ইউজার লগইন
ব্লগ
ঘৃণা
অনেকে বলেন, স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের কোন দরকারই ছিল না। বাংলাদেশের স্বাধীনতা তথা পাকিস্তানের বিভাজন শুধু মাত্র স্নায়ুযুদ্ধকালীন বিশ্বরাজনীতির একটা উদাহরণ। এই বক্তব্যের পিছনে তাদের যুক্তিও থাকে, এবং আমি নিজেই বুঝি, তাদের সব যুক্তি ফুঁ দিয়ে উড়িয়ে দেবার মতন নয়।
কিন্তু, বিশ্বরাজনীতির মতন নোংরা আর প্যাঁচালো বিষয়কে মনে আনতে চাই না। পৃথিবীর শুরু থেকে সব সৃষ্টিই যুদ্ধের মাঝে দিয়ে গেছে, যাচ্ছে। সারভাইভাল অফ দ্য ফিটেস্ট এর ধারনাকে পাকা পোক্ত করেছে। সেই সূত্র ধরেই বিংশ শতাব্দির শুরু থেকে এখন পর্যন্ত যুদ্ধ চলে আসছে। যুদ্ধ হচ্ছেই। এবং হবেই। যুদ্ধ বন্ধ করার জন্যে হলেও যুদ্ধ করতে হবে।
এরকমই একটা যুদ্ধই হলো ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ।
এই যুদ্ধ আমাকে একটা স্বাধীন দেশে জন্ম নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে।
চলছে গাড়ি যাত্রাবাড়ি-৬
১.
অনেকদিন কিছু লিখি না অবশ্য লেখা যাকে বলে সেটা আমার দিয়ে হবার কথাও না হবেও না।
কিন্তু কয়েকদিন ধরেই খুব লিখতে ইচ্ছা করছে। তানবীরাপু ব্লগের স্যাতস্যাতে ভাব কাটানোর জন্য প্রাণপণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন সাথে আরো বন্ধুরাও যোগ দিয়েছে।দেখে মনে হচ্ছে মরা ব্লগে প্রাণ ফিরে পেয়েছে।আমি বা দূরে থাকি কীভাবে? কিছু আবোল-তাবোল লিখে ফেলি অনেকটা অনেকটা সেই দিঘী আর শিশিরের কবিতার মতো।
২.
আবোল তাবোল -৫
পরীক্ষা চলছে তো চলছেই,শেষ আর হয় না। তাই, আগের মত আসতে পারছিনা খুব একটা। যদিও মাঝে মাঝেই উঁকি দিয়ে যাই,দেখি কে কি বলে। বেশ কয়েকদিন হয়ে গেল কিছু লেখা হয়না। তানবীরা (আপু) জাদুতে আমরা বন্ধু আবারও জেগে উঠতেছে। অনলাইন সংখ্যা বাড়তেছে, সাথে লেখা আর কমেন্টও। এসব দেখে দেখে মনটা চুলবুল করে উঠলো কিছু লেখার জন্য। তাই ল্যাপি কে সাথে সাথে নিয়ে সটান শুয়ে পড়লাম, আঙ্গুল ঘুরছে কীবোর্ড জুড়ে টুক টাক টুক টাক! দেখা যাক কতটুকু কি লেখা হয়, আবারও আবোল তাবোল।
# # # # #
তানবীরা আপুর 'ব্যাবচ্ছেদ' পড়ে ও কমেন্টগুলি দেখে দেখে মন ভাল হয়ে যাচ্ছে। মনে হচ্ছে সামনে জমজমাট কিছু দিন কাটবে ব্লগ বন্ধুদের সাথে। 
অনুক্রমনিকা
আজ আমার মনে পড়ছে আমার প্রথম ব্লগিং এর কথা। আমি শুরু করেছিলাম “আমার ব্লগ” দিয়ে। আমার খুব প্রিয়, আপন মানুষ, অগ্রজপ্রতিম রায়হান সাঈদ এর আগ্রহ এবং অনুপ্রেরণায়। প্রথম লেখাতে অনেক সাড়া পেয়েছিলাম। খুশি হয়ে প্রতিজ্ঞা করেছিলাম রোজ রোজ লিখব। না লিখি, কমেন্ট তো করবোই। সমস্যাটা হলো, আমি আমার “প্রিয়” কোন কিছুর সাথেই সুবিচার কোনদিন করতে পারি নি। কথাও রাখতে পারি নি। আমি পারি না। সিরিয়াসনেসের অনেক ঘাটতি আছে আমার। তার উপর কোন এক ছাগুশ্রেণীর প্রাণী আমার আবেগভরা একটা লেখাতে আজাইরা কিছু লিখে আমার মন-মেজাজ খারাপ করে দিয়েছিল, ওই সময় আমার অন্য ব্লগার ভাই-বোনেরা আমাকে সাপোর্ট দেন নাই। অনেকটা অভিমান থেকে আমি “আমার ব্লগ” ছেড়েছিলাম।
রাত্রি বাড়ে
রাত্রি বাড়ে চাঁদের হাসি বিলিয়ে তারায় তারায়
ঝিঝির ডাকে অবিরত সুরের মূর্ছনায়
ঘুম পাড়ানী মায়ের কোলে মৃদু মভতায়
ছোট্ট শিশু আচ্ছন্ন গভীর সুপ্ততায় ।
একে একে মুহূর্ত আর প্রহর যে ফুরোয়
স্তব্ধ চতুর্দিক , কেবল আমি জেগে রই ।
নির্বিঘ্নে ক্লান্তিতে কভু দুচোখ নুয়ে পড়ে ,
সকলের অলক্ষে কোন গহীন বনের পরে
রাত জাগা পাখি হঠাত্ কখন ডানা ঝাপটায় ,
রক্তবর্ণ চক্ষু ডলি , ঘুম কেটে যায় ।
রাত্রি বাড়ে , ফেলে আসা করুণ দিনের শেষে
আঁধারে অদৃশ্য কোন ভয়ংকর আবেশে
হারিয়ে বুঝি গেলাম কখন নিজের অজান্তে
অতৃপ্তির বাঁধন ভেঙে সময়ের ধুধু প্রান্তে ।
অবনত মাথা লুকানোর জায়গার খোঁজে...

কি নিয়ে লিখি? টিপাই-মুখ? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা বিভ্রাট? ছবি-অটোগ্রাফ শিকারি বিশ্বের একমাত্র পররাষ্ট্রমন্ত্রী? মহাসড়কের জ্যামে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিচ্ছু অনেকের পরীক্ষা দিতে না পারা? ঢাকা ভাগ ? নাকি ঢাকা নগরীর দুটি নতুন পৃথক নাম পেতে যাওয়া? এর অনেক গুলি নিয়েই লেখা বিপদজনক। মধ্যবিত্তের নিরাপদ জীবন বেছে নিয়েছি, তাই নিরাপত্তা বিঘ্নিত হতে পারে এমন সব কিছুতেই সযত্নে গা বাঁচিয়ে চলি। তবু কিছু বিষয় এড়াতে পারি না।
যা মনে আসে তাই
১.
রূপকথা দিয়ে ছোটবেলায় গল্পের বই পড়া শুরু করেছিলাম। সহস্র আরব্য রজনী সে সময়ে অনেক প্রিয় ছিল। জানতাম না, সহস্র আরব্য রজনী আদতে বড়দের বই। কিন্তু বড়দের বইটি আর পড়া হয়নি। কিন্তু এবার ছবিটা দেখলাম।
আমরা যারা আজ জনতা, সহজ সরল সাধারণ সিনেমা দেখি তাদের জন্য কঠিন কিছু নাম আছে। যেমন ধরনে, পাসোলিনি, বার্গম্যান, ফেলিনি- ইত্যাদি। এর মধ্যে পাসোলিনি নিয়ে আগ্রহ ছিল বেশি। লোকটা কবি, উপন্যাস লেখেন, আবার সিনেমাও বানান। তিনি রাজনীতি করেছেন, বুদ্ধিজীবি, সাংবাদিক। মোদ্দা কথা তিনি সব। ইতালির একজন মহাবিতর্কিত ব্যক্তি। খুন হয়েছিলেন ১৯৭৫ সালে। সেই পিয়ের পাওলো পাসোলিনির ছবি এরাবিয়ান নাইটস।
দুইটা ছবি
টঙ্গি ফ্লাইওভারের কাছে এক বন্ধু নিয়ে যায় ছবি তোলার জন্য। কিন্তু যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ছবি তুলতে পারি নাই তেমন। সেখানের দুইটা ছবি।


এই ছবিটা তুলেছিলাম তিনটা বাশের পাশে বিশ্রামরত ফিঙেকে সবাজেক্ট করে সাথে ব্যাকগ্রাউন্ডে তিনটা বিদ্যুতের খুটি রেখে। কিন্তু আরেকজন ফটোগ্রাফার ছবিটা দেখে চমৎকার আইডিয়া দেয়। তার কমেন্ট -
Mahmudur Rahman: ছবিটা খুব সুন্দর হয়েছে...আমি আমার দৃষ্টকোন থেকে একটা আইডিয়া দেব...ছবি্তে বাঁশ সহ পাখিটিকে ডানদিকে রাখলে কেমন হত...পাখিটির দৃষ্টি বাম দিকে তাই আমার কাছে মনে হচ্ছে ফোকাস জিনিসগুলকে ডানদিকে রেখে বামদিকে ফাকা জাইগা রেখে যদি ফ্রেমটা তৈরি করা যেত তাহলে কেমন হত??
“আমরা বন্ধু” বইমেলা আয়োজন ২০১২
প্রিয় বন্ধুরা ২০১২ সালের একুশের বইমেলায় “আমরা বন্ধু”র বন্ধুদের লেখা গল্প নিয়ে একটি “গল্প সংকলন” প্রকাশ করা হবে। প্রত্যেক বন্ধুর কাছ থেকে তার এ যাবৎ লেখা সর্বশ্রেষ্ঠ গল্পটি’র আহবান নিয়ে এসেছি। লিখিলিখি করে লেখা হয়ে ওঠেনি এমন অনেক গল্পই মনকে তাড়িয়ে বেড়ায়। আশপাশের দেখা অনেক গল্পই লিখতে ফেলতে ইচ্ছে করে। সারাক্ষণ মনে বেজে বেড়ায়, শ্রেষ্ঠ গল্পটি আজো লিখে ওঠতে পারিনি। তাই চলুন বসি আজ লেখার খাতাটি টেনে, কলম খানি হাতে নিয়ে। অন্তত চেষ্টা করি যে কথাগুলো লিখতে চাই সেগুলো লিখে ফেলার।
ক) গল্পটি পাঁচশত থেকে এক হাজার শব্দের মধ্যে হতে হবে।
খ) যাদের কমপক্ষে তিনটি লেখা আমরা বন্ধুতে প্রকাশিত হয়েছে, শুধুমাত্র তারাই গল্প পাঠাতে পারবেন। (কেউ যদি এরমধ্যে রেজিস্ট্রেশন নিয়ে তিনটি লেখা প্রকাশ করেন, তিনিও বই এর জন্যে গল্প পাঠাতে পারেন)
টুকটুক গল্প-৫
১. এবার ঈদে বাড়ি যাওয়া হয়নি। যদিও ঈদ যে একটা বিশেষ দিন সেই বিশেষ দিনের আনন্দ সেই কোন শৈশবেই ফেলে এসেছি। তবু টের পেলাম বাবা-মায়ের কাছ থেকে দূরে থেকে দিনটাতে বুকের ভেতরের বাতাসাটা অনেক বেশী ভারী হয়ে যায়।ঈদের দিনের ভোরবেলা থেকে সারাদিনে বাবা- মায়ের কার্যকলাপে মনে হলো আমি সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপারে আছি। কিন্তু কিছু ঝামেলায় আটকে থাকতে হলো কিছুদিন। এর মধ্যেই ঈদের একদিন পর ঘুম থেকে উঠেই বাড়ির উদ্দেশ্যে বের হলাম বাসা থেকে।বাসা থেকে সায়দাবাদ যেতে তিনবার রিক্সা সিএনজি বদলাতে হলো। অবশেষে সায়দাবাদ থেকে বাসে উঠলাম ভালোভাবেই। কাঁচপুরের আগে একটা বাস নষ্ট হওয়াতে সেই বাসের কয়েকটা যাত্রী আমাদের বাসে উঠালো। তাদের মধ্যে তিনজন মানুষ এমন যাদের আমরা বলি হিজড়া। দেথে বুঝার কোন উপায় নেই, দুইজন শাড়ি পড়েছে, একজন সালোয়ার কামিজ পড়েছে। সালোয়ার কামিজ পড়া মানুষটা দেখতে খুবই সুইট। হঠাৎ দেখলাম সামনে বসা একটা লোককে সে
হাবিজাবি... হাবিজাবি...
╙╜ ইদানিং... না ঠিক ইদানিং না, বেশ কিছুদিন হইলো আমার কি জানি হইছে। লেখালেখি করতে পারি না। ঘন্টার পর ঘন্টা নেটে ঢুইকা বইসা থাকি, ব্লগে ঢুইকা ঝিমাই, ফেসবুক ওপেন কইরা রাইখা দেই। লিখতে পারি না। ব্লগে লগিন করি না, অফলাইনে বইসা মন্তব্যের ঘরে একটা দুইটা শব্দ লেখার চেষ্টা করি কী-বোর্ডের কী গুলা মনে হয় লাফাইয়া লাফাইয়া সইরা চইলা যায়। পড়ছিলাম, ডিস্লেক্সিয়া হইলে মানুষ পড়তে পারেনা, অক্ষরগুলা মনে হয় দৌড়াদৌড়ি লাফালাফি করতেছে। কিন্তু অনেক খুইজাও আমার রোগের কোনো ব্যখ্যা পাইলাম না 
╙╜ মাথার ভেতর কয়েকজন মানুষের নাম নিয়া ঘুরতেছি অনেক অনেক দিন ধইরা। কেউ বাইরে আসতে চায়না 
অসবর্ণ
সন্দেহের ফসলে ভরে গেছে অবিশ্বাসী কৃষকের মাঠ,
বিষণ্ন মাটি খুঁজে বেড়ায় আরেকটি ঘোর অমাবস্যার রাত;
যত কিছু রয়ে যাবে সুনির্মল দরজাটুকু করে হাট,
অঝোর ধারার কাব্যশব্দ ঘুমাবে সাথে নিয়ে বৃষ্টির ছাট।
পাইন বনের সুদীঘল মিছিলে একলা ঘুরে কদমের কাঠ,
দুটো নৌকার দড়ি থেকে হিম শব্দে তবে একটি ছাড়ে ঘাট;
বেশি হয়ে গেলে পুরনো পাতার বহর দিতে তো হয় ঝাট,
তাই বেলা শেষে নিজেকে লুকাতে যায় শ্রান্ত বালকের পাঠ।
আমার আকাশে শুকতারা তুমি
আমার আকাশে শুকতারা তুমি জ্বলে র'বে চিরদিন চিরদিন চিরদিন---------------------। আমি ঢেলে যাব খুন হৃদয় চিরে চিরে চিরদিন চিরদিন চিরদিন ---------------------------। হয়তোবা সারা পথ একা একা চলব,
স্মৃতির মিনারে তব শামা হয়ে জ্বলব,
হয়তো নিভেই যাব ক্ষণপর, সব কিছু ভুলে রব অতঃপর,
তবুও তোমার কথা,
তোমায় হারানোর ব্যথা,
ভুলবোনা কোনদিন কোনদিন কোনদিন ।
হয়তোবা এ জীবনে আরো কেউ আসবে, হয়তো হৃদয় দিয়ে সেও ভালবাসবে,
এক অচেনা অজানা ক্ষণজন্মা প্রাণের প্রতি ভালোবাসা ।
“এত বড় পোস্ট কেন করলাম? কেউত পরবে না? এই পোস্ট অন্য কারো জন্য নয়, নিজের জন্য। আমার খুব কাছের একজন এই মরণব্যাধিতে আক্রান্ত, আমি জানি খুব বেশি দিন নেই তার, তারপরেও তাকে এই মিথ্যাটুকুই সারাদিন বলি 'কিচ্ছু হবে না'”
কথাগুলি একজন ব্লগারের একটা মাঝারি আকৃতির লেখার শেষের অংশ । লেখার বিষয়ও বেশ গুরুত্বপূর্ণ । মরনব্যাধি ক্যান্সার নিয়ে লেখা । অথচ জুনের ১ তারিখে প্রকাশ করা ব্লগটিতে গতকাল পর্যন্ত নাকি কোন কমেন্টই ছিল না ।
আর এই দুইদিনে তার এই ব্লগ কমেন্টে সয়লাব । কেন? কারন, এই লেখার লেখক আর এই পৃথিবীতে নেই । সে নেই, তাই তার জন্য সবার এত মায়া । সে যখন ছিল, কেউ তার দিকে ফিরেও তাকায়নি ।
এ এক রহস্যময় রাত
নিস্তব্ধ প্রকৃতি , মধ্যরাত্রি সন্নিকটে
অশুভ শক্তি কোন আশেপাশে ওঁত পেতে আছে ।
কানে ভেসে আসে এক অদ্ভুত প্রাণীর হুংকার
চাঁদের আবছা আলো মেঘলা এক আকাশের নিচে ।
হঠাত্ই স্পষ্ট হয়ে ওঠে কার ভয়ঙ্কর রূপ
যা ক্রমশ হৃতপিন্ডকে রুদ্ধ করে ।
আমি আপ্রাণ চেষ্টা চালাই চিত্কারিবার
কিন্তু আতঙ্ক ততক্ষণে বাকশক্তি গ্রাস করে ।
এক ভয়ার্ত মূর্তি জমাট বাধতে থাকে ,
যার নিষ্পলক চোখ - এ কী রহস্যময় রাত !
হিংস্র জন্তু শত আসে এগিয়ে , আর কেউ নেই হায় !
যে বাঁচাবে আমায় - ওদেরকে করে ভূমিস্মাত্ ।
শুনি সরাত্ রুধলো দ্বার , জন্তুগুলোর ভীড়ে
পাইনা এমন কোন পথ পালাই যাতে ।
মন বুঝি এ যে এক দুঃসাহসী রাত
যুদ্ধে নেমেছি তাই প্রাণপণে পিশাচের সাথে ।
আমি অবিরাম লড়ে চলি বজ্রমুষ্ঠ হাতে
তবু অনড় দেহ ক্রমশ হিম হয়ে যেন শিহরায় ।
অনিবার্য মৃত্যুর হাতছানি আর ধাপ মাত্র দুরে
নখরে পিশাচ যত আঁকড়ে ধরে নিথর আমায় ।