ইউজার লগইন

পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প

সেইকালে আরব দেশে অত্যন্ত পরহেজগার এবং নামজাদা একজন কাজী সাহেব ছিলেন। যেমন প্রখর ছিলো তাঁহার বুদ্ধিমত্তা, তেমনই বিশাল তাঁহার ব্যক্তিত্ব। আরব দেশের সংস্কৃতি অনুযায়ী অতিকায় নামের অধিকারী হইলেও লোকে তাঁহাকে "আল মকসুদ" নামেই অধিক চিনিত। এক প্রত্যুষে স্বপ্নে আদিষ্ট হইয়া আল মকসুদ শহরের মূল ফটকের সামনে আসিয়া আশেপাশের লোকদিগকে উদ্দেশ্য করিয়া বলিলেন, "চারজন পরহেজগার ব্যক্তিকে খুঁজিতেছি, যাহারা নিজের সম্পদ ও সময় বিসর্জন দিয়া হইলেও সুদূর সিনদাদ শহর পর্যন্ত আমার সফরসঙ্গী হইবে।"
নামজাদা কাজী সাহেব বলিয়া কথা, মুহূর্তেই শতে শতে লোক আসিয়া হাজির হইলো, সকলের মুখে একই প্রার্থনা, "হুজুর, আমাকে সঙ্গী করিয়া লন।"

সামান্য সফরের ডাকে যে এহেন অবস্থার সৃষ্টি হইতে পারে, কাজী সাহেব তাহা কল্পনাও করেন নাই। করিতে পারিলে হয়তো নিজগৃহের বৈঠকখানায় বসিয়াই আর দশজনার সহিত শলা-পরামর্শ করিয়া সফরসঙ্গী ঠিক করিতে পারিতেন। এক্ষনে এত বেশী সংখ্যক প্রার্থী দেখিয়া কাজী সাহেব বলিলেন, "খোদাতালা সামর্থ্যদান করিলে তোমাদের সকলকে লইয়াই সফরে রওয়ানা হইতাম; কিন্তু তাহা তো সম্ভব হইতেছেনা। অতএব, হে শহরবাসী, তোমরা নিজ নিজ গোত্রের প্রধানদের নিকট যাইয়া মুজাকারা করিয়া ঠিক করো যে কে কে আমার সহিত যাইবে। সফরসঙ্গী ঠিক হওয়া পর্যন্ত আমি শহরের মূল ফটক হইতে এক পাও নড়িবনা -- এই জবান আমি তোমাদিগকে দান করিলাম।"

কাজী সাহেবের উপদেশ অনুযায়ী শহরের মূল ফটকে ভীড় করা শত শত লোক নিজ নিজ গোত্রপ্রধানদের গৃহের সম্মুখে গিয়া জড়ো হইলো। এখানে বলিয়া রাখা প্রয়োজন যে ঐ সময়ে ঐ শহরে মোট চারটি গোত্রের লোকেরা বসবাস করিত। চার গোত্রের লোকজনই আচার-আচরণে অত্যন্ত পরহেজগার ছিলো। গোত্রপতিদেরকেও তাহারা বিশেষভাবে মান্য করিত। তাহার ফলশ্রুতিতেই হয়তোবা, লম্বা সময় ধরিয়া অপেক্ষা করার মানসিক প্রস্তুতি লইয়া ফটকের পাশে বসিয়া থাকা কাজী সাহেবকে অবাক করিয়া, মাত্র আধাঘন্টার মধ্যেই দেখা গেলো যে চার গোত্র থেকে চারজন ব্যক্তি নির্বাচিত হইয়া তল্পিতল্পাসহ কাজী সাহেবের বরাবরে আসিয়া হাজির হইয়াছে। বলাইবাহুল্য, এই চারজন হইলেন চার গোত্রের গোত্রপ্রধানেরা। সকাল দশটার মধ্যেই আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করিয়া পাঁচ মুসাফির স্বীয় স্বীয় গাধার পিঠে চড়িয়া মোটামুটি অজানার পথে রওয়ানা হইয়া গেলেন।

তাহাদের সফর অত্যন্ত ফলপ্রসু হইলো, বিশেষতঃ গোত্রপতিদের জন্য। শহরে এবং এর আশেপাশের দু'চার-দশখানা শহরে বানিজ্য করিয়া সারাজীবনে তাহারা যতটুকু দেখিয়াছেন বা শিখিয়াছেন, এক সিনদাদের পথে সফর করিয়াই তাহারা এর চাইতে অনেক বেশী অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান অর্জন করিয়াছিলেন। পাহাড় হইতে শুরু করিয়া, ঘন জঙ্গল, গভীর অরণ্য, খরস্রোতা নদী -- কি পাড়ি দিতে হয়নাই তাহাদের? তাহার উপর, একেক অঞ্চলের মানুষের চাল-চলন, কথাবার্তা একেকরকম, কেউ হয়তো তাহাদের মতোই দ্বীনদার, আবার কেও হয়তো শুধু নামেই মুসলমান, দ্বীনের আলো এখনও দেখিয়া উঠে নাই। অভিজ্ঞতার সাথে মুফতে খোদাতালার পথে প্রচুর নেকীও রোজগার হয়েছে -- এরূপ আত্মবিশ্বাস লইয়াই তাহারা সিনদাদ হইতে আবার নিজ শহরে ফিরিয়া আসার প্রস্তুতি লন।

সেইকালে আরবদেশে সফরের ক্ষেত্রে এক অলিখিত নিয়ম জারি ছিলো, যাহাতে করিয়া, দুইদিন-দুইরাত্রির বেশী সময় লাগে এহেন সফরের বেলায় যেই পথে কেহ গমন করিবে, অবশ্যই তাহা হইতে ভিন্নপথে তাহাকে প্রত্যাবর্তন করিতে হইবে। ইহা লইয়া কাজী সাহেবের মনে খানিকটা পেরেশানি ছিলো, কারণ, ফিরিবার জন্য বাকী যেই পথখানা তাহারা বাছিতে পারিবেন ঐ পথে একখানা বিশালাকায় মরূভূমি আছে। এমনিতেই মরূপথ বিষয়ে তাঁহারা উদ্বিগ্ন ছিলেন, তাহার ওপর মরূপথে উপনীত হইবার পূর্বের রাত্তিরেই কোনো এক পাহাড়ী রাস্তার পাশে বিশ্রাম লইবার সময় যখন তাঁহাদের গাধাগুলি মালসামানা সহ নিরুদ্দেশ হইয়া গেলো, তখন তাহারা সকলেই ভীষন ভয় পাইয়া গেলেন। কিছু দিনার ছাড়া আর কিছুই তাহাদের হাতে রহিলোনা। "নিশ্চয়ই আল্লাহ-তায়ালা আমাদিগের ওপর নারাজ হইয়াছেন!" মুখে কিছু না বলিলেও পাঁচজন পরহেজগার ব্যক্তিই একই কথা ভাবিতেছিলেন।

তবে সকলই খোদাতালার লীলাখেলা, কারণ, গাধাগুলি হারাইয়া যাইবার মাত্র একদিন পরেই মরূঅঞ্চলে উপনীত হইবার কিয়ৎ পূর্বে যখন কাজী আল মকসুদ তাঁহার সফরসঙ্গীদের লইয়া ছোটখাটো এক গ্রাম্যবাজারে থানকুনি পাতার চা পান করিতেছিলেন, তক্ষণে কোথা হইতে এক উষ্ট্রবিক্রেতা আসিয়া অত্যন্ত কমদামে পাঁচখানা উষ্ট্র তাঁহাদের কাছে বিক্রী করিতে চাহিলেন। নামমাত্র মূল্যে উষ্ট্র খরিদ করিবার সম্ভাবনায় চার গোত্রপতিই অত্যন্ত খুশী হইয়া পড়িলেন, যদিও সেইজন্য খোদাতালার শুকরিয়া আদায় না কারিবার মতো পাপ তাহারা করেননাই।

এইদিকে উষ্ট্র ক্র্য়ের বিষয়ে আল মকসুদ খানিকটা চিন্তিত হইয়া পড়েন, তাঁহার মনে এক অজানা সন্দেহ আসিয়া বাসা বাঁধে, "না জানি খোদার তরফ হইতে কি নতুন ইশারা আছে ইহাতে?"।
তাহার ওপর চা পান করিবার প্রাক্কালে তাঁহার পার্শ্বে উপবিষ্ট এক কুষ্ঠরোগী যুবক অথবা বালক যখন তাহাকে ফিসফিস করিয়া কহিলো যে, "আল্লাহর কসম, উহা খরিদ না করাই উত্তম", তখন তাঁহার সন্দেহ আরো গাঢ় হইয়া ওঠে।
এইখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, ঐটুকু বলিয়াই কুষ্ঠরোগীটি সেই যে কোথায় চলিয়া গেলো, তাহাকে আর খুঁজিয়া পাওয়া যায়নাই। কাজী আল মকসুদের ভীতির পেছনে তাহার এই চকিত নিরুদ্দেশ হইয়া পড়াও কাজ করিয়াছিলো বলিয়া বিশেষজ্ঞগন মনে করিয়া থাকেন।

যতই কাজী অথবা সম্মানিত ব্যক্তিত্ব হোননা কেনো, সমষ্টির দাবী অবহেলা করা বড়ই কঠিন। বিশেষ করিয়া চার গোত্রপতি যখন কহিলো, "কাজী সাহেব, যেহেতু এখনও সামান্য দিনার হাতে আপনার আছে, তাই আপনিও উটখানা ক্রয় করিলে আমাদের ভ্রমনখানি আরামদায়ক হয়। কাউকে আপনার দায় লইতে হয়না।", তখন মনেপ্রানে পরহেজগার কাজী আল মকসুদ আর মানা করিতে পারিলেননা। কারণ, অন্যের বোঝা হওয়াটা আল্লাহ বা তাঁর রসুল কেউই পছন্দ করেননা, তাহা কাজী ভালোই জানেন।

স্বল্পমূল্যের উষ্ট্রক্রয়ের কারনে কোন ধরনের বালা-মুসিবতে যে তাঁরা পড়তে পারেন, তাহা লইয়া বিন্দুমাত্র ধারণা থাকিলেও তাহারা ঐ উষ্ট্ররাজির দিকে ফিরিয়াও তাকাইতেননা।

তবে, মূল গল্পের শুরু এইখান হইতে।

প্রথম কয়েকদিন মরূপথে উষ্ট্ররাজি ভালোই কাজ করিতেছিলো, বলটে গেলে সাধারণ উষ্ট্রের চাইতে উহারা কিছুটা দ্রুতই চলিতেছিলো বলিয়া পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তি পরস্পরকে মন্তব্য করিয়াছিলেন। ইহার বিশদ বর্ণনা কাজী আল মকসুদের ব্যক্তিগত ডায়েরী "তারিখ আল সফর লিল সিনদাদ" গ্রন্থে পাওয়া যাইতে পারে।

সমস্যার শুরু হয় মরূতে সফর শুরু হইবার চতুর্থ দিন বৈকালে, অর্থাৎ মহররমের সটেরো তারিখ রোজ রবিবারে, যখন হঠাৎ করিয়াই উস্ট্রবহর এক মাঝারী মানের ঝড়ের মুখে পতিত হয়। মরূর ঝড় প্রলয়ংকরী হইলে ভীষন বিপজ্জনক, বালুর বিশাল বিশাল ঢিবিকে এক অঞ্চল হইতে অন্য অঞ্চলে নিয়া ফেলে এই ঝড়, তাহার নিচে চাপা পড়িয়া যায় সবকিছুই। কিন্তু এহেন মাঝারী ঝড়ে উস্ট্রের পিঠে একটু সাহস লইয়া বসিয়া থাকিলেই হয়। পাঁচ মুসাফির তাহাই করিবেন বলিয়া ঠিক করিয়াছিলেন, কিন্তু উষ্ট্রকুল তাহাদের কথা শুনিলনা।

জানোয়ারের প্রলয় বুঝিবার ক্ষমতা বেশী বলা হইয়া থাকিলেও, এইক্ষেত্রে তাহার বিপরীতটি ঘটিলো। প্রলয়ংকারী ঝড় হইবে ভাবিয়াই হয়তোবা, মালিকদিগকে পিঠে লইয়াই তাহারা দিগ্বিদিকজ্ঞানশূন্য হইয়া অজানার পানে ছুটিতে লাগিলো। তাহাদের গতি ছিলো অশ্বের চাইতেও বেশী, যাহার ফলে মালিকগণ লম্বা সময় ধরিয়া তাহাদের পৃষ্ঠদেশে নিজেদের আঁকড়াইয়া রাখিতে পারেননাই। ফলশ্রুতিতে সন্ধ্যার অব্যবহিত পূর্বে উষ্ট্রের পিঠ হইতে পড়িয়া যাওয়া পাঁচ পরহেজগার মুসাফিরের পূনর্মিলন সম্ভব হইলেও, উষ্ট্রদিগকে আর কোথাও খুঁজিয়া পাওয়া যায়নাই।

সফরের আমীর কাজি আল মকসুদ কহিলেন, "সকলই আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালার ইচ্ছে। তিনি যখন চাহেন নাই, তখন আমাদিগেরও আর উষ্ট্রের পিঠে চড়া হইলোনা। অতএব ভাইসকল, আসুন আমরা পদব্রজেই পশ্চিম অভিমুখে রওয়ানা দিই। নিশ্চয়ই ইহাতেও আল্লাহর কোন ইশারা আছে।"

মরূর ঝড়ের চাইতেও আরো বড় কোনো সমস্যায় যে পড়া সম্ভব, বরাবরের মতোই সেই মুহূর্তে পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তি তাহার সামন্যও আঁচ করিতে পারেননাই।

(চলবে ...)
#পুরো গল্পটাই কাল্পনিক
#ছোটকালে পড়া নীতিগল্পের আদলে লেখার অপচেষ্টা

পোস্টটি ১৩ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

টুটুল's picture


চমৎকার লাগলো পড়তে
পপকর্ণ লৈয়া বসলাম বস Smile
বাকি লেখা তারাতারি ছাইরেন

আছেন ক্যামন? অনেক দিন দেখি নাই

জ্বিনের বাদশা's picture


বস্, আচি ভালোই, তবে চিরাচরিত সেই দৌড়ের উপর

শওকত মাসুম's picture


আরে আপনেও দেখি রোমেনা আফাজ। জায়গামতো আইসা কইলেন পরের পর্বে পড়ুন। দ্রুত দেন।

টুটুল's picture


হাহাহাহাহহা
রোমেনা আফাজ এক জিনিষ... এমন যায়গায় ছাইরা দিতো যে পরবর্তী পর্ব না পৈড়া উপায় থাক্তো না

জ্বিনের বাদশা's picture


হা হা হা ... দুইটা রোমেনা আফাজরে পাইয়া গেলেন বস্?

দস্যু বনহুর এর কথা মনে পইড়া গেলো

মুক্ত বয়ান's picture


আরে আপনেও দেখি রোমেনা আফাজ।

রোমেনা আফাজ এর বৃত্তান্ত যদি একটু ইশারা দিতেন।

বকলম's picture


অপচেষ্টা ভাল হইয়াছে। চালাইতে আজ্ঞা হোক।

জ্বিনের বাদশা's picture


চলিতে থাকিবেক Wink

মাহবুব সুমন's picture


Smile

১০

জ্বিনের বাদশা's picture


ইমোটিকন গুলা যে কই হারাইলো! একটা দাঁত কেলানো হাসি দিয়া জওয়াব দিতে চাইছিলাম Sad

১১

টুটুল's picture


বস... এইখানে সব ইমোগুলা লুকাইয়া আছে Smile

http://www.amrabondhu.com/filter/tips

১২

রাফি's picture


মজা পাইতেছি। চলুক.....।

১৩

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

১৪

রাসেল আশরাফ's picture


আজ রোমেনা আফাজ নাই কিন্তু তার দস্যূ বনহুরগুলো চারদিক কিলবিল করতেছে.।.।.।.।.।

১৫

জ্বিনের বাদশা's picture


কিলবিল!!
সর্বনাশ! Wink

১৬

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দারুণ চালু গল্প...অপেক্ষায় রইলাম

১৭

জ্বিনের বাদশা's picture


শুকরিয়া Wink

১৮

নীড় সন্ধানী's picture


চানাচুর মুড়ি সব নিয়া বসলাম। দারুন জমাট গল্প মনে হচ্ছে।

১৯

জ্বিনের বাদশা's picture


বস্ তো ভয় পাওয়াইয়া দিলেন! এখন গল্প না জমলে কইলাম আমি কিছু জানিনা Wink

২০

এরশাদ বাদশা's picture


আমি তো মনে করলাম সংগৃহীত গল্প পড়ছি!!! ম্যালা দিন আপনার লেখার স্বাদ পাইনা ভাইয়া।

২১

জ্বিনের বাদশা's picture


থ্যাংক্যু, থ্যাংক্যু ... স্টাইলটা একটু ঐরকম করছই আরকি, তবে ম্যালা চলতি-সাধুর মিশ্রণ এখনও আছে Sad

২২

বিষাক্ত মানুষ's picture


আরি !! এমন সিরিজ জমায়া রাখতে আছে !!! তার্তারি ছাড়েন

২৩

জ্বিনের বাদশা's picture


না জমলে কইলাম কিছু জানিনা ... টেনশন হইতাছে

২৪

নজরুল ইসলাম's picture


দুর্দান্ত হইতেছে...
পরের পর্ব জলদি ছাড়েন

২৫

জ্বিনের বাদশা's picture


নজু ভাই, টেনশন তো আরো বাড়াইয়া দিলেন!

২৬

অদ্রোহ's picture


এহহে ,একেবারে মোক্ষম জায়গায় গিয়ে "চলবে" কথাটা না লিখলেই কি নয় ??

২৭

জ্বিনের বাদশা's picture


পুঁজিবাদের যুগ বলে কথা ব্রাদার, আমিই বা বাদ যাই কেনো? Wink

২৮

তানবীরা's picture


পাঁচ পরহেজগার ???? কেমন কেমন জানি লাগছে। গল্পের পিছনে গল্প আছে মনে হচ্ছে

২৯

জ্বিনের বাদশা's picture


এই তো ধইরা ফেলছেন Wink
তবে "পাঁচ" সংখ্যাটা দুধভাত

৩০

বাতিঘর's picture


আপনার কল্পনা শক্তি অসাধারণ রে ভাই! চমৎকার হচ্ছে!! আঁটকে গেলাম গুড়ের মাছির মতোই । তাততাড়ি পরের পর্ব ছাড়েনদি । শুভেচ্ছা থাকলো ।

৩১

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ, তবে ভাই বস্তার ভেতর গুড় আছে কিনা সেইটা কইলাম আমিও জানিনা Wink

৩২

মেঘ's picture


চমৎকার হয়েছে।

৩৩

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

৩৪

শাওন৩৫০৪'s picture


ধুর, বুঝতেই পারিনাই, এরম মাঝখানে শেষ করবেন-----জাপানী মাঙ্গা স্টাইল হৈছে পুরাই----এখন পরের পর্বের জন্য নখ কামড়ানো-
(ভয়ানক আগ্রহ নিয়া পড়তাছি)

৩৫

শাওন৩৫০৪'s picture


ধুর, বুঝতেই পারিনাই, এরম মাঝখানে শেষ করবেন-----জাপানী মাঙ্গা স্টাইল হৈছে পুরাই----এখন পরের পর্বের জন্য নখ কামড়ানো-
(ভয়ানক আগ্রহ নিয়া পড়তাছি)

৩৬

জ্বিনের বাদশা's picture


হা হা হা
আপনে জাপানী মাঙ্গা পড়েন নাকি? মানে, ওগুলার কিছু ইংরেজী অনুবাদ আছে শুনছি

৩৭

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ বস্

আপনারে কয়টা সুশী দিলাম Sushi :sushi: Sushi Wink

৩৮

জ্বিনের বাদশা's picture


এই সুশীগুলা টুটুল ভাইরে দিতে চাইছিলাম Sad

৩৯

শাওন৩৫০৪'s picture


হুমম, বেশির ভাগ বিখ্যাত গুলারই ইংরেজী আছে, আমি তো নারুতো, ডেথনোট, ওয়ান পিস এইসবের ফ্যান আরকি--

আর সুসি আমাকেও দিতে পারেন, লাইকাই, সুশী, সাশিমি দুইটাই।

৪০

জ্বিনের বাদশা's picture


সর্বনাশ!
আপনি কি জাপানে থাকেন নাকি?
আপনার জন্য একহাড়ি Sushi

আমি খালি কোনানের পড়ছি কিছু, ক্রেজী সব আইডিয়া!

৪১

নুশেরা's picture


আহা, সেই ছোটবেলায় পড়া নাসির আলী মামুন এর অনুবাদগল্পগুলোর স্বাদ পাওয়া গেলো যেন!

বাক্কা কাম অইছে দেশি! 

৪২

জ্বিনের বাদশা's picture


বলেন কি? নাসির আলী মামুন আবার কপিরাইট টাইপের স্টাইলরাইট বা ঢংস্বত্ব দাবী না করিলেই হয়!
আমি মূলতঃ কাজী ইমদাদুল হকের সেই "আবদুল্লাহ"র স্মৃতি ব্যবহার করে লিখতেছি

৪৩

শাপলা's picture


বস যথারীতি ভাল্লাগছে। পরের পর্ব পড়ার চেষ্টা করবো। আপ্নের গল্প চলতাছে, আর আমি দৌড়াইতেছি। কাজেই সময় করে থামতে হবে, চলতে হবে এবং আপনার গল্প ধরতে হবে।

ততদিন শুভকামনা।

৪৪

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ
দৌড়াইতে থাকেন Wink

৪৫

আরিফ বুলবুল's picture


ভালো লেগেছে। আমি নতুন, তাই বেশি কিছু না বলে ফেসবুকে শেয়ার করলাম। এ থেকে ভালো লাগার পরিমাণটা বুঝে নিলে ভুল হবে না। সদস্য হবার পর এটা আমার প্রথম কমেন্ট। ধন্যবাদ!

৪৬

জ্বিনের বাদশা's picture


অনেক কৃতজ্ঞতা

৪৭

মুক্ত বয়ান's picture


আমি প্রথম পর্ব না পইড়াই দ্বিতীয় পর্ব পইড়ালাইছিলাম Tongue Tongue

৪৮

জ্বিনের বাদশা's picture


অসুবিধা নাই, প্রথম পর্ব হইলো দুধভাত

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.