পুরোনো স্কুল
পুরোনো স্কুলে গেলেই পুরোনো রকম বিহ্বলতা ভর করে, সেই পুরোনো স্যারের সামনে কাঁচুমাচু দাঁড়িয়ে থাকা, স্যারের চেনা ধমক, সেই পুরোনো শ্রদ্ধা আর ভীতি- নিজেকে পুনরায় স্কুল-পালানো একজন মনে হয়। এখন যারা স্কুলের মাঠার চারপাশে দাঁড়িয়ে আছে, তাদের কেউই আমি স্কুল ছাড়বার সময়ও জন্ম হয় নি। আমাদের স্কুলত্যাগের বয়েস এতটাই বেড়েছে, মাঝে একটা প্রজন্মের ব্যবধান। স্কুলের সামনের মাঠ বদলে গিয়েছে, আমরা যে মাঠে ফুটবল খেলতাম সেটা একহন হকির দখলে, আর যে মাঠে ক্রিকেট খেলা হতো সেটা এখন ফুটবলের দখলে। অনেক বদলে গেছে স্কুল
পুরোনো দারোয়ানের সামনে দিয়ে সদর্পে হেঁটে যাওয়া কিশোর এখন যৌবনের মাঝামাঝি উপনীত, অনেক কিছুই বদলে যায়, চুলের সীমারেখা, শরীরের রং, চেহারার সজীবতা, এবং সারল্য সব কিছুই ধীরে ধীরে ক্ষয়ে যায়, তবে সেই পুরোনো স্যারদের সামনে দাঁড়িয়ে সেই চেনা অপরাধী ভঙ্গী বদলায় না। আমি পুরোনো স্যারের সামনে দাঁড়িয়ে পায়ের আঙ্গুলে মাটি খুঁটতে খুঁটতে বলি আমাকে চিনেন নি, আমি সেই ৯২ এর ব্যাচ।





আমি সেই ৯৩ এর ব্যাচ
তোমাদের ব্যাচে টিপু ছিলো কেউ সেন্টার ব্যাক, তুমি তো জিউসদের ব্যাচের।জিউস শফিউল বাপ্পী?
আমিও ৯২ এ র ব্যাচ। বিয়ের পর কলেজ পড়ুয়া শালীর সাথে ওর এস এস সি'র রেজাল্ট নিয়ে আলাপ করছিলাম। শালীর প্রশ্ন "ভাইয়া কত সালে এস এস সি দিয়েছেন?" শালীর ডেট অব বার্থ জানায় বললাম " বেশি দিন আগের কথা নয়, তোমার জন্মের মাত্র ৭ মাস আগে"। বলেই নিজের কাছেই নিজেকে কেমন বুড়ো মনে হল।
বান্না কি তোমার ব্যাচমেইট ছিলো নাকি? @ রাসেল
চশমা পড়া ছোটখাটো কাজি বান্নার কথা কি বলছেন @ বস
হ...ওর ডাক নাম ছিলো যদ্দূর মনে পড়ে লিমন...
রাসেল ভাই এত ছোট পোস্ট দেয় ক্যান খালি?
সিনিয়র ব্লগারকে শুভেচ্ছা।
৯২ সালে আমি প্রথম জীবিকার প্রযোজনে বিদেশ যাই। আমি বিরাট বুড়া!
এখানে দেখি সবাই বুড়া
এইখানে দেখি আমার চেয়ে খোকা কেউ নেই। ৮৪ এর খোকা আমি
রাসেল ভাই আপ্নেরে ভাই ভাই করি ক্যান! আমি ৯১
জব্বর কইছেন হারুন ভাই।
লীনা আপাঃ
আসলেই চিন্তার কথা.।.।
পড়তে দারুন লেগেছে। আজকাল আর স্কুলে যাই না কেউ চিনতে পারে না
মন্তব্য করুন