যেদিন মোনালিসা দেখতে গেলাম
প্যারিসে গেলে লুভর মিউজিয়ামে যাওয়া নিয়ম। বিশেষ করে মোনালিসা দেখে না আসা অপরাধের মধ্যে পড়ে। তাতে মোনালিসাকেও অপমান করা হয়। তাই প্যারিসে গেলেই মোনালিসাকে দেখে আসতে হয়। মোনালিসার বাস লুভর মিউজিয়ামে।
জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ২
হেমন্তের সোনালী বিকেল, ফুরফুরে হাওয়ায় ভর করে দুপুরটা উড়ে গিয়ে কখন যে বিকেল নেমে আসে একদম টের পাওয়া যায়না। চন্দনা রোদের কোমল পরশ শরীরে জাগায় আলসে উষ্ণতা। রোদ লেগে হলদেটে হয়ে যাওয়া পাতাগুলো আরো একটু হলুদ সেজেছে, হেমন্তের ঝিরঝিরে বাতাসে কেঁপে কেঁপে উঠে ফিসফিস করে গাইছে যেনো অপার্থিব কোন গান। দিদার সাহেব তখনো বারান্দায় বসা, একটু আগে জর্দা দিয়ে পান খেয়েছেন তিনি। অনভ্যস্ত ভঙ্গিতে থুকতে গিয়ে সাদা পাঞ্জাব
শেষমেষ আমার একটা হাত কাইটাই ফেললাম :D
http://i49.tinypic.com/30voope.jpg
হে হে হে
কি বুঝাইলাম তা কি ধরতে পারসেন ?
অনেকেই হয়তবা ধরতে পারবেন .
না পারলেও নাই .
পাগলএর প্রলাপ মনে করলেও নো প্রবলেমো .
ফটুকটা ইচ্ছা করেই খোলামেলা দিলাম না অনেকে ভয় খাইতেপারেন .
বাল্য মাস্তানী
ঘটনাটা সম্ভবতঃ ক্লাস ফোরে পড়ার সময়ে। আমাদের স্কুলে কো-এডুকেশান ছিল, ছেলে-মেয়ে দুই সারিতে পাশাপাশি বসতো। মেয়েদের নীল ড্রেস, আমাদের সাদা। আমি একটু পিচ্চি ছিলাম সাইজে, তাই মেয়েগুলোকে আমার চেয়ে বড় মনে হতো। দেখতে বড় হলেও কোন কারনে ধারনা জন্মে গিয়েছিল যে মেয়েরা দুর্বল, ছেলেরা সবল।
২০১০ এর পরথম পুষ্ট : একখান খুশির খবর
২০১০ এর পরথম ব্লগ লেখা শুরু করলাম একটা ব্যপক খুশির খবর দিয়া । খবরটা হইলো আমার একখান ফটুক এক্সিবিশনের লাইগা মনোনিত হইসে....আগামি ২১ থেইকা ২৫ জানুয়ারি এক্সিবিশন, দৃক গ্যালারি তে....:D
সময়: ২১শে জানুয়ারি - ২৫ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার)
বিকাল ৩টা থেইকা রাত ৮ টা
স্থান: দৃক গ্যালারি, বাড়ি # ৫৮, রোড # ১৫/এ, ধানমন্ডি (নানদুসের পিছনে), ঢাকা
অন্তঃর্জালকের ইতিকথা
টেলিফোনের পর তথ্য আদান প্রদানের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিজ্ঞানের সবচেয়ে সফলতম আবিষ্কার হল অন্তঃর্জালক বা ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(world wide web)। আধুনিক অন্তঃর্জালকের আবিষ্কারের পর এর ব্যাপকতা ও বিস্তৃতি যে পরিমান লাভ করেছে, বয়সের তুলনায় এখনও তা শিশুকালেই রয়ে গেছে। এখন আসুন আমরা এর পিছনের দিকে কি রকমের ইতিহাস আছে তা একটু দেখি....
কিভাবে অন্তঃর্জালকের আগমনঃ
বেডা মানুষ আর মাইয়া মানুষ
বেডা মাইনষের হাতে কিছু টেকা পয়সা হৈলে তারা দুষ্টামী কইরা সেইসব টেকা পয়সা খরচ করে...
মাইয়া মানুষ একটু দুষ্টামী কৈরা সেইসব টেকা পয়সা আয় করে...
গানওয়ালা ও গানওয়ালা গান থামিও না: (অতিথি পাখি)
হা হা হা , না আপনার শেষ লেখায় মন খারাপ হয়নি। বরং আপনার অনুভূতিটাই ধরতে চেয়েছিলাম। কোথায় যেন একটা হারিয়ে যাওয়ার সুর ছিলো। এক সময় আমি মানুষ নিয়ে অনেক ভাবতাম। জীবনটাই ছিলো অন্যরকম। বাবা মাথার উপর বটগাছের মত ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন। খাওয়া, পড়া, নিজের ভবিষ্যত কিছু নিয়েই ভাবতে হতো না। কখনো কোন আড্ডায় যাইনি, দস্যিপনা ক'রে ঘর ছাড়িনি। মনের ভুলে কখনো বাস থেকে না নেমে সাগর পা'রে চলে যাইনি।
চেনা মুখের চেনা কথা, অজানা অচেনা দূঃখ ব্যাথা !! ( উৎসর্গঃ কাওছার)
আমার লাষ্ট পোষ্টটা আমার একটা ফিলিংসের বহিঃপ্রকাশ ছিলো! একেক সময় একেকটা ভাব কাজ করে । তখন যা মনে আসে লিখে ফেলি । এটার মাঝে গোপন কোন অর্থ থাকে না , যা মানুষকে আহত করতে পারে । আমি সৃষ্টিকর্তার চেয়ে মানুষকে বড্ড বেশি ভয় পাই। কখনো কেউ আমার দ্বারা কোনো কষ্ট পেলো কী না ইদানিং ভাবতে থাকি। এটা মনের এক অবস্থা বৈ কিছুই না ।
কেনো ছেলেদের সাথে পরামর্শ করা যায় না ????
পুরুষ মানুষের সাথে জটিল কোন ব্যাপারে আপনি চাইলেও পরামর্শ করতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের মস্তিস্কের এক পাশে আইসক্রীম দিয়া রাখছেন। এটা আমার কথা না, মহান মহান নারীদের এই উপলব্ধি। কিন্তু কেনো কেনো কেনো মহান আল্লাহ তা'লা তার সৃষ্টির পেয়ারা জীবকে এভাবে ঠকালেন??? জানতে হলে নীচের অংশটুকু আপনাকে পড়তেই হবে।
আত্মমগ্ন কথামালা (মৃত্যু)
আয়নাতে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে
সকালের জুতো গুলো চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিবের গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত
দুরে দুরে সরে যেতে চায়
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্ধনি
চমকে দেয়
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার
ধুলিকনার চুমুতে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত দেহের প্রতিটি কোষ |
বন্ধু হয়ে ওঠার গল্প ১
ভোরের কাগজ ভেঙ্গে যখন প্রথম আলো হয় হয় করছে, সেই ৯৮'র দিকে নওরোজের মুখে খুব শুনতাম ইন্টারনেটের কথা। সে দিনরাত তখন মজে থাকতো কম্পিউটারাইজড কোনো এক জালে। সেখানকার অনেক গল্প শোনাতো, কিন্তু বিষয়টা কীভাবে কী হয় তার সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলো না।
অতৃপ্ত আত্মার বিশ্বভ্রমন (ইহা একটি আঁতেলীয় পোষ্ট, ভুত-পেত্নী এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের প্রবেশ নিষেধ)
ভ্রমণ ছিল কঠিন নেশা জীবদ্দশায়।
বিশ্বজুড়ে ঘুরবো এবার, উল্টেপাল্টে দেখবো এবার জগতটাকে - 'কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্নিপাকে'। এলেবেলে পথের বাঁকে অনেকটা পথ হাঁটা হলেও, দীর্ঘ জীবন ৬০টি বছর বেঁচে থেকেও, বিশ্বজুড়ে হয়নি আমার দাপিয়ে বেড়ানো। সাধ-সাধ্যের দেখাদেখি হয়েছে কখনো, দীর্ঘ মোলাকাতের সুযোগ হয়নি একটি বারও।
কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ২
ক্লাস শেষে হল রুমের বাইরে এসে নিজের ব্যাগ থেকে একটা ছোট সাইজের কার্ড বের করলো লীনা। সেটাতে এক রোমান্টিক কবিতার চার লাইন লিখা । আমাকে অর্থ বুঝিয়ে দিলো সেই চার লাইনের , তারপর আমার নাম কার্ডে লিখতে লিখতে আমি বিড়ি ফুঁকি কিনা জানতে চেয়ে তার সাথে একটা বিড়ি খাওয়ার সঙ্গী হতে আমন্ত্রন জানালো ।
কার্ড হাতে নিয়ে জানতে চাইলাম,
- তোমার বিয়ে কোথায় হচ্ছে?
- আমার গ্রামে।
- কদ্দুর এখান থেকে ?
