ইউজার লগইন
ব্লগ
নারীর ভালোবাসার জীবন
ভালবাসার যতটুকু স্বীকৃতি আছে সবটুকুই দিয়েছি তোমায়ে , মিথ্যে বুলি, নাটক , অভিনয় অথবা কারও নিকটস্থ হওয়া, অথবা বন্ধুত্বের আলাপন, সব কিছুই দিয়েছি বিসর্জন, শুধুই তোমারি জন্যে । নিজেকে করেছি গঠন তোমারি করে , যতটুকু চাওয়ার ছিল বা যতটুকু পাওয়ার সব করে নিয়েছি পরিপূর্ণ তোমাকে আপন করে, নিজের যত স্বপ্ন ছিল সব তোমারি মাঝে করেছি আবদ্ধ, নিজের জীবনকে চালিত করেছি তোমারি মনের মতন করে, স্বপ্নগুলো গেঁথেছি তোমারি আপন চারিধারে নতুন করে, জীবনের প্রতিটি পদধ্বনি করেছি আবদ্ধ তোমার ইচ্ছার মাঝে। হাসি , কান্না , ঠাট্টা , মান অভিমান, সকল কিছুকে সাজিয়েছি তোমারি চারিধারে, নিজের আপনকে দূরে রেখে তোমার আপনকে করেছি আপন, তোমার পরকে পর। জীবনের প্রতিটি অনুভুতিকে তোমার করে জীবনকে গুছিয়েছি নতুন করে, উচ্ছল্লতাকে করেছি বদ্ধ । মনের গুন গুন সুর গুলোকে চালিত করেছি তোমার ইচ্ছার ডালে ডালে, আমার সুখগুলোকে করতে চেয়েছি তোমার , তোমার দুঃখ
আমার যাদুমনি (২১)
গত জুলাই মাসে ঋহান তার এক বছর শেষ করলো।
আর আজ এতদিন পর তার মায়ের সময় হলো ছবিগুলো সবার সাথে শেয়ার করার।
Sorry for the late!

me & my soul ♥

♫♪♥♥[̲̅̅H̲̅][̲̅̅A̲̅][̲̅̅P̲̅][̲̅̅P̲̅][̲̅̅Y̲̅] [̲̅̅B̲̅][̲̅̅I̲̅][̲̅̅R̲̅][̲̅̅T̲̅][̲̅̅H̲̅][̲̅̅D̲̅][̲̅̅A̲̅][̲̅̅Y̲̅]♥♥♫♪ babamoni


The Cakes!

the king is waiting for the guests 
আমার যাদুমনি (২০)
ওওনেক দিন পর এলাম। কিছুই করিনা, তাও জানিনা সময় কোনদিকে দৌড়ে পালায়। আর চাকুরি শুরু করলে যে কি করবো
যাকগে। কথা কম, কাজ বেশি......।

Best Smiling ever! MashaALLAH!

গাড়ি নিয়ে রেডি!

বাবার সাথে ঋহান

আহালে!


বাক্স বন্দি ঋহান
আজ তোমার জন্মদিন
তোমার অনুপস্থিতি
তোমার বিলীনতা
তোমার চলে যাওয়া
তোমার জ্বলজ্বলে স্মৃতি
বিশেষত তোমার অভাব,
আমাকে এমনই বিপন্ন করেছে-
যা তুমি অনুভবও করতে পারো নি কোনদিন।
আজ তোমার জন্মদিন
জানিনা সেইক্ষণ সেইদিন কি মধুর ছিল !
কিন্তু তোমার চলে যাবার দিনটি
বড় নিদারুন ছিল, পুড়ে যাচ্ছিলো সবকিছু।
আজ একযুগেরও বেশী তুমি নেই
এতটুক ঝাপসা হয় না তবু
তোমার মুখ।
পৃথিবীর এমনি নিয়ম –
এখানে অবিচল থাকে না কিছুই।
তবুও মানতে কী বিষম জ্বালা ...
তুমি কেন চলে গেলে প্রাণ পরাণি
কেউ মুছে দেয় না আর চোখের পানি।
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা
পবিত্র একটি উপলক্ষ এসে দাঁড়িয়েছে আমাদের ঠিক দরোজার সামনে। স্কুলের কোনো এক ক্লাসে আমার বই-এ পড়েছিলাম; আজ ঈদ, মদিনার ঘরে ঘরে আনন্দ। সেই আনন্দের দিনে একটি দুঃখী ছেলে বসেছিলো রাস্তার পাশে। মুহাম্মদ তাকে কোলে তুলে বাড়ি নিয়ে গিয়েছিলেন। বাড়িতে নিয়ে নতুন কাপড়, খানা-খাদ্য দিয়ে ছেলেটির দুঃখ দূর করেছিলেন। আজ আমাদের দেশের রাস্তাগুলোর দুই ধার ভরে গেছে দুঃখী ছেলেদের ভীড়ে। কিন্তু কোনো মুহাম্মদ নেই তাদেরকে কোলে তুলে নেওয়ার জন্য। নতুন পোশাক, সুস্বাদু খাবার বা ঈদের অন্য আনন্দগুলোর ভাগ দেওয়ার জন্য।
ইরানি সিনেমা-বিপ্লবঃ 'দ্য চিলড্রেন অব হ্যাভেন' ও মাজিদ মাজিদি ।
ইরানি বিপ্লব পরবর্তী যে সংস্কার কার্যক্রম চলে তার একটা বড় প্রভাব পড়ে থাকবে ইরানি শিল্প-সাহিত্যে । প্রাগৈতিহাসিক কিংবা নিকট অতীতে সাহিত্য-সংস্কৃতির যে পৃষ্ঠপোষকতা কিংবা সমজদার ইরানীয়রা তা তাঁদের দুর্জনেরাও (ইঙ্গ-মার্কিন ! এম্নিতেই ত্যানারা পুরাই আউলা জাউলা মাথা খারাপ ঝাতি, শাশক-শোষকেরা জাতি নয়! এরা সব সময়য়ই দুড়া কাউয়া ছিল , পরে একসময় এক হইয়া পাতি কাউয়ার লগে প্রতারণা কৈরা শেক্সপিয়ররে ধইরা কুকিল হইয়া গ্যাছে কিংবা আছে, যাউজ্ঞা আইজ এই থাকুক , এই আলোচনা অন্যত্র করমুনে) অস্বীকার করে না । বোধকরি এর একটা বড় প্রভাব পড়ে গেছে ইরানীয় সিনেমায় ।
আমি বুঝিনা।
আমি বুঝিনা, অনেক কিছুই বুঝিনা। যা একেবারে বুঝিনা তা হল রাজনীতি ।এই দূর্নীতিটার প্রতি আমার সীমাহীন ঘৃনা আছে, আছে অনিহা, আছে কৌতুহল ও । তাই পড়তে চাই, বুঝতে চাই। অথচ বুঝে আসেনা কিছুই। গত চার দশক রাজনীতির অত্যচার,সন্ত্রাস,দূর্বৃত্তায়ন দেখে দেখে এর প্রতি, এর সাথে জড়িতদের প্রতি মানুষের ঘৃনা হয় কিনা জানিনা। মনে হয় হয়না। হলে দেশের এত এত মানুষ,বিশেষ করে কিশোর/তরুণরা লেখা-পড়া ছূঁড়ে ফেলে রাজনীতির অগ্নিকুণ্ডে বেধড়ক ঝাঁপিয়ে পড়ছে কেন ? অতীতে যুগান্তকারী ইতিহাস-স্রষ্টা আমাদের বিচার বিভাগ/আদালতই বা রাজনীতির ‘গু’ এর ডোবায় নাক না শুধু মাথা ও গলাচ্ছে । কেন ? বুঝিনা, মাথায় আসেনা।
ইউরোপ কেন থাকবে না , মূল: জেরি বাওয়ার
সহস্রাব্দের ইতিহাসে ইউরোপ দুইটি জিনিসকে ভয়াবহভাবে টের পেয়েছে। একটি হচ্ছে - খ্রিস্টানবাদ আরেকটি হল স্বাধীনতা। এখন আমরা আমেরিকা বা এশিয়া নয় র্যালির কান্নার সুরে ভেসে উঠছে আমরা ভাল থাকতে চাই।
ইউরোপকে মোটাদাগে কয়েকটি বিষয় দিয়ে পরিষ্কার করা যায়। যেমন সরকারি মদদপুষ্ট ধনিক শ্রেণী, ফরাসি সংস্কৃতির আধিপত্য, বৃহত জাতীয়তাবাদী ধণিকশ্রেণীর বিপরীতে ক্ষুধার্ত - নিরন্ন মানুষের আর্তনাদ।
মূলত প্রকৃত ইউরোপের চেহারা ভেসে উঠে রোমান ক্যাথলিক চার্চের দিকে তাকালে। তারা একটি উচ্চমার্গীয় সংস্কৃতি নির্মাণ করেছে, যেখানে শিল্প ও শিক্ষার সাথে গড়ে উঠেছে একটি শ্রদ্ধার সম্পর্ক। এই বিষয়টি নজরে আনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সহস্র বছর পরে এই ইউরোপের খ্রিষ্টানবাদের চেহারা পাল্টে গেছে অনেক। খ্রিস্টান বিভক্তি ঘটেছে। একটি অসম্প্রদায়িক চেতনার বিকাশ ঘটেছে।
আনন্দলোকে -আমি
খুব আনন্দ নিয়ে আজ পোস্ট লিখছি।
আমার আনন্দ ভাগ করে নেবার জন্যই বন্ধুদের কাছে লিখছি।
দরিদ্র ডট কম থেকে ডাউনলোড করেছি গেরিলা সিনেমাটি। ডাউনলোড করতে সময় লেগেছে মোট পাঁচদিন। গত২১-১০ তারিখে সকাল ১১টায় প্রথম দেখলাম সিনেমাটা। বাচ্চাগুলি ছুটির দিন দেখে বাইরে হুটোপুটি করছিল। কিছুতেই দেখবেনা তারা সিনেমা। ওদের বাবার অসীম ধৈর্য। বাচ্চাগুলিকে ধরে ধরে আনলো। আমি একটু বিরক্ত। কারন এই সিনেমা ৮/৬ বছরের বাচ্চারা দেখবেনা। আর ওরা ঘরে থাকলে আমিও মন দিয়ে দেখতে পারব না। ওদের ফরমায়েশ খাটতেই সময় যাবে।
মাঝে মাঝে বাচ্চাদের মুক্তিযুদ্ধের কথা বলতাম, রাত ১২টায় শহীদ মিনারে নিয়ে যাই-২৬ মার্চ /১৬ই ডিসেম্বরের বিভিন্ন অনিষ্ঠানে ওরা যায় আনন্দ করে নাচে, খেলে, গান গায়। তাই মুক্তিযুদ্ধ কি কেন কিছু হয়ত জানে বা বোঝেও।
একমাত্র
একটা সিরিজ লেখার পরিকল্পনা মাথার মধ্যে চলছিলো। কিন্তু পেইনফুল একটা কাজ করি বিধায় সবসময় চিন্তাগুলোকে পোষার সুযোগ পেলে না। তারপরেও আমার পরিকল্পনাটা নিয়ে আমি আশাবাদী। আমরা সবাই সামনে কি করবো, সেটা নিয়ে ভেবে সময় কাটাই। আসলে যেটা করা দরকার সেটা হচ্ছে অতীতে কি করতাম, সেটা নিয়ে ভাবতে হবে। কিন্তু পেছনে তো ফিরে যাওয়া সম্ভব না। সেক্ষেত্রে নিজের বাস্তবতার দিকে চোখ ফেরান।
জীবনে কয়টা অবস্থার প্রকৃত পরিবর্তন ঘটেছে? সে সংখ্যাকে আপনার বয়স দিয়ে ভাগ করলে কত দাঁড়ায়? এটা একটা প্রেডিকশন। ঠিক কত বছর পর পর গড়ে আপনার অবস্থা চেঞ্জ হচ্ছে সেটা বোঝা যায়। সর্বশেষ পরিবর্তনটা যত বছর আগে হয়েছে তত বিয়োগ করুন। যেটা বাকী থাকলো ততদিন আপনি আজ যেমন আছেন, তেমনি থাকবেন বলে ধরে নিতে পারেন।
ব্রেকিং থট - ১২: নাসিক নির্বাচন নিয়ে কিছু কথা
১। সেনা বাহিনী না নামিয়েই শান্তি পূর্ণ নির্বাচন উপহার দিয়ে আওয়ামীলীগ একটি ভাল নজির তৈরি করল। গণতান্ত্রিক নির্বাচনে সেনা বাহিনীর উপস্থিতি না থাকাটাই ভাল। তবে এই সিদ্ধান্ত আগেই জানানোর প্রয়োজন ছিল।
২। এখনও সরকারিভাবে ফলাফল ঘোষণা করা হয় নি। তবে বেসরকারি ফলাফল অনুযায়ী আইভী এগিয়েই। এখান থেকে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির শিক্ষা গ্রহণ করার মত একটি বিষয় হল আগের মত শুধু টাকা ঢেলে বা জোর খাটিয়ে নির্বাচনে জেতা যায় না। মানুষ এখন আগের থেকে অনেক সচেতন।
৩। ইভিএমের প্রতি জনগণের ইচ্ছা-অনিচ্ছার একটা প্রতিফলন দেখার প্রয়োজন ছিল। চট্রগ্রাম নির্বাচনে এটা দেখা গেলেও এন গঞ্জ নির্বাচনে স্পষ্ট হল যে আগামী সরকার নির্বাচনে ইভিএম কোনও সমস্যা তৈরি করবে না।
নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন
গত দুই দিন থেকে বিভিন্ন নাটকীয়তা শেষে আজ জনগণের স্বতষ্ফুর্তায় সম্পন্য হলো নারায়নগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন। বিচ্ছিন্ন দুই একটি ঘটনা ছাড়া নির্বাচন নিয়ে কোন পক্ষেরই অসন্তুষ্টি নেই। তবে বাংলাদেশের চিরন্তন নিয়মে কেউ কোন কিছুই ঠিক ভাবে মেনে নিতে পারে না। যেমনটা পারছে না আওয়ামীলীগের প্রার্থী শামীম ওসমান।
কারচুপি করে তাকে হারানো হচ্ছে। আর তাতে তার দলেরই কোনো অংশের সমর্থন রয়েছে।
রোববার ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার আধা ঘণ্টা আগে নারায়ণগঞ্জ রাইফেলস ক্লাবে শামীম সাংবাদিকদের বলেন, "শামীমকে হারাতে ওয়ান-ইলেভেন, বিএনপি, জামায়াত সবাইকে এক হতে হয়। এখানে আইভীকে জেতাতে তাই হয়েছে। জামায়াত ফাইন্যান্স করছে, সে টাকা পেয়েছে পুলিশ।" - শামীম ওসমান (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)
কিছু ব্লগারের ফেসবুক স্টেটাস:
ব্লগার অমি রহমান পিয়াল
আবোল তাবোল -৪
বেশ কয়েকদিন ধরে ভাবছি একটা কিছু লিখব, লিখতে বসা হয়না। বসলেও কোন ভাবনাই শিকড় বা ডালপালা কিছু একটা মেলার আগেই মোড় ঘুরে চলে যায়,ফুরিয়ে যাই। তাই আজ একেবারে ব্লগে এসেই লিখতে বসে গেলাম,মাথায় টুকরো টুকরো যত সব ভাবনা ঘুরে তার ই কিছু নামানোর অপচেষ্টা।
বিষয়ঃ এটা সেটা, কত কথা কথকতা!
# # # # #
প্রেম
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
আমি যার সাথে প্রেম করেছিলাম গতকার তার বিয়ে হয়ে গেছে, কিন্তু আমি তার দেড় বছর আগে বিয়ে করে ফেলেছি, অনেক কাহিনী আছে, পর বলবো!
ঈদ শপিং বিড়ম্বনা
কেনাকাটা শব্দের আভিধানিক অর্থ যাই হোক না কেন, এর অন্তর্নিহিত ভাবার্থ হলো, ‘কিনতে গিয়ে কাটা পড়া’। অন্তত ঈদ মৌসুমে এ কথাটি ১০০% সত্যি। ঈদের মার্কেটে ঢুকলেই আমার নিজকে বকরি বকরি মনে হয়, আর দোকানীকে মনে হয়, ‘খড়গহস্ত-ধারী এক কসাই’। কোন কিছু কিনতে গেলেই সে ‘মূল্য’ নামক খড়গের এক কোপে আমার ‘সামর্থ্য’ আর ক্রয় ক্ষমতাকে জবাই করে দেবে। এ প্রসঙ্গে নিজের একটি অতি তিক্ত অভিজ্ঞতার বয়ান দিচ্ছি।
তখন সবেমাত্র বিয়ে করেছি। ‘প্রেস্টিজ’ রক্ষার জন্য বিয়েতে হাত খুলে খরচও করেছি। তাই বিয়ের পর পকেট রীতি মতো আউটার স্টেডিয়াম। ধার-দেনা করে চলতে হচ্ছে। এমন সময় ‘মড়ার ওপর খাঁড়ার ঘা’ এর মতো উদয় হলো ঈদ। আমি দু’চোখে তারাবাতি দেখতে শুরু করলাম...। ঈদের চাঁদকে মনে হলেন ‘কাস্তের ফলার মতো বাঁকানো ছুরি’।