নববর্ষ স্পেশাল: রিয়াল লাইফ কৌতুকস্ ইন জাপান
... (+১২ --> +১৮ --> +৩০) ...
[*প্রত্যেকটি "জুক্স"ই রিয়াল লাইফে ঘটা, পাত্রপাত্রীর নাম সঙ্গতঃ কারণেই উহ্য রাখলাম।
**আগেই সাবধান কইরে দিই,পোস্টে দেয়া লিংকে গিয়ে ইংলিশ টু জাপানীজ অনুবাদ করে কল্পনাতীত খাচ্চর খাচ্চর শব্দের মুখোমুখি হইলে সেইটা আপনের দায়, আমি কিন্তু সাঁকো নাড়াইতে, মানে ক্লিক ওই লিংকে যাইতে কইনাই ;)]
==============================================
১.
জাপানে আসার আগে আগে আড্ডায় এক বন্ধু বলেছিলো, "হালার আর কোন দেশ পাইলিনা? কি দেশে যাছ, ঐদেশে নাকি মন্ত্রীর নাম 'তাকিওনা মুতেআসি'"।
ঠা ঠা করে হেসে উঠেছিলো সবাই, উপায় না থাকায় কাঁচুমাচু মুকহে তাল মিলিয়েছিলাম সবার হাসির সাথে; তবে সেদিন থেকে মনে মনে কৌতুহল একটা থেকেই গেছে, "আসলেই এমন নাম? ছ্যা!!!"।
এদেশে এসে সেজন্য প্রথম দিকে পেপার-পত্রিকা ঘেঁটে এই জনাব "টয়লেট করার ঘোষনা দিয়ে তাকাতে মানা করা" মন্ত্রীসাহেব কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে আছেন তা জানার প্রাণান্ত চেষ্টা চালাই। তবে মন্ত্রণালয় খুঁজে পেতে তাঁর সাথে দেখা করতে যাবার, বা তাঁকে গিয়ে বাংলাভাষায় তাঁর নামের অর্থ কি দাঁড়াতে পারে সেটা ব্যক্ত করে মুখের ওপর ঠাঠা করে হেসে দিয়ে আসার কোন সুপ্ত বা গুপ্ত ইচ্ছে কিন্তু আমার ভেতরে ছিলোনা। সম্ভবতঃ বেচারা সম্পর্কে আরো কিছু তথ্য জোগাড় করে দেশে গিয়ে বন্ধুদের আড্ডাটা জমানোই মূল উদ্দেশ্য ছিলো।
সে যাই হোক, অনেক খুঁজেও টয়লেট করা টাইপের কোন নামের মন্ত্রী বা মানুষ খুঁজে পাওয়া গেলোনা। তবেএক মন্ত্রীকে পাওয়া গিয়েছিলো যার নাম "মোতোহাশি" বা এরকম কিছু। বুঝলাম চাইনীজ ফিসফাস ইফেক্টের দরুন অথবা কোন অতিমাত্রার রসিক বাঙালীর খপ্পরে পড়ে এই বেচারার নামের ঐ দশা হতে পারে। তবে তাতে আমার নিজের কোন লাভ হলোনা, দেশে গিয়ে বন্ধুদের আড্ডায় যদি বলি ঐ লোকের নাম ছিলো মোতোহাশি, তাহলে বন্ধুরা বড়জোর "অ, আচ্ছা" বলে অন্য কোন আলোচনায় মন দেবে, জমানো যাবেনা। মোতোহাশিকে খুঁজে পয়ে বরং হতাশই হলাম খানিকটা।
কিন্তু মানুষ ভাবে এক হয় আরেক -- ম্যান ডিসপোজেস, গড প্রপোজেস। বিধাতা লুকিয়ে হাসছিলেন। কারণ, ততদিনে পত্রিকা পড়ে পড়ে দেশটি সম্পর্কে জ্ঞান বাড়তে লাগলো, এবং এর কিছুদিনের মধ্যেই জেনে গেলাম যে, এই দেশে একজন প্রফেশনাল রেসলারের নাম [sb]"মুতো কেইজি"[/sb], আর একজন নাম করা টিভি তারকার নাম [sb]"হাগা কেনজি"![/sb]
উনিশ-বিশ বছরের ছেলেদের আড্ডা জমাতে এর চেয়ে ভালো আর লাগে কি? কাঁচ খুঁজতে গিয়ে প্রায় বেস্ট কাটিংয়ের হীরা পেয়ে গেলাম।
২.
আমি যেখানে থাকতাম সেই শহরেই বাংলাদেশী এক ডাক্তার থাকতেন, মেডিক্যাল ফ্যাকাল্টিতে পিএইচডি করতেন, খুবই মাই-ডিয়ার আর এনার্জিটিক টাইপের লোক। সবাই জানতো যে দেশে থাকতে ডাক্তার হিসেবে তাঁর বেশ নাম ছিলো, যেজন্য প্রায়ই দেখা যেত লোকজন চিকিৎসা-বিষয়ক নানান পরামর্শ উনার কাছ থেকে নিচ্ছে, আমিও নিতাম, ফ্রি পেলে শুধু বাঙালী কেন দুনিয়ার সব জাতের মানুষই আলকাতরা খায়। তো, উনার কলেজের এক জুনিয়র ভাই আসলেন একই ইউনিভার্সিটিতে পড়তে -- সেই সময়ের কাহিনী।
ডাক্তার সাহেবের সাথে তাঁর জুনিয়রের ডর্মে গিয়েছিলাম আমরা, নতুন দেশী ভাই এসেছেন একজন, দেখা করা দরকার। জুনিয়র ভাইটিও সেরকম হাসিখুশী, মাইডিয়ার টাইপের লোক। সবার সাথে তাঁর পরিচয় হলো মাত্র, এর পর দু'চার মিনিটও যায়নি। অথচ এর মধ্যেই আমাদের এনার্জিটিক ডাক্তার সাহেব কোনকিছুর তোয়াক্কা না করে বেচারা জুনিয়রকে জিজ্ঞেস করলেন,
"আচ্ছা! তোমার হাগা কি আসছে?"
ভরা মজলিশে স্বাস্থ্যবিষয়ক এরকম গোপন প্রশ্ন শুনে জুনিয়র ভদ্রলোকের বিরক্ত হবার কথা; সেটা না হলেও নিদেনপক্ষে অভিমানী চোখে সিনিয়র ভাইয়ের দিকে তাকানোর কথা।
অথচ যা জেনে আপনি আশ্চর্য হবেন তা হলো, জুনিয়র ভাইটি নির্বিকার মুখে জবাব দিলেন "নাহ ভাই, মনে হচ্ছে আরো এক সপ্তা লাগবে।"
আসল ঘটনা: জাপানে নতুন আসলে ফরেনার আইডি কার্ডের (এরা বলে এ্যালিয়েন রেজিস্ত্রেশন কার্ড
) জন্য সিটি হলে গিয়ে এ্যাপ্লাই করতে হয়। সেই কার্ড ডেলিভারীর জন্য প্রস্তুত হলে সিটি অফিস এ্যাপ্লিকেন্টের বাসায় একটা পোস্ট কার্ড পাঠিয়ে জানায় যে অমুক তারিখে এসে আইডি কার্ডটা নিয়ে যাও। আর জাপানী ভাষায় "পোস্টকার্ড"কে বলে "হাগাকি"।
৩. (১৮++)
জাপানের দোকানপাটে কেনাকাটার সময় ক্যাশের কর্মচারীটি প্রায় রোবটের মতো পুরো লেনদেনের ধারা-বিবরণী করতে থাকে -- এটাই এখানকার সংস্কৃতি। যেমন, আপনি ৯০০ ইয়েনের কিছু একটা কিনলেন, তখন ক্যাশিয়ার আপনাকে বলবে "সর্বমোট দাম ৯০০ ইয়েন"; ধরুন সেটা শুনে আপনি তাকে ১০০০ ইয়েন দিলেন, সে বলবে, "রিসিভ করলাম ১০০০ ইয়েন"; তারপর ক্যাশবাক্সে টাকা রেখে ১০০ ইয়েনের চেঞ্জ হাতে নিয়ে বলবে, "ফেরত দিলাম ১০০ ইয়েন, আবার আসবেন, ধন্যবাদ।" আর যদি আপনি গুণে গুণে ৯০০ ইয়েন দেন, তাহলে সে বলবে, "এক্সাক্টলি। আবার আসবেন।" বাংলাদেশ থেকে প্রথম প্রথম আসলে ক্যাশের ব্যক্তির এই কনস্ট্যান্ট ধারা-বিবরণীতে লোকে ভীষন আশ্চর্য হয়, ভড়কেও যায় অনেকে, এবং সেটাই স্বাভাবিক।
তবে এই বাংলাদেশী রসিক ধরনের বড় ভাইয়ের বেলায় যা ঘটেছিলো, তা শুধু ভড়কে যাওয়া না। ভদ্রলোক সবে এসেছিলেন এদেশে, জাপানী ভাষা তেমন একটা জানেননা, তবে তাঁর সেন্স অভ হিউমার "খারাপনা" লেভেলের ভালো। একটা স্টোরে ঢুকে তিনি এটা সেটা কিনে ক্যাশে বিল পে করছিলেন। আমরা বাইরে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা করছিলাম। কিছুক্ষণ পর দেকহা গেলো ভদ্রলোক দাঁত-মুকহ সব কেলিয়ে কয়েকগাল হাসি মুখে ঝুলোতে ঝুলোতে বেরিয়ে এলেন।
বুঝতে বাকী রইলোনা যে ক্যাশে দাঁড়ানো সুন্দরী তরুণীটিই এই অমূল্য হাসির কারণ। "ঘটনা কি? জাতি জানতে চায়" বলতেই রসিক বড়ভাই দাঁতের মাড়ি আর যতটুকু প্রসারিত করা যায় ততটুকু করে বলতে লাগলেন, "মজার কথা শুনো, ক্যাশের মেয়েটি যখন বলল মোটদাম ৫২৫ ইয়েন তখন আমি ওকে গুনেগুনে[sb] "এক্সাক্টলি"[/sb] ৫২৫ ইয়েন দিলাম। তার পরপরই মেয়েটা আমাকে একটা কুপ্রস্তাব দিলো। হা হা হা।"
এটুকু পরে হাসি পাবার কথা না, সেজন্যই নিচের পাদটীকাটুকু।
পাদটীকা:
জাপানী ভাষায় বেশ কিছু শব্দ আছে যেগুলো বাংলায় রীতিমতো চরম লেভেলের অশ্লীল!!!
যেমন "পুরোপুরি" বা "এক্সাক্টলী"। সুশীলগ্রস্ততার কারনে এখানে শব্দটির উচ্চারণ সরাসরি লিখছিনা, চাইলে নিজ দায়িত্বে এই দুষ্টু ডিকশনারীতে(http://www.lingvozone.com/LingvoSoft-Online-English-Japanese-Dictionary) গিয়ে ইংরেজীতে "exactly" শব্দটি লিখে অনুবাদের উচ্চারণটা চেক করে দেখতে পারেন, তবে সেটার দায় আমি নিচ্ছিনা। আবারও বলে রাখছি বেশ অশ্লীল শব্দ, যাওয়া আসা যাই করেন, নিজ দায়িত্বে ;)।
যারা দুষ্টু ডিকশনারীতে ঢুকতে পারছেননা তাদের জন্য, জাপানী ভাষায় এই শব্দটার যে উচ্চারণ, বাংলায় সেটার অর্থ করলে মোটামুটি যা দাঁড়াবে তা হলো, "বক্তা বিশেষ আহ্লাদ সহকারে আপনাকে বিছানায় ডাকছেন"।
৪. (১৮++)
আগেরটার কাছাকাছি। কোন কিছু "পাওয়া"-র জাপানী শব্দটাও আরেকখানি মার্কামারা শব্দ; একটু আগেরটা তো ছিলো আহ্লাদের সাথে বিছানায় ডাকা, আর এটার মানে গিয়ে দাঁড়ায় "অভব্যভাবে বিছানায় নিয়ে যাবার ইচ্ছা প্রকাশ করা", মানে ওটা প্যাসসিভ ভয়েসের ব্যাপার হলে হলে এটা এ্যাকটিভ ভয়েসের। আগ্রহীরা আবারও উপরের ডিকশনারী লিংকে ইংরেজীতে "Get" লিখে টিপি দেন, অনেকগুলো প্রতিশব্দ আসবে, কোনটি আমাদের আলোচ্য সেটা নিশ্চয়ই আপনাকে আর বলে দিতে হবেনা। উল্লেখ্য জাপানী ভাষার ঐ শব্দটা "পাওয়া" বা "পেতে চাই" দুই অর্থেই ব্যবহার করা যায়।
তখন টিভির একটা এ্যাডের জিঙ্গেল ছিলো ঐ শব্দটা নিয়ে, যেখানে একটি মেয়ে ক্যান্ডি বা এধরনের কিছু পেতে চাইছে। সেই ক্যান্ডির ব্র্যান্ডনেম আবার বাংলাদেশে মেয়েদের কমন একটা নাম, নামটি বললে অনেকের বিরাগভাজন হতে পারিবলে এখানে একটু বদলে রাকহছি, ধরুন সেটা "ডুগডুগি" (আশা করি অন্ততঃ এই নামে বাস্তবে কোন মেয়ে থাকবেননা, কাজেই কেউ আহত হননি, আমি নিরাপদ। এরপরও কেউ আহত হলে আমাকে না বরং নিজ বাবা-মাকে চার্জ করুন অন্য কোন নাম খুঁজে না পাবার জন্য।)। জিঙ্গেলের গানটার অর্থ হচ্ছে "ডুগডুগি পেতে চাই, ডুগডুগি পেতে চাই", সেটাকে শোনাচ্ছে এমন, "ডুগডুগি ***, ডুগডুগি ***"।
মজার ব্যাপার হলো এই জিংগেলের কারণে আরেক রসিক বড় ভাই এমন ভয় পেলেন যে তার বিয়েই আটকে গেলো। ঘটনা হলো ভদ্রলোক শীতের ছুটিতে দেশে যাবেন, একে ওকে বলছেন পাত্রী দেখতে। তখন একজন একটা প্রস্তাব আনলো, পাত্রীর বর্ণনা শুনে বড়ভাই পছন্দও করলেন; কিন্তু যেই না জানা গেলো যে পাত্রীর নাম "ডুগডুগি" (মানে ডুগডুগি দিয়ে যে নামটাকে ঢাকলাম সেটা), সাথে সাথে ভরা মজলিশে সবার হাহা-হোহো হাসির শব্দ।
ভদ্রলোককে আর কোনমতেই ঐ পাত্রী দেখার ব্যাপারে রাজী করানো গেলোনা!
আমাদের "সভ্য" দেশটায় দাঁত উঁচু, হাঁটার ঢং ভালোনা, দোয়া মাসুরা জানেনা -- এমন অনেক উদ্ভট কারণেই যে পাত্রী পছন্দ করেনা লোকে, সেটা আমরা জানি। কিন্তু অবলা "নামে"র জন্য কোন পাত্রীকে অপছন্দ হতে পারে, সেটা সেই প্রথম, সেই শেষ দেখেছিলাম।





হা হা হা
অশ্লীষ
শুধুই অশ্লীষ!!
একবার পোল্যন্ডে (গ)দাইনিয়া (gdynia) নামের এক শহরে গেছিলাম পোলিশ দোস্তোদের সাথে, উদ্দেশ্য এরিক ক্লাপ্টনের কনসার্ট দেখা । কনসার্ট হলে ঢোকার আগে দোস্তরা ঠিক করলো বাইরের কোন রেস্টুরেন্ট থিকা পেট ভইরা খাইয়া তারপর সঙ্গীত উপভোগ করবে। এক রেস্টুরেন্টে মজা কইরা খাইলাম, তারপরে রেস্টুরেন্টের বাইরে আইসা দোকানের নাম দেইখা তো আমার পিলে চমকায় গেলো .. নিয়ন আলো দিয়া বিরাট অক্ষরে রেস্টুরেন্টের নাম লেখা - 'P O T K I'

হে হে হে ... আপনের কমেন্টটা পড়ে অস্টিন পাওয়ারসের একটা মুভির কথা মনে পড়লো ... দুই জাপানী মেয়ে, নাম ফুকুয়ু আর ফুকুমি
দেশে আইসা জাপানী ভাষায় কথা চালাইয়া দেখছেন?
দেশে যতবারই ট্রাই দিছি, পোলাপান খালি খাইস্টা কথা শুনতে চায়
ডাক্তারভাইয়ের প্রশ্ন শুনেতো আটকে গেছিলাম, কয় কি!! তাও এই ভরা মজলিশে!!
আমরা অর্থটা জানতাম ... তারপরও উনার প্রশ্নটা শুনে তৎক্ষণাৎ মাথায় বাংলাই কাজ করলো ... হাসতে হাসতে সবাই গড়াগড়ি
মজা পাইলাম। তবে শেষের প্যারা পড়ে মন খারাপ হল।
ধন্যবাদ
মন খারাপ করার কিছু নেই, এটা ভাইস-ভার্সা কেইস
আমি তো জোড়ে হাসলাম। এমন মুচকি হাসি আসলো কেন?
কম্পিউটারের বিট ওভারফ্লো হইতে পারে
... বেশী জোরে হাসায় মনে হয় মুচকি হয়ে গেছে ...
আমি কৈলাম ডিকশনারিতে যাই নাই
তবে ঢাকায় আছে.. ইয়ানতুন খাইযান
হ, আমি সাক্ষী বস, আপনে যান নাই
"ইয়ানতুন খাইযান" আসলেই আছে? তাইলে তো আঁর একবার অইলেও যাওন লাগে হিয়ানো
ডাউনলোডাইলাম ... অলরেডী নজরুল ভাইয়ের লেখাটা পড়ে ফেললাম ... তব্দা!
সংকলনের ধারা চালু থাকুক এবিতে (Y)
'ইয়ান তুন খাই যান' ঢাকা শহরে কয়েকটি দেখেছি
জাপানীজ নাম গুলো কেমন যেন অদ্ভুত ধরণের। এক মহিলার সাথে পরিচয় ছিল তার নাম রেকু এ্যবে, নাকী রেইকু এ্যবে হবে! নামটা এমন কিম্ভুত ছিল যে আমি ভাববাচ্যে তার সাথে কথা বলতাম।
সম্ভবতঃ উনার নাম রেইকো আবে।
ইয়ানতুন খাইযান শুনলে কি সাউন্ডটা জাপানীজ জাপানীজ মনে হয়?
এমনি এমনি তো আমগোরে "জাপানী" বলেনা!
হাহা
নাহ আমার মত ছুডূ মানুষ গো লেগা দেখি কুনু জায়গাই নাইক্কা!
সব ই বড়দের!
ছুডু মানুষ মানে? আপনে কি ১৮ হওয়ার আগেই বোহেমিয়ান হয়া গেলেন নাকি?
তা হইছে!!
১৮ হওয়ার আগে থেকেই বোহেমিয়ান 
তাইলে কিছু বোহেমিয়ান কিচ্ছা কাহিনী শোনান
খ্যাক খ্যাক!
দেশী, ইয়ানতুন খাইযানে যাওয়া হড়ছে নি?
বেচারা বাদশাহ। বিদেশে যাইয়া তার একী দুর্গতি!!! হাগা -মুতার মধ্যে পড়লো বেচারা
হ, আজ যে বাদশাহ, কাল সে ...
মজা পাইলাম...
থ্যাংক্যু বস্
(পুরান পোস্টরে দিলাম ঠেলা)
৩ নংটার মানে দেইখা হাসতে হাসতে কাহিল হৈয়া গেছি,,,,,,,,,অনেক দেশেই মনে হয় এরাম শব্দ বিভ্রাটের মজা আছে....৩ নংয়ের বড় ভাইয়ের হাসিটা চোখে ভাসতাছে
মজা পাইলাম...
শুকরিয়া
মন্তব্য করুন