ঠোঁটের ব্যায়াম - ৩

১।
: নেতা আর চোরের পার্থক্য কি?
: চোর চুরি করে জেলে যায় আর নেতা জেল থেকে বেরিয়ে চুরি শুরু করে।
২।
চার জন যাত্রী নিয়ে উড়ন্ত এক প্লেনে সহসা পাইলটের ঘোষণা শোনা গেলো,“সম্মানিত যাত্রীগণ, প্লেনে আগুন ধরে গেছে, কয়েক মিনিটের মধ্যেই প্লেনটি বিস্ফোরিত হবে। আপনারা দ্রুত প্যারাসুট দিয়ে নেমে পড়ুন।”
এই ঘোষণা দিয়েই পাইলট প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
প্লেনে তখন যাত্রী চার জন - একজন আমলা, দুইজন রাজনীতিক - একজন আওয়ামী নেতা, অপর জন বিএনপি নেতা এবং এক স্কুল ছাত্র। কিন্তু, দেখা গেলো প্যারাসুট মাত্র তিনটি।
আমলা একটি প্যারাসুট নিয়ে বললেন,“আপনারা অবশ্যই স্বীকার করবেন যে, প্যারাসুটে আমার অগ্রাধিকার রয়েছে। বাংলাদেশে আপনাদের মত হাজার হাজার নেতা আছে, লক্ষ লক্ষ স্কুল ছাত্র রয়েছে, কিন্তু, আমলার সংখ্যা খুব কম। নেতা গেলে নেতা পাওয়া যাবে, কিন্তু, একজন দক্ষ আমলা সহজে পাবেন না।” এই কথা বলে আমলা প্যারাসুট নিয়ে ঝাপ দিলেন।
আওয়ামী লীগের নেতা বললেন,“আমরা এদেশের স্বাধীনতা এনেছি, আমরা স্বাধীনতা না আনলে এই প্লেন হতো না, প্যারাসুট হতো না, তাই এই প্যারাসুটের উপর অধিকার সবথেকে বেশী আমার।” তিনিও ঝাপ দিলেন।
এখন যাত্রী দুইজন, প্যারাসুট মাত্র একটি, যে কোন সময় প্লেনটি বিস্ফোরিত হতে পারে। তখন বিএনপির নেতাটি একটা প্যারাসুট বালককে এগিয়ে দিলেন। সে তো বিস্ময়ে, কৃতজ্ঞতায় কেঁদে ফেললো,“আমাদের দেশেও এতো হৃদয়বান ত্যাগী রাজনীতিক আছেন, যিনি তার নিজের জীবনের বিনিময়ে সামান্য একজন স্কুল ছাতের জীবন বাঁচাচ্ছেন!”
কিন্তু, বালকটি প্যারাসুট নিলো না। বললো,“আমি এখন দেশের জন্য কিছুই করতে পারবো না। প্যারাসুটটি বরং আপনি নিন, তাতে জাতি অনেক কিছু পাবে।” বিএনপি নেতা মুচকি হেসে বললেন,“আমার প্যারাসুট আছে, আওয়ামী লীগ নেতা বেশী তাড়াহুড়ো করতে গিয়ে তোমার স্কুল ব্যাগ নিয়ে ঝাপ দিয়েছেন।”
৩।
লাই ডিক্টেটর মেশিন (মিথ্যা কথা বললে যে যন্ত্র ধরতে পারে) বসানো হল। যন্ত্রের সামনে বসে কোন মিথ্যা কথা বললেই যন্ত্র কিররররররর শব্দ করে সিগনাল দিবে। যন্ত্র পরীক্ষার জন্য সেখানে ৩ জনকে উপস্থিত করা হল (ক) আমেরিকান (খ) জাপানী (গ) বাংলাদেশী
(ক) আমেরিকান লোকটি মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে বললো: আমাদের দেশে এমন দ্রুতগতির বিমান আছে যা কয়েক মিনিটে পৃথিবী ঘুরে আসতে পারে। মেশিন নীরব।
(খ) জাপানী লোকটি মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে বললঃ আমাদের দেশে এমন উঁচু দালান আছে যে, তার ছাদ থেকে কোন বাচ্চা লাফ দিলে নীচে পড়তে পড়তে সে বৃদ্ধ হয়ে যাবে। মেশিন নীরব।
(গ) সবশেষে বাংলাদেশী লোকটি মেশিনের সামনে দাঁড়িয়ে বললঃ আমাদের দেশে ঢাকা নামে একটা জায়গা আছে, সেখানে এক রাজনীতিক থাকেন .............................
তার কথা শেষ হওয়ার আগেই মেশিন …কিরররররররররররররর…রররররর..................
৪।
একটি বৈদ্যুতিক সামগ্রী উৎপাদনকারী কোম্পানির নির্বাহী পরিচালক কথা বলছেন বিদ্যুৎমন্ত্রীর সাথে। নির্বাহী পরিচালক একটি বড় বিক্রয় চুক্তির সম্ভাবনা দেখে বিদ্যুৎমন্ত্রীকে বললেন, যদি এ চুক্তি হয় তাহলে আপনাকে আমরা একটা নতুন মডেলের মার্সিডিজ উপহার দিতে চাই।
প্রস্তাব শুনে বিদ্যুৎমন্ত্রী রেগে গিয়ে বললেন, তার মানে আমাকে ঘুষ দিতে চান! আপনি আমাকে সস্তা রাজনীতিবিদ ভেবেছেন নাকি? দুঃখিত, আপনার এ প্রস্তাব আমি গ্রহণ করতে পারলাম না।
নির্বাহী পরিচালক বললেন, ঠিক আছে স্যার, আপনি উপহার নিতে না চাইলে আমরা একটি মার্সিডিজ আপনার কাছে এক লাখ টাকায় বিক্রি করবো।
: আমি তাহলে তিন লাখ টাকা দিচ্ছি; আমাকে ওই রকম তিনটি মার্সিডিজ দিন!
৫।
বহুদিন পর দুই প্রবীণ রাজনীতিবিদের দেখা হলো।
: শুনলাম আপনি নাকি প্রায় অন্ধ হয়ে গেছেন?
: হ্যাঁ পুরোপুরি।
: তা এখন কি করেন?
: রাজনৈতিক কলাম লিখি!
৬।
: শিকার করা মাছটা কারো কাছে বলছেন চার হাত বড় ছিলো, কারো কাছে তিন হাত, আবার কারো কাছে বলছেন আড়াই হাত। ব্যাপারটা ঠিক বুঝলাম না!
: দেখুন, বিশ্বাস করার ক্ষমতা তো সবার সমান না। যে যতোটুকু বিশ্বাস করতে পারে বলে আমরা অর্থাৎ নেতারা মনে করি, তার কাছে ততোটুকুই বলি!
৭।
প্রার্থী : নির্বাচিত হওয়ার পর আমি আপনাদের দুঃখ ভাগ করে নেবো।
এলাকাবাসী : কিন্তু আমাদের তো কোন দুঃখ নেই!
প্রার্থী : আমি নির্বাচনের পরের কথা বলছি!
৮।
তৃতীয় বিশ্বের কোন এক উন্নয়নশীল রাষ্ট্রের দুই নেত্রী একই প্লেনে বিদেশে যাচ্ছেন। একজন একটি চকচকে একশ’ টাকার নোট প্লেনের জানালা দিয়ে নিচে ফেলে দিলেন। তারপর অপরজনকে শুনিয়ে বললেন, আমি আমার দেশের একজন মানুষের উপকার করলাম! এই দৃশ্য দেখে অপর নেত্রী পাঁচটি একশ’ টাকার নোট বের করে একই কান্ড করলেন এবং জোর গলায় বললেন, আমি পাঁচজন মানুষের উপকার করলাম!!
সবকিছু দেখে পাইলট আফসোস করে বললেন, আহা আমি যদি দু’জনকেই ফেলে দিতে পারতাম, তবে ১৭ কোটি মানুষের উপকার হতো!!
৯।
একবার দশজন রাজনীতিবিদকে বহনকারী একটি হেলিকপ্টার দূর গ্রামে বিধ্বস্ত হলো। খবর পেয়ে রাজধানী থেকে উদ্ধারকারী দল রওনা হলো। ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পৌঁছাতে সন্ধ্যা প্রায়। দেখা গেল, গ্রামবাসীরা ইতোমধ্যে দশজনকেই দাফন করে ফেলেছে- সারিবদ্ধ দশটি কবর।
উদ্ধারকারী দলনেতা জানতে চাইলেন, সবাই কি ঘটনাস্থলেই মারা গেছেন?
- কবর দেওয়ার আগ পর্যন্ত দুইজন বলছিলেন যে, তারা মারা যাননি। কিন্তু আমরা সে কথায় কর্ণপাত করিনি। জানেনইতো রাজনীতিবিদদের সব কথা বিশ্বাস করতে নেই!
১০।
একবার বন মন্ত্রী সুন্দরবন পরিদর্শনে গেলেন। গহীন জঙ্গলে তিনি কিছু লোহা-লক্কড় পড়ে থাকতে দেখলেন। তৎক্ষণাৎ স্থানীয় কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিলেন এগুলো দেখে-শুনে রেখো। সুতরাং নৈশ প্রহরী নিয়োগ দেওয়া হলো। কিছুদিন পর তার কাজ তদারকি করার জন্যে সুপারভাইজার নিয়োগ করা হলো। এই দু’জনের ছুটিছাটা দেখার জন্যে নিযুক্ত হলো প্রশাসনিক কর্মকর্তা। আর তিনজনের বেতন-ভাতা হিসাব-নিকাশ করবেন সদ্য নিযুক্ত হিসাবরক্ষক।
এক্ষণে অর্থ মন্ত্রণালয়ের টনক নড়লো। তারা আপত্তি জানিয়ে বললো, এত লোকের বেতন দেওয়া যাবে না, লোক কমাও। বিষয়টি বন মন্ত্রীকে জানানো হলো। তিনি বললেন, সরকারি কাজকর্ম হবে দিনের আলোয়, রাতে লোক রাখার দরকার কি? তাই নৈশ প্রহরীর দরকার নেই। ওকে আগে চাকরি থেকে বিদায় করো!
বাকি সবার চাকরি ঠিক থাকলো!
১১।
আরেকবার দুই দেশের দুই অসৎ যোগাযোগ মন্ত্রীর মধ্যে গোপন আলাপ চলছিল।
নাইজেরিয়ার যোগাযোগ মন্ত্রী তার দেশের একটি ব্রিজের ছবি দেখিয়ে বললো, এটার বাজেট ছিল ২০ কোটি টাকা। কিন্তু আমি ১৫ কোটি টাকায় বানিয়ে বাকিটা হজম করেছি!
এরপর তৃতীয় বিশ্বের এক উন্নয়নশীল দেশের যোগাযোগ মন্ত্রী একটি নদীর ছবি দেখিয়ে বললেন, এখানে ব্রিজ বানানো বাবদ বরাদ্দ ছিল ২০ কোটি টাকা।
- কোথায় ব্রিজ? আমি তো কিছুই দেখতে পাচ্ছি না।
মন্ত্রী মুচকি হেসে বললেন, ব্রিজ থেকে আমার আয় হয়েছে পুরো ২০ কোটি টাকা!
১২।
বাংলাদেশকে বলা হয় গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র। কথাটা সর্বৈব মিথ্যে নয়। বড় বড় রাজনৈতিক দলের নেতারা গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই নির্বাচিত হন। দলের সদস্যরা স্বাধীনভাবে নেতা নির্বাচিত করতে পারেন। এজন্যে ব্যবহৃত হয় পৃথিবীর সবচেয়ে প্রাচীন নির্বাচন পদ্ধতিটি।
সেটা হলো: আদমকে যখন বলা হলো, এবার তুমি সঙ্গী নির্বাচন করে নিতে পারো, যখন কিনা ইভ-ই ছিলেন একমাত্র মানবী!
১৩।
একবার এক যৌথ নির্বাচনী সভার আয়োজন করা হলো, যেখানে সাতজন প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী নিজ নিজ অঙ্গীকার ব্যক্ত করবেন। সবার বক্তব্য শেষ হলে দর্শক সারিতে বসা একজন বলে উঠলেন, এটাই হচ্ছে গণতন্ত্রের মাহাত্ব, গণতন্ত্র আছে বলেই অন্তত ছয়জন মিথ্যুককে ক্ষমতা থেকে দূরে সরিয়ে রাখা যাবে; নির্বাচিত হবে মাত্র একজন!
১৪।
একবার বাংলাদেশ আর নেপালের তথ্যমন্ত্রীর মধ্যে দৌড় প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হলো। পাহাড়ি দেশ নেপালের তথ্যমন্ত্রী সহজেই জিতে গেলেন। সেই রাতে বাংলাদেশের সরকারি গণমাধ্যমের খবরে বলা হলো:
তুমুল প্রতিদ্বন্দ্বিতার পর বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী রৌপ্য পদক জয় করেছেন, অথচ নেপালের তথ্যমন্ত্রী অনেক চেষ্টার পরও শেষ লোকটার আগে পৌঁছেছেন মাত্র!
১৫।
জামাতে ইসলামী, বিএনপি আর ঐক্যজোটের তিন কর্মী মদ্যপান করা অবস্থায় সৌদি আরবে ধরা পড়লো। সৌদি আরবে যেহেতু প্রকাশ্যে মদ্যপানের অপরাধ অত্যন্ত গুরুতর, তাই সেখানে এর শাস্তি হচ্ছে চাবুকের বিশ দোররা বাড়ি। আরবের শেখ যখন এই তিন কর্মীকে শাস্তির জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছিলেন, তখন শেখ বললেন, "আজ আমার প্রথম বউয়ের জন্মদিন, তাই আমি তোমাদের প্রত্যেকে চাবুক মারার আগে একটা করে আর্জি জানাবার অনুমতি দিলাম এবং তোমাদের আর্জি মঞ্জুর করা হবে।
লাইনের প্রথমে দাঁড়ানো ঐক্যজোটের কর্মী বলল, "শেখ তুমি যদি চাবুক মারার আগে পিঠের সাথে একটা বালিশ বেঁধে দিতে। তার আর্জি মোতাবেক বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১০ টা পর্যন্ত নিলো, তারপর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।
এর পরে লাইনে ছিল বিএনপির কর্মী। সে ঐক্যজোটের কর্মীর বেহাল অবস্থা দেখে আর্জি জানাল দু'টো বালিশ বাঁধার। তার আর্জি মোতাবেক ২টা বালিশ বেঁধে চাবুক মারা শুরু হলো। বালিশ চাবুকের বাড়ি ১৫ টা পর্যন্ত নিতে পারল, তার পর বালিশ গেল ফেটে। ব্যথায় কুঁচকে গোঙ্গানো অবস্থায় বিএনপি'র কর্মীকে সরানো হলো বিশ দোররার পর।
সবার শেষে লাইনে ছিল জামাত কর্মী। সে কোন কিছু বলার আগেই শেখ জামাত কর্মীকে বলল, "তুমি হচ্ছো গোলাম আযমের দলের লোক। তাই তুমি ২টা আর্জি রাখতে পার"। জামাতী কর্মী খুশীতে গদগদ হয়ে বলল, "হুযুর, আমি নাদানের মতো কাজ করেছি, তাই তুমি আমাকে চাবুকের ২০ দোররা না, ১০০ দোররা মার। শেখের চোখ আনন্দে জ্বলজ্বল করে উঠল। বলল, "তার পরের আর্জি"? জামাত কর্মী ব্যথায় কুঁকড়ানো বিএনপি কর্মীকে আঙ্গুলের ইশারায় দেখিয়ে বলল, "বালিশ টালিশ না, তুমি ঐ ব্যাটারে (বিএনপি'র কর্মী) আমার পিঠের পেছনে বাইন্ধা দাও’’।
~
(নিতান্তই আনন্দটুকু কাম্য - কোন ব্যক্তি বা পেশার প্রতি বিদ্বেষ-প্রসূত নয়।)





খুব মজা পাইছি ।
দুইবার চলে আসছে, এডিট করে দিয়েন। পরের কিস্তির অপেক্ষায় রইলাম
আপনের দুই নাম্বার জোকসটাতে বিএনপি রে মহান বানানোর একটু চেষ্টা চোখে লাগলো।
অবশ্য আপনি বিনপির সামর্থক হইয়া থাকলে কোন কথা নাই।
যদিও এইটার অনেক পুরানো এক ভার্সনে 'সেলিব্রেটি-বৃদ্ধ-স্কুল ছাত্র' দেখছিলাম।
২ নম্বরে বিএনপিরে মহান বানানো হৈছে বৈলা আমার মনে হয় নাই। বরং দেখানো হৈছে সেও মতলববাজ, শুধু পরিস্থিতির সুযোগ নিয়া মহান হৈছে। আসলে রাজনৈতিক কৌশলে আওয়ামীলীগ সব সময়ে বিএনপিরে টেক্কা দেয়, এবং শুধু ধরা খায় তাড়াতাড়ি করতে গিয়া। ৯১ এর নির্বাচন এইটার সবচে বড় উদাহরন।
এই লাইনে সহমত।তয় বিএনপি রামধরা টা খাইছে ২০০৬ সালে।

@ অনার্য, প্রিয়, মেসবাহ য়াযাদ
@ কামরুল হাসান রাজন ... ঠিক করে দিলাম
@ বিষাক্ত মানুষ ... তাইলে ১৫ নাম্বার টা?
~
১৫ টা দেইখাই আরো সন্দেহ হইছে। বিনপি অর্থোডক্স সামর্থকদের কেউ কেউ জামাতের উপরে বেশ গোস্বা কারন তারা বিন্পির মাথায় অনেক বছর ধইরাই লবন-মরিচ রাইখা বড়ই খাইতাছে।
সেইরাম। হাসতে হাসতে শ্যাষ।
হাহাহা
হিহিহি
হোহোহো
ঠোঁটের ব্যয়াম বলতে আমি ভাবছিলাম ওরাল সেক্সের কথা বলছেন
সেইরাম। হাসতে হাসতে শ্যাষ।
মন্তব্য করুন