ইউজার লগইন

ঠোঁটের ব্যায়াম - ২

thumb_Smile_1274688608.jpg

১। এক ক্যাপ্টেন সৈনিকদের ক্লাস নিচ্ছিলেন, একজন সৈনিক দাঁড়িয়ে বললো, “স্যার, কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন বললেন, “না, কুমির উড়তে পারে না ।”
ক্যাপ্টেন ক্লাসের পড়ানোয় মন দিলেন । সৈনিকটি দাঁড়িয়েই রইলো । কিছুক্ষণ পর আবার বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন একটু বিরক্ত হয়ে বললেন, “যাদের বুদ্ধি হাঁটুতে তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।”
যথারীতি ক্যাপ্টেন পড়াচ্ছেন আর সৈনিক দাঁড়িয়েই আছে । আবার একটু পর সৈনিক বললো, “স্যার কুমির কি উড়তে পারে ?”
ক্যাপ্টেন এবার রেগে গিয়ে বললেন, “যাদের মাথায় গোবর ভরা তাদের জন্য বলছি, কুমির উড়তে পারে না ।“
এবার সৈনিকটি বললো, “কিন্তু স্যার, জেনারেল স্যার যে বলছিলেন, কুমির উড়তে পারে !”
ক্যাপ্টেন এবার কয়েক মুহূর্ত ভেবে বললেন, “ও জেনারেল স্যার বলেছেন নাকি? তাহলে কুমির উড়তে পারে, তবে খুব নিচ দিয়ে!”

২। জেনারেল হোমো একবার একটি ছাগলের খামার পরিদর্শনে গেলেন । এক পাল ছাগলের সামনে দাঁড়িয়ে ছবি তুললেন । কিন্তু সাংবাদিকরা পড়লো মহা বিপদে । পরদিন সকালে পত্রিকায় জেনারেলের ছবি আসবে কিন্তু ছবির ক্যাপশন কি লিখবে?
"ছাগল পরিবেষ্টিত জেনারেল হোমো" - না হলো না ।
"ছাগলদের সাথে জেনারেল হোমো" - না এবারো হলো না ।
পরদিন পত্রিকায় ছবি এলো, ছবির ক্যাপশন হলো; "জেনারেল হোমো, বাম থেকে তৃতীয়"!

৩। একজন জেনারেল, একজন কর্নেল এবং একজন মেজরের মাঝে আলোচনা হচ্ছে ।
জেনারেল: ভালবাসার ষাট ভাগ পরিশ্রম আর চল্লিশ ভাগ আনন্দের ।
কর্নেল: ভালবাসার পঁচাত্তর ভাগ পরিশ্রম আর পঁচিশ ভাগ আনন্দে ।
মেজর: ভালবাসার নব্বই ভাগ পরিশ্রম আর দশ ভাগ আনন্দের ।

এক সময় একজন জওয়ান আসলো তাদের কাছে । জেনারেল বললেন, ঠিক আছে, ঐ জওয়ান ব্যাটাকে জিজ্ঞেস করা হোক । অন্য দুজন তা মেনে নিলো । জওয়ান বললো , “ভালবাসার পুরোটাই আনন্দের স্যার ।”
এ কথা শুনে তারা তিন জন এক সাথে বলে উঠল, “কেন তুমি একথা বললে ?”
জওয়ান বললো, “স্যার, পরিশ্রমের হলে তো কাজটা আমাকেই করতে দিতেন, আপনারা করতেন না ।”

৪। এক ক্যাপ্টেন গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে বাড়িতে এসে বাবা-মার সাথে লনে বসে চা-খাস্তা খাচ্ছে । বাসার সামনে দিয়ে তিনটা মেয়ে হেঁটে যাচ্ছে । ক্যাপ্টেন সেদিকে এক দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে । বাবা-মা ভাবছেন, ছেলে বড় হয়েছে, এবার বিয়ে দেয়া দরকার ।
মেয়েগুলো হেঁটে চলে যাওয়া মাত্রই ক্যাপ্টেনটি বলে উঠলো, দেখলে বাবা মেয়েগুলোকে? একসাথে তিনজন হাঁটছে কিন্তু একজনের কদম মিলছে না !

৫। ট্রাফিক পুলিশ সর্দারজিকে গাড়ি চালানোর সময় আটক করলেন ।
পুলিশ: লাইসেন্স দেখি ।
সর্দারজি: (অনেকক্ষণ নিজের ব্যাগ ঘাঁটাঘাঁটি করে) আচ্ছা, লাইসেন্স জিনিসটা দেখতে যেন কেমন ?
পুলিশ: আহাম্মক! লাইসেন্স হলো সেই জিনিস, যেখানে তোমার নিজের ছবি দেখতে পাওয়া যায় ।
সর্দারজি আরও কিছুক্ষণ ব্যাগ ঘাঁটাঘাঁটি করে একটা আয়না বের করতে করতে বললেন, “পেয়েছি !”

৬। সৈনিকদের ক্লাস নিচ্ছেন এক ক্যাপ্টেন । মাধ্যাকর্ষণ সম্পর্কে বুঝাচ্ছেন । তিনি বললেন, কোন কিছু যত উপরেই ছুঁড়ে দেয়া হয় না কেন তা আবার মাটিতে এসে পড়বে ।
হঠাৎ এক সৈনিক দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, “স্যার মাটিতে না পড়ে যদি পানিতে পড়ে তাহলে?”
ক্যাপ্টেন: “ওটা নৌবাহিনীর ব্যাপার, তোমার না জানলেও চলবে ।”

৭। মিনিট দশেক তাড়া করে গতিবিধি লঙ্ঘন করা এক ড্রাইভারকে থামিয়ে ট্রাফিক পুলিশ জিজ্ঞেস করলো, “আমি থামতে বলা সত্ত্বেও কেন আপনি থামেননি ?”
এক মুহূর্ত ভেবে নিয়ে ড্রাইভার বলল, “আসলে হয়েছে কি, গত সপ্তাহে আমার স্ত্রী এক ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে পালিয়ে গেছে । তো আপনাকে আমার পেছনে ছুটতে দেখে মনে হলো, আমার স্ত্রীকে ফেরত দিতেই আপনি আমার পিছু নিয়েছেন ।”

৮। গতি-সীমার চেয়ে দ্রুতগতিতে গাড়ি চালানোর অপরাধে বল্টুকে আটক করল ট্রাফিক পুলিশ ।
বল্টু: অনেকেই আমার মতো দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছিল। আপনি আমাকেই কেন আটক করলেন ?
পুলিশ: আপনি কি কখনো মাছ ধরতে গেছেন ?
বল্টু: হ্যাঁ! কিন্তু কেন ?
পুলিশ: কখনো কাউকে একসঙ্গে সব মাছ ধরতে দেখেছেন ?

৯। এক যুবক নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছে ।
প্রশ্নকর্তা: আপনি কি সাঁতার জানেন ?
উত্তরদাতা: সাঁতার শেখার সুযোগ হয়ে উঠেনি, স্যার ।
প্রশ্নকর্তা: তাহলে কি ভেবে আপনি নৌবাহিনীর সাক্ষাৎকার দিতে এসেছেন ?
উত্তরদাতা: মাফ করবেন, স্যার; তাহলে কি আমি মনে করব যে বিমানবাহিনীর আবেদনকারীরা উড়তে শেখার পর আসে ?

১০। পরিচিত এক পুলিশের পায়ে ব্যান্ডেজ দেখে এক লোক জানতে চাইল, “কী ভাই, পায়ে কী হয়েছে?”
পুলিশ: কুকুরে কামড় দিয়েছে ।
লোক: পুলিশকে আবার কুকুরে কামড়ায় নাকি ?
পুলিশ: তখন তো ইউনিফর্ম পড়া ছিল না !

১১। বাড়িতে চোর ঢুকেছে ।
বাড়িওয়ালা: হেলো পুলিশ স্টেশন ?
পুলিশ: ইয়েস পুলিশ স্টেশন ।
বাড়িওয়ালা: কাটিং দি বাঁশের বেড়া ঢুকিং দি চোর , লইং দি মাল পত্র গোইং দি ডোর ।
পুলিশ: হট ইজ বাসের বেড়া ?
বাড়িওয়ালা: ইট ইজ দি খাড়া খাড়া লম্বা লম্বা পেরেক মারা ।

১২। পুলিশ: এত রাতে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরছেন। এর কোনো পরিষ্কার ব্যাখ্যা দিতে পারবেন ?
অভিযুক্ত: ব্যাখ্যা দিতে পারলে তো স্ত্রীকে বলে বাসাতেই ঢুকে পড়তাম।

১৩। রাস্তায় দ্রুত গাড়ি চালানোর কারণে এক তরুণকে পুলিশ আটক করেছেন। লোকটার শুধু একটাই কথা, “আগে আমার কথা তো শুনুন ।”
কিন্তু পুলিশ ও নাছোড়বান্দা। “না, কোনও কথাই শুনব না। পোশাক-আশাকে মালদার পার্টি মনে হচ্ছে । থানার বড় কর্তা না আসা পর্যন্ত তোমাকে কিছুতেই ছাড়া যাবে না ।”
ঘণ্টা-খানেক পর পুলিশ ওই তরুণকে বললেন, “তুমি আসলে ভাগ্যবান । আজকে আমাদের বড় স্যারের মেয়ের বিয়ে। তাই আজ তিনি যখন অফিসে আসবেন, তখন তাঁর মেজাজ খুবই ঠাণ্ডা থাকবে ।”
এতক্ষণে কথা বলার সুযোগ পেয়েই তরুণ হাউমাউ করে বলে উঠল, “বড় কর্তা এলে আপনার খবর আছে । আমিই তাঁর মেয়ের হবু বর ! বিয়ে করতে যাচ্ছিলাম !”

১৪। এক ব্যারাকে এক সৈনিক বাজি ধরার জন্য বিখ্যাত হয়ে গেল রাতারাতি । কারণ তাকে কেউ বাজিতে হারাতে পারেনা । তাই দেখে আরেক সৈনিক ব্যারাকে র দায়িত্বে থাকা ক্যাপ্টেন কে জানালো ঘটনা । ক্যাপ্টেন কি করবে না বুঝে জানালো তার বস্ মেজর কে । সব শুনে মেজর বললো, আচ্ছা, ডাকো তাকে, দেখায় দেই কেমন করে হারাতে হয় বাজিতে ।

সেই বাজিকর সৈনিকের ডাক পড়লো মেজরের চেম্বারে। বাজিকর সৈনিক মেজরের চেম্বারে ঢুকেই স্যালুট দিয়ে বলে " স্যার, আপনার পাইলস্‌ আছে ।"
মেজর: কে বললো পাইলস্‌ আছে ?
বাজিকর সৈনিক: স্যার বাজি ধরেন , না থাকলে ।
মেজর: আচ্ছা, ৫০০ টাকা বাজি । প্রমাণ করো ।

প্রমাণ করার জন্য মেজর প্যান্ট খুলে তার পশ্চাদ্দেশ দেখালো, বাজিকর সৈনিক পশ্চাদ্দেশের ভিতর আঙ্গুল ঢুকিয়ে, তারপর বের করে এনে বললো, না স্যার, পাইলস্‌ নাই, আমি হেরে গেলাম ।"

মেজর কে ৫০০ টাকা দিয়ে সৈনিক বের হয়ে এলো চেম্বার থেকে ।

মেজর পরে ফোন করে ক্যাপ্টেন কে বলে, '' কই, ও তো আমার কাছে বাজি তে ৫০০ টাকা হেরে গেল ।''

ক্যাপ্টেন: স্যার, ও যাবার আগে আমার সাথে বাজি ধরে গেছে, আপনার পশ্চাদ্দেশে আঙ্গুল দিতে পারলে ও ৫০,০০০ টাকা জিতবে। এখন তো আমাকে সেই টাকা দিতে হবে !"

১৫। এক সৈনিককে মৃত্যুর পরে যমদূত এসে নিয়ে গেল । সে অনেক আরাম আয়েশ করে দিন কাটাতে লাগলো । স্বর্গে অনেক শান্তি । কিন্তু তার দেশের সেনাবাহিনীর কারো স্বর্গ প্রাপ্তি হয়েছে বলে সে জানে না । একদিন সে এক প্রহরীকে বলে বসলো, আচ্ছা আমি এমন কি পূণ্য করেছি যে আমাকে তোমরা স্বর্গে পাঠালে?
প্রহরী: কে বললো এটা স্বর্গ?
সৈনিক: কেন, এখানে তো অনেক সুখ শান্তিতেই আছি আমি ।
প্রহরী: তুমি কোথা থেকে এসেছ বলতো ?
সৈনিক: পাকিস্তান !
প্রহরী: ও তাহলে তো ঠিকই আছে...

~

(নিতান্তই আনন্দটুকু কাম্য - কোন ব্যক্তি, জাতি বা পেশার প্রতি বিদ্বেষ-প্রসূত নয় । )

পোস্টটি ৪ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

মেসবাহ য়াযাদ's picture


মাইর

গুল্লি

রাসেল আশরাফ's picture


র‌্যাব নিয়ে কোন কথা নাই ক্যান??

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


আমারে কি লিমন বানাইতে চান নাকি ভাই ? মাপ কইরা দ্যান Dont Tell Anyone

~

নিশ্চুপ প্রকৃতি's picture


হেভভি, ঠোটের ব্যায়াম করতে গিয়া তো চাপা বেথা হয়ে গেল Puzzled
ভাইয়া জোস হইছে, আরও কবে দিবেন কোন Wink
Big smile হাহাপেফা

শাহ নাজ's picture


গুল্লি

একজন মায়াবতী's picture


Applause Applause

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


ধইন্যা পাতা @ মেসবাহ য়াযাদ, নিশ্চুপ প্রকৃতি, শাহ নাজ, একজন মায়াবতী

~

জেবীন's picture


১১ নং টা অন্যভাবে শুনেছিলাম

বাড়িতে চোর ঢুকেছে । পুলিশ এসে কাজেরলোককে জিজ্ঞেসাবাদ করছে।
পুলিশ: চোর ঢুকলো কি করে?
কাজেরলোক ভাবলো তাচ্ছিল্য করে ব্যাটা জিজ্ঞেস করছে তারে একটু ভড়কে দেই। তাই সে বলল: কাটিং দি বাঁশের বেড়া ঢুকিং দি চোর , লইং দি জিনিষপত্র গোইং দি ডোর ।
পুলিশ: হোয়াট ইজ বাশেঁর বেড়া ?
বাড়িওয়ালা: বাম্বু ইস্টিক খাড়া খাড়া!! Laughing out loud

তানবীরা's picture


এইটা বেশি জোশ Big smile

আগের সিরিজের অপমান ভুলতে পারতেছি না। একটা শুধু পুরুষদের ওপর এপিসোড চাই Stare

১০

জ্যোতি's picture


হাসতে হাসতে গাল ব্যাথা হয়ে গেলো। আরও চাই এমন পোষ্ট।

১১

কামরুল হাসান রাজন's picture


এই সিরিজ দীর্ঘজীবী হোক Big smile

১২

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


ধইন্যা পাতা @ জেবীন, জয়িতা, কামরুল হাসান রাজন

~

১৩

শওকত মাসুম's picture


আপনে ও সিরিজ দীর্ঘজীবি হোউক

১৪

মেঘলা শ্রাবনী's picture


দারুন, ঠোঁটের ব্যায়াম বটে! অনুচ্ছেদ-৩ পাঠান তারাতারি।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.