ইউজার লগইন

বিশ্বকাপ শর্টনোট ৭

মাঝখানে বিশ্বকাপ নিয়ে ফ্যান্টাসী লীগ চালাতে গিয়ে শর্টনোটের শর্টসার্কিট হয়ে গিয়েছিলো, সময় পাচ্ছিলামনা। ছোটবেলা থেকে যেহেতু খেলাধুলায় ভালো ছিলামনা, কিন্তু খেলা পছন্দ করতাম, তাই শেষমেষ খেলা দেখাটা আর পরিসংখ্যানের হিসেব রাখাটা একটা নেশা হয়ে গিয়েছিলো একসময়। বিশ্বকাপ এলে মৌসুমী পাখির মতো সেই নেশা আবার ফিরে আসে, পরদিন অফিস থাকলেও রাত জেগে খেলা দেখা হয় প্রায়ই, অফিসে ঝিমুতে হয়, ঘরে ফিরে সোফায় বসে চিপস-পপকর্নের সাথে সাথেও ঝিম ধরে আসে। তারপর, খেলা শুরু হলেই হঠাৎ কেমন ফ্রেশ ফ্রেশ লাগে, সন্ধ্যারাতের খেলায় খেলোয়াড়দের বকাঝকা করতে কোচদের চেয়ে কম যাইনা, আর ভোররাতের খেলায় চেঁচামেচি করা যেহেতু অনুচিত তাই হাত-পা ছুঁড়ে মুকাভিনয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয়। জীবনে কখনও সকালে ঘুম ভাঙতে চায়না, অথচ ইদানিং সাড়ে তিনটার সময় ঠিকই ঘুম ভেঙে যাচ্ছে। যাই হোক, চার বছরে একবার, এটুকু অনিয়ম তো হবেই।

ব্রাজিল পর্তুগালের ম্যাচটি সম্ভবতঃ এই বিশ্বকাপের সবচেয়ে বিরক্তিকর ম্যাচ হয়েছিলো। দু'দলের কেউই গা করে খেলেনি, আবার সরাসরি পাতানো খেলাও না। তবে এটাও বোঝা যাচ্ছিলো যে কাকার ডিফেন্স চেরা পাস আর ডানপ্রান্ত দিয়ে এলানোর যখন তখন বল নিয়ে ঢুকে পড়া -- এই দুয়ের সমন্বয় ছাড়া মূলতঃ ডিফেন্স-নির্ভর এই ব্রাজিলের জৌলুসটা আর থাকেনা। লুইস ফ্যাবিয়ানো শুধু স্ট্রাইকারই, ওয়ানটপ ছাড়া আর কোন পজিশনে সে খেলতে পারবে বলে মনে হয়না, তবে সুযোগের সাথে গোলের সাফল্যের হার এখন পর্যন্ত খুব বেশী, নেদারল্যান্ডসের ফন পার্সির সাথে ব্যস্তানুপাতিক। চিলি, পেরু, বলিভিয়া, প্যারাগুয়ে -- এই দলগুলোর সাথে ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনা খেলোয়াড়দের উচ্চতার একটা বিরাট এ্যাডভান্টেজ সবসময়েই পেয়ে আসে; আমার মনে হয় এটাই বড় ম্যাচে ব্রাজিলের সবসময় এত নিষ্কন্টক বিজয়ের মূল কারণ। অবাক হয়েছই কাল চিলির কর্ণারগুলো দেখে, একটাও সেট-প্লে করেনি, সব ছোট পাসের কর্ণার। ব্রাজিলের গোলের সংখ্যার অনুপাতে আক্রমণের সংখ্যা খুব কম, দুঙ্গার থিওরী, আক্রমণ করতে হবে মাটি ঘেঁষা বলে। কোট-ডি-ভোয়ারের সাথে প্রথম ও তৃতীয় গোল, আর গতকালের দ্বিতীয় ও তৃতীয় গোলটি আবারও মনে করিয়ে দিলো। পাসের অদ্ভুত নেটওয়ার্কে মোটামুটি প্রতিপক্ষের গোলের সামনে ফাঁকা অংশ তৈরী করে তারপর জালে ঢুকিয়ে দাও। কাকা এই ব্রাজিল দলের সবচেয়ে অপরিহার্য খেলোয়াড়।

গত বিশ্বকাপে যার খেলা দেখে মুগ্ধ হয়েছি, সেই এ্যারিয়েন রোব্বেন অবশেষে নেমেছেন। তবে গত বিশ্বকাপে যে পরিশ্রমী রোব্বেনকে দেখেছি, এবার পজিশন আরো উপরে তুলে দেয়ায় সেরকম বল দখলে তাকে দেখা যায়নি। হয়তো কোচ স্নাইডারের ঘাড়েই বেশী দায়িত্ব চাপাতে চেয়েছেন। তবে জাত ঠিকই চিনিয়েছেন রোব্বেন দুই ম্যাচে খেলা সাকুল্যের ৯০ মিনিটে, একটা নিশ্চিত গোলের বল বারে লেগে ফিরে এসে সতীর্থের মাধ্যমে গোল হয়েছে, আর গতকাল স্লোভাকিয়ার সাথে যে গোলটা দিলেন সেটা তো একটা মাস্টারপিস। এই ওয়ার্ল্ডকাপের সেরা গোল বললেও বেশী বলা হয়না। আর ভালো লাগে তার সেই চিরাচরিত ডাউন-টু-আর্থ এ্যাটিচিউড, ফাউলে পড়ে যাওয়া প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে যায়, হাতে বল লাগলে অন্যরা যেখানে খেলা চালিয়ে যায়, সেখানে রোব্বেন খেলা থামিয়ে দেয় (তারপরও কোন কমনসেন্সে রেফারী হলুদ কার্ডটা দেখালো বুঝিনি, একই কথা গতকালের কাকার হলুদ কার্ডের বেলায়ও খাটে)। রোব্বেনের মতো মেধাবী আর অনুভূতিশীল খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়ুক, ফুটবল তার হারানো সৌন্দর্য্য ফিরে পাবে।

এ্যাটিচিউডের প্রসঙ্গে নাম এসে যায় জন টেরী আর জাপানী গোলরক্ষক কাওয়াশিমার। এই ওয়ার্ল্ড কাপে আমার দেখা সেরা খেলাটি হলো, স্লোভেনিয়ার বিপক্ষে গোল বাঁচানোর আপ্রাণ প্রচেষ্টায় রত টেরীর সেই খেলাটি, যেখানে গোল অভিমুখে রওয়ানা দেয়া বলটিকে থামানোর জন্য প্রাণপণ টেরী উপুড় হয়ে বলের ওপর পরে সেটিকে থামানোর চেষ্টা করেন। পরে অবশ্য গ্লেন জনসনের ডান পায়ের সতর্ক ইন্টারসেপশনে গোলটা বাঁচে। সেদিনের ইংল্যান্ড মরিয়া ছিলো, একগোল রক্ষা করে উঠতেই হবে পরের রাউন্ডে, আগেরদিনের ফ্রান্সের পরিণতি বরণ করা যাবেনা -- এই দৃঢ়প্রতিজ্ঞাই দূর্বল ইংল্যান্ড দলকে দ্বিতীয় রাউন্ডে উঠতে সাহায্য করে। অথচ জার্মানীর ম্যাচে ল্যাম্পার্ডের গোলটি না দেয়ার কারণে প্রথমার্ধ শেষেই ফিরে আসতে থাকা খেলোয়াড়দের চেহারা বলছিলো যে তারা খুব হতাশ। সেখান থেকে যা পাঠ করা যাচ্ছিলো, তা হলো রেফারীর এই ভুলের ফলে তাদের আর কোন আশা রইলোনা। অথচ ফুটবলে গোল করার জন্য ১৫/২০ সেকেন্ড লাগে, "একটা গেছে তো কি হইছে, সেকেন্ড হাফে আরো দুইটা দিবো" -- এই দৃঢ়তা ইংলিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে ছিলোনা। এ্যাটিচিউড ছাড়া এরকম হাইলেভেল নার্ভাস ম্যাচ বের করা কঠিন। জার্মানীর ভাগ্য ভালো যে দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম অংশেই তারা সহজ একটি গোল পেয়ে যায়। জার্মান দলে ওজিতে কয়েকটি লের খেলা দিন দিন মুগ্ধতা বাড়াচ্ছে, তবে ক্লোসার সেই "গোল দিয়াই ছাড়বো" এ্যাটিচিউডটাই ম্যাচের সবচেয়ে উপভোগ্য অংশ বলে মনে হয়েছে।

জাপানী গোলরক্ষক কাওয়াশিমা, ছোট দলের খেলোয়াড় বলে হয়তো অত আলোচনায় আসেনি। কিন্তু তার এ্যাটিচিউডও আমাকে মুগ্ধ করেছে। ডেনমার্কের সাথে গোল বাঁচানোর পরও টমাসনের দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় গোলটা খায় জাপান মূলতঃ ডিফেন্ডারদের স্লো রিফ্লেক্সের কারণে। কিন্তু দ্বিতীয় প্রচেষ্টায় আর গোল না বাঁচাতে পেরে কাওয়াশিমা ডিফেন্ডারদের দিকে তাকিয়ে চিৎকার করেনি বা বিরক্তি দেখায়নি (যেটা সাধারণতঃ গোলরক্ষকেরা করে, এবং সেটা তআদের অধিকারও)। বরং মাটিতে কয়েকটি এলোপাতাড়ি ঘুষি মেরেছে, "কেন পারলামনা!" এই আক্ষেপে। এমন এ্যাটিচিউড পুরো দলকে উজ্জীবিত করে, জাপান যদি আর সামান্যও এগুতে পারে এই টুর্নামেন্টে তবে সেটা দলটির অসামান্য টিমওয়ার্কের জন্যই। এখন পর্যন্ত ফ্রিকিকে সরাসরি গোল করেছে শুধু তারাই, তাও এক ম্যাচে দুটি, তৃতীয় একটি বলও প্রায় ঢুকে পড়েছিলো -- জাবুলানি দিয়ে এই আর্ট রপ্ত করে ফেলেছে বলতে হবে। আজ প্যারাগুয়েকে এই একটি জায়গায় সাবধান থাকতে হবে, জাবুলানিকে ফ্রিকিক দিয়ে গোলপর্যন্ত পাঠানো কঠিন, কিন্তু পাঠাতে পারলে আবার কীপারের পক্ষে সেটা ধরা কঠিন -- এরকমই বলছেন বিশেষজ্ঞরা।

এবার বিশ্বকাপে যে জিনিসটা উপভোগ করছি তা হলো ব্লগে ব্লগে নানা মন্তব্য, প্লাস ফেসবুকের মন্তব্য। বিশ্বকাপ হয়ে উঠেছে অনেক বেশী আনন্দময়, এ ব্রাজিলকে বকাঝকা করে তো সে আর্জেন্টিনাকে শাপশাপান্ত করে। ইংল্যান্ডের পরাজয়ে নিষ্ঠুরের মতো অট্ঠাসি দেখেছি ফেসবুকে -- এসব মিলেই তো বিশ্বকাপ, এসব ছাড়া জমে নাকি? এতকিছুর মাঝেও যে বিশেষ জিনিসটা আমার আবার বিশেষভাবে পছন্দ হয়েছে, সেটা প্রথম আলোতে লেখা কবি নির্মেলেন্দু গুনের কলাম। বোঝা যায়, কবি ফুটবল সম্পর্কে খুব বেশী না জানলেও উৎসাহের কমতি নেই। তারওপর কবিমানুষ বলে কথা। চিরাচরিত বিশেষজ্ঞ কলামের বিপরীতে একজন ফুটবলপ্রেমিক কবির বয়ানে সম্পূর্ণ ভিন্নস্বাদের রচনা ওগুলো। ফুটবল নিয়ে কথা বলতে শুরু করে কবি কোথায় কোথায় চলে যান, এক কলামে ঘানার আসামোয়াহ জ্ঞ্যানের নাম "জ্ঞান" কেন, এ নিয়ে নানান পাঁচালী, শেষে তো বেচারা জ্ঞ্যানকে "ওসমান গণি" বানিয়ে ফেললেন! যারা পড়েননি, পড়ে দেখতে পারেন।

ঘানা-উরুগুয়ের মধ্যে একটি দল যাচ্ছে সেমিফাইনালে, আবারও বিশ্বকাপের সেই পুরোনো ঐতিহ্যটা রক্ষা পেলো। উরুগুয়ের ফোরলান-সুয়ারেজ জুটি জমে উঠেছে, এই দল যে কোন কিছু ঘটাতে পারে। একটি মজার বিষয় দেখলাম, আর্জেন্টিনা গতবারও ষোলোর রাউন্ডে মেক্সিকোকে টপকে কোয়ার্টার ফাইনালে জার্মানীর মুখোমুখি হয়েছে, এবারও ষোলোর রাউন্ডে মেক্সিকোকে হারিয়ে জার্মানীর সামনে পড়তে যাচ্ছে। এমন কাকতাল কি করে হয়? তবে গতবার আর্জেন্টিনা জার্মানীর কাছে হেরে বিদায় নিয়েছিলো, এবার আশা করি উল্টোটা ঘটবে, প্রতিশোধ নিতে পারবে। আমি আবার প্রতি বিশ্বকাপেই আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের ফাইনালের জন্য মনে মনে অপেক্ষা করি কিনা! অবশ্য অন্যদিকে হল্যান্ডের কাছে ব্রাজিল টসকে না গেলেই হয়, অরেঞ্জ ব্যাটালিয়ান এবার খুব বুঝেশুনে খেলছে!

পোস্টটি ৬ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

ভাঙ্গা পেন্সিল's picture


দুই চোখে যেই দলটা দেখতে পারি না সেটার নাম নেদারল্যান্ড Sick । সাথে আরিয়েন রোবেন আর পার্সিকে তো আরো দেখতে পারি না। দুইজনই স্বার্থপর খেলোয়াড়। ইদানীং নাকি একটূ কমছে, তবে তাতেও আমার নেদারল্যাণ্ডের খেলা দেখার রুচি হয় না :& । নেদারল্যাণ্ডের অতি বোরিং খেলাও আধাঘণ্টার মতো দেখছি, রোবেনের গোলটাও, এমন কিছু হয় নাই। আমার চোখে এখনো সেরা ফোরলানের গোল, তারপরে ভিয়া। আশা করি ব্রাজিল মিনিমাম তিনটা ভরবে।

কালকের ম্যাচে চিলি ভাল খেলছে, কিন্তু একটাও গোল দিতে পারলো না। আমার সবসময়ই মনে হয় বিয়েলসা কোচ হিসাবে ভাল, কিন্তু স্ট্রাটেজি খুব দুর্বল। শক্তিশালী ডিফেন্স না থাকলে কারো ব্রাজিলের মতো দক্ষ কাউন্টার-এটাক বিশিষ্ট দলের সাথে আক্রমণাত্মক খেলাই উচিত না। গোল খাওয়ার পরেও চিলির হার না মানা আক্রমণাত্মক মানসিকতা দর্শক হিসাবে আনন্দ দিলেও স্কোরলাইন চিলির কৃতিত্বটা বুঝাতে পারছে না।

জ্বিনের বাদশা's picture


ভাই স্ট্রাইকার মাত্রেই স্বার্থপর Wink দেখতে হবে কে সুযোগ বের করে নিতে পারে ...
আপনার অপছন্দের টিম বলে কথা বাড়িয়ে লাভ নেই, তবে, রোব্বেনের কালকের গোলটা খুবই কঠিন একটা গোল ... মাঝমাঠ থেকে ডিবক্স পর্যন্ত দৌড়ে বল ট্র্যাপ করা, তারপর তিনজন ডিফেন্ডারের সাথে ড্রিবলিংয়ের লড়াই, তারপর গড়ানো শটের প্লেসিং --- আমার তো মনে হইছে এই গোলের তুলনা নাই। তবে এইটা ঠিক গতবারের মতো ১০০ ভাগ মোমেন্টাম নিয়ে এখনও সে খেলতে পারেনাই ...

শাপলা's picture


বস আপনি যখন লিখছেন, তখন নিশ্চই ভালো লিখেছেন।
লেখা পড়লাম কিন্তু এ লেখার সম্যক মন্তব্য লিখবার সম্যক জ্ঞান আমার নেই।

জ্বিনের বাদশা's picture


হায় হায়!! আরো কঠিন কইরা লিখতে হইবো? Wink

নীড় সন্ধানী's picture


এই কদিনে কালকের ব্রাজিলের খেলার সময় ইচ্ছা করে ঘুমাইছি।
ফলাফল ব্রাজিল জিতছে, সাথে কুসংস্কারও। আমি খেলা না দেখলে সেদিন ব্রাজিল নাকি ভালো খেলে। Laughing out loud Laughing out loud

মেসবাহ য়াযাদ's picture


কালকের শেষ ৩০/৩৫ মিনিট খেলা দেখে মনে হয়েছে, ব্রাজিলের খেলা দেখছি। সত্যি বলতে কী, এর আগের ৩ ম্যাচ এবং কালকের আধা ,ম্যাচ দেখে কোথাও ব্রাজিলকে খুঁজে পাইনি। দর্শক হিসাবে এটা আমাকে হতাশ করেছে। জানিনা, ব্রাজিল সামনে কী করবে ? প্রিয় দল আর্জেন্টিনার জয়ের পাশাপাশি ব্রাজিলের জন্য শুভকামনা রইলো...

জ্বিনের বাদশা's picture


ব্রাজিল এখন পর্যন্ত সবচেয়ে সিরিয়াসলি খেলছে উত্তর কোরিয়ার সাথে খেলাটা ...২৬টা শট গোলে!!!! কোট-ডি-ভোয়ার আর চিলির সাথে ৫০ মিনিটের মধ্যে ২ গোল পেয়ে খেলা গুটায়ে নিছে, অযথা এনার্জি লস করেনাই। পর্তুগালের সাথে ম্যাচটা একটা বাজে ম্যাচ ছিলো। ব্রাজিলিয়ান খেলোয়াড়দের মধ্যে কার্ড/ফাউলভীতি কাজ করছে এতদিন ... আশা করি বড়দলের সাথে খেলায় এটা কাটায়ে উঠতে পারবে

জ্বিনের বাদশা's picture


এইটা কি সবারই হয়? খেলা দেখতে বসলে গোল না হলে আমারও মনে হয় "কুফাটা কোথায়?" ... Wink

টুটুল's picture


বস...
লুঙ্গি ঝাড়া দেয়ার বিষয়টা কিন্তু এরমি... কুফা কাটানো... মোহামেডান আবাহনী গ্যালারীতে এইটা দেখা যেত Smile

১০

তানবীরা's picture


বাদশাহ ভাই অফিসে ফুটবল পোল ফিলাপ করতে হবে। কি দিবো শুক্রবারের জন্য ব্রাজিল ২ - হল্যান্ড ১?

১১

জ্বিনের বাদশা's picture


এক কাজ করেন, বলেন, ১-১ ড্র হবে, টাইব্রেকারে যাবে ... সবকুল রক্ষা হবে Wink

১২

মীর's picture


কালকে ব্রাজিলের খেলা আমিও ভালো পাইছি। হল্যান্ড দলটারে পছন্দ করি কিন্তু ওদের বেশিরভাগ খেলাই মনে হয় সন্ধ্যায় হচ্ছে। আমি গভীল রাতের খেলাটা যত মনোযোগ দিয়ে দেখার সুযোগ পাই, সন্ধ্যারটায় তা পাই না। রোবেনের খেলা মিস করেছি।

১৩

জ্বিনের বাদশা's picture


হল্যান্ড আশানুরূপ ভালো খেলেনাই এবার ... প্লেয়াররা মনে হচ্ছে দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাচ্ছে ... আর ফন পার্সি একটা বোগাস স্ট্রাইকার ... ১০০ টা চান্স পাইলে একটা কাজে লাগায় টাইপের

১৪

কিংকং's picture


আপনার এই সিরিজটা ভালো লাগে ...

জন টেরীর সেই মরিয়া গোল বাঁচানোর চেষ্টাটা আমার চোখেও এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের সেরা মোমেন্টগুলির একটা ... আমার যেটা মনে হয়, অনেক দিন আগে থেকেই ইংল্যান্ডের এই টিমটায় একমাত্র সত্যিকারের মোটিভেটেড প্লেয়ার হচ্ছে টেরী ... ল্যম্পার্ড বা রুনী ক্লাব পর্যায়ে যেমন জানপ্রাণ দিয়ে খেলা এটিচ্যুডটা দেখায় সেটা ন্যাশনাল টিমের হয়ে দেখায় না ... আর ক্যাপটেন হিসাবেও টেরী খুব ভোকাল, সে ক্যাপটেন থাকলে ইংল্যান্ডের পারফর্ম্যান্স আরেকটু ভালো হইতে পারতো ...

১৫

জ্বিনের বাদশা's picture


ধন্যবাদ ... আমারও মনে হইছে টেরী ক্যাপ্টেন থাকলে ভালো হতো ... জার্মানের সাথে খেলায় টেরীকে একটু অমনোযোগী লাগছে ... তবে এইটা বলতে পারি, ইংলিশ কীপারের জায়গায় জাপান/নাইজেরিয়া/ঘানার কীপার থাকলে সেকেন্ড আর থার্ড গোলটা বাঁচাতে পারতো হয়তো ... থার্ড গোলের সুপার-স্লো-মোশন দেখলাম ... ম্যুলারের শটটায় জেমস রীতিমতো ভয় পেয়ে একটু ডানে সরে গেছিলো!!!

১৬

টুটুল's picture


ফাটাইন্যা বিশ্লেষণ ...
ধইন্যা

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.