৩ আষাঢ়, ১৪১৯ বঙ্গাব্দ.. [এলোমেলো কাব্যকথন!]
গত দুইদিন বৃষ্টি হল বেশ,
তিনে তিন কি হবে এবার শুরুতেই?
কে জানে,
দেখাই যাক না হয় আজকের দিনটা..।
সকাল থেকেই মন বলছে আজ হবে,
আকাশ;
সে বলি বলি করেও বলছিল না।
মুঠোফোনে চেনা অচেনা যত প্রিয় কণ্ঠ,
সবার বুঝি আজ একটাই কথা;
আজ সে আসবেই.. -
তবুও,
আসি আসি করেও সে আসে না..।
জানলার শিকে-
ছোট্ট বারান্দার গ্রীলগুলোয়;
বাহারী চায়ের কাপে ভেজা চুমুকে,
অপেক্ষা -
জমে জমে অন্ধকার..।
যেই না কে একজন বলল,
আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে মনে পড়ল তোমায়..
ওমনি -
শহুরে প্লাস্টিক চালে;
নাগরিক খাঁচার গায়,
বুঝি -
ভেঙেই পড়ল আকাশ।
সে এসেছে,
আর কি বসে থাকা যায়?
একছুটে আকাশ ছুঁতে,
ছাদে যেতেই -
যতদুর চোখ যায়;
আঁধার কালো মেঘ,
হাত বাড়ালেই বৃষ্টি..।
জলস্পর্শে ছোট্ট শিশুর বাঁধভাঙা উল্লাস,
কল্পনারি সঙ্গী সাথে বৃষ্টি।
দৌড়ে বেড়ানো;
পায়ের পাতায়,
জমে থাকা জলে-
ফোঁটা ফোঁটা উচ্ছাস..
তরুণীর অবাধ্য উড়নার শৃঙ্খল,
ধুয়ে যায় বৃষ্টি।
বয়স বাড়ছে,
সময় বেশি নেই আর..
কালের সাক্ষী দেয়া;
চশমার কাঁচে জল,
চিরতরুণ বৃষ্টি..।
মনের দরজা খুলে,
বাইরে তাকালেই.. -
আকাশের আয়না হয়ে;
ভেজা পথ,
হেটে যায় বৃষ্টি..
আপন মনে,
আনমনা ছন্দ তালে..
নেচে যায়;
আকাশের গায় -
হেসে গড়িয়ে পড়ে বৃষ্টি..।
ঝাপসা চোখে;
অবাক ভালবাসায়,
নিশ্চুপ -
ছুঁয়ে যায় বৃষ্টি..।





আপনাকে আগেও বোধহয় বলেছিলাম পোস্টে স্পেসের ব্যাপারে। আজকেও বলছি কী-বোর্ডের অতিরিক্ত এন্টার চাপার দরুন আজকেও পড়ে আরাম পেলাম না। আর পোস্টটা একাই প্রথম পেজের অর্ধেক নিয়ে নিয়েছে। আশাকরি পরবর্তীতে পাঠকের অসুবিধা খেয়াল করবেন।
আমার এই সিরিজের লেখাগুলো আমার নিজের মতেই, একটু অন্যরকম।
ঠিক কবিতাও না, আবার ব্লগরব্লগরও নয়।
বরং কিছু শব্দের সাহায্যে কোন চিত্রকল্প ফুটিয়ে তোলার প্রয়াস বলা যেতে পারে।
আমার অনুভুতি গুলো প্রকাশ করার ক্ষেত্রে আমার কাছে মনে হয়েছে,
ছোট ছোট প্যারায় ভেঙ্গে লিখলেই তা পাঠকের কাছে পৌছাতে বেশি সাহায্য করবে।
তাই, এলোমেলো কাব্যকথন যখনই লিখি এমন ভাবেই লেখা হবে।
তবে, প্রথম পাতায় এতটা জায়গা দখল করে রাখা আমারও পছন্দ না।
এমনটা হবার কথাও না।
কিন্তু প্রিভিউতে যতটুকু দেখায়,
পোস্ট দিলে এর চাইতে অনেক বেশি অংশ প্রথম পাতায় আসার কারনটা এখনো জানিনা।
এ ব্যাপারে যে কোন পরামর্শ প্রার্থনীয়। ভাল থাকুন।
তথাস্তু
প্রথম পাতায় লেখা কম দেখানোর বুদ্ধি আমার জানা নাই। পরামর্শ দিতে পারলাম না বলে দুঃখিত
পড়া ও মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
ভাল থাকুন, রাসেল ভাই।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ।
গান গান মনে হলো!
সুর করে গেয়ে ফেলেন, শুনে দেখি!
হাসেন ক্যান?
কবিতা ভালো লেগেছে।
জেনে ভাল লাগলো।
পড়ার জন্য ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
মন খারাপ কেন?
ভালো।
আমার মতে, এই প্যারাটার আরেকটু ন্যারেশন দরকার ছিলো। কবির তো কখনো বয়স বাড়তে পারে না। সেক্ষেত্রে যার বয়স বাড়ছে তার সঙ্গে পাঠকদের পূর্বপরিচয় না থাকায়, একটা ক্ষুদ্র সংকট এখানে উপস্থিত হয়। যা খুব সহজেই কাটানো যেত ২/৩ শব্দ বা এক লাইনের একটা বর্ণনায়, এমনকি মেটাফরিক্যাল কোনো কথা দিয়ে তা করা যেতো।
তবে এসব কথার মানে এই না যে, এবারের এলোমেলো কাব্যকথন কম ভালো হয়েছে। এলোমেলো কাব্যকথনের যে থীম, সে জায়গাটা খুব ভালোভাবেই ধরতে পেরেছে ৩ আষাঢ়, ১৪১৯ বঙ্গাব্দ.. এবং আমি আপনার এই ধরনের লেখালেখি নিয়ে আগে থেকেই আশাবাদী ছিলাম, এ লেখাটা পড়ে আরো আশাবাদী হয়ে উঠলাম।
লাইনটাকে
পড়তে হবে
ঠিকাছে।
এত্ত বড় মন্তব্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
এই লাইনগুলো আমাকেও পুরো সন্তুষ্ট করতে পারে নি।
একজন বৃদ্ধাকে দেখেছিলাম ওইদিন তার নাতনির সাথে ভিজতে,
ব্যাপারটা ধরে রাখতে চেয়েছিলাম। মনোমত হয়নাই। ঃ(
বেশ সংবেদনশীল কাব্য কথন। মোলায়েম অনুভূতি।
- চমৎকার। চীরতরুণ > চিরতরুণ
অনেক অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকুন।
ভালো লেগেছে।
থ্যান্ক্যু, তানবীরা'পু!
মন্তব্য করুন