ইউজার লগইন
ব্লগ
দূরাগত আশঙ্কা অজানা
উদ্দীপ্ত সূর্যতলে উদ্ভাসিতা
এক চাঁদের বিকিরণ
খাঁজ কাটা লাঙ্গলে
জোয়ার আসে শোণিতে
ঘর্মাক্ত শিহরণ
উজান বেয়ে চলতে থাকে
নদী ঝিকিমিকি
স্নায়ুবিক উত্তরণ দু-কূলে
লাফিয়ে নামে শিশু-বসত
ফসল-ফাল্গুনে কাঁপে গ্রীবা
ছড়ায়িত স্বর্ণালী আঙ্গিনা
আলতা পায়ে বাজে নূপুর
দূরাগত আশঙ্কা অজানা।
বন্ধুদের বিবাহের খায়েশ পূরন সমিতি!
শরীরটা ভালো না।কেমন জানি বমি বমি লাগতেছে তাই আড্ডা ফেলে বাসায় এসে পড়লাম।এসে দেখি শরীর কোনো খারাপই না।বাসায় বসে কী করবো ভাবছিলাম এমন সময় ভাবলাম এবিতে একখান পোষ্ট মাইরা দেই।কিন্তু কি নিয়ে লিখবো তা ভেবে পাইতেছিলাম না তখনি হঠাত ২০০৯ সালের কথা মনে পড়লো।ভাবলাম লিখেই ফেলি আজাইরা এক কাজ কর্মের ফিরিস্তি।
সামু ব্লগে এখন যাই না একেবারেই।লোকজন পড়ে মাঝে সাঝে আমি তাও যাই না।সামু ব্লগে সব সময় বিবাহ নিয়া যে কোন আলোচনাই হিট।বিশিষ্ট বড় ভাইজান-আপুদের দেখতাম বিবাহের সিরিয়াল নিয়ে খুব আলোচনা হয়তো।কার আগে কে থাকবে?সেইখানে আমাদের বলা হইতো 'পোলাপাইন রাস্তা মাপো।এই খানে কি?'আমি ভাবতাম বিবাহ করতে ব্লগের সিরিয়াল কেন নিতে হবে?মন চাইলে বিবাহের পরিবেশ পাইলেই বিয়া করবা!ব্লগের আলোচনার খেতা পুরো!
পবিত্র কুরআনের একটি আয়াত
"আল্লাহ তো অদৃশ্যের জ্ঞাণী পরন্ত তিনি তা কারও কাছে প্রকাশ করেন না ।"
:সুরা আল-জীন{আয়াত ২৩}
.
.
.ব্যখ্যা : আল্লাহ ছাড়া অদৃশ্য বিষয়ের জ্ঞাণী কেউ নাই । কারণ তিনি তা কখনও কারও কাছে প্রকাশ করেন নি । তাই কখনও মানুষের পক্ষে অদৃশ্যতার ব্যাখ্যা দেওয়া সম্ভব নয় ।
.
.
.বৈজ্ঞানিক যুক্তি : কোন বস্তু থেকে প্রতিফলিত রশ্মি আমাদের চক্ষু লেন্স ভেদে রেটিনায় পড়লে আমরা সেটি দেখতে পাই । কিন্তু যে বস্তু থেকে কোন আলো প্রতিফলিত হয়না তাকে কালো বা অন্ধকার দেখাত । অথচ বিজ্ঞাণীদের মতে জীনদের শরীর থেকে আলো প্রতিফলিত হয়না বলেই তাদের দেখা যায়না । আলো প্রতিফলিত না হলে সেটা কালো দেখাত অথাত্ তার অস্তিত্ত টের পাওয়া যেত । তাই জিনদের শরীর থেকে আলো প্রতিফলিত হয়না , এই কথাটি ভৌতিষ্ট সূর্য ভুল প্রমাণিত করেছে ।{আমি}
৯ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন চতুর্দিক থেকে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে পাকবাহিনী। মাত্র একদিন আগেই বেতারসহ বিমানে হাজার হাজার লিফলেট ছড়িয়ে পাক হানাদারদের আত্মসমর্পণের আহ্বান জানায় মিত্রবাহিনী। মিত্র ও মুক্তিবাহিনী বীরদর্পে দেশের অধিকাংশ জেলায় বিজয়কেতন উড়িয়ে ঢাকা দখলের জন্য মরিয়া। মিত্র বাহিনী দ্রুত ঢাকা পেঁৗছার লক্ষ্য নিয়ে চারদিক থেকে অগ্রসর হচ্ছে। আগে একটি বাহিনী যাচ্ছে আশুগঞ্জ, দাউদকান্দি ও চাঁদপুর। পশ্চিমে আরেকটি বাহিনী পেঁৗছেছে মধুমতি নদীর তীরে। আরেকটি বাহিনী কুষ্টিয়া মুক্ত করে চলছে গোয়ালন্দ ঘাটের দিকে। হালুয়াঘাট থেকে এগিয়ে আসা বাহিনীও পেঁৗছে গেছে ময়মনসিংহের কাছাকাছি।
একজন ধনী মানুষের গল্প
হা জিন। চাইনিজ আমেরিকান গল্প লেখক। সমকালীন মার্কিন সাহিত্যে তার নামডাক আছে। বেশ কিছু পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। জন্ম ১৯৫৩ সালে সাংস্কৃতিক বিপ্লব চলতে থাকা চীনের লিয়াওনিং শহরে। তিয়েনয়ানমেন স্কয়ারে বিদ্রোহের সাথে জড়িত ছিলেন তিনি। ঐ সময়েই চীন থেকে তিনি যুক্তরাষ্ট্রে চলে যান। বর্তমানে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্যের অধ্যাপক তিনি। অনুবাদিত গল্পটা তার আন্ডার দ্যা রেড ফ্ল্যাগ বই থেকে নেয়া হয়েছে।
একজন ধনী মানুষের গল্প
একটা কিচ্ছা
আমাদের চার তালার আন্টি মারা গেলেন ক্যান্সারে। চার দিনের মিলাদ হলো। হুজুর আসলেন তিনি মাশাল্লাহ একবার শুরু করলে থামেন না। হয়তো গান বাজনার ধাক্কায় হুজুররা সারা মাস কোন ঠাসা থাকেন বলে একবার প্রতিভা দেখানোর সুযোগ পেলে শতরঞ্চি ধরে টান না মারা পর্যন্ত থামতে চান না। আমাদেরকে মুখ কালো আর গম্ভীর করে বিরাট লম্বা কাল কাটাইতে হয় মিলাদের পরের তেহারীর আশায়। চল্লিশার মিলাদে আমরা ভাইবোনেরা কেউ আর বিরিয়ানীর আশায়ও ওপরে যেতে রাজি না। সেই বয়সে পৌঁছে গেছি যে ঘাড় ত্যাড়া করে বাবা-মাকে অগ্রাহ্য করে ফেলতে পারি। আর জানি বাসার বাউন্ডারীর মধ্যে বিরিয়ানি রান্না হয়েছে যখন তখন কিছু না কিছু বাড়ি পর্যন্ত আসবেই।
স্টোরিয়া পোলস্কা (শেষ পর্ব)
পরদিন সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ব ভাবলেও গড়িমসি করে বিছানা ছেড়ে ফ্রেশ হয়ে বেড়োতে বেড়োতে বারোটা বেজে গেলো। নাস্তার টাইম চলে গেলো তাই ব্রাঞ্চ করে ফেলার সিদ্ধান্ত নেয়া হলো। ব্রাঞ্চ করার জন্যে ট্রাম ধরে সিটি সেন্টারে গেলাম। বিভিন্ন ধরনের মুখরোচক খাবারের ছবি দেখে কোন রেষ্টুরেন্টে ঢুকবো তাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না। খাবার দাবার তুলনামূলকভাবে নেদারল্যান্ডসের থেকে বেশ সস্তা। একটি টার্কিস রেষ্টুরেন্টে শেষমেষ ঢোকা হলো। খেয়ে দেয়ে বের হয়ে আগে থেকেই ঠিক ছিল পুরনো ওয়ার্শাও দেখতে যাবো, কিন্তু ট্রাম খুঁজতে যেয়ে দেখলাম, ফাটাফাটি সামার সেল চলছে সেখানে। আর কি, ঢোকো দোকানে।

তুমি ডাকলেনাতো-----
তুমি ডাকলেনাতো, নিঠুর ওগো ! আসছি তবু আসছি ।
তোমার পথে চিরতরে হারিয়ে যেতে আসছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
আকাশ পাড়ে হাজার তারা, জেগে থাকে তন্দ্রা হারা,
আপন হারা সে তারাদের কোনটি তুমি হও !
সারাটি রাত তাইতো জেগে খুঁজছি তোমায় খুঁজছি । তুমি ডাকলেনাতো-------
পথের ধুলায় পায়ের চিহ্ন যাওনি কিছু রাখি,
পথের মাঝে তাইতো থেমে আছি !
বনের ধারে সারাবেলা,
ফুল পরীদের বসে মেলা,
আপনভোলা সেই কলিদের কোনটি তুমি হও !
তাদের ছুঁয়ে তোমার ছোঁয়া তাইতো পেতে চাচ্ছি,
ওগো কাছে যেতে চাচ্ছি । তুমি ডাক্লেনাতো--------
জীবন মরণ
ফুরালোনা সাধ যত , ফুরালো সময় ;
যাতনে শান্তির খোঁজে ছলনার সুরে
ফেলে আসা পথে সুখ রয়ে গেল দূরে ।
সমুখে যে মহাকালে হারাবার ভয় ;
জীবন মানে কি এ সহজ পরাজয় !
এজীবন রণ - মানবের হিততরে
জিনতে তারে দৃঢ় আশা রবে অন্তরে -
অপরে অর্পণ করে প্রীতি ও প্রণয় ।
বিধির চরণে দিয়ে আপনাকে সঁপে
সংশয় কাটে তাঁরে করলে স্মরণ ;
অনন্ত সুখের পথ ব্যাথা অভিশাপে
গড়ে সদা নরভক্তি করেন গ্রহণ ।
তাঁরি ডাকে একদিন লয়ে পূণ্যপাপে
যেতে হবে চিরতরে বরিতে মরণ ।
একদা জাহাঙ্গীর নগরে
আপনি নতুন ক্লিকবাজী করেন? কোটি কোটি ছবি তুলেছেন? হয়তো আপনার ছবি নিয়ম মত হয় নাই। তো কি করবেন? প্রকাশ করবেন না? বড় বড় ফটোগ্রাফারদের ছবি আপলোডের পর আর নিজের ছবি আপলোড শরমের ব্যাপার
... তাই অন্যদের আগেই নিজের গুলা প্রকাশ করা উচিত।
সেই থিউরি মাইনা কিছু ফটুক তুইলা দিলাম আপনাদের আলোচনার জন্য।
আমাদের একটা ফটোগ্রাফী ক্লাব আছে... তো হুট কইরাই আয়োজন... ৩০/৪০ জন যাবে বইলা নিশ্চিত করার পর বাসে উঠে দেখি মাত্র ১০ জন। এই হয়... সব্বাই কইবো আমারে কয় নাই ... কিন্তু যাওয়ার টাইমে হাপিস
যাউকগা... এইসপ ব্যাপার্না ... চলেন এক চক্কর জাহাঙ্গীরনগর দেইখা আসি
ছবি :: ০১ :: জাহাঙ্গীর নগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সদর দর্জা

ছবি :: ০২ :: প্রকৃতি
৮ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন পাকিস্তানি বাহিনী বাংলাদেশের বিভিন্ন স্থানে সম্পূর্ণভাবে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে। আকাশ ও স্থলে শাণিত আক্রমণে দিশেহারা পাক সৈন্যরা। ঢাকার দিকে পালাবার কোন পথই তাদের সামনে খোলা ছিল না পাকিদের। একের সঙ্গে অন্যের যোগ দেয়ারও কোন উপায় ছিল না। এই সুযোগে মিত্রবাহিনীর কর্মকর্তারা তিনটি ব্যবস্থা গ্রহণ করে পুরো পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন। জেনারেল জগজিত্ সিং অরোরাকে তিনটি কলাম নিয়ে ঢাকার দিকে দ্রুত অগ্রসর হওয়ার জন্য বলা হয় এবং একটি ব্রিগেডকে দ্রুত হালুয়াঘাটের দিক থেকে ময়মন-সিংহের দিকে অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়। ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান দখলদার পাকিস্তানি বাহিনীকে আত্মসমর্পণ করতে বলেন এবং সঙ্গে সঙ্গে এই আশ্বাস দেন যে,
আত্মসমর্পণ করলে পাকবাহিনীর প্রতি জেনেভা কনভেনশনের রীতি অনুযায়ী সম্মানজনক ব্যবহার করা হবে।
জেনারেল মানেকশ’র এই আহ্বান আকাশবাণী ব
বাসা বদল
যখন সব কিছু - সব কিছু মানে সবই
পড়ে থাকে টুলে আর দূরে থাকে বসে
লম্বা ছায়া
দীর্ঘ হাঁটা ক্লান্তি শুয়ে পড়ে কলিং বেলে
সিড়ির ভেতরে শব্দ আগন্তুক
... খুলতে যতটা দেরী
তার চেয়েও কাছাকাছি
নিয়ে ফেলে অবসরের বাসাবাড়ি
তেমন কোনো নিকটস্থ রাতে
উদার অন্ধাকার পকেটে পুরে
খটমট উঠে যাবে জানালায়
বারান্দায় ডাকবে কেউ
পাশের বাড়ির পর্দায়
দোল খাবে মলিন আয়না
তেমন একটা বদল করা বাসায়
কাটবে অনিষ্ট প্রহর!
চিরায়ত ঘুম
এখনো অনেক রাত বাঁকি ,
চারিদিকে নিঝ্ঝুম নিরবতা ।
এরই মধ্যে স্বপ্নরাজ্যে পাড়ি জমিয়েছে অনেকেই ।
এদের কারো চোখে সোনালী স্বপ্ন ,
কারো কাছে তা আবার ধূসর বর্ণ ।
কারো কারো চোখে আবার রঙের বালাই নেই -
আছে আঁধার , কেবলই আঁধার ।
কারো কারো ঘুমহীন চোখ রক্তাক্ত লাল
সোনা বা রূপার কাঠি ছোঁয়ায়না কেউ তাদের পায় ।
ওরা নিঃশব্দে পাশ ফিরে বারবার ,
ঘুমোতে চেষ্টা করে - পারেনা ।
কেউ কেউ জেগে থাকে সারা রাত অভুক্ত পেটে
খোলা আকাশের নিচে জ্বলজ্বলে তারা গুনে গুনে ।
ওদের চোখে কোন ঘুম নেই , নেই কোনো স্বপ্নও ;
শুধু আছে দুমুঠো ভাতের স্বপ্নমাখা নীরব চাহনি ।
ওদের বুকফাটা আর্তনাদে
নিশাচর কুকুরগুলো বারবার ডেকে ওঠে ।
তবু ওপর তলার ঘুমন্ত বাবুবিবিদের কানে
সে আওয়াজ কখনো পৌঁছায়না , কখনো পৌঁছাতে পারে না ।
হয়ত এ রাত কেটে যাবে ,
ভোরের আলোতে মৃয়মান তারাগুলোও মিলিয়ে যাবে অচিরেই ;
নড়বড়ে রবি ঠাকুর আর বিস্মৃত কিছু সময়..
আমার ভাতিঝির বয়স সাড়ে ছয় বছর। সিমেন্টের ফ্লোরে খেলে আর আই ফোন দিয়ে রাগী পাখি তাড়ায়। ভাবতে অবাক লাগে আসলেই কি অদ্ভুদ ত্রৈধ বিন্দু দেখেছে এবং দেখছে আমাদের প্রজন্ম। আজব বাক্সটা ডিম আকার ছেড়ে সমান হলো..এখন আবার টেবিল ছেড়ে দেয়ালে ঝুলছে। ছবি প্রিন্ট করা আর আকাশ থেকে পড়া এখন সমান। সেই ছবি অ্যালবাম ছেড়ে আজ মানুষের ক্লিক নির্ভর। আম্মা প্রায়ই বকা দিত, 'ছবির উপরে হাত দিবানা- আঙুলের ছাপ পরবে'..এখন মানুষ কয়-'ম্যাকের উপরে হাত দিবানা- ছাপ পড়ে..'
এখন মানুষের মনে দাগ কাটার চাইতে যন্ত্রে আচঁড় কাটা সহজ...
সেই যন্ত্রের প্রতি ভালোবাসা এখন এতই কোন একদিন আমার ভাতিঝি হয়তো বলবে, আমরা মানব নই যানব..!!
আমরা যেহেতু একদমই মাটির মানব - তাই মাঝে মাঝে এখনকার সময়ের সাথে নিজেদের সময়টা মিলিয়ে নেই। কি অদ্ভুদ ছিল আমাদের স্কুল জীবন! খুব বেশিদিন আগে তো না।
