অনুসন্ধান

ইউজার লগইন

অনলাইনে

এখন ২১ জন অতিথি অনলাইন

অন্তঃর্জালকের ইতিকথা

টেলিফোনের পর তথ্য আদান প্রদানের জন্য তথ্য ও প্রযুক্তি বিজ্ঞানের সবচেয়ে সফলতম আবিষ্কার হল অন্তঃর্জালক বা ইন্টারনেট ও ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব(world wide web)। আধুনিক অন্তঃর্জালকের আবিষ্কারের পর এর ব্যাপকতা ও বিস্তৃতি যে পরিমান লাভ করেছে, বয়সের তুলনায় এখনও তা শিশুকালেই রয়ে গেছে। এখন আসুন আমরা এর পিছনের দিকে কি রকমের ইতিহাস আছে তা একটু দেখি....

কিভাবে অন্তঃর্জালকের আগমনঃ

বেডা মানুষ আর মাইয়া মানুষ

বেডা  মাইনষের হাতে কিছু টেকা পয়সা হৈলে তারা দুষ্টামী কইরা সেইসব টেকা পয়সা খরচ করে...

মাইয়া  মানুষ একটু দুষ্টামী কৈরা সেইসব টেকা পয়সা আয় করে...

গানওয়ালা ও গানওয়ালা গান থামিও না: (অতিথি পাখি)

হা হা হা , না আপনার শেষ লেখায় মন খারাপ হয়নি। বরং আপনার অনুভূতিটাই ধরতে চেয়েছিলাম। কোথায় যেন একটা হারিয়ে যাওয়ার সুর ছিলো। এক সময় আমি মানুষ নিয়ে অনেক ভাবতাম। জীবনটাই ছিলো অন্যরকম। বাবা মাথার উপর বটগাছের মত ছায়া দিয়ে রেখেছিলেন। খাওয়া, পড়া, নিজের ভবিষ্যত কিছু নিয়েই ভাবতে হতো না। কখনো কোন আড্ডায় যাইনি, দস্যিপনা ক'রে ঘর ছাড়িনি। মনের ভুলে কখনো বাস থেকে না নেমে সাগর পা'রে চলে যাইনি।

চেনা মুখের চেনা কথা, অজানা অচেনা দূঃখ ব্যাথা !! ( উৎসর্গঃ কাওছার)

আমার লাষ্ট পোষ্টটা আমার একটা ফিলিংসের বহিঃপ্রকাশ ছিলো! একেক সময় একেকটা ভাব কাজ করে । তখন যা মনে আসে লিখে ফেলি । এটার মাঝে গোপন কোন অর্থ থাকে না , যা মানুষকে আহত করতে পারে । আমি সৃষ্টিকর্তার চেয়ে মানুষকে বড্ড বেশি ভয় পাই। কখনো কেউ আমার দ্বারা কোনো কষ্ট পেলো কী না ইদানিং ভাবতে থাকি। এটা মনের এক অবস্থা বৈ কিছুই না ।

শতবর্ষে বিপ্লবী বিনোদ বিহারী চৌধুরীর প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা

http://www.gunijan.org.bd/admin/NewsPhoto/2008-06-01_Binod-Bihari-Chowdhury-06.jpg

কেনো ছেলেদের সাথে পরামর্শ করা যায় না ????

পুরুষ মানুষের সাথে জটিল কোন ব্যাপারে আপনি চাইলেও পরামর্শ করতে পারবেন না। আল্লাহ তাদের মস্তিস্কের এক পাশে আইসক্রীম দিয়া রাখছেন। এটা আমার কথা না, মহান মহান নারীদের এই উপলব্ধি। কিন্তু কেনো কেনো কেনো মহান আল্লাহ তা'লা তার সৃষ্টির পেয়ারা জীবকে এভাবে ঠকালেন??? জানতে হলে নীচের অংশটুকু আপনাকে পড়তেই হবে।

আত্মমগ্ন কথামালা (মৃত্যু)

আয়নাতে দেখি দু'টো অপরিচিত চোখ তাকিয়ে রয়েছে
সকালের জুতো গুলো চিত্কার করে বলে চিনি না তোমাকে
শার্ট বা টি-শার্টেরা, মনিবের গন্ধ ভুলে যাওয়া কুকুরের মত
দুরে দুরে সরে যেতে চায়
গলার স্বরে শুকনো পাতাদের প্রতিধ্ধনি
চমকে দেয়
দুপুরের রোদ-বিকেলের প্রলম্বিত ছায়া-রাতের নিঃশব্দ ঘেরা অন্ধকার

ধুলিকনার চুমুতে শিহরিত, মৃত এবং উত্থান রহিত দেহের প্রতিটি কোষ |

বন্ধু হয়ে ওঠার গল্প ১

ভোরের কাগজ ভেঙ্গে যখন প্রথম আলো হয় হয় করছে, সেই ৯৮'র দিকে নওরোজের মুখে খুব শুনতাম ইন্টারনেটের কথা। সে দিনরাত তখন মজে থাকতো কম্পিউটারাইজড কোনো এক জালে। সেখানকার অনেক গল্প শোনাতো, কিন্তু বিষয়টা কীভাবে কী হয় তার সম্পর্কে আমার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিলো না।

অতৃপ্ত আত্মার বিশ্বভ্রমন (ইহা একটি আঁতেলীয় পোষ্ট, ভুত-পেত্নী এবং অপ্রাপ্ত বয়স্কদের প্রবেশ নিষেধ)

ভ্রমণ ছিল কঠিন নেশা জীবদ্দশায়।

বিশ্বজুড়ে ঘুরবো এবার, উল্টেপাল্টে দেখবো এবার জগতটাকে - 'কেমন করে ঘুরছে মানুষ যুগান্তরের ঘূর্নিপাকে'। এলেবেলে পথের বাঁকে অনেকটা পথ হাঁটা হলেও, দীর্ঘ জীবন ৬০টি বছর বেঁচে থেকেও, বিশ্বজুড়ে হয়নি আমার দাপিয়ে বেড়ানো। সাধ-সাধ্যের দেখাদেখি হয়েছে কখনো, দীর্ঘ মোলাকাতের সুযোগ হয়নি একটি বারও।

কুর্কুমা বাটো মেন্দি বাটো ----- ২

ক্লাস শেষে হল রুমের বাইরে এসে নিজের ব্যাগ থেকে একটা ছোট সাইজের কার্ড বের করলো লীনা। সেটাতে এক রোমান্টিক কবিতার চার লাইন লিখা । আমাকে অর্থ বুঝিয়ে দিলো সেই চার লাইনের , তারপর আমার নাম কার্ডে লিখতে লিখতে আমি বিড়ি ফুঁকি কিনা জানতে চেয়ে তার সাথে একটা বিড়ি খাওয়ার সঙ্গী হতে আমন্ত্রন জানালো ।

কার্ড হাতে নিয়ে জানতে চাইলাম,
- তোমার বিয়ে কোথায় হচ্ছে?
- আমার গ্রামে।
- কদ্দুর এখান থেকে ?

মুভি ব্লগ: শূন্য দশকের সেরা ১০ ছবি

শূন্য দশকের সেরা ছবি কোন দশটা? এক কথায় উত্তর দেওয়া মুশকিল। একজনের সাথে আরেকজনের পছন্দ মিলবে না। ওয়েব সাইট ঘাটলে একশর বেশি তালিকা পাওয়া যাবে, একটির সাথে আরেকটি সম্পূর্ণ মিল নেই। সমালোচকদের এক রকম পছন্দ, দর্শকদের আরেকরকম। আর গত ১০ বছরে যত ছবি বের হয়েছে তা দেখাও একজনের পক্ষে সম্ভব না। তারপরেও গ্রহণযোগ্য কিছু তালিকা ধরে শূন্য দশকের সেরা ছবির একটি তালিকা এখানে করা যেতে পারে।

শীতভাবনা ও বস্ত্র সমাচার

গত কয়েকবছর শীতের নিরুত্তাপ ব্যাপারটা একদমই গায়ে লাগেনি। হাতে পায়ে অলিভ ওয়েল, নাকে মুখে ঠোটে ভ্যাসলিন বা পেট্রোলিয়াম জেল মেখে টি শার্টের ওপর শার্ট চাপিয়েই কাজ চালিয়েছি। মোটা কাথা গায়ে ফ্যান ছেড়ে হীমঘরের আমেজ আনা। এবার শীত অন্যরকম, হাড়ে ধাক্কা দিয়ে কাঁপায়। শৈত্যপ্রবাহ জাতীয় ভারী কথায় কান না দিয়েই বোঝা যাচ্ছে প্রান্তিক জনগণ কি হালে আছে।

কে কুতায় আছিস, বাদ্যি বাজারে!

আমিও আইস্যা পড়ছি! ওরে কে কুতায় আছিস বাদ্যি বাজা। লগড ইন ব্লগার মাত্র তিনজন দেখায়! আমারে স্বাগতম জানানোর জইন্যে মোটে দুইজন আছে তাইলে! পছন্দ হইছে ব্লগখান। এখানে কি কি নিষেধ, আমারে কেউ কইয়া দ্যান। আমুতে ব্লগাই লাগাম বিহীন, অভ্যাস খারাপ হয়া গেছে। আর কথা বাড়াইলাম না, এবার আমারে স্বাগতম জানান।

জোছনার ধবল পাড়- পর্ব ১

আকাশের ছাদ ছুঁয়ে থাকা মেঘের প্রান্ত বেয়ে উড়ে চলছে একটা চিল, চক্রাকারে ঘুরছে বিশাল একটা বৃত্ত এঁকে। আপাত দৃষ্টিতে চিলটা আকাশ দখল করে রেখেছে দেখা গেলেও কিছুক্ষণ সেদিকে তাকিয়ে থাকলেই চিলটার একাকিত্ব স্পষ্ট হয়ে উঠে। রোদ ঝলমলে উদাসী দুপুরে অলস বারান্দায় বসে অনেক্ষন ধরে চিলটাকে লক্ষ্য করছেন দিদার সাহেব। কেন জানি হঠাতই একটা বিষন্নতা ঘিরে ধরেছে দিদার সাহেবকে। চিলের সোনালী ডানায় ভর করে অজস্র অকারণ স্মৃতি য

সম্প্রদান কারক !!!

স্বত্ব ত্যাগ করিয়া যাহা দান করা হয়- তাহাকে সম্প্রদান কারক বলে। ছোডকালে এইরকম একখান কতা পড়ছিলাম। তো যা কৈতে চাই তা হৈলো : এবি'র বেবাকতেরে ২০১০ সালের ক্যালেন্ডার ২টা কৈরা দিতে চাই (টেবিল , দেয়াল) । খালী শর্ত একটাই.... নিজে অাইয়া নিতে অইবো...

ব্যানার

আমরা বন্ধু ব্লগের জন্য যে কেউ ব্যানার করতে পারেন। ব্যানার প্রদর্শনের ব্যাপারে নির্বাচকমণ্ডলীর সিদ্ধান্তই চুড়ান্ত। আকার ১০০০ x ১৫০ পিক্সেল। ইমেইল করে দিন zogazog এট আমরাবন্ধু ডট com এবং সেই সাথে ফ্লিকার থ্রেডে আপলোড করুন ফ্লিকার থ্রেড

● আজকের ব্যানার শিল্পী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক

ব্যানারালোচনা

সপ্তাহের সেরা পাঁচ