ইউজার লগইন
ব্লগ
কি সব দিনরাত্রি
আজকাল কোন স্বপ্ন নিয়ে ঘুম থেকে উঠি না
মিনিমাম ২ ঘন্টা ফোন চালাই বিছানায় শুয়ে শুয়ে
তারপর ক্লান্ত চোখে তাকাই বন্ধ জানালাটার দিকে,
বিচ্ছিরি বিরক্তিরা চারটা পাশ ঘিরে ভিড় করে আসে।
কোথাও একটা ইঞ্চিও ওরা ফাঁকা রাখে না
যেন ফাঁকা কোন বর্গইঞ্চি পেলেই আমি পালিয়ে যাবো
ওইখানে। লুকিয়ে পড়বো সন্তপর্ণে। তারপর বিরক্তিরা আর
আমায় খুঁজে পাবে না।
আমি ধীরে ধীরে এগিয়ে যাই কলের পাড়ে
পানির ট্যাপ- ওটাকে কলপাড় বলা যায় না,
আবার যায়ও হয়তো কে জানে
ওই কলখানা দিয়েই তো ঠান্ডা,
গরম সবরকমের পানি আসে।
তারপরও কি রান্নাঘরের পানির ট্যাপকে কলপাড়
বলা যায়? না উচিত সেটা বলা?
আমার জীবনটাকেও খানিকটা সাযুজ্যময় মনে হয়।
শুধুমাত্র অলস একটা মস্তিষ্করূপী শয়তানের কারখানা ছাড়া
যার আর কোন কিছু নেই,
মানুষ হতাশ হলে বড় বিচ্ছিরি হয়ে যায়।
একসময় যেটাকে কলপাড় মনে হতো
আজকাল পানির ট্যাপও মনে হয় না
সাজি আপুর জন্মদিনে!
সেহেরীর সময় আমি ব্লগ লাইফকে ভীষন মিস করি। তা কি আজকের কথা। এক যুগ কিংবা তারও আগের সব গল্প। তখন পিসি ছিল বাসায় একটা। সেটা আমার ভাইয়ের। সে বসতো। কাজ করতো। আমি অপেক্ষায় থাকতাম তার উঠার। সে ঘুমাতো সেহেরীর আগে। আমি তখনই বসতাম না। সেহেরী তাড়াতাড়ি খেয়েই সামহ্যোয়ার ইনে বসে পড়া। ব্লগ, ইস্নিপ্স, ইয়াহু মেসেঞ্জার আর অনলাইনে পত্রিকা পড়া আর মেইল চেক এসবই ছিল রিচুয়াল। ব্লগ সেহেরীর সময় জমে ক্ষীর। আমরা যারা রাত জেগে আড্ডা মারতে পারতাম কম তাদের জন্য মাহেন্দ্রক্ষণ। কারন তখন ভালো ভালো পোষ্ট আসতো, ধর্ম নিয়ে বাহাস হতো, আড্ডার খোশমেজাজ ও থাকতো। আমি অসংখ্য দিন রাতে অল্প ঘুমিয়ে সেহেরীর পর সারা সকাল জেগে ছিলাম ব্লগের উসিলায়। তখন এত কোয়ালিটি কন্টেন্ট নিয়ে মানুষ ভাবতো না, যার যা মনে আসতো লিখে দিতো। বুঝতে ও বোঝাতে পারলেই হলো। আমাদের অনেকে কবি হয়েছে, গল্পকার হয়েছে, রাজনীতি নিয়ে বুঝতে শিখেছে ব্লগ থেকে। আর সেইসব সেহেরীর
অন্য কোন প্রাণী হলে এত জঘন্য আত্মোপলব্ধি হতো না
পৃথিবীর মানুষের ওপর আমার যে ভয়ংকর রাগ হয়েছে। যদিও চেষ্টা করছি কমানোর। কিন্তু কমছে না। রাগে আসলে কি হয়? নিজের ক্ষতি ছাড়া আর তো কিছু দেখি না। ক্ষতিটাও সহজে বোঝা সম্ভব না। মনের ভেতর গোপনে এ ক্ষতি হয়ে যাচ্ছে। খেয়াল করে দেখলাম, ইদানীং আমার ইতিবাচক মানসিকতা ভয়াবহ হারে নিম্নগামী। রাগ নিয়ে ভাবতে থাকলে, আস্তে আস্তে বেড়ে যায় হৃদকম্পনও। যা শরীরের জন্য ভাল না কোনমতেই। তারপরও প্রায় প্রায়ই মানুষ নামক এই প্রাণীটির ওপর আমার অক্ষম নিষ্ফলা আক্রোশ সৃষ্টি হয়। কিন্তু যদি রাগ সরিয়ে সঠিক তথ্যের আলোকে বাস্তবের দিকে দৃষ্টিপাত করি তাহলে দেখা যাবে, দোষের মূলভাগটি আসলে আমারই।
এই দোষে দুষ্ট কমবেশি আমরা সবাই
প্রতিটা সকালে আমি সামনের বিল্ডিংয়ের জানালা, পর্দা, দেয়াল ইত্যাদি দেখতে দেখতে ঘুম থেকে উঠি। আগে খোলা আকাশ দেখতে দেখতে উঠতাম। এখন এক চিলতে আকাশ কোনমতে জানালা থেকে দেখা যায়। নামকাওয়াস্তে এসব নিয়ে মাতামাতি যদিও আমি করি, কিন্তু এটাও জানি বিষয়গুলো এককভাবে খুব সামান্যই গুরুত্ব বহন করে জীবনে। খোলা আকাশ দেখতে দেখতে ঘুম থেকে ওঠার সুযোগ হেলায় হারিয়ে কংক্রীটের জঞ্জাল দেখতে দেখতে ঘুম থেকে উঠছি বলে যে খুব কিছু গিয়েছে বা এসেছে জীবনে, তা না। পৃথিবীর সব মানুষই বুঝি এমন, তাই না?
জীবনের অপরিহার্য প্রয়োজনগুলো খুঁজে বের করুন
আজ প্রায় মাসখানেক যাবত কফি পান করা ছেড়ে দিয়েছি। তেমন কোন সমস্যা হচ্ছে না। ছেড়ে দেয়ার আগে মনে হতো সকালে এক মগ কফি ছাড়া হয়তো সারাদিন মাথাব্যাথা করবে। দেখলাম তাও করলো না। কফি বাদ দিয়ে প্রতি সকালে এক কাপ করে গ্রিন টি পান করা শুরু করার পর দেখলাম, পানীয়টা শরীরের জন্যও দারুণ। শরীরের ভেতরের অনেক রোগ-বালাইয়ের উপসর্গকে দমিয়ে রাখে। আগে আমার পেটে তৈলজাতীয় খাদ্য থেকে সৃষ্ট জ্বালাপোড়া ও অস্বস্তিকর অনুভূতি, বুকের কোনায়-কানায় মাঝে মাঝে খেলে যাওয়া ব্যাথা- ইত্যাদি নিয়মিত না হলেও, অনিয়মিতভাবে দেখা দিতে আসতো। গত এক মাসে সেসবের কোন বালাই ছিল না বললেই চলে।
বলতে পারি না কেউ আমরা
দিকে দিকে কত রঙ্গই না ঘটে চলেছে! দেশে স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশের বিরুদ্ধে আবারও খড়্গহস্ত হয়েছে সরকার। রুচির পুলিশেরা মাঠে নেমেছে গণমানুষকে রুচিশীলতার ট্যাবলেট গেলাতে। যারা মাঠে নেমেছে, তারা নিজ নিজ সংস্থা, সংগঠনের উপরের পদে উঠতে কি কি অরুচিকর কাজ করেছে জীবনে, তার হিসেব বেমালুম গাপ করা! আমার আজকের লেখার বিষয়বস্তুও এটা। মানুষে মানুষে বিভেদ এবং তার কারণে সৃষ্ট অনিবার্য পশ্চাৎপদতা।
বাংলা RAPএর ব্যাটেলফিল্ডে স্বাগতম।
আমার কৈশোর ছিলো সাইকাডেলিক রক আর হেভি মেটাল মিউজিকের আবহে নিমজ্জিত। আশির দশকে সামরিক জান্তা আর স্বৈরশাসকের নিপীড়ন আর নিষ্পেষণকালের দোহাই দিবোনা। কিন্তু রাষ্ট্রকে যদি একটা এস্টাবলিশমেন্ট ধরি তাহলে তার সকল রুচিগত ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করে নিজের পছন্দ অপছন্দকে অগ্রাধিকার দেয়ার আকাঙ্খাতো ছিলোই। সেইসময়টা পুরোপুরিভাবে প্রতিবাদি মানসিকতার কাছে সমর্পিত ছিলো। যার প্রভাব আমরা দেখতে পাই আশির দশক জুড়ে। তবে গ্লোবাল স্পেকট্রামে যেইসব সাংস্কৃতিক উপাদান বা এক্সপ্রেশন জনপ্রিয় হয় তার ঢেউ বাংলাদেশ অথবা আরো বিস্তৃত করে বললে ভারতীয় উপমহাদেশের তটে আছড়ে পড়ে এক দশক পরে। পশ্চিমে তখন সাইকাডেলিক রক, অল্টারনেটিভ রক কিংবা হেভি মেটাল সংগীতের ধারা জনপ্রিয়তার অংশিদার হয়ে গেছে। মূলধারাকে প্রশ্ন করতে অন্য একটা সাংগীতিক এক্সপ্রেশন তখন প্রতিবাদের স্রোত তৈরির রসদ জোগাচ্ছে। মার্কিন মুলুকে থাকা আফ্রো আমেরিকান জনগোষ্ঠীর তরুণরা
বাংলাদেশি ডায়াস্পোরা
ডায়াস্পোরা শব্দটা শুনতেই কেমন বুকের মধ্য মোচড় দিয়ে ওঠে। ভাসিলি কান্দিনস্কির কয়েকটা বিমুর্ত পেইন্টিংয়ের কথা মনে পড়ে। জন্মভূমি রাশিয়া ছেড়ে ফ্রান্সের নাগরিকত্ব নিয়ে সেখানেই থিতু হওয়ার পর তার ছবি আঁকার দর্শনটাই কিভাবে পাল্টে গিয়েছিলো। কিংবা তুরস্কের বংশোদ্ভুত জার্মান ফাতিহ আকিনের সিনেমা যেখানে এক নৈরাশ্যবাদী মন্থর জীবনধারা দেখান তিনি। সব অসামাজিক মানুষের বিমূর্ত জীবন। তবে এই উত্তর কাঠামোবাদের সময়ে ডায়াস্পোরা শব্দটা কেবল বিমূর্ত শিল্পের মতো অস্থিরতায় ভোগেনা। নানারকমের রাজনৈতিক রহস্য নিয়ে ডায়াস্পোরা মানুষেরা তাদের জীবনের ব্যপ্তি ঘটায়।
ওয়েব লগ
আমি কিছুকাল মনেহয় পাগল ছিলাম। বহুদিন পর নিজের পুরানা লেখা পড়তে গিয়ে মনে হলো। কোন কারণে কোন লেখাটা লিখছিলাম তার বেশিরভাগ মনে করতে পারলাম না। পঞ্চাশ বছর বয়সে ডিমেনশিয়া হইতেই পারে ভেবে নিজেরে সান্তনা দিতে চেষ্টা করি। খানিকক্ষণ পর বোধোদয় হয় আসলে জীবনের যেই অধ্যায়গুলো মনে করতে পারতেছিনা, সেইসব ইন্টেনশনালি ভুলে গেছি। ভুলে গেছি লিখে মনে হইলো, ভুলে আছি লিখতে পারলে ভালো হইতো। বয়স আর মগজের দোষ দিয়া যেনো ইচ্ছাশক্তিরে অবহেলা করতে চাইতেছি। ভুলে গেছি লিখলে নিজেরে বেশ পাওয়ারফুল মনে হয়। অন্যদিকে ভুলে আছি লিখলে কেমন পরাজিত পরাজিত লাগে।
গল্প: আপনাদের বাড়ি থেকে অরোরা দেখা যায়?
পার্ফমেন্স মার্কেটিং যেমন ডিমান্ডিং, তেমনি হেভিওয়েট একটা জব, যেটা ঘুম ছাড়া দিন-রাত সর্বক্ষণ মাথার ভেতর বন্ধুর মতো সঙ্গ জুগিয়ে চলতে পারে। মানুষের আর বেশি কিছু লাগে না। একটা কোম্পানির চাকুরির বিজ্ঞাপন দেখে ভাবছিল তিষি, কি দারুণ করেই না নিজেদের প্রাত্যহিক জীবনের ছবি আঁকতে পারে তারা!
প্রতিদিন সকালে কোম্পানির ভেতর কফিমেশিন চলে প্রবল গতিতে। এখন সময় এনালাইসিসের। কেপিআই-গুলোর কি অবস্থা? মেটা-ক্যাম্পেইনটা কেমন চলছে? নতুন ল্যান্ডিং পেইজটা কি কনভার্সন আনছে, যেমনটা আশা করা হয়েছিল?
তোমাকে পড়ে না মনে
কবিতা/ তোমাকে পড়ে না মনে
আহসান হাবিব
১৫/২/২০২২
এখন তোমাকে পড়ে না আর মনে
তোমাকে না দেখতে দেখতে
কেমন যেন ঝাপসা হয়ে গেছে
তোমার মুখখানা।
অথচ এই মুখখানাই ছিল
এক সময় পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর মুখ।
এই মুখখানার যিনি মালিক
তাকে ছাড়া বাঁচতে পারব তা
কল্পনাতেও সম্ভব ছিল না।
তুমি যে দিন
বাংলাদেশ ছেড়ে চলে গেলে
তার ক'দিন আগে এসেছিলে
কত কথা হলো, হাসি আনন্দ,
বিশ্বাস কর তোমার দেশে ফেরার আনন্দ
আমাকেও কি ভাবে প্রভাবিত করেছিল।
আমি তোমাকে বলতে পারিনি।
দেশে পৌছার আগ পর্যন্ত প্রতিটি মুহূর্ত
একে অপরের আপডেট যেন লাইভ হচ্ছিল।
হঠাৎ দুূূদিন তুমি কন্টক্ট এর বাইরে।
দুশ্চিন্তায় অবর্ননীয় অবস্থা আমার।
তৃতীয় দিন তোমার ছোট্ট মেসেজ
আংগুল কেটে ফেলেছি
সাথে কাটা আংগুল এবং কান্না কান্না
কটা ছবি।
সেদিন তোমায় অনেক বকেছিলাম
তোমার অসাবধানতার জন্য।
মুখ বুঝে সব বকুনি সহ্য করেছিলে।
Way to the perfect sunday
On sundays perhaps I will wake up at 10 am and be confused about the day. But the following order of execution guarantees the way to a wonderful - if not perfect- sunday -
1. Bathroom Session:
Go to the bathroom, drink some warm water from the tap, sit down on the toilet and read the book for some time. Then brush the teeth, splash water on face.
2. Laundry Session:
Put laundry into the washing machine, change bed linen.
3. Coffee and Music Session:
Get some coffee going and sit down by the window, listen to music and be happy.
4. Work Session:
Do some serious work for as long as possible.
5. Lunch Session:
Just get a nice meal.
6. Grooming Session:
Trim hair / beard / body hair, cut nails.
7. Cleaning Session:
দিনলিপিতে দু'হাজার বাইশ - ৯
ছেলেবেলা থেকে আমার দিনলিপি লেখার অভ্যাস। কিন্তু ছেলেবেলায় একটা বড় সমস্যা ছিল "প্রাইভেসি" নামের। যাই লিখতাম নিজের ডায়েরিতে, বাসায় প্রকাশ হয়ে পড়তো। গোপন কথাবার্তা গোপন থাকতো না মোটেও। অথচ ছেলেবেলার বন্ধু নীলু মামার ছিল সব গোপন কথায় ভরা ডায়েরি। সংখ্যায় অনেক। উনার বাসায় ডায়েরি পড়ার মতো উৎসাহী কেউ ছিল না।
এসেন শহরে মানুষের সংখ্যা অনেক। ছয় লাখের কাছাকাছি। অনাবাদীদের এই দেশে ছয় লাখ একটা শহরের জনসংখ্যা আসলে একটু বেশিই। তাইতো এই শহরটা জনসংখ্যার দিক থেকে জার্মানির নবম বৃহত্তম শহর। নিজের অঙ্গরাজ্যে এর অবস্থান চতুর্থ। উইকিপিডিয়া মাইরি! যারা পরিসংখ্যানের শিক্ষার্থী, তাদের জন্য দৈনিক একটি করে উইকিপিডিয়া আর্টিকেল পড়া বাধ্যতামূলক করে দেয়া যেতে পারে। তাহলে আর আলাদা করে পরিসংখ্যানের রিপোর্ট তৈরি করা শেখা লাগে না।
দিনলিপিতে দু'হাজার বাইশ - ৮
"রক্ত রাঙা গোলাপ রাঙা
রাঙা পায়ের আলতা
আলতার চেয়ে রাঙা কি
জানলে বল না তা"
বাংলা লোকগীতি শুনছিলাম। সেখান থেকে জানতে পারলাম, আলতার চেয়ে রাঙা হয় সোনা বন্ধুর ঠোঁটখানা। আমাদের লোকগীতিতে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা জীবনের কথাগুলো অনেকাংশেই অভিজ্ঞতালব্ধ বচন। তবে জীবন যেহেতু আমাদের সবারটাই সবার থেকে ভিন্ন, তাই সব সোনাবন্ধুর ঠোঁট লাল হয় না। শিল্পী অবশ্য বুঝিয়েছেন মনের ভেতর কল্পনা করে নেয়া রংয়ের কথা। সে হিসেবেও সবসময় যে সঠিক মিল পাওয়া যায়, সে আশা বাতুলতা। মনে মনে যদি কেউ ঠোঁটের প্রিয় রং কমলা কল্পনা করে নেয়, তখন কি উপায়?
আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিনে!
আজ আমার প্রিয় লেখক আহমাদ মোস্তফা কামালের জন্মদিন। ব্যাপারটা আমার জন্য আনন্দের যে তার জন্মদিন নিয়ে আমি লিখি প্রায়শই। আমাকে আনন্দ দেয়। অনিক ভাই নামে আমার এক ভাই আছে। তিনি থিয়েটার কর্মী ও লিটল ম্যাগ সংগঠক। প্রচুর বড় বড় সাহিত্যিকদের সাথে তার উঠা বসা। প্রচুর মানুষকে তিনি চিনেনও। আমি গল্প করতে গিয়ে দেখি সাহিত্যের মানুষদের ভেতরে আহমাদ মোস্তফা কামাল ছাড়া কারো সাথেই আমার নিবিড়ভাবে চেনাজানা নাই। তাই তার গল্পই করতে হয়। ভাগ্যিস অনিক ভাই কামাল ভাইকে চিনে কম। এতটুকুই ভরসা।