরিজের খেলা দেখছি।দেখতে দেখতে মনে হল বাংলাদেশ শেষ টেষ্ট খেলেছিল এই ইংল্যান্ডের সাথেই।ভাবছিলাম, ওখানে তামিমের ফর্ম টা যদি জিম্বাবুয়ে তে থাকে আর আশরাফুল যদি নতুন কোচের অধীনে একটা কিছু করতে পারে তাহলে আর চিন্তা করতে হইবো না।বাকিটা সাকিব সামলাইয়া নিব।
কিসের কী?!একমাএ টেস্ট টায় জিম্বাবুয়ের কাছে পাত্তাই পাইলো না বাংলাদেশ।
নিজেরেই বুঝ দেই,এক দল ১৪ মাসে ৫০ ওভারের চেয়ে বড় দৈর্ঘের ম্যাচ খেলেনাই।আরেক দল ৪/৫ বছর ধইরা টেষ্টে ফেরার প্রস্তুতি নিছে,রেজাল্ট তো এমনি হওয়ার কথা!
চিন্তা করলাম,ওয়ান ডে সিরিজেই দেখা যাইবো আসল খেইল।
প্রথম দুই ম্যাচ হারতে হইল ভয়ংকর সুইসাইডাল টেনডেনসির ব্যাটিং-এ।বরাবরের মতই কোঁপ টা গেল বলির পাঁঠা আশরাফুলের উপর দিয়েই।আজকে বাঁচা মরার ম্যাচে মুশফিকের প্রথম সেঞ্চুরি,শেষে এসে হিসাবে একটু ভুলে হারতে হইল।তাও আবার মাএ ৫ রানে।হয়ত ফিল্ডিংএ ৫ টা ক্যাচ মিসের কথা মনে করিয়ে দিতেই।
৫ বছর পর জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হার,তাও কীনা ২ ম্যাচ বাকি থাকতেই!
দলের মানসিক অবস্হার যে হাল।০-৫ হোয়াইওয়াস ও হইতে পারে!
এমনিতেই মন খারাপ,পেপার -ব্নগ-ফেসবুকে মানুষজনের কথাবার্তায় মন মেজাজ আরো খারাপ হইতাছে।
আরে ভাই,ভাল খেলুক খারাপ খেলুক ওর ওদের কাজ করতেছে।আমাদের কাজ সাপোর্ট দিয়া যাওয়া,জিতলে যতটা হারলে আরো বেশি!ওরা যেন কখনো কইতে না পারে,দেশের মানুষের সাপোর্ট নাই-কী খেলুম!
আমার খেলা দেখার ভাগ্য খারাপ না।বিশ্বকাপে ওয়েষ্ট ইন্ডিজ আর দক্ষিন আফ্রিকার কাছে চরম লজ্জাকর হার যেমন দেখছি।চট্টগ্রামে ইংল্যান্ডের সাথে খুশী তে চোখে জল আইনা দেওয়া আমার জীবনে দেখা সবচেয়ে অসাধারন জয় টাও মাঠে বইসাই দেখছি।
বিশ্বকাপের পরে অষ্ট্রেলিয়ার কাছে টানা ৪ ম্যাচ হারতে যেমন দেখছি,
বিশ্বকাপের আগে সারা স্টেডিয়ামের মেক্সিকান ওয়েভে দুলতে দুলতে নিইজিল্যান্ডকে বাংলাওয়াশ ও মাঠে বইসা দেখা মিস করিনাই।
আমার ভাই,বেহায়ার এক কথা।অয় যাই করুক,আমি সাথে ছিলাম-আছি-থাকব!
হারলে হারবো,বাংলাদেশের জার্সি পইড়া সব মানুষের কটাক্ষ শুনতে শুনতে পা দুলিয়ে চা খাব!
নভেম্বর ডিসেম্বরে আসতাছে পাকিস্তান আর ওয়েষ্ট ইন্ডিজ।আবার মাঠে যাব।আবার সারা শরীরের শক্তি দিয়ে বোতলের বারি দিয়ে তাল তুলবো।গলা ফাটাইয়া চিল্লাইয়া আবার টাইগারদের সাথে ম্যাচ জিতাইয়া আনবো।ইন শা আল্লাহ!
এ ছাড়া আর কী ই বা করার আছে?
একটাই তো দেশ আমার।আমার বাংলাদেশ। <৩ 





5-0 on the card
আপনে অনেক মহান
আপু,
মাঠে নামে না খেললে ওদের দু:খ টা ফিল করা যা্যনা।
আমর সমলোচনা জিনিসটা খুব ভাল পারি,
কিন্তু নিজেদেরকে ওদের জায়গায় ভেবে দেখতে পারিনা..
ধুর! আর খেলাই দেখুম না।
এত সহজে হাল ছাড়ি দিলে ক্যামনে কি..!
আমিও......
মন্তব্য করুন