ইউজার লগইন
ব্লগ
ছবি ব্লগ: বালিয়াটি জমিদার বাড়ি
ছবি তোলা শিখছি। তাই প্রায়ই দলবেধে কোথাও যাই ছবি তুলতে। সেদিন গেলাম মানিকগঞ্জের বলিহাটি জমিদার বাড়িতে। বিশাল জমিদার বাড়ি। সেই বাড়ির কয়েকটা ছবি।






প্রবাল দ্বীপ - ২ ( রহস্য গল্প )
প্রথম পর্ব
১
বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা টু লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে লন্ডন যাচ্ছে অভি। বাংলাদেশ দূতাবাসের কালচারাল উপদেষ্টা হিসেবে নতুন জয়েন করেছে সে। অন্য কারো জন্য এই চাকরিটাই হতো সোনার হরিণ কিংবা লক্ষ টাকায় কেনা নিজস্ব সম্পত্তি।
ইওরোপের কোন এক খানে... (১)
আমি গরীব মানুষ, হাতের লেখা খারাপ, কিবোর্ডের লেখা আরও খারাপ। তবে কোপানী, থুক্কু কোম্পানী আমারে পাঠাইছে ফ্রান্সে কিছু প্রব্লেম রে ঝামেলায় রূপান্তরিত করতে। কি করা আইসা পড়লাম ফ্রান্স।
আইলাম কাতার এয়ারওয়েজে, তাগো সার্ভিস তেমন পছন্দ হয় নাই। পেলেনে উঠার আগে বিশাল লাইন ধরতে হইলো। এর মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য-গামী এক সদ্য-যুবক চামে লাইনে ঢুকতে গেছিলো। তারে বললাম, ভাইরে পিছনে যাও, লাইনে আস, এইখান থেইক্কাই লাইন ধরা শিখো, ভবিষ্যতে কামে দিবো।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ৩
এসো আরো দুই বছর আমরা একে অপরকে ইমপ্রেস্ করি,
তারপর নাহয় হাত ধরার পর্বে যাবো।
কারণ পরিচয়ের প্রথম দিকের দিনগুলির মতো সময়
আর ফিরে পাওয়া যায় না।
---
জলাঞ্জলি
আমি ফেলে এসেছি সুদূর অতীতের স্বপ্নভঙ্গ রাতগুলো ।
যখন ক্লান্তির মলিন বুকে নিদ্রাতুর অলস করেছিলো ভর ,
থেকে থেকে মাদকতার তীব্র ঝাপটায় নুয়ে পড়ছিল একাগ্র সচেতন চোখের পাতা ।
জীবন সমস্যার দুঃসাধ্য সমাধান কখনোই হয়না সারা ।
অতিবাস্তবেও উদ্ভ্লান্ত স্বপ্নের হাত ধরে সজ্ঞানে বিপথে চালনা ।
গন্তব্য পিছু টানে বারে বারে , টের পাই , সাড়া দেয়ার সাহস থাকেনা ।
তবু আমি মুক্তির আকাশপথে মেঘ হয়ে উড়েছি ক্ষণকাল
আকাশের সীমানা ছাড়িয়ে যেতে চেয়েছি , পারিনি , মুহূর্তের আঘাতে বৃষ্টি হয়ে ঝরে পড়েছি উদ্বাহু ধরণীর বুকে । সেখানে কোমল পলিতে একেবারে মিশে যেতে পারিনি , নদীতেও পাইনি কোনো ঠাঁই ,
শুধু বন্যার সাথে মিলে ভেসে গেছি কোন লোকালয়ে , বহুদূর বয়ে নিয়ে গেছি মাটির নিবিড় কিছু আবর্জনা ।
তবু সে বন্যার তোড়ে হয়তো ধ্বসে গেছে কারো কারো স্বপ্নের চার দেয়াল । তারাও আমার সাথে ভেসে যেতে চেয়েছিল বহুদূর ।
কিন্তু কি লাভ তাতে !
হুমায়ুন আজাদের প্রবচনগুচ্ছ - ১
১
মানুষ সিংহের প্রশংসা করে, কিন্তু আসলে গাধাকেই পছন্দ করে।
২
পুঁজিবাদের আল্লার নাম টাকা, মসজিদের নাম ব্যাংক।
৩
সুন্দর মনের থেকে সুন্দর শরীর অনেক আকর্ষণীয়। কিন্তু ভণ্ডরা বলেন উল্টো কথা।
৪
হিন্দুরা মূর্তিপূজারী; মুসলমানেরা ভাবমূর্তিপূজারী। মূর্তিপূজা নির্বুদ্ধিতা; আর ভাবমূর্তিপূজা ভয়াবহ।
৫
শামসুর রাহমানকে একটি অভিনেত্রীর সাথে টিভিতে দেখা গেছে। শামসুর রাহমান বোঝেন না কার সঙ্গে পর্দায়, আর কার সঙ্গে শয্যায় যেতে হয়।
৬
আগে কারো সাথে পরিচয় হ’লে জানতে ইচ্ছে হতো সে কী পাশ? এখন কারো সাথে দেখা হ’লে জানতে ইচ্ছে হয় সে কী ফেল?
৭
শ্রদ্ধা হচ্ছে শক্তিমান কারো সাহায্যে স্বার্থোদ্ধারের বিনিময়ে পরিশোধিত পারিশ্রমিক।
৮
আজকাল আমার সাথে কেউ একমত হ’লে নিজের সম্বন্ধে গভীর সন্দেহ জাগে। মনে হয় আমি সম্ভবত সত্যভ্রষ্ট হয়েছি, বা নিম্নমাঝারি হয়ে গেছি।
৯
১৩ ডিসেম্বর ১৯৭১
চারদিকে উড়ছে বাঙালির বিজয় নিশান । এদিনে পূর্ব ও উত্তর দিক থেকে মিত্রবাহিনী ঢাকার প্রায় ১৫ মাইলের মধ্যে পৌঁছে যায়। ৫৭ নম্বর ডিভিশনের দুটো ব্রিগেড এগিয়ে আসে পূর্বদিক থেকে। উত্তর দিক থেকে আসে জেনারেল গন্ধর্ব নাগরার ব্রিগেড এবং টাঙ্গাইলে নামে ছত্রিসেনারা। পশ্চিমে ৪ নম্বর ডিভিশনও মধুমতি পার হয়ে পৌঁছে যায় পদ্মার তীরে। রাত নয়টায় মেজর জেনারেল নাগরা টাঙ্গাইল আসেন। ব্রিগেডিয়ার ক্লের ও ব্রিগেডিয়ার সান সিং সন্ধ্যা থেকে টাঙ্গাইলে অবস্থান করছিলেন। রাত সাড়ে নয়টায় টাঙ্গাইল ওয়াপদা রেস্ট হাউজে তারা পরবর্তী যুদ্ধ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনায় বসেন। আলোচনার শুরুতে মেজর জেনারেল নাগরা মুক্তিবাহিনীর উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করে বলেন,
মুক্তিযোদ্ধারা যদি আমাদের বিনা বাধায় এতটা পথ পাড়ি দিতে সাহায্য না করতেন, তাহলে আমাদের বাহিনী দীর্ঘ রাস্তায় যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে পড়তো। রাস্তাতেই আমাদের অনে
প্রবাল দ্বীপ - ১ ( রহস্য গল্প )
১
বাংলাদেশ বিমানের ঢাকা টু লন্ডন সরাসরি ফ্লাইটে লন্ডন যাচ্ছে অভি। বাংলাদেশ দূতাবাসের কালচারাল উপদেষ্টা হিসেবে নতুন জয়েন করেছে সে। অন্য কারো জন্য এই চাকরিটাই হতো সোনার হরিণ কিংবা লক্ষ টাকায় কেনা নিজস্ব সম্পত্তি।
চলমান থ্রেডের একটি বিচ্ছিন্ন অংশ- ২
পার্কের ভেতরে ঢুকেই আপনি যে লাল ইট বিছানো চওড়া আইল্যান্ডটা দেখতে পাবেন, সেটা আপনার বসার জায়গা। আপনার সঙ্গে যদি বান্ধবী থাকে তাহলে আপনি এখানে বসতে পারেন। যদি না থাকে তাহলে তো আরো ভালো, বসে একটা সিগারেট ধরান। কি কি কাজ বাকী আছে সেটার একটা লিস্ট মনে মনে তৈরি করা শুরু করুন। আপনি যদি একটা ফোন করতে চান এবং কাউকে এখানে আসতে বলতে চান, তাহলে বেশি ভিতরে না গিয়ে আইল্যান্ডের শুরুর দিকেই কোথাও বসুন। যাকে আসতে বলতে চান তাকে বলুন, ছবির হাটে চলে আসতে। সে ছবির হাটে পা দিয়েই আপনাকে দেখতে পাবে। আর যদি কোনোদিন ভাগ্যক্রমে ওস্তাদের মুড-টুড বেশি ভালো থাকে, তাহলে হয়তো আপনি এমন কাউকে নিয়ে এখানে উত্তেজিত ভঙ্গিতে ঢুকে পড়বেন, যাকে বলার জন্য অনেকগুলো কথা আপনার মাথার ভেতরে ঠেলাঠেলি করতেসে। কিন্তু আপনি জানেন, প্রিয় সময়গুলো সবসময়ই খুব দ্রুত কাটে। এবং আপনি এও জানেন, আজো না-বলা থেকে যাবে অধিকাংশ কথাই। তখন আপনি মনে মনে খুশি
শীতে..[এলোমেলো কাব্যকথন]
শীতের আমেজ গায় জড়িয়ে,
শীতের অপেক্ষাতে..
দিন গুনে দিন,
যায় গড়িয়ে..
শীতে;
অসুখ যত নিত্যি মিতে..
চায় না যেতে ছেড়ে,
যদি বা যায়,
আসে-
আবার ফিরে ফিরে..
শীতে;
আলসেমি-তে পেয়ে বসে,
দিন ভর সব কাজে..
এমন সময় কলেজ-অফিস,
কার না লাগে বাজে..?!
শীতে;
একটু ব্যাথাই লাগে ভীষণ,
চক্ষে আনে জল..
হঠাৎ হাওয়ায় শিউরে উঠা,
এসব কেমন ছল..?!
শীতে;
রাত ভর ঘুম,
লেপের আরাম-
ভাপার ঘ্রাণে ভোর..
শিউলি ঝরা;
শিশির স্নাত ঘাসের মত-
খুনসুটি-তে;
মায়ের মুখে স্নিগ্ধ হাসি,
মিথ্যে বকায় উষ্ণ আদর..
কুয়াশার-ই চাঁদর ঢাকা;
রহস্যময় প্রকৃতি আর
ঝিরঝিরি রোঁদ,
আনন্দের-ই হাওয়া..
টুকরো যত ভালোলাগা,
তাদের তরে-
যন্ত্রণা সব ভোলার সনে,
শীতের-ই পথ চাওয়া..
"প্রযত্নে হন্তা"র সলুক সন্ধানে..
এই লেখাটা যখন লিখতে বসছি, তখন আমার পাশে সাইলেন্ট করে রাখা মোবাইলটা কাঁপছে। ফোন এসেছে। আমি ঘার ঘুরিয়ে একটু চোরা চাহুনি দিয়ে ফোনকারীর নামটি দেখেই আবার না দেখার ভান করে কি-বোর্ডে ক্রমশ: আঙ্গুল চালাতে থাকি। গত নভেম্বরের ১৫ তারিখের মাঝে লেখাটা দেওয়ার কথা ছিলো, ও মনে না করিয়ে দিলে ডিসেম্বরের ১৫ই পার হয়ে যেত আরেকটু হলে! যাই হোক, বলছিলাম হিমালয়ের কথা। প্রসঙ্গ তার প্রথম প্রকাশিত গল্পগুচ্ছ "প্রযত্নে হন্তা"র ভালো লাগা- মন্দ লাগা বিষয়ে আমার মতামত।
ভালোবাসা
প্রৌঢ়ের সাদা পাঞ্জাবি মৃদু বাতাসে উড়ছে, পাশে দাঁড়িয়ে আছেন তার উদ্বিগ্ন স্ত্রী, তিনি তার মেয়ের হাত ধরে কথা বলছেন, কথা বলবি না মা? অভিমান হয়েছে?
ঘরের মৃদু ফিসফাসের ভেতরে তার ভারি খসখসে গলার শব্দগুলো মিলিয়ে যায়।
কথা বল মা। এতদিন পর দেখা হলো, একটা কথাও বলবি না তুই? কি এত অভিমান তোর?
উদ্বিগ্ন স্ত্রী হাত বাড়িয়ে প্রৌঢ়ের হাত ধরতে চান
কষ্ট কি আমার ছিলো না মা? আমারও কি অভিমান নেই? এত অভিমান পুষে রাখতে নেই।
প্রৌঢ়ের কণ্ঠস্বর আরও গম্ভীর হয়ে যায়।
এন্ড দেন দেয়ার ইজ
মইরা তো একদিন যাইতেই হইবো।
সো যেকয়দিন বাইচা আছি, পিত্থিবির রূপ-রস-গন্ধ চাইখা লই। আমার্মতো মুখ্যুসুখ্যু মাইনষেগোর এই একটাই সমির্সা। দুইন্যাটারে দুই চৌখ দিয়া দেইখা ফেলতে শখ হয়, দুইকান দিয়া সবকিছু শুইন্যা ফেলতে শখ জাগে, নাকের ছুট্টু দুই ফুটা দিয়া সব সুগন্ধ দুর্গন্ধ মাথার ভিত্রে লইয়া খিচুরী বানাইতে শখ হয়। সারাদিনের বোওওওরিং কাজ কাম শ্যাষ কইরা নেটে মাথা ঢুকাইয়া বিনোদিত হইতে ইচ্ছা হয়। সেই নেটের দুইন্যাও যদি পাইন্সা হইয়া যায়? তাইলে আমাগো আর কি বাকি থাকে। যাও এক দুইখান বিনোদোন আছিলো, তাও হাতছাড়া হইয়া গেলোগা চৌখের পলক ঝাপ্টাইটে না ঝাপ্টাইতেই।
অহন, বিটকাইল্যা দিন পার কইরা আইয়া মনিটরের সামনে বইয়া ঝিমাই। মনের ভিত্রে গিয়ানী গিয়ানী কথাবাত্রা বলক দিয়া ওঠে। ঐযে কইলাম মুখ্যুসুখ্যু মানুষ, তাই সেই বল্কানি উঠা কতাগুলা আর ফিরনী পায়েস হইয়া ওঠে না। হুদাই চাইরদিকে দুধ পোড়া গন্দ ছড়াইয়া যায়।
বন্ধু
বোবা এই বুকে দুখের আগুন জ্বলে ।
যার প্রাণ কাঁদে সেই আগুন নিভাতে ,
দগ্ধ হয় নিজে - বন্ধু বুঝি তারে বলে !
নিঃসঙ্গ স্বপ্নভঙ্গ অন্ধকার রাতে
হাত ধরে সে আলোর পথে নিয়ে চলে ,
সুপ্তি ভেঙে জয়গান শোনায় প্রভাতে ।
তার লাগি রাজি ডুবতে অথই জলে ,
ভয়হীন , অকাতর মরণ আঘাতে ।
হে বন্ধু , জেনো তুমি কখনো একা নও ,
তোমাতে আমাতে কোনো রবেনা বিরহ ;
যত দূরে যাও তবু এ হৃদয়ে রও ,
প্রাণের অটুট বিশ্বাসে নেই সন্দেহ ।
ভুলনা আমায় , যদি চিরসাথী হও
প্রাণে ঠাঁই দিয়ো মোরে নাশ হলে দেহ ।
এখন তো আগের মতই চন্দ্রগ্রহণ লাগে
অসীমায়িত কয়েকটা সময়খন্ডের ভেতর
তোমাকে ঢুকিয়ে টিপে দেবো সুইচ
দেখবো দশ বছর আগের লাল টিপ
আর জর্জেট শাড়িতে ভেজা বেহায়া নাগরিক
তোমার কি কমে গেছে ঐসব
যারজন্য লিফটে জড়োয়া ঘন্টা
আর বাসের সিটে কনুইয়ের গোছায়
পাশাপাশি বসা সামাজিক চুনকালি!
এখন তো আগের মতই চন্দ্রগ্রহণ লাগে
অজুহাত থাকে যখন তখন বানিয়ে নেবার
আগে পড়ে গেলে আসমান থেকে সূর্য পড়ে না ছিটকে
অথবা তোমার শরীর ঘেমে অল্পতেই হয় না বর্ষা!