ইউজার লগইন

ধর্মের আলোকে(!!!) স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গিপনাঃ

তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গি-পনা তিনটি একেবারেই আলাদা বিষয়। এই বিষয়গুলির উদ্দেশ্য সময়কাল ভেদে পার্থক্য হলেও রাজনৈতিক বিচারের এক। বিশেষ করে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় বিষয় তিনটির আন্ত-সম্পর্ক দ্রুততার সহিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে। যদিও সাধারণ জনগণের মননে এই তিনটি বিষয়ের আন্ত-সম্পর্কটি এখনো তেমন জায়গা করে নেয়নি, তবে বিষয় তিনটির অতি উচ্চমাত্রার আন্ত-প্রতিক্রিয়াশীলতা দেশের রাজনীতিতে ক্ষমতায় পালা বদলের হাতিয়ার হয়ে উঠছে। অন্যান্য সামাজিক সমস্যা গুলিকে ছাপিয়ে সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক ইস্যু হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। আর রাজনৈতিক ক্ষমতা কেন্দ্রিক এই ইস্যুগুলির বাণিজ্যিক নিউক্লিয়াস হিসাবে ব্যবহ্রত হচ্ছে ধর্ম।

স্বাধীনতার বিরোধিতা, যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও ধর্মীয় জঙ্গি-পনার বিষয়গুলি সমান্তরালভাবে একই রাজনৈতিক সমীকরণ থেকেই এসেছে কি না তা বলিষ্ঠ ভাবে বলা না গেলেও এটা বলা যায় যে প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির মোড়কে একাত্তরের ঘাতকের পুনর্বাসন ফলে ধর্মীয় জঙ্গি-পনার বীজ পরোক্ষভাবে সমাজের বিভিন্ন স্তরে রূপণ করা হয়েছে। এই বীজ বপনের প্রারম্ভিক কাজটি করা হয় ধর্মের উপর ভিত্তি করে ভারত উপমহাদেশ ভাগের মধ্যে দিয়ে। এরপর থেকেই মুল ধারার রাজনীতিবিদের কাছে জনমত ঠিক রাখার ক্ষেত্রে ধর্ম একটি পণ্য হিসাবে ব্যবহার হয়ে আসছে। আর্থসামাজিক উন্নয়ন, উন্নত গনতন্ত্রায়ন কিংবা সুশাসনের ইস্যুগুলিকে গৌণ করে ধর্মকে একটি রাজনৈতিক বানিজ্যক পণ্য হিসাবে জনগণের কাছে বিভিন্ন ছলনায়, বিভিন্ন রূপে, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মাধ্যমে উপস্থাপন করা হচ্ছে ।

৪৭ এর পরপরই পাকিস্তানের শাসক গোষ্ঠী ভারতের সাথে আঞ্চলিক ক্ষমতার প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য পাকিস্তানের সাধারণ মানুষের মননের ধর্ম ভীরুতাকে ধর্ম অন্ধতায় পরিণত করার সকল চেষ্টাই করেছিল। মনন পরিবর্তনের প্রকল্পে সুস্থ রাজনৈতিক বিশ্লেষণে তারা ব্যর্থ হলেও একটি পুঁজিবাদী উগ্র ধর্মীয় গোষ্ঠী নির্মাণ করতে সক্ষম হয়েছিল । এইসব মানুষের সংবেদনশীলতার তারতম্যে যে ভণ্ডামি ও অজ্ঞতার পরিচয় পাওয়া যায়, তা সত্যিই ভয়ানক ও আতঙ্কের। চরম বাস্তবতা হল, ধর্মীয় পুঁজিবাদী ব্যবসা আজ সভ্যতার জন্য, মানবতার জন্য ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতার জন্য মারাত্মক হুমকি।

পাকিস্তানী রাজনৈতিক ধর্মীয় ফেরিওয়ালারা একের পর এক ধর্মীয় কার্ড খেলেছে। উদাহরণ স্বরূপ, ১৯৫০ সালে ধর্মীয় সন্ত্রাস, ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের বিরোধিতা, ১৯৬৪ ও ১৯৬৫ সাল ব্যাপী সংখ্যালঘুদের উপর হামলা ও পরিশেষে মহা-কাব্যিক ১৯৭১ এর গণহত্যা । যখনেই জনমতকে রাজনৈতিকভাবে নিয়ন্ত্রণ করার প্রশ্ন আসত, তখনই বায়বীয় পণ্য হিসাবে ধর্মকে ব্যবহার করা হত।

৭১ রে ধর্ম রক্ষার নামে পাকিস্তানের অখণ্ডতাকে টিকিয়ে রাখার জন্য গণহত্যা, গন ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ সহ এমন কোন অপরাধ নেই, যা করা হয়নি। এই পুঁজিবাদী ধর্ম রক্ষাকারীদের ধর্ম রক্ষার একটি উদাহরণ দেই।
“...we were told to kill Hindus and kafirs (non-believers in God). One day in June, we cordoned a village and were ordered to kill the kafirs in that area. We found all the women reciting from the Holy Qur'an and the men holding special congregational prayers seeking God’s mercy. But they were unlucky. Our commanding officer ordered us not to waste any time”. (Confession of a Pakistani Solider)।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পরেও এই পুঁজিবাদী ধর্মীয় গোষ্ঠী বেশ কৌশলে অনেক দূর এগিয়েছে, রাজনৈতিক, সামাজিক ও অর্থনৈতিক ভাবে। বেড়েছে এদের রাজনৈতিক কলেবর। স্বাধীনতার স্থপতি কে হত্যার মধ্য বাংলাদেশ যাত্রী হয় পাকিস্তান-মুখী ট্রেনের। প্রশাসনে শুরু করে পাকিস্তানী-করন আর সমাজের প্রতিটি স্তরে শুরু হয় ধর্মীয় মৌ্লবাদিকরন। মুক্তিযোদ্ধা (!!!) জিয়াউর রহমানের রাজনৈতিক স্বার্থে সেনাবাহিনীতে শুরু হয় মুক্তিযোদ্ধা সেনা নিধন প্রকল্প ।
সাধারণ মানুষের মেন্ট্রাল ফ্রেমওয়ার্কে ভারত বিরোধিতা ও ধর্মীয় অসহিস্নুতা স্থায়িকরন করা হয়। জঙ্গি ম্যানুফাংকচারার জামাত-শিবির পায় রাজনীতি করা সুযোগ। শাহ আজিজের মত রাজাকার হয় প্রধানমন্ত্রী। স্বাধীন দেশে জিয়াউর রহমানই প্রথম দেশের মুক্তিযুদ্ধের আদর্শিক অবস্থান থেকে সরে পাকিস্তানী-করন শুরু করে। জিয়ার সময়ই প্রথম ধর্মভিত্তিক জঙ্গিবাদীরা প্রকাশে রাস্তায় নামে। স্বাধীন বাংলাদেশে ১৯৭৮ সালে ‘আমরা ঢাকা বাসি’ ও ‘খাতুমে নবিয়াত আন্দোলন’ (পাকিস্তানের অংশ) আহমদিয়াদেরকে অমুসলিম ঘোষণার জন্য প্রথম আন্দোলন শুরু করে।

১৯৯০ সাল পর্যন্ত এই ধর্মীয় পুঁজিবাদী গোষ্ঠী সোভিয়েত ইউনিয়নের বিপক্ষে যুদ্ধে লিপ্ত থাকায় বাংলাদেশে তেমন কোন উগ্র ধর্মীয় কর্মকাণ্ড লক্ষ্য করা যায়নি। আফগান ফেরত মুজাহিদিনেরা দেশের ফিরেই ভারতে উগ্র হিন্দুবাদি গোষ্ঠী দ্বারা বাবরি মসজিদ ভাঙ্গার ইস্যুটি সামনে পেয়ে যায়, ফলে সারা দেশে জড়িয়ে পড়ে ধর্মীয় সন্ত্রাস । ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য এরশাদ ধর্মীয় সন্ত্রাসকে প্রশয় দিয়েছিল । ঠিক এভাবে সাংস্কৃতিক মৌলবাদ করণের বিষ সমাজের স্তরে স্তরে প্রবেশ করিয়ে ইসলামিক ধর্মপ্রাণ সরল মানুষদেরকে অন্যান্য ধর্মের মানুষদের প্রতি অ-সহিষ্ণু করে তুলেছিল ।
১৯৯১ সালে গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় এই ধর্মীয় গোষ্ঠী ফিরে পায় নতুন রাজনৈতিক আশ্রয় স্থল। বারবি মসজিদ ভাঙ্গার ইস্যুটি ব্যবহার করে এই গোষ্ঠীর পাশাপাশি ছাত্রদলেই সংখ্যা লঘুদের উপর হামলা নেতৃত্ব দিয়েছিল। ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা অসহায় হয়ে পরে "“At least 10 people have died, many Hindu women have been raped, and hundreds of Hindu homes and temples have been destroyed (UNHCR, 2011)।

১৯৯৯ সালে যশোরে উদীচী শিল্পগোষ্ঠীর সাংকৃতিক অনুষ্ঠানে বোমা হামলার মধ্য দিয়ে সারাদেশের জনগণকে প্রথম জঙ্গিরা তাদের কার্যক্ষম সম্পর্কের জানান দিল। ২০০১ সাল থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের পরেই বাংলাদেশ ছিল ধর্মীয় জঙ্গিদের নিরাপদ আশ্রয় স্থল “Bangladesh government is not doing enough to prevent the country from becoming a haven for Islamic terrorists in South Asia and pointed out that religious extremists are connected to Al Qaeda (Canadian Security Intelligence Service (CSIS) in December 2003)’।

সারাবিশ্ব এ ধর্মীয় জঙ্গিবাদের উত্থানের জন্য তৎকালীন বিএনপি-জামায়েত সরকারে জঙ্গিবান্ধব মনোভাব, অনেকে ক্ষেত্রে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সহায়তাকেই দায়ি করেন (The Far Eastern Review, the Hindu, Jane`s Intelligence Review, Time Magazine, and Frontline and New York Times, Asia Times, 2005)”।

বিএনপির অনেক নেতাই জঙ্গিদের গডফাদার হিসেবে কাজ করেছে। জঙ্গি সংগঠন জাগ্রত মুসলিম জনতার নেতা মওলানা শায়খ রহমান ও বাংলা ভাই সঙ্গে নিবিড় সম্পর্কটি ছিল ব্ল্যাক এন্ড হোয়াইট। বিশেষ করে বিএনপি জামাত জোট সরকারে তৎকালীন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ব্যারিস্টার আমিনুল ইসলাম (জঙ্গি কর্মকাণ্ডের উপদেষ্টা), ভূমি উপমন্ত্রী রুহুল কুদ্দুস দুলু (২০০৪ সালে এপ্রিল মাসে দুলুর বাসায় শায়খ আব্দুর রহমান ও বাংলা ভাই দলবল নিয়ে মিটিং করেন), গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী আলমগির কবির (যিনি মোবাইলে শায়খ রহমান ও বাংলা ভাই কথা বলতেন ও উনাদেরকে বাসায় দাওয়াত দিয়েছিলেন), তৎকালীন মেয়র মিজানুর রহমান মিনু (মাহাবুব নামের এক জঙ্গির কাছে বাংলা ভাইয়ের জন্য ৫০ হাজার টাকার ব্যাংক চেক দিয়েছিলেন), সাবেক সংসদ সদস্য নাদিম মোস্তফা (যিনি পুটিয়া থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলামের মাধ্যমে ৩০হাজার টাকা বাংলা ভাইয়ের হাতে তুলে দেন) ও সংসদ সদস্য আবু হেনা (যিনি আপন ভাতিজার মাধ্যমে বাংলা ভাইয়ের সঙ্গে যোগ যোগ রাখতেন) উল্লেখ্য যোগ্য। (সূত্র: প্রথম আলো, ৩০ জানুয়ারি, ২০০৭)

একাত্তরের মানবতা বিরোধী অপরাধের বিচার প্রক্রিয়া কে বাধাগ্রস্ত করার জন্য আবারও ধর্মীয় ইস্যুটাকে সামনে নিয়ে আসা হয়। তথাকথিত ধর্ম রক্ষার নামে ৫ ই মে হেফাজতের আন্দোলনের পিছনে ছিল মূলত সরকারে পতন, যার মাধ্যমে ৭১ এর ঘাতকদের মুক্তির পথ উন্মুক্ত করা। এটি যে ধর্ম রক্ষার আন্দোলন নয় তা বুঝা যায় যখন স্বঘোষিত নাস্তিক ফরহাদ মজাহার হেফাজতের সমাবেশে গিয়ে একাত্ম ঘোষণা করে। বুঝা যায় প্লেবয় এরশাদ যখন হেফাজতের কর্মীদের শসা খাওয়ায়। যখন হেফাজতের কর্মীরা ধর্ম রক্ষার নামে নারী সাংবাদিক পিটায়, স্বর্ণের দোকানে লুটপাট করে, পবিত্র ধর্ম গ্রন্থ পুরানো হয়, মধ্য যোগীয় তাণ্ডব চালিয়ে মানুষ হত্যা করা হয়। এই সমাবেশে অনেক আফগান ফেরত জঙ্গিরা প্রকাশে যোগ দিয়েছে “One of the key organisers of Hefajat-e Islam’s Dhaka long march and the subsequent rally was Maulana Habibur Rahman, a madrasa principal of Sylhet with the background of working for “Taliban-style” rule in Bangladesh. Habibur was a speaker at yesterday’s post-long-march rally of Hefajat. He was also sitting in the forefront along with top leaders during Hefajat’s Thursday’s press conference at Lalbagh Madrasa in the capital” (The daily star: http://www.thedailystar.net/beta2/).

আধুনিক গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থায় যখন ধর্মকে সামাজিক পর্যায় থেকে রাজনৈতিক পর্যায়ে নিয়ে আসা হয়, তা যে কত ভয়াবহ তা আমাদের চারপাশে তাকালে বুঝতে কঠিন হওয়ার কথা নয়। ধর্ম একটি সামাজিক বিষয়, মনের বিষয় । বহু ধর্মীয় বিশ্বাসের একটি জনগোষ্ঠীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড ধর্মীয় আলোকে চলতে পারে না। চলার কথাও নয়। আর যখনই কোন একটি দল রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার জন্য এই সংবেদনশীল বিষয়টি ব্যবহার করে, ধর্মীয় উগ্র-গোষ্ঠী তাতে আশকারা পায়। অথচ বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা হল , ধর্মই একমাত্র ক্ষমতায় যাওয়ার হাতিয়ার। আর্থ সামাজিক উন্নয়ন ও সুশাসনের ইস্যুগুলি তেমন গুরুত্ব পাচ্ছে না। মনে হচ্ছে ধর্ম একটি বাণিজ্যিক বায়বীয় পণ্য। ধর্মের সাথে জঙ্গি রাজনীতির সংমিশ্রণের কুপ্রভাব আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের উপর যে কি পরিমাণ প্রভাব পরে তার জ্বলন্ত উদাহরণ আমাদের পাশেই আছে।

বাংলাদেশের জন্মের বিরোধিতাতে ধর্ম ব্যবহার হয়েছিল। আর যারা করেছিল, তারাই একাত্তর পরবর্তীতে বিভিন্ন সময়ে নিজের রাজনৈতিক সুবিধাবাদিতা (যেমন: যুদ্ধাপরাধীদের পুনর্বাসন ও রাজনৈতিক ইসলামি করন), প্রতিটি নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার এবং ধর্মীয় জঙ্গিবাদের রাজনীতির নির্মাতা। আজ তারাই আবার ধর্মীয় বড় ঠিকাদার।

আমাদের মনস্তাত্ত্বিক ভুবনে ধর্মের রাজনৈতিক-করন যে কোন পর্যায়ে চলে গিয়েছে, তার একটি উদাহরণ দিয়ে শেষ করব।

আমার এক প্রবাসী বন্ধু নানান ইস্যুতে বর্তমান সরকারের উপর নাখুশ। সক্রিয় রাজনীতিতে আর আগ্রহ নেই। তবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সে বর্তমান সরকারকে ইসলাম বিরোধী সরকার বলতে চায়। কেন ইসলাম বিরোধী সরকার জানতে চাইলেও কোন গ্রহণযোগ্য ও যৌক্তিক উত্তর পাওয়া যায়নি। তার গ্রামে একটি বিশাল বাড়ি আছে যেখানে কেউ থাকেনা, পরিবার ঢাকায়। তারাই প্রতিবেশী নব্য জাতিয়দাবাদি রাজনীতিবিদ (এককালে ফার্মগেট এলাকায় ফেরী করত), বিএনপি ক্ষমতায় আসলে আমার বন্ধুর বাড়িতে একটি মাদ্রাসা করার পরিকল্পনা গ্রহণ করে যা বন্ধু জানতে পারে। এই জনৈক নেতা ইতোমধ্যে জনগণের কাছে তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাটি প্রকাশ করে। বন্ধুর কাছে জানতে চাই যে স্বেচ্ছায় বাড়িটি দিচ্ছে কি না? উত্তর দিল “না” । তারপরে জানতে চাই পবিত্র ধর্ম চর্চার জন্য জোরে জায়গা দখল করে মাদ্রাসা নির্মাণের রাজনীতি কি কতটা ধর্মীয়? উত্তর দিল, তা ধর্মীয় আলোকে ঠিক নয়। শেষ প্রশ্নটি ছিল, সে আগামী সাধারন নির্বাচনে এই আদর্শের রাজনীতিকে ভোট করবে কি না? উত্তর দিল এদেরকেই ভোট করবে। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলতে চাইল এই সরকার ইসলাম বিরোধী।

পোস্টটি ৮ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

সামছা আকিদা জাহান's picture


Smile

তানবীরা's picture


গরীব দেশের বড় আরম হলো ধর্ম, জায়গা দখল করবেন, ঐটার ওপর মসজিদ বানান কিংবা মনদির বানান কাজ শেষ

বিজন সরকার's picture


Sad

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

বিজন সরকার's picture

নিজের সম্পর্কে

স্বাধীনতার চেতনায় বিশ্বাসী নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি।।। ...। ঘৃনা করি সেই সব মানুষদের যারা স্বাধীনতার চেতনা বিরোধী। ।