ইউজার লগইন
ব্লগ
শেষ ডাক
জীবনবোধের তিক্ত পাঁচন
গিলতে না চায় মন গহ্বর
সময় তোড়ে পাষাণ ভেঙে
গড়তে না চায় দেহ ভাস্বর ।
কী লাভ তাতে পূর্ণিমা রাতে
চাঁদখানি যদি দেখায় ভীষণ ,
অমাবস্যায় যদিনা ঘুচায়
আঁধার - নেইকো তার প্রয়োজন !
কেবলই জেনেছি ফুলে মৌমাছি
সানন্দে করে মধু লুন্ঠণ ,
ছিলোনা স্মরণে গোপনে কেমনে
যুগে যুগে ঘটে পরাগায়ন ।
সুঘ্রাণ বাতাসে যদি ভেসে আসে
খুঁজিনাই সে যে কোন বনফুল ,
নানান কর্মে ব্যস্ততা মাঝে
করে সে যদিও হৃদয় আকুল ।
রাতদুপুরে স্বর্গীয় সুরে
শ্যামের বাঁশিতে ডেকেছে আমায় ,
আমি ঘুম ঘোরে অলসতা ভরে
স্বপ্নে দেখি সে ফিরে চলে যায় ।
ঘুম ভাঙে যবে বনে কলরবে
শত ফুল কাঁদে আমায় ডেকে ,
সেথা যেতে গিয়ে পিছু উঁকি দিয়ে
ভুলি বাগানের দুটো ফুল দেখে ।
এমনি কত কী ডাকে দিবানিশি
কারে সাড়া দিই ভেবে পাইনাক ,
যাতে নেই সুধা তাতে পাই ক্ষুধা
মিছে অমৃত আমি চাইনাক !
অথচ যখন ডাকছে মরণ
সময়ের কাঁটা
সময়ের কাঁটা চলেছে অবিরত
সকলের অগোচরে
নিঃশেষ হয় ধীরে ধীরে
জীবনের আয়োজন যত ।
দুঃখসুখের অদ্ভুত সুরে সুরে
হারায় এ প্রাণ দূর তেপান্তরে
হারানো দিনের আকুল আর্তনাদে
সাড়া দিয়ে তাই সবাই মর্মাহত ।
যায় দিন যায় কত স্মৃতি পিছু ফেলে
নতুন আশার সন্ধ্যাপ্রদীপ জ্বেলে
নবীনকে বরে , যায় পুরাতনে ভুলে
বড় নিষ্ঠুর স্বার্থপরের মত ।
বাঁচার তাগিদে ব্যস্ত যে যার কাজে ,
আকাঙ্ক্ষার আকাশে মেঘের মাঝে
ফুরোলো জীবন তাই শঙ্কিত চিত্ত -
(তবু) সময়ের কাঁটা চলেছে অবিরত ।
লিখিনি তোমায় নিয়ে
লিখিনি তোমায় নিয়ে কবিতা কভু,
রচিনি গানের কলি আঁকিনি ছবি ।
হৃদয়ের একান্ত গোপন পরতে
যত কথা যত ব্যথা ঘুম পারিয়েছি ।
কত যে স্বপ্ন মোর তোমায় ঘিরে,
ও সব তোমায় আজো কহিনি সখী !
মনের মুকুরে নিতি ফোটে যে ছবিরা,
রঙ তুলিকায় আজো নিইনি আঁকি ।
তবু ও তোমায় নিয়ে মনো লতিকায়,
অহোরহো কত যে ফোটাই কুসুম ।
লাজুক কামনা রাঙা পিয়াসী অধর,
পেলব ও ঠোঁটে তব আঁকে নিতি চুম !
যদিও কিছুই আজো হয়নি বলা,
তবু তোমারই পথেই এ পথ চলা ।
৪ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন থেকে স্বাধীন বাংলাদেশের পথে মুক্তিযোদ্ধাদের যাত্রা শুরু হয়ে গেছে। বিভিন্ন অঞ্চল মুক্ত হতে থাকে। এদিনে, ৪ নম্বর সেক্টর কমান্ডার লে: কর্নেল সি আর দত্ত এবং জেড ফোর্সের মেজর জিয়াউদ্দিনের নেতৃত্বে সিলেটের কানাইঘাট দখলের পর এলাকায় শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করেন। ৩ নং সেক্টরের মুক্তিবাহিনী শমশের নগর বিমান বন্দর এবং আখাউড়া রেল স্টেশন দখল করে। ৮ নং সেক্টরের মুক্তিবাহিনী মেহেরপুর দখল করে যশোরের দিকে অগ্রসর হতে শুরু করে। ১১ নং সেক্টরে যৌথ বাহিনী বড় ধরনের আক্রমণ চালিয়ে পাকিদের শক্ত ঘাটি কামালপুর বিওপি দখল করে। পাকবাহিনী দিনাজপুরের ফুলবাড়িয়া রেল স্টেশন দখলে রাখার সর্বাত্মক পরিকল্পনা গ্রহণ করে। পাকিস্তান নৌ-বাহিনীর সাবমেরিন পিএনএস গাজী বিশাখাপত্তম বন্দরের কাছে আক্রান্ত হয়ে ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়। ভারতীয় বিমান এবং নৌবাহিনীর জঙ্গি বিমা
একটি প্রেমের কবিতা এবং সামান্য হাবিজাবি
কবিতা লিখি। নিজের ইচ্ছেমতো । মাঝে মাঝে মানুষদের শুনাই । কেউ বলে ভালো । কেউ বলে ডিকশনারি ফুটা কইরা কবিতা লিকশে রে। যারা বড় কবি এইরকম মন্তব্যে তাদের কিছু আসে যায় না । আমি ক্ষুদ্র কবি । আমার ব্যাপক আসে যায় । মনে হয় এ যাবত লেখা সবকটা কবিতা পুড়িয়ে ফেলি ।
আমাদের অতি পরিচিত আর অতি আপন এক বুড়ো আছে না ? চিনতছেন না ? আরে ওই যে মুখ ভরতি জঙ্গল যে লোকটার ! আমি যখন ভয়ানক কাব্য হতাশায় ভুগি, তখন সে মনের ভেতরে এসে বিড়বিড় করতে থাকে -
কত লিখেছি কতদিন,
মনে মনে বলেছি - খুব ভালো ।
আজ পরম শত্রুর নামে
পারতেম যদি সেগুলো চালাতে
গল্পের পেছনের গল্প
দেশে থাকতে বিটিভির একটা ডকু-বিজ্ঞাপনের দেখেছিলাম বারান্দায় অস্থির ভাবে পায়চারি করছেন আবুল খায়ের। ঘরের ভেতর থেকে হঠাৎ করে ভেসে আসলো সদ্য জন্ম নেয়া শিশুর কান্না। দরজা খুলে দাই এসে বল্লো মেয়ে হয়েছে। আবুল খায়ের সংগে থাকা নাতিকে নিয়ে মোনাজাত করছেন। দৃশ্যটার মাঝে অন্যরকম এক পরিতৃপ্তি আছে। সিনেমা বা নাটকে আমরা প্রায়শই দেখি সদ্য জন্ম নেয়া শিশুকে কোলে নিয়ে পিতার মুখ, চারপাশে হাসি মাখা একগাদা মুখ। দূর্ভাগ্য এর কোনোটাই আমার ভাগ্যে লেখা ছিলো না । দু ছেলের জন্ম নেবার সময় মোনাজাত করবার মতো দাদা পায়নি আমার ছেলেরা, পাশে পায়নি একদল স্বজনের হাসিমাখা মুখ। পাশে ছিলাম শুধুই এই মানুষটি, কান্নারত আমার বউ আর মাতৃরুপী ধাত্রী।
ফেসবুকে বউ এর লেখা নোটখানা তুলে দিলাম
গ্যাস উত্তোলন: স্থানীয় চাহিদাও মেটানো উচিত
কিছুদিন আগে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা থানার অধিবাসীরা গ্যাসের দাবিতে আন্দোলন-বিক্ষোভ করেছে। এই থানার অন্তর্গত সালদা নদীতে যে গ্যাস পাওয়া গেছে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই গ্যাস কসবা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে চট্টগ্রামে সরবরাহ করার। পত্রিকার খবর অনুসারে, সালদা গ্যাস ফিল্ডের তিন নম্বর কূপ থেকে ২২ নভেম্বর থেকে বাখরাবাদ গ্যাস সিস্টেম লিমিটেডের মাধ্যমে জাতীয় গ্রিডে অন্তত ৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে যা মূলত চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকার চাহিদা মেটানোর কাজে ব্যবহার করা হবে। সরকারের এই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে সেখানকার বাসিন্দারা শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল-সমাবেশ-মানবন্ধনসহ নানা ধরনের প্রতিবাদ করেছে। অবশ্য পাইপলাইনে কোনোমতেই গ্যাস না দেওয়ার হুমকিধামকিও দেয়া হয়েছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে। কসবাবাসীর পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, স্থানীয় পর্যায়ে গ্যাসের চাহিদা মিটিয়ে তবেই কেবল বাকি গ্যাস দেশের অন্যত্র সরবরাহ করা য
আমার সিসিমপুর (৩)
১। গতকল বিকালে আমি আমার বোনের বাসায় যাচ্ছিলাম। ভাইয়া আমাকে বলল আসার সময় আরভিনকে নিয়ে এসো। আজকে ওদের রাতে বাইরে খেতে নিয়ে যাবো। তো আমি আসার সময় নিয়ে আসলাম আরভিনকে।
সন্ধ্যায় আরভিন, তাহিয়া খেলছে। নিজেদের মতো গল্প করছে।
আরভিনঃ তাহিয়া, তুমি বড় হয়ে কি হতে চাও?
তাহিয়াঃ আমি!!! আমি বড় হয়ে ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই। তুমি কি হতে চাও আরভিন?
আরভিনঃ আমি? হিরো!! একটা হিরো হতে চাই।
তুমি কি হতে চাও তোম্মা?
আমিঃ আমি তো বড় হয়েই গেছি আব্বু। কিন্তু কিছুই হতে পারি নি।
আরভিনঃ কেন তোম্মা?
আমিঃ ছোটবেলায় যে আমি লক্ষী হয়ে পড়াশুনা করিনি। তাই আমি বড় হয়ে কিছুই হতে পারিনি।
আরভিনঃ তাহলে কি তুমি ফকির তোম্মা?
আমিঃ
হ্যাঁ বাবা আমি ফকির। দেখোনা বাইরে যাওয়ার সময় আমাকে দিদু, দাদানের কাছ থেকে টাকা নিয়ে যেতে হয়?
দুইজনঃ ওহ। আচ্ছা। 
৩ ডিসেম্বর '৭১
বাংলাদেশের মুক্তি সংগ্রাম নতুন মাত্রা পায়। পাকবাহিনীর বিরুদ্ধে শুরু হয় সম্মুখযুদ্ধ। মিত্রবাহিনীর সাথে সম্মিলিতভাবে সম্মুখযুদ্ধে এগিয়ে যায় বীর বাঙ্গালী। এদিনেই বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর সার্থক হামলায় নারায়ণগঞ্জের গোদনাইল ও চট্টগ্রামের ফুয়েল পাম্প মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বীর মুক্তিযোদ্ধারা এ সময় একের পর এক যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন ও ক্ষতিগ্রস্ত করে পাকিস্তানি সেনাদের ফাঁদে পড়া ইঁদুরের মতো কোণঠাসা করে তোলে।
আবোল তাবোল- ৬
# # # # #
অনেক দিন পর, খুব মন ভাল একটা দিন গেল আজ। গতকাল এক্সাম শেষ হয়ে গেছে। এটা একটা বড় কারণ। আজ থেকে আবারও ছুটি, বছরখানেকের জন্য স্বস্তি। কোথাও ঘুরে আসতে পারলে ভাল ছিল, আপাতত সময় সুযোগ হবে বলে মনে হচ্ছে না।
কোনো কিছু পাওয়ার আগে পর্যন্তই বেশি থাকে তার আবেদন ,আর পাওয়ার পর থেকেই শুরু হয় আর সময়ের সাথে সাথে বাড়তে থাকে তা হারিয়ে ফেলার শঙ্কা। কি বিচিত্র এই মানব মন!
কাল সারারাত জেগে থাকায় আজ ফজরের নামায জামাতেই পড়তে পারছি। তার তার ধারাবাহিকতায়ই হয়তো দিনের বাকি চার ওয়াক্তও কিভাবে কিভাবে জানি জামাতের সাথে পড়া হয়ে গেছে। বেশ অনেক দিন পর, এইক্ষেত্রেও। এটাও একটা কারণ বটে।
রঞ্জনা আমি আর আসবো না
অঞ্জন দত্তের ভক্ত কে কে? আমি হাত তুললাম। গান শুনতে তো ভালই লাগে, গান দেখতেও ভাল লাগে। বৃষ্টির এই গানটার তুলনা কোন গানটির সংগে দেবো?
আমি বৃষ্টি দেখেছি
বৃষ্টির ছবি একেছি
আমি রোদে পুড়ে
ঘুরে ঘুরে অনেক কেঁদেছি
এই অঞ্জন দত্তের আরো পরিচয় আছে। অঞ্জন দত্ত অভিনয় করেন। সেই যে মৃনাল সেনের খারিজের অঞ্জন দত্ত। আবার অপর্না সেনের যুগান্ততেও ছিলেন তিনি। অভিনয় ভাল করেন না এটা বলা যাবে না।
অঞ্জন দত্ত সিনেমা পরিচালনাও করেন। অবশ্য পরিচালক অঞ্জন দত্ত আমাকে খুব মুগ্ধ করেছে তা বলা যাবে না। খুব বেশি মনোযোগ দিয়ে দেখেছি তাও না। কাল দেখলাম। ছবির নাম-রঞ্জনা আমি আর আসবো না

বোতাম আঁটানো বুকপকেটে
আপদের বেড়াজাল ছিন্ন ভিন্ন ,
ওরা এগোয় আরেক ধাপ ।
বিষাদের নিলীমায় আকাশে ভেসে বেড়ায়
দু'একটা হতবাক রোদপোড়া গাংচিল ।
আধারও ভেসে বেড়ায় ,
পিছু পিছু তেড়ে আসে
বারে বারে হিংস্র ছায়ার মতন।
দিকবিদিক কত ছড়ানো হতাশাগুলো
ঠাঁই পায় চিরতরে
বোতাম আঁটানো এই বুক পকেটে ।
২ ডিসেম্বর ১৯৭১
এদিন মুক্তির সংগ্রামে উত্তাল ছিল বাংলার মাটি; বিজয় দ্বারপ্রান্তে। পাকবাহিনী পিছু হটছে। এদিনে মুক্তিবাহিনী ঘোড়াশালে পাকবাহিনীর অবস্থানের ওপর চারদিক থেকে আক্রমণ করে ২৭ পাক হানাদারকে হত্যা করতে সক্ষম হয়। এখান থেকে বেশ কিছু গোলাবারুদ উদ্ধার করে মুক্তিবাহিনী। এদিকে, আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন মুক্তিবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে এলেও পাকবাহিনী তাদের বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠে মুক্তিবাহিনীর ওপর পাল্টা আক্রমণ করে। এই আক্রমণে মুক্তিবাহিনী পুনরায় তাঁদের অবস্থান সুদৃঢ় করে তিন দিক থেকে শত্রুকে আক্রমণ করলে পাকবাহিনী আজমপুর রেলওয়ে স্টেশন ছেড়ে পালিয়ে যায়।এদিকে, চট্টগ্রামে মুক্তিবাহিনীর গেরিলারা উত্তরে ফটিকছড়ি ও রাউজান থানা এবং দক্ষিণে আনোয়ারার অধিকাংশ স্থান তাঁদের দখলে আনতে সক্ষম হয়।পাক কমান্ডার মোছলেহ উদ্দিন ভালুকা থেকে একদল রাজাকারকে সঙ্গে নিয়ে কাঁঠালি গ্রামে লুটপাট এবং অগ্নিসংযোগ করতে এলে মুক্তিবাহিনী
একটা অসম্পূর্ণ গল্প
প্রথম দেখার কালে বন্ধু
কথা দিয়াছিলে...
স্কুলজীবনে যে ক'জন বালিকার প্রতি মন থেকে অনুরাগ অনুভব করেছিলাম, তাদের মধ্যে হৃদিতা আর টুয়ী ছিলো সবচে' দারুন। দুঃখের কথা; শেন ওয়ার্ন আর স্টুয়ার্ট ম্যাকগিল সমসাময়িক হওয়ায়, ম্যাকগিলের প্রতিভার প্রতি সুবিচার করতে পারে নি ইতিহাস। তেমনি টুয়ীর প্রতিও সুবিচার করতে পারি নি আমি। পরবর্তীতে এ দুঃখ ভুলতে পেরেছিলাম, হৃদিতার বিয়ের অনুষ্ঠানে টুয়ীর সঙ্গে দেখা হয়ে যাওয়াতে। তখনও 'বিয়া হইসে তাতে কি/ হলুদে তো গিয়েছি' গান বের হয় নি। স্বাভাবিক ভাবেই মন ভার হয়ে থাকার কথা। ছিলোও।
সেই সময় টুয়ীকে দেখে তাই নিজেকে মনে হয়েছিলো, দ্রুতগামী কোনো জাহাজের পাশে লাফিয়ে লাফিয়ে পাল্লা দিতে থাকা একটা উড়ুক্কু মাছ। মেয়েরা অনেক অসাধারণ প্রকৃতির হয়। হৃদিতার সঙ্গে ভাব করার মতো একটা গর্হিত অপরাধকেও টুয়ী সেদিন অকপটে মাফ করে দিয়েছিলো।
সত্য মিথ্যা
একটা সময় । যখন সবকিছু শূণ্যের দিকে ধাবমান । আসলে কিছু ছিলোওনা , না ছিলো কোন আলোও । শুধু একটা ঘর পড়ে ছিলো নির্জনতার আবেশে নীরব । ঘরটাতে সত্যিই ছিলোনা আলো , না ছিলো আঁধারও। ঘরটা ছিলো বেবাগী, আরেক ঘরের ছত্রছায়ায় । সে ঘরটা ছিল অন্য আরেক ঘরের গর্ভে । হঠাত্ ঘরগুলোয় ক্রমান্বয়ে আন্দোলন । ভিতর বাহির সর্বত্র তোলপাড় । দেয়ালে দেয়াল তোলা তুমুল ঝড়ের মেঘ । মেঘে মেঘে গর্জন । তবু সে গর্জনে ভীত হবার মত কেউই ছিলনা কোন ঘরে । তাই কোন ঘরেই ছিলনা কোন আয়না , কিংবা আয়নায় কাঁপা কাঁপা অস্ফুট কারো হাসিমুখ । কেউ ছিলোনা যে গভীর নিরীক্ষণের পর বলবে , আসলে আয়নাও মিথ্যে বলে । সুতরাং এরপর এক স্বয়ম্ভু মিথ্যের স্বপ্রজনন । তার অব্যাহত বংশ বিস্তার । জনুতে জনুতে স্বয়ংসম্পূর্ণ মিথ্যেরই বীজ । যদিবা তা সত্যেরও হতে পারতো আর তাহলে কোন এক কালেতো সেই প্রচ্ছন্ন সত্যটাও দেখা দিতো ! কিন্তু সেটাতো দৈবের ব্যর্থতা । আসলে ব্যর্থ কারা ?