ইউজার লগইন
ব্লগ
এবারের বই মেলায় যে বই কিনলাম
১. আরজ আলী মাতুব্বর রচনাসমগ্র-পাঠক সমাবেশ
২. অপৌরুষের ১৯৭১-অদিতি ফাল্গুনী-শুদ্ধস্বর
৩. গল্প, অগল্প না-গল্প সংগ্রহ-শাহাদুজ্জামান, পাঠক সমাবেশ
৪. প্রবাদের উৎস সন্ধান-সমর পাল, শোভা প্রকাশন
৫. শতবন্দনা-জিয়াউদ্দিন সাইমুম, দিব্যপ্রকাশ
৭. যখন ক্রীতদাশ:স্মৃতি ১৯৭১-নাজিম মাহমুদ, মুক্তধারা
৮. সত্তর দশকে-আনু মুহাম্মদ.একুশে বাংলা প্রকাশন
৯. হায়েনার খাঁচায় অদম্য জীবন-মন্টু খান, মুক্তধারা
১০. আমার একাত্তর-আনিসুজ্জামান, সাহিত্য প্রকাশ
১১. একাত্তরের মুজিবনগর-বি বি বিশ্বাস, আগামী
১২. সেদিন অনন্ত মধ্যরাতে-মোস্তাক শরীফ, অ্যাডর্ণ
১৩. জেগে উঠেছে ইরান-শিরিন এবাদি (অনুবাদ), সন্দেশ
১৪. কান্নাপর্ব-আহমাদ মোস্তফা কামাল, শুদ্ধস্বর
১৫. ইন্তাম্বুল, একটি শহরের স্মৃতিচারণ-ওরহান পামুক (অনুবাদ), সন্দেশ
১৬. ঘুমের ভিতর নিদ্রহীন-আবদুল মান্নান সৈয়দ, শুদ্ধস্বর
বইমেলা-২০১২(টুকিটাকি-৩)
রোজ ই ভাবি বইমেলায় কয়েকদিন আর আসব না। এই ভাবতে ভাবতে বইমেলা প্রায় শেষ হয়ে আসলো। একাকী মানুষের অনেকগুলো দিন ভালো কাটলো। দিনশেষে বইমেলায় যাওয়া, কখনো কিছু বই নেড়েচেড়ে দেখা, কেনা..আবার কখনও হয়ত লিটল ম্যাগ চত্বরে বাঁশের বেঞ্চিতে অকারণেই বসে থাকা--মানুষের আনাগোণা দেখা, গান শোনা।মন শান্ত-স্নিগ্ধ থাকার এক অনুভূতি। বই এর ভিড়ে আর বইপ্রেমীদের মিলনমেলায় মনের খোরাক যোগানোর লোভটা সামলাতে পারি না একদমই। কোন না কোন উছিলায় তাই রোজ যাওয়া।
একাকীত্ব এবং মুখোশ পড়া দুঃখ বিষয়ক
ধুয়ে ফেলি রক্তাভ পাপ, সবুজাভ পূণ্য।
এলোমেলো পদচিহ্ন পড়েছিলো যেই কার্ণিশে, একাকী;
সেখানে ধীরে ধীরে জমে উঠেছে শৈবাল কোরাস,
অশান্ত চড়ুইয়ের দল প্রতিদিন মেতেছে ঐকিক নিয়মের পাটিগণিতে।
সামাজিক বোধের জল থৈথৈ পুকুর
উপচে গেছে অসামাজিক সান্ধ্য আইনের পেয়ালাতে।
ঘুমন্ত নারীর স্বপ্ন
ছড়িয়ে পড়েছে বিচ্ছিন্ন পংক্তিমালায়
বইমেলার ধুলার আভরণ ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে
জড়িয়ে নিয়েছে নির্ভরতার সীসার দেয়াল, বিভ্রান্ত আচরণ।
রঞ্জন রশ্মি ভেদ করে গেলো
প্রথমতঃ কাপড়
তারপরে একে একে
ত্বক
পেশী
অস্থি
মজ্জা।
নিখুঁত ছবি ভেসে উঠলো সীসার দেয়াল ভেদ করে
অদৃশ্য অক্ষিগোলকের স্নায়ু তন্ত্রী জুড়ে।
বসন্তের উদাস হাওয়াসুলভ চপলতায় মসৃণ, ভেসে এলো কাগজের প্লেন
সুখে ও যাপিত জীবনের অন্দর মহল পেরিয়ে।
দুঃখেরা অস্থির, ছটফটিয়ে উঠলো ছদ্ম সিন্দুকের আলিঙ্গনে, হাসির মুখোশ পরে।
পাগলের দিনলিপি (পনর)
মাঝরাত চলে যায়, আঁধার ক্রমশঃ ফিকে হতে শুরু করে
আলো জ্বলে উঠে জানালায় জানালায়
গম পেষা আটার খামিরে জল ছিটানোর পর
কেউ কেউ চোখে লেগে থাকা ঘুমের সাথেও
জল জল...বৈরীতার খেলা খেলে।
এদিকে আমার উঠোনে চলেছে রাধিকার মান অভিমান।
অবতার কৃষ্ণ যথারীতি অনুনয়ে অভিনয়ে তার পায়ে
তার মনেই থাকে না পায়ের চে' হৃদয়ের সীমানা পেরোতে হয় আগে।
আমি মিস করতে শুরু করি রাতের চা'আলা,
অচেনা যুবক, বহুদূর থেকে মাটি নিয়ে আসা
বিরক্ত ট্রাকের চাকা কিম্বা শাহানাকে...
গলির মোড়টারে খালি রেখে আজ তারা কেউ
আসেনি আমারে সঙ্গ দিতে।
এই সুবেহ সাদিক ভোরে তবে আমিও উঠেছি ফুসে
অভিমানে...রাত আর বাকী সব নাঘুমানো মানুষের 'পর।
ম্যুরাল: পোস্টমর্টেম
ম্যুরাল নিয়ে রিভিউ দেবার কথা অনেকেরই। লক্ষ্য করলাম- এ বলে বি কে। বি বলে সি কে। সি বলে ডি কে। আর ডি বলে এ কে...। ফলাফল: ১০ তারিখে ম্যুরাল মেলায় আসার পরও আমরা এবির পাতায় ম্যুরালের কোনো রিভিউ দেখতে পাই নাই। তাই আল্লার নাম নিয়ে আমি বসে গেলাম লিখতে।
ভালো দিক:
ম্যুরালের অনেক অনেক কটি ভালো দিক আছে। তারমধ্যে উল্লেখ করার মত হলো-
১. বেশ কটি ব্লগ সংকলন এবার বই মেলায় প্রকাশিত হয়েছে। তার মধ্যে লেখার গুনগত মানে ম্যুরাল সেরা বলে আমি মনে করি
২. ফর্মা হিসাবে ম্যুরালের মূল্য মেলায় প্রকাশিত অন্য বইয়ের তুলনায় কম
৩. ম্যুরালে প্রকাশিত নুরুজ্জামান মানিকের- ১৯৭১: ডিসেম্বরের দিনগুলি মুক্তিযুদ্ধের সময়কার এক অনন্য দলিল। শুধু এই লেখাটি আরো বিস্তারিত করলে এটি দিয়েই একটি বই বের করা যেত
বিহারের নাসিমার আশ্রয়ে থাকা আমাদের রুমা ফিরতে পারবে না?
আল-জাজিরা টিভির একটি প্রতিবেদনে ভারতের বিহার রাজ্যের তরুণী নাসিমা নামের এক বাতিঘর সম্পর্কে জানলাম। শ্রদ্ধায় অবনত হলাম। নাসিমা নিষিদ্ধ পল্লীতে বেড়ে ওঠা একজন বিদ্রোহী তরুণী। অন্ধকারে আটকে পড়া মেয়েদের রক্ষা করতে তাঁর যাবতীয় সংগ্রাম। একটি এনজিও গড়ে তুলেছেন। একটি পত্রিকার সম্পাদকও তিনি। শুরুতে চার পাতার পত্রিকাটি হাতে লিখে বিতরণ করত তাঁর সহযোগী মেয়েরা। সেটি আজ ৩২ পাতার পত্রিকা। বিলি হয় সারা বিশ্বে। পতিতাপল্লীতে প্রথম যে কাজটি নাসিমা সফলভাবে সম্পাদন করেছেন, তা হচ্ছে, নতুন কোনো মেয়েকে আনা হলে তাকে রক্ষা করে আপনজনের কাছে ফেরত পাঠানো।
নেশার মেলায়..
নিজের পকেটের পয়সা খরচ করে বই, সিনেমা, গান, কোমল সম্ভার কিনতে আজকাল কোন আগ্রহ পাই না। তাছাড়া, যা কিছু শক্ত, যা সংখ্যায় বেশী হলে সাথে রাখতে সমস্যা, তাতে উৎসাহ কম পাই। বই হলে পিডিএফ এ চাই; কখন কোথায় থাকি ঠিক নাই, তাই আজাইরা বুকশেলফ ভরার মানে নেই। সিনেমা আর গান হলে কোমল-অনুলিপি, আজাইরা সিডি-ডিভিডির স্তূপ করে লাভ নাই। বই, সিনেমা, গান, কোমল সম্ভার, যা কিছু ভাল, এসো আমার হার্ডডিস্কে এসো। কিন্তু বই মেলায় গেলে সব সংকল্প কোথায় যেন হারিয়ে যায়।

একটা সময় ছিল যখন একুশে বইমেলায় সারা মাস প্রতিদিন হাজির থাকতাম। পিছনে তাকালে সেটা এই জীবনে নাকি গত জন্মে, নিজেরই সন্দেহ হয়। বইমেলার ওই এলাকার বাতাসে মনে হয় নেশার কিছু ভাসে, যারা যায় তারা নেশাগ্রস্থ হয়ে বার বারই যেতে থাকে।
ভাল বই মন্দ বই
অমর একুশে বইমেলা শেষ হয়ে আসছে।বিকেল হলেই এই শহরের ব্যস্ততা উপেক্ষা করে কোথাও যাবার জন্যে মন উদগ্রিব হবে না আর।।এক বছর মেয়াদী একটা অপেক্ষার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি।
পাঠক লেখক ও প্রকাশকের এই মিলন মেলা শুধু আড্ডা বা বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ নয়।জাতির মানসিকতা গঠনেও এর অবদান অনেক।দেশের পাঠ্য বই বহির্ভূত ৯৫শতাংশ বই এই মেলা কেন্দ্র করে প্রকাশিত হয়।ফলে, গত এক বছরে দেশের গুনীদের ভাবনার সম্মিলন হয় মেলায়। বাংলা একাডেমীর হিসাব মতে,এবারে বই আসার কথা প্রায় চার হাজারের মত। অনেকেই বলা শুরু করেছেন এরমধ্যে মানসম্পন্ন বইয়ের সংখ্যা হাতে গোনা। মানে জাতীয় জীবনের নানা তর্কের মত বইমেলা নিয়েও বেশ কিছু বিতর্ক এখন মেলার মৌসুমে আছে।
অবিনাসী
শব্দ থেমে যাবে
চিৎকার থামবে না কোনদিন
ঝড় থেমে যাবে
তবু থামবে না গর্জন
রাস্তার স্লোগান, গলাবাজি, ক্যানভাস
থেমে যাবে, থেমে যাবে
খাদ্যের ভাগাড়, অশ্লীল ঢেকুর
বেহুদা বনবাস, দেখো একদিন ঠিকই থামবে সব।
তবু যে ভালোবাসা আমি লিখেছি কবিতায়
পরতে পারতে পাতার পতঙ্গ পেয়েও পাবে ফুল
সে রুপকথাতো থামবার নয়।
যে পথে এসেছিলো গান
অথবা যে পথে যাওয়া যায় একেবারে চলে
সে পথ ধরে আজীবন রয়ে যাবে আগন্তুক আনাগোনা।
থেমে যাবে, দেখো অন্য সব থেমে যাবে
শুধু তোমার কপালে টিপের লাল
থামবে না কোনদিন....
থামবে না মুগ্ধ মন
আর কলমের কাঙ্খিত কুরুক্ষেত্র
{(c) MNI, F.B 25.02.2012}
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ১৭
হে দুর্ভাগ্যনাশিনী তোমার জন্য সাতটি রক্তিম গোলাপ রেখেছি
কিন্তু এর চাইতে বেশি কিছু রাখা সম্ভব হয় নি।
আমি জানি তুমি আমার উপহার পেতে খুব বেশি ভালোবাসো
তাই আমি তোমায় কোনো উপহার দিই না।
সম্ভবত এটাই তোমার সবচেয়ে বড় উপহার হয়ে উঠবে একদিন,
কেননা কাছে টেনে এনে আঘাত দেয়ার চেয়ে
দূরে ঠেলে রেখে গোলাপ দেয়া উত্তম।
---
নিশ্চিহ্ন
জাহাবাজ জোস্নায় র্নিবৃক্ষ প্রান্তর
এখানে ধু ধু চক্ষুসীমা।
অবশেষে তবে ফিরে চলো কারণিক
চাক্ষুস সমূদ্র আর নেই কোথাও।
ছায়া নেই, রৌদ্র নেই এমন কি বৃষ্টির কণাও
দূর তুর পাহাড়ে ঈশ্বর যে কথা দিয়েছিলেন মুসাকে
তাও ফিরিয়ে নিয়েছেন তিনি।
মেষ পালক, হে বন্ধু আমার- তুমি তবে ফিরেই যাও
এ পথে আমার আর কোন চিহ্ন পড়ে নেই।
পাগলের দিনলিপি (চৌদ্দ)
আজ রাত আমার অসুখ,
অসুখের চাদরে শরীর ঢেকে শুয়ে থাকি
ঘরময় অসুখের ঘ্রাণ বাতাসে ছড়ায়
মেঝেময় অসুখের পদচিহ্ন হাটে।
মাঝরাতে প্রতারিত একজন যুবকের কণ্ঠে
যখন, "কাজল নদীর জলে..." বেজে উঠে
তখন বিভ্রান্ত অসুখের চাদর সরিয়ে রেখে
বারান্দার মলিন ধূসর গ্রীলে চাঁদের আলোর সাথে
রস-কষ-সিঙ্গারা-বুলবুলি খেলবো বলে
আলগোছে তুলেছি ছায়ার শরীর...
যুবক তখন জ্যোছনাময় পথটাকে নদী ভেবে
সোনার বরণ মেয়েটারে খুঁজে ফেরে ইতিউতি...
নগর প্রহরী দল ঘুষ আর মদিরার আহ্বানে
ছুটেছে কোথাও...
তাদের বেসুরো হর্নে ভালোবাসাময় প্রতারিত
যুবকের সম্বিত ফিরেছে; এইবারে নদীটাকে ছুড়ে ফেলে
প্রাণ খুলে হাক দেয় যেনো পৃথিবীর সকল ঘুমন্ত মানুষের
সাথে তার শত্রু-মিত্র সম্পর্কের দায় থাকে।
যদিও যুবক এখনো শহুরে গলি ঘুপচির গোলকধাঁধাঁরে
কোনো সমাধান দিতে পারে নাই...
আর তাই আমি গ্রীল ধরে ঝুলতে ঝুলতে
তারে সমবেদনা জানাই।
এক একটা দিন বড় বেরঙীন
হয়তো একটি মুহূর্তের স্কেচ এসব কিছুই, সে মুহূর্তে সবাই পরবাসী, গৃহের অন্তরালে, পলাতক জীবনযাপনে সবাই কোনো না কোনো পক্ষ বাছাইয়ের লড়াইয়ে বিভ্রান্ত হচ্ছিলেন, প্রতেকের ভেতরেই বিভিন্ন রকমের সংশয় ছিলো, কিন্তু দেয়ালে ঠেকে যাওয়া পিঠ আর সামনে আগুণ, দেয়াল ভেঙে পালিয়ে যাওয়া কিংবা আগুণে ঝাপিয়ে পড়ার এই ভাবনার দ্বৈরথে অনেকেই আগপাশ বিবেচনা না করেই আগুণে ঝাপিয়ে পড়েছিলেন। আমি সে সময়ের পরের প্রজন্ম, আমার যাবতীয় রসদ আত্মজীবনির পাতা থেকে খুঁজে নেওয়া, এর সাথে ১৪ আনা কল্পনা মিশিয়ে একটি সময়ের ভাবনা লিখছি সে সময় আমার অপরিচিত এবং আমার বেড়ে ওঠা শৈশবের সাথে যে সময়ের কোনো মিলমিশ নেই।
------------------------------------------------------------------------------------------------------
-------------------------------------------------------------------------------------------------------
আগুন লাগানোর বাসনা।
আমাদের উপরতলার মানুষজন আজব আজব কথা বার্তা বলবেন, আমরা এতে হাসতেও পারবো না, ক্ষোভও প্রকাশ করতে পারবো না। মুখে বলা হবে বাকস্বাধীনতার কথা, সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার কথা। সেটা পাচ্ছি না, তাও বলার উপায় নেই। তারা উঠতে বসতে মিথ্যে কথা বলে যাবেন, আর সেই খবর ছাপিয়ে দিলেই পত্রিকা হয়ে যায় মিথ্যেবাদী।
ব্লগে লেখালেখি করার অনেক বিষয় থাকে। আমার আগ্রহ আগাগোড়াই "নিজ" জীবন-কেন্দ্রিক। একে ঘিরে যে রাজনৈতিক, আর্থসামাজিক প্রেক্ষাপট তাকে আমি এড়াতে তো পারি না। এ নিয়ে লিখতে গেলেই মনে মনে ভয় পাই। ভয় না বলে একে আতঙ্ক বলা বেশি যুক্তিযুক্ত। ব্লগে লিখেন এমন কাছের মানুষদেরকেও একই রকম ভয় বা আতঙ্ক পেতে দেখেছি। লঘু ধরনের ব্লগর ব্লগরের সময়ও মাথায় চিন্তা রাখতে হয়, "দেশদ্রোহিতা" করে ফেললাম না তো!
শিরোনামহীন এলোমেলো
ঘুড়িটা হঠাৎ কাগজের প্লেন হয়ে গেলো
সুতো কেটে। উড়ে যেতে যেতে
চকিত স্বপ্ন দেখে নিলো পর্বত ও বনভুমি পেরুবার।
দেখতে দেখতে কাগজ বদল হলো ইস্পাতে
ঝুপ করে বেড়ে যাওয়া ভর নিয়ে নেমে এলো নদীর বুকে।
একা প্লেনটা।
নৌকা হয়ে তরতর
কেটে গেলো কালো,লাল ও নীল পানি।
মেঘের ছায়া পড়া চোখে হয়ে গেলো অশ্রুকণা।
গাঢ় হলুদ অশ্রু, নেমে এলো মেটে শরীর বেয়ে।
ছড়ানো বীজেরা, নতুন পাতার জীবন নিয়ে
এলোমেলো উড়িয়ে দিলো পতঙ্গের সুখ।