ইউজার লগইন

পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তির গল্প (২য় অংশ)

কাজী আল মকসুদের শলা-পরামর্শ মোতাবেক পাঁচ মুসাফির খোদাতা'লার উপর তাওয়াক্কাল করিয়া পশ্চিম অভিমুখে রওয়ানা হইতে সম্মত হইলো বটে, কিন্তু তাহাদের সেই যাত্রা তিলমাত্রও আনন্দদায়ক হয় নাই। কিসের নিমিত্তে তাহা জানা সম্ভবপর হয় নাই, তবে হঠাৎ করিয়াই সেই কয়েকখানি দিন সূর্য্য যেন সাধারন সময়ের চাইতে অনেক বেশী প্রখর হইয়া পড়িয়াছিলো। দিবাভাগের মরূসূর্য্যের প্রখরতা আর প্রচন্ডতা যদ্রূপ অসহ্য হইয়া উঠিয়াছিলো, হিমশীতল রাত্তিরের নিকষ কালো অন্ধকারও তদ্রূপই ভয়ংকর মূর্তি ধারণ করিতেছিলো! তদুপরি, হাঁটিতে হাঁটিতে ক্লান্ত-অবশ্রান্ত মুসাফিরের দল মরূর বালিতে শরীর এলাইয়া দিয়া ঘুমানোর সুযোগ পাইলেও, অভিশপ্ত মরূবৃশ্চিক আর হিংস্র নখরযুক্ত আল-রাখমাহর ভয়ে পরপরপ তিন রাত তাঁহারা ঠিকমতো ঘুমাইতেও পারিলেননা।

তিনদিন তিনরাত একটানা চলিল সেই নিদারুণ পথচলা, পাঁচ পরহেজগার ব্যক্তি প্রত্যেক ওয়াক্ত নামাজের সাথে সাথে মহান আল্লাহর দরবারে মোনাজাত করিয়া কাঁদিয়া কাটিয়া শেষ অশ্রুবিন্দু পর্যন্ত ঝরাইয়া ফেলিলেন একখানা আশ্রয়ের প্রার্থণায়। অবশেষে চতুর্থ দিন দ্বিপ্রহরের কিয়ৎ পর সূর্য্য যখন পশ্চিমে বেশ খানিকটা হেলিয়া গিয়াছে, এবং যক্ষণে কাজী আল মকসুদ স্বদেশে ফিরিবার আশা মোটামুটি ছাড়িয়া দিয়া মনে মনে এই নিয়তি মানিয়া নিয়াছেন যে ধূধূ-মরূতে মৃত্যবরণ করানোর উদ্দেশ্যেই আল্লাহতায়ালা তাহাদের এহেন সফরের ইশারা দিয়াছেন, তক্ষুণি বহু দূরে মরূর বুকে ক্ষুদ্র দানার মতো কিছু একটা অবলোকন করিলেন, যাহা একখানা লোকালয় বলিয়া তাহার কাছে প্রতীয়মান হইয়াছিলো। বাস্তবেও তাই, উহা ছিলো ছোট্ট একখানা মরূদ্যান। আশায় বুক বাঁধিয়া মৃতপ্রায় পাঁচ মুসাফির নতুন উদ্যমে তপ্তমরূ পাড়ি দিয়া যখন সেই কাঙ্খিত মরূদ্যানের উপকন্ঠে আসিয়া উপনীত হইতে পারিলেন, তখন তাঁহাদের মনে হইলো, অবশেষে খোদাতা'লা তাঁহার বান্দাদিগকে খাস তাওয়াক্কুলের প্রতিদান দান করিলেন।

মরূদ্যানটি অত্যন্ত ক্ষুদ্রায়তন। একজন মাত্র ব্যক্তি তাহার স্ত্রী আর দুই পুত্রকে লইয়া ওইখানে বসবাস করিত। এই লোকটির নিকট আশ্রয় গ্রহন মুসাফিরদের বাঁচিয়া উঠিবার সর্বোত্তম পন্থা হইতে পারিত, কিন্তু এইখানে একখানা নতুন সমস্যা দেখা দিলো।

বাস্তবে ঐ গৃহস্বামীটি আছিলেন একজন ইহুদী। যদিও যথেষ্ট পরিমাণে সজ্জন ও পরোপকারী এই ইহুদীটি অত্যন্ত আদবের সহিতই মৃতপ্রায় পাঁচ মুসাফিরকে দেখিয়া আগাইয়া আসিয়াছিলো, এবং যুগপৎ উদাত্তকন্ঠে নিজগৃহে আশ্রয় গ্রহনের অনুরোধও জানাইয়াছিলো, তথাপি মুসাফিরেরা যখন জানিতে পারিলেন যে গৃহস্বামী ব্যক্তিটি ইহুদী, তখন মনে মনে তাহারা কমবেশী সংকোচ বোধ করিতে শুরু করিলেন। ইহুদী গৃহস্বামীটি অবশ্য বলিয়াছিলো যে, "হুজুরান, আমি জাতে ইহুদি বটে, আর মুসলিমদিগের সহিত যে ইহুদীদিগের সম্পর্ক ভালোনা তাহাও আমি অবগত আছি। তবে কাজেকর্মে আমি বিন্দুমাত্র ইহুদী নই, নামেই মাত্র, তাই আপনারা নিশ্চিন্তে আমার গৃহে বিশ্রাম লইতে পারেন।"

ইহুদীর এহেন সদ্ব্যবহারে মুগ্ধ কাজী সাহেব কিছুটা ইতস্তত করিয়া কহিলেন, "জনাব, আমাদিগকে এক গামলা পানি দেয়া যাইবে কি? আগে জানটা বাঁচাই, তাহার পর মুজাকারা করিয়া ঠিক করা যাইবে যে কি করা যায়।"

পানি পান করিয়া খানিকটা সঞ্জীবিত হইবার পর পাঁচ মুসাফির মুজাকারায় বসিলেন, ইহুদীর গৃহে আশ্রয় নেওয়া কতটুকু ঠিক হইবে এই বিষয়ে সবাই নিজ নিজ মত তুলিয়া ধরিলেন। তাহার বিশদ বিবরণ তারিখ আল সফর লিল সিনদাদ গ্রন্থে পাওয়া গিয়াছে, যাহা হইতে এইখানে কিছু উদ্ধৃত করা হইলো।

গোত্রপতিদের একজন ছিলেন আবু উবিলা, যেমন তাহার আল্লাহভীতি তেমনই তাহার সাহস আর শৌর্য্যবীর্য। হঠাৎ করিয়াই ফাল দিয়া দাঁড়াইয়া উঠিয়া চকিত নিজ তলোয়ারখানি বাহির করিয়া তিনি উদ্ধত কন্ঠে কহিলেন, "হুজুর, আজ যদি এই ব্যক্তি ইহুদী না হইয়া পৌত্তলিক হইতো, তাহা হইলে খোদার কসম, আমি উহাকে এই তলোয়ার আর কোমরে বাঁধা এই ধারালো ছোরা দিয়া টুকরা টুকরা করিয়া ফেলিতাম!" এইটুকু বলিতে বলিতে সকলের প্রশ্নবিদ্ধ দৃষ্টির জবাবেই যেন বলিলেন, "আপনারা ভুলিয়া যাইবেননা, আমার পিতা, পিতামহ, প্রপিতামহ, প্রত্যেককেই পৌত্তলিকের দল হত্যা করিয়াছে!"

তাহার পরও আবু উবিলার কথায় বাঁকিদের ভ্রূতে ভাঁজ পড়িলো, আরেকজন গোত্রপতি ইবনে আআ'ম, যাহার সুনিয়ন্ত্রিত বাচনভঙ্গি অত্যন্ত সহজেই মজলিশে লোকের মনোযোগ কাড়িয়া থাকে, তিনি কহিলেন, "ওহে, আবু উবিলা, আপনার কষ্ট আমি বুঝি, তথাপি এইখানে তো পৌত্তলিক প্রাসঙ্গিক নহে!"

আবু উবিলা তলোয়ার খাপে ঢুকাইতে ঢুকাইতে কহিলেন, "হে ইবনে আআ'ম, আমার মতামত আমি দিয়াছি, আপনি বরং আপনারখানাই পেশ করুন!"

অবস্থা জটিলতর রূপ লইতেছে ধারনা হওয়ায় এইবার খানিকটা নম্রস্বভাব আর শান্ত প্রকৃতির শেখ তাজাম কহিলেন, "আফসোস! এই বিপদে খোদাতালা আমাদিগকে একজন নেককার বান্দার আতিথ্য গ্রহনের তকদীর কবুল করিলেননা! হয়তো ইহা আমাদিগেরই কোনো না কোনো পাপের ফল। ভাইসব, আমি বুঝিতেছি, এই ইহুদী মাগদুবের ঘরে আতিথ্য গ্রহনের এই কয়েকখানি দিন হয়তো আমাদের প্রত্যেক আ'মলের নেকী কমিয়া যাইবে; কিন্তু ভাবিয়া দেখুন, আমরা যদি আমাদের আ'মলের সৌন্দর্য্য দিয়া এই বাতিল বেপথ ইহুদীকে আল্লাহর রাহে আনিতে পারি, তবে আল্লাহ আমাদের নেকী কতগুণ বাড়াই দিবেন! বলেন, সুবহানাল্লাহ!"

শেখ তাজামের বক্তব্য শ্রবনপূর্বক কাজী আল মাকসুদ ও আরেকজন গোত্রপতি সাইয়িদ নাজা'ক সম্মতিসূচক মাথা নাড়িলেন। বস্তুত যেহেতু তাহারা দুইজনই আতিথ্য গ্রহনের পক্ষে ছিলেন, অতএব ভীষন ক্ষুধার্ত অবস্থায় বেশী কথা বলিয়া সময় নষ্ট করিবার কোন ইরাদা তাহাদের ছিলোনা।

উপসংহার টানিবার উদ্দেশ্যে সাইয়িদ নাজা'ক, যিনি ইসলাম শাস্ত্রে বিশেষ পান্ডিত্যের কারণে সর্বত্র সমাদৃত হইতেন, তিনি তাঁহার জোব্বার পকেট হইতে একখানা ছোট তারিখ বাহির করিয়া উহার পাতা উল্টাইতে উল্টাইতে কহিলেন, "যেহেতু এই ব্যক্তিটি স্বীকার করিয়াছে যে সে কাজেকর্মে অর্থাৎ আ'মলে মোটেও ইহুদী নহে, অতএব তাহার আতিথ্যগ্রহনে আমি কোন বাঁধা দেখিতেছিনা। আর তাহা ছাড়া খেয়াল করুন সকল বেরাদারগণ, ইহুদী-নাসারাদের বন্ধুত্বগ্রহনের বারণ শুধু যুদ্ধরত অবস্থাতেই পক্ষ-বিপক্ষ হিসাবে। আমরা তো এই ব্যক্তি বা তাহার গোত্রের সহিত কোন যুদ্ধে লিপ্ত নহি।"

এক্ষণে সুবক্তা ইবনে আআ'ম আবার মুখ খুলিলেন, কহিলেন, "মুহতারাম সাইয়িদ, আপনার জ্ঞানের উপরে তো আমি কোন কথা কহিতে পারিনা। তবে অধমের একখানা মতামত পেশ করিতে চাই।" বলিয়া সকলের চোখ তাহার দিকে কিনা তাহা নিশ্চিত হইয়া বলিতে শুরু করিলেন, "যুদ্ধরত অবস্থার যে তত্ত্ব দিয়াছেন জনাব, তাহা মানিয়া লইলেও, এই সারা জাহানের কোনো না কোনো স্থানে হয়তো এই মুহূর্তেও মুসলিমের সাথে ইহুদীরা যুদ্ধে লিপ্ত রহিয়াছে। দুনিয়ার কোথাও যে যুদ্ধ চলিতেছেনা ইহা তো আমরা নিশ্চিত হইয়া বলিতে পারিনা, তাই নহে? মুসলিম মুসলিম ভাই ভাই, মুসলিম উম্মাহর সাথে এত বড় বেঈমানী আমরা কিভাবে করি?"

ইবনে আআ'মের কথায় কাজী আল মকসুদ খানিকটা মুষড়ে পড়ে, শেখ তাজামকে দ্বিধান্বিত দেখায়, আর আবু উবিলা আবারও উৎফুল্ল হইয়া ওঠেন, উত্তেজিত কন্ঠে বলিতে থাকেন, "ঠিক বলিয়াছেন মুহতারাম ইবনে আআ'ম। আমার মতামত হইলো, আমরা পাঁচজন ব্যক্তি যথেষ্ট ক্লান্ত হইলেও, এখনও চেষ্টাচরিত্র করিলে ঐ ইহুদী বদমায়েশ আর তার পরিবারকে এই খেজুর গাছখানার সহিত বাঁধিয়া রাখিতে পারিবো। তাহার পর উহার গৃহের খাবার আর পানীয় গ্রহনে আমাদের কোন বাঁধা থাকিবেনা, কারণ উহা আতিথ্যগ্রহন বলিয়া বিবেচিত হইবেনা।"

এতক্ষণে কাজী আল মকসুদ আর চুপ থাকিতে পারিলেননা, বিরক্ত কন্ঠে কহিলেন, "হে আবু উবিলা, উহা কি তবে লুট করা হইবেনা? লুট করা কি জায়েজ?"

আবু উবিলা কহিলেন, "এক্ষণে আমাদের জান বাঁচানো ফর্জ। এক্ষণে লুট করা কোন পাপ হইতে পারিবেনা।"

আল মকসুদ কহিলেন, "আর ইহুদীর ঘরে আতিথ্য গ্রহনে পাপ হইবে? বিশেষ করিয়া যখন দেখিতে পাইতেছো যে লোকটি সজ্জন, তাহার পরেও?" এই বলিয়া সকলের দিকে তাকাইয়া আল মকসুদ কহিতে লাগিলেন, "মুহতারামগণ, আপনারা কেন ভুলিয়া যান, আমাদের পেয়ারের নবীজি তাঁর নিজগৃহে মুসাফির ইহুদীকে আশ্রয় দিয়াছেন, মেহমানদারী করিয়াছেন, এমনকি ঐ দুষ্কৃতিকারী ইহুদী তাহার গৃহ নষ্ট করিয়া চলিয়া যাইবার পরও নিজ হস্তে সমস্ত বর্জ্য পরিস্কার করিয়াছেন। নবীজি তাহাকে সামান্য ঘৃণা তো করেনই নাই, বরং খাসদিলে তাহার হেদায়াত কামনা করিয়াছেন। আর আজ আমরা একজন সজ্জন ইহুদীর আতিথ্য গ্রহনে কুন্ঠাবোধ করিব? এই কি আপনাদিগের ইনসাফ?"

আল মকসুদকে সকলে সমীহ করিত, তাহার এই কথা শ্রবন করিবার পর আর কোন কথা কেউ কহিতে পারিলোনা। তাহাছাড়া, বস্তুত প্রাণ ওষ্ঠাগত মুসাফিরগণের আতিথ্য গ্রহনের বাহিরে অন্য কোন পথও খোলা ছিলোনা। তাই অবশেষে সকলে সম্মত হইলো যে ইহুদীর ঘরে আশ্রয় লইবেন। তাহারা নিজেদের মধ্যে বলাবলি করিতে লাগিলেন, "যাহাই হউক না কেনো, সবার আগে জান বাঁচানো ফরজ। আর কাহারও মনে যদি কোনপ্রকার কুন্ঠা রহিয়া যায় তবে পরবর্তীতে আল্লাহর দরবারে খাসদিলে তওবা করিয়া লইবেন।"

এহেন সুন্দর মুজাকারার পরও রক্তগরম আবু উবিলা ইহা কহিতে ছাড়িলেননা যে, "মুহতারাম কাজী আল মকসুদ, আপনার কথায় রাজী হইলাম বটে। এক্ষণে নতুন কোন মুসিবত হাজির হইলে তাহার দায়ও জনাব আপনাকেই লইতে হইবে।"

'এক সাধারণ সজ্জন ইহুদীর ঘরে আশ্রয় নিয়া আর নতুন কি মুসিবত হইবে' -- এই ভাবিয়া কাজী সহাস্যে মাথা নাড়িয়া আবু উবিলার অনুযোগ গ্রহন করিলেন।
একই সাথে আতিথ্যের আহবান জানানো ইহুদী ব্যক্তিটির উদারতার বিপরীতে তাহার মনে কোন কষ্ট না দেওয়ার হাত হইতে বাঁচিয়া গিয়াছেন -- এই ভাবিয়া মনে মনে সামান্য খুশীও হইলেন।

কিন্তু সেই মুহূর্তে আল মকসুদ কল্পনাও করিতে পারেননাই, তাঁহার এই কুসংস্কারহীন সৎকর্মটির জন্য কিরূপ কাফফারা খোদাতালা তাঁহার জন্য প্রস্তুত করিয়া রাখিয়াছেন।

তবে সেই গল্প আবার আরেকদিন করা যাইবে।

(চলবে ...)

#কাল্পনিক গল্প
#স্টাইল ধার করা

পোস্টটি ১২ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

শওকত মাসুম's picture


আপনি তো নেশা ধরাইয়া দিছেন। সহস্য এক রজনী টাইপ মনে হইতাছে। চলুক।

জ্বিনের বাদশা's picture


হা হা হা
বস্, সেই চড়ুই পাখির ফুড়ুৎ ফুড়ুৎ আসা যাওয়ার কাহিন? Wink

আরব্য রজনীর গল্পের ভিতরে গল্প স্টাইলে একটা ক্লোজ সার্কিট প্রেমের উপন্যাস লিখমু অনেকদিন ধরে ভাবতেছি, কিন্তু সার্কিট মিলাইতে পারিনা! Sad

মাহবুব সুমন's picture


দারুন লাগছে চাচ্চু

জ্বিনের বাদশা's picture


ভাতিজা তো জব্বর (জব্বার না Wink) প্রোফাইল ছবি দিছেন! Wink

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


জটিল...চলুক!

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

অদ্রোহ's picture


ম্যালাদিনের অনভ্যাসের জন্য এই স্টাইলের লেখার স্বাদ প্রায় ভুলতেই বসছিলাম ,এখন তারিয়ে তারিয়ে পড়ছি ,আর গল্পটাও আস্তে আস্তে বেশ খোলতাই হচ্ছে মনে হয়...

জ্বিনের বাদশা's picture


লিখতে গিয়াও দেখলাম, তেমন বাঁধা পাইনাই এই স্টাইলে ... তবে চলতি-সাধুর মিশ্রণের ঝামেলাটা রইয়াই গেলো! Sad

শাওন৩৫০৪'s picture


জটিল এক পিস বস, একদম মাইল্ড টোনে স্যাটায়ারটা আসতাছে, হালকা কৈরা------চরম----
পরের পর্বের জন্য অয়েটিং...

১০

জ্বিনের বাদশা's picture


স্যাটায়ারটা ধরা গেছে? যাক!
বাই দ্য ওয়ে, আরো অনেক এনক্রিপশন অবশ্য আছে, তবে প্রকাশ করা হবেনা Wink

১১

এরশাদ বাদশা's picture


দৌড়াইয়া দৌড়াইয়া চলুক। জিরানোর টাইম নাই।

১২

জ্বিনের বাদশা's picture


কন কি? তাইলে নিজেই মুসাফির হইয়া যামু Wink

১৩

বাতিঘর's picture


চ্রম হচ্ছে ভাইডি! পরের পর্বের অপেক্ষা থাকলাম.....

১৪

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

১৫

নুশেরা's picture


স্টাইলটা নিজস্ব একটা ফর্ম পেয়ে গেছে এই পর্বে Smile
তবে জ্বিনজীর এই লেখায় টাইপো আছে, দেশীর লেখায় সচরাচর এমন দেখি না!

পরের পর্ব জলদি!

১৬

জ্বিনের বাদশা's picture


আরে দেশী? আপনেরে অনেকদিন দেখিনা?
আমার লেখায় তো অনেক টাইপো থাকে, ত'রা সব ট হয়ে যায়, খ'রা হয় কহ
Sad
কিছু ঠিক করলাম

১৭

কাঁকন's picture


একটানে দুটো পড়ে ফেললাম পরের পর্বের অপেক্ষায়

১৮

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ ... আজকে পরের পর্ব নামানোর চেষ্টা করিবো

১৯

সাঈদ's picture


জলদি পরের পর্ব ছাড়েন , নেশা ধরিয়া গিয়াছে।

২০

জ্বিনের বাদশা's picture


নেশা তো ধীরে সূস্থে ছাড়ানোই ভালো Wink

২১

নাজমুল's picture


মনে হৈতাছে আরব্য রজণী পর্তাছি। দারুন চলুক....

২২

জ্বিনের বাদশা's picture


Wink

২৩

শাপলা's picture


আহা! কি গল্পই না ফাঁদিতেছেন বস। এই আমি নাদান তাহার অল্পই ইশারা বুঝিতেছি।
পরের পর্ব দিয়া বস আপনি আমাদের আলোর পথ দেখান। আল্লাহ আপনাকে সেই তৌফিক দান করুন।

২৪

রাসেল আশরাফ's picture


আমীন.।.।.।.।।।

২৫

জ্বিনের বাদশা's picture


আলোর পথ জানা থাকিলে কি আর মুসাফিরের গল্প বলিতে হইতো? তাহা হইলে তো হেদায়াতনামা লিখিতে বসিতাম Wink

২৬

নরাধম's picture


ব্লগের লেখা পড়েপড়ে ভালসাহিত্যমানের লেখার কথা ভুলেই গেছলাম। এই সিরিজ পড়তেছি আর বিমলানন্দ লভিতেছি!

২৭

জ্বিনের বাদশা's picture


যাউক, আরেকটা শব্দ মনে পড়লো, "লভিতেছি"

Wink

২৮

নাহীদ Hossain's picture


আসল অংশটা পড়তে চাই ......

২৯

জ্বিনের বাদশা's picture


হায় হায়! আবার আসল অংশ কি?

৩০

নীড় সন্ধানী's picture


নেশা ধরায়া দিছেন। পুরাটা না পইড়া শান্তি পাইতেছি না। পরের পর্ব তাড়াতাড়ি এন্তেমাল করেন। Smile

৩১

জ্বিনের বাদশা's picture


এস্তেমাল হইবে Wink

৩২

টুটুল's picture


বস...
বাকিরা সব কৈয়া দিছে... Smile
আমি আর নতুন কি কই... নতুন পর্ব পড়তে চাই Smile (এইটা আন্দোলনের হুমকি) Wink

৩৩

জ্বিনের বাদশা's picture


বস্, আছে বাকী আর একটা পর্বই Sad

৩৪

টুটুল's picture


টাইন্নামাইন্যা বাড়ানো যায় না?

৩৫

সালাহ উদ্দিন শুভ্র's picture


দারুন।

কিন্তু  কন্টিনিউ করা যাবে না যে। আফসোস হইতাছে। চেষ্টা করবো মাঝে মাঝে পড়ার।

৩৬

জ্বিনের বাদশা's picture


অসুবিধা নাই, আর মাত্র একটা পর্ব ... ছাইড়া দিছি Wink

৩৭

আতিয়া বিলকিস মিতু's picture


ভালো লাগলো।

৩৮

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

৩৯

মুক্ত বয়ান's picture


আহা...সেই ছোটবেলার কথা মনে পরে গেল। শুক্রবার রাত ৮টার পরে টিভিতে দেখা সেই আরব্য রজনীর গল্প। চমৎকার।
পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় ভাইয়া...

৪০

জ্বিনের বাদশা's picture


হা হা হা ... আরব্য রজনীর স্টাইলটা অবশ্য আমার আরো পছন্দ

৪১

নড়বড়ে's picture


দুই পর্ব টানা পড়লাম, কাহিনী জমে উঠতেছে ... Innocent
পরেরটার অপেক্ষায় থাকলাম ...

৪২

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ

৪৩

আরিফ বুলবুল's picture


ভালো লাগা অব্যহত আছে।

৪৪

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ আপনাকেও

৪৫

তানবীরা's picture


প্রথম পর্ব পইড়াই সন্দেহ হইছিলো যে গল্পের পিছনে গল্প আছে

৪৬

জ্বিনের বাদশা's picture


সন্দেহ আরো গাঢ় হইছে? Wink

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.