মেহেরজান বিষয়ে আবর্জনামার্কা নির্বোধ দেশপ্রেমিকের সকাতর প্রকাশ- ওটাকে নিষিদ্ধ করে দাও
আজকের প্রথম আলো পত্রিকায় "মেহেরজান" চলচিত্র বিষয়ে
রোবায়েত ফেরদৌস, মাহমুদুজ্জামান বাবু কাবেরী গায়েন ও ফেরদৌসী প্রিয়ভাষিণীর লেখা প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়েছে "মেহেরজান মুক্তিযুদ্ধ ও নারীর প্রতি অবমাননার ছবি" শিরোণামে।
একই সাথে ছাপা হয়েছে 'মেহেরজান' ছবির পরিচালক রুবাইয়াত হোসেন এর পাল্টা প্রতিক্রিয়া " ‘মেহেরজান’ যা বলতে চেয়েছে"
শিরোণামে। এবং অন্তর্জালের দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া পাল্টা প্রতিক্রিয়াও প্রকাশিত হয়েছে। সচলায়তনে হিমু এটার প্রতিক্রিয়ায় লিখেছে "রুবাইয়াত যা বলতে চেয়েছে" , সামহোয়্যার ইন ব্লগে রাশেদুল হাফিজ 'রাহা' লিখেছে "মেহেরজানঃ মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে ঔদ্ধতপূর্ণ বেহেয়াপনার ফ্যান্টাসী"
কুলদা রায় লিখেছেন "ওহে মেহেরজানের নানা, তুমি খাইছ কি ভাই-বেলুস্তানের খানা : একটি এবাদুড় ড়হমান এন্ড গং নির্মিত মেরে জান--পাকিস্তান" , সচলায়তনে আনন্দী কল্যানী লিখেছেন "বর্জন করুন মেহেরজান"
আরিফ জেবতিকের ফেসবুকে মেহেরজান বর্জনের আহ্বান সম্বলিত ছবিতেও অনেকে মন্তব্য করেছেন, আলোচনা জমজমাট হয়ে উঠছিলো। ব্যক্তিগত কল্পনা এবং বোধ নিয়ে প্রতিরোধে ঝাঁপিয়ে পড়া অনলাইন কম্যুনিটির জঙ্গী জেহাদি জোশের সাথে পূর্বপরিচিত থাকবার কারণে মুলত রুবাইয়াত হোসেনের বক্তব্য জানতে আগ্রহী ছিলাম। তার প্রতিক্রিয়া পড়ে হতাশ হয়েছি। এমন ছেলেমিধাঁচের মানসিকতা নিয়ে তিনি যে ছবি নির্মাণ করবেন সেটা কতক্ষণ আকৃষ্ট করতে পারবে এখনও বুঝছি না তবে দুটো এসপিরিন খেয়ে একেবারে দায়িত্বজ্ঞান করে ছবিটি দেখে ফেলবো এমনটাই মনস্ত করেছি।
বাংলা কম্যুনিটি ব্লগিং এর চরিত্র আজব এবং রুবাইয়াত এবং মেহেরজান বিতর্ক সেই আজব চরিত্র পরখ করবার সুযোগ দিয়েছে বলেই আমি আনন্দিত। মানুষের সাইবার এক্টিভিজমের মতো এমন নির্মল নির্ভেজাল বিনোদন অন্য কোথাও পাওয়া যায় না এবং সবচেয়ে আমোদের বিষয় হলো এজন্য একটা ভালো ইন্টারনেট কানেকশন ঘরে থাকলেই চলে, কোনো দুরভ্রমণের ধকল ছাড়াই তীব্র বিনোদন।
আমি মেহেরজান ছবি বিষয়ে আকর্ষিত না বরং মেহেরজান ছবিটি যে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে সেটা নিয়েই বেশী আকর্ষিত, গত লেখার লিখেছিলাম আমি ছবিটি দেখি নি কিন্তু আমার ধারণা অধিকাংশ স্বদেশপ্রেমীই মূলত ছবি না দেখেই বিতর্কে লিপ্ত হয়েছেন।
আমাকে নিরাশ করেন নি নীড়সন্ধানী, তিনি তার বক্তব্যে নিশ্চিত করেছেন অনেকে ছবি না দেখেই বিতর্কে জড়িয়েছে শুধু এমন নয় বরং অনেকেই সম্পূর্ণ লেখা না পড়েও একটা মন্তব্য করে ফেলতে পারেন আবেগের বশে।
বাংলা কম্যুনিটি ব্লগিং সাইবার জগতে বাঙ্গালী পুরুষ মনঃস্তত্ত্ব বুঝবার বেশ বড় সবক দিয়ে দেয়। এখানে অতীতে অভিযোগ ছিলো 'লুলামি' নিয়ে, নারী নিক সন্দেহ করলেই যাবতীয় প্রেমার্থী ব্লগার তাদের আন্তরিক হৃদয়উপচানো শুভেচ্ছা আর স্বাগতমের বন্যা বইয়ে দিতেন, সেই সংকট থেকে সাইয়া আর ভাইয়া নিকের বাছবিচারে ব্যপক মনোনিবেশ করেছিলো কম্যুনিটি ব্লগারগণ।
একই সাথে সেখানে পৌরুষ ফলানোর সুযোগ দেখলেও সেটা প্রদর্শণে কোনো কার্পন্য করে নি কেউই। এরা নারী অধিকার রক্ষায় একেকজন মাস্কেটিয়ার, ডার্ক নাইট, তারা নারীর অবমাননা নিয়ে মুখে খই ফুটিয়ে ফেলতে আগ্রহী, এবং নারীকে আক্রান্ত মনে করলে তারা দিন রাত্রির ব্যবধান ভুলে কিবোর্ডজঙ্গ ঘোষণা করতে পারে, এবং খুব দ্রুতই পুরুষবাদী সমাজের প্রতিভু হিসেবে নারীর প্রতি অবমাননা সূচক গালাগালিতে লিপ্ত হয়( বলাবাহুল্য আমাদের অভিধানের অধিকাংশ গালিই মূলত অন্য পুরুষের নারীসঙ্গমজনিত হুদা ফাঁপর, সেখানে অনেক রকম উপাদান থাকলেও নারী মূলত বিছানায় দু পা ছড়িয়ে থাকা একটা কিম্ভুত জীবের বাইরে অন্য কিছু নয়)
এবং একই সাথে এইসব নারীবাদী পুরুষগণ অন্য যেকোনো নারীর প্রতি ভাষিক যৌনসহিংসতা প্রকাশেও তেমনই আন্তরিক। তবে এক্ষেত্রে নারীকে আদর্শিক ভাবেই হতে হবে পৌরুষ ফলানো স্বেদেশপ্রেমিক ব্লগারদের বিপরীত আদর্শের। গত ৪ বছর ধরেই এই একই বাঁদরের নাচ দেখতে দেখতে নিশ্চিত ছিলাম এই 'মেহেরজান বিতর্ক' এক সময় এই পথেই যাত্রা শুরু করবে। এবং আমার প্রাণপ্রিয় সহব্লগার ও অন্তর্জালিক পরিচিতগণ আমাকে নিরাশ করেন নি।
মেহেরজান ছবি নিয়ে অন্তর্জালিক যুদ্ধ খুব দ্রুতই তার পুরুষালী পোশাক পড়ে ফেলেছে। কিংবা অন্তর্জালিক স্বদেশপ্রেমের মূলধারার সাথেই এগিয়ে যাচ্ছে এই যুদ্ধ। একাত্তরের নারীর প্রতি সহিংসতার ইতিহাসের বিকৃত উপস্থাপন মেহেরজান এবং এইসব স্বদেশপ্রেমী কিবোর্ড যোদ্ধাগণ "বীরাঙ্গনার প্রতি সহানুভুতি এবং সমবেদনা ও সম্মান জানাতে " বদ্ধপরিকর। তার মেহেরজান ছবি প্রদর্শণের বিরোধিতা করে, তাদের ধারণা এটা মুক্তিযুদ্ধের অবমাননা এবং বীরাঙ্গনার অসম্মানজনক ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে এ ছবিতে।
রুবাইয়াত নিজে বীরাঙ্গনা বিষয়ে গবেষণা করেছেন বলে দাবি করেছেন কোথাও, আনন্দী কল্যানী সেটা নিয়ে ব্যপক বিশ্লেষণ করেছেন। সুতরাং তার এই অপরাধ নিঃসন্দেহে সংশয়জ্ঞাপক। বীরাঙ্গণা যৌনকাতর হিসেবে উপস্থাপিত হচ্ছেন বিষয়টা আপত্তিকর এবং তারা একই সাথে নারী কিংবা বীরাঙ্গনাদের এমন উপস্থাপনকে আপত্তিকর মনে করছেন। কিন্তু রুবাইয়াত নারী এবং তিনি এই ছবির পরিচালক এই বাস্তবতাটুকু উপলব্ধি করে রুবাইয়াতের প্রতি ভাষিক যৌনসহিংসতা প্রকাশের কোনো উপলক্ষ্যই তারা বাদ দিতে রাজি হন নি। বীরাঙ্গণাদের বিরুদ্ধে পুরুষ কিংবা পাকিস্তানী সৈনিকদের শাররীক যৌনসহিংসতাকে অস্বীকার করবার জন্য রুবাইয়াতের প্রতি ভাষিক যৌনসহিংসতা প্রকাশকে যখন উপযুক্ত বিবেচনা করা হয় তখন এদের বোধ ও উপলব্ধির তলানির গভীরতা নিয়ে অন্য কোনো সংশয় উপস্থাপন করি না আমি।
রুবাইয়াত চলচিত্র বিষয়ে শিক্ষার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করেছেন, সেখানে শর্টফিল্প তৈরি করেছেন এবং তিনি সেখানে অরক্ষণীয়া নারী হিসেবেই ছিলেন,( এইসব সংবাদ কিভাবে লোকমুখে প্রসারিত ও প্রচারিত হয়, নারী অন্য কোনো পুরুষের উপস্থিতি ব্যতিত নিজের যৌনচাহিদা পুরণের জন্য এমনকি কুকুরে উপগত হতে পারে এই প্রাচীণ মানসিকতা থেকে মুক্তি না পেয়েই এরা কিবোর্ডে বাংলা সফটওয়্যারে ব্লগিং শুরু করে দেয়) সে সময় তিনি অন্য কোনো পাকিস্তানি পুরুষের সাথে শাররীক সম্পর্ক স্থাপন করেছেন এবং সে কারণেই এই ছবির ধারণা তার মাথায় ঘুরছে জাতীয় সরলীকরণের বিরুদ্ধে অন্য কিছু বলা যায় না।
তার পিতৃপরিচয় নিশ্চিত হয়ে অনেকেই বড়লোকের বখে যাওয়া মেয়ে, যে নিজের খরচে বিদেশবিভুঁইয়ে একা একা কিভাবে দিনযাপন করেছে সেসব নিয়ে মুখরোচক আলোচনা ফেদেছে এক একজন। আমি মুগ্ধ এবং আমোদিত।
আমাদের দেশান্তপ্রাণ বিদগ্ধ দেশপ্রেমিকেরা আপাতত রুবাইয়াতের সাথে কোনো পাকিপুরুষের কল্পিত যৌনবিহার কল্পনা করে হাত মারছেন আর আহাউহু করছেন একই সাথে পোষ্টার আর দেয়াললিপিতে শ্লোগান তুলছেন মেহেরজান নিষিদ্ধ হোক। আমাদের এইসব আবর্জনামার্কা নির্বোধ দেশপ্রেমিকের সকাতর প্রকাশও নিষিদ্ধ হোক এমন দাবি তোলাটাও অযৌক্তিক নয় মনে হয়।





রাসেল, আপনার লেখাটা ভালো লেগেছে। ব্যাক্তি নিয়ে টানাটানির চেয়ে বিষয় নিয়ে আলোচনাই শ্রেয়।
লেখায় দুটো লাইন অত্যন্ত আপত্তিকর লেগেছে হয়তো আপনার রাগের বহিঃ প্রকাশ, চেষ্টা করবেন লাইন দুটো বদলে দিতে প্লীজ
আমাদের গালি সংস্কৃতির মৌলিক চরিত্রই এমন, আপনি যা যা গালি স্মরণ করতে পারেন তার মৌলিক চরিত্র নারীকে এভাবেই উপস্থাপন করা।
সেটা সামগ্রীক নারীদের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে আসে নি বরং পুরুষালী সমাজব্যবস্থায় নারীকে কিভাবে উপস্থাপন করা হয় সেটুকুর দৃষ্টান্ত হিসেবে এসেছে।
পুরুষদের জন্য স্ত্রৈন্য কিংবা ঢ্যামনা কিংবা ধ্বজভঙ্গের বাইরে অন্য তেমন গালি অভিধানে নেই।
স্ত্রৈন্য নারীর অধীনস্ততাসূচক এবং অপমানজনক হিসেবে বিবেচিত হয় সেটার কারণও নারীকে ক্ষমতায় দেখতে না চাওয়া এর বাইরে ম,ব, চ, সবই সেই পা ছড়ানো নারীর প্রতিরুপ
সিনেমাটা দেখিনি তাই মন্তব্য করা থেকে বিরত থাকলাম।
লাভের মধ্যে লাভ(কিংবা লসের মধ্যে লস) যেটা হইছে সেটা হল বিরূপ সমালোচনা শুনে মেহেরজান দেখার পরিকল্পনা যেটা ছিল, বাদ দিছি। এখন বিতর্ক শুনি।
অন্যের মুখে ঝাল না-খেয়ে নিজে আগে সিনেমাটা দেখবো বলে মনস্থির করেছি । আমার কাছে কেমন লাগলো সেটাই আসল কথা এবং বড় কথা । আলোচনা- সমালোচনা চলছে, চলতে থাকুক, আমার অপেক্ষা মেহেরজান দেখা পর্যন্ত । দেখে নিজের মতামত প্রকাশ করবার ইচ্ছা পোষণ করছি।
মেহেরজান না দেখা পর্যন্ত কিছুই বলতে পারছি না । তবে বুঝছি যে দেখতে হবে ।
মুক্তিযুদ্ধে কোন্ পক্ষ কী করেছিলো, সেটা সশরীরে দেখার সুযোগ আমাদের অনেকেরই ছিলো না। বইপত্র পড়ে, আর প্রামাণ্য কিছু দেখে-শুনেই যা জেনেছি, তাতেই আমরা রাজাকার চিনেছি, মুক্তিযোদ্ধা চিনেছি। পক্ষবিপক্ষ নির্ধারণের জন্য টাইম মেশিনে চড়ে মুক্তিযুদ্ধ দেখে আসার প্রয়োজন পড়ে না।
মেহেরজান চলচ্চিত্রটি যারা দেখেছেন, তাদের মন্তব্য পড়েই বুঝতে পারছি এই বস্তুর দর্শক হয়ে 'পৃষ্ঠপোষকতায়' অংশ নেয়ার মানে হয় না। মেহেরজানের নির্মাতা এবং এহেন নির্মাণের অন্তরালের কূটপরিকল্পনার জন্য ঘৃণা।
'পৃষ্টপোষকতা' বেশ শক্ত একটা রাজনৈতিক শব্দ এবং আপনি যদি নিশ্চিত হন যে এই শব্দটি যথোপযুক্ত তবে পরিহার করাটাই শ্রেয়। রুবাইয়াত ছবি নির্মাণ করেছেন, আমার ব্যক্তিগত অভিমত ছবিটা দেখতে গিয়ে বিরক্ত হওয়ার এবং ক্ষুব্ধ হওয়ার যথেষ্ট কারণও খুঁজে পাওয়া যাবে, কিন্তু এরপরও আমি বলবো ' রুবাইয়াত'এর ছবির সমালোচনার দিকটা ছবির উপস্থাপনকেন্দ্রীক হওয়াটা ভালো তার ব্যক্তিগত যৌনকুৎসা রটনা সে ক্ষেত্রে আশাপ্রদ কোনো সূচনা নয়।
আর 'পৃষ্টপোষকতা' যদি আর্থিক ও নৈতিক সহায়তার কোনো জগাখিচুড়ি হয় তবে আমার অভিমত রুবাইয়াতের সেসবের প্রয়োজন অল্পই। এবং যদি নৈতিক সহায়তার বাইরে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক কার্যকারণ নেপথ্য ভাবনায় থাকে তাহলে আমি বলবো সেটা খুব সীমিত প্রভাব ফেলবে এখানে। তার অপচয় করবার মতো অঢেল অর্থ আছে।
যদি জামাতিদের রাজনৈতিক সংগঠন হিসেবে অর্থনৈতিক সহযোগিতা করবার বিষয়টা আলোচনায় আসে তাহলে বলবো তাদের এমন সহযোগিতার প্রয়োজন নেই, তার নিজ প্রয়োজনে এইসব খাতে অর্থ বরাদ্দ রাখতে সক্ষম এবং 'মেহেরজান' ছবির টিকেটের টাকা তার টয়লেট টিস্যু হিসেবে অপচয় করবার ক্ষমতাও রাখে। এরপরও যদি আপনার মনে হয় আপনি আপনার টিকেটের টাকা দিয়ে তাদের সহায়তা করছেন তবে আপনি আপনার আনন্দ নিয়ে দীর্ঘ জীবনযাপন করেন।
রুবাইয়াত এবং জামাতের আর্থিক সঙ্গতিতে অপরিসীম তৃপ্তি নিয়ে আপনিও দীর্ঘজীবন উপভোগ করুন।
যোগাযোগ মন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন কন্যা রুবাইয়াত হোসেন তার বিতর্কিত চলচ্চিত্রটি শেষ পর্যন্ত আলোতে আনতে পেরেছেন বলে তাকে অভিনন্দন। এভাবেই আমাদের দেশে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তিরা ইতিহাসের ঐতিহ্য রক্ষায় এগিয়ে আসবেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে এমন আশা রাখছি।
তার পিতৃপরিচয় দেখুন।
১. দুঃখিত রাসেল, গত মন্তব্যে বলতে চেয়েছিলাম, "আপনিও কি ছবিটা দেখে এই রিভিউটা লিখেছেন?"
মানে আপনার অভিযোগ সবাই ছবির বিরোধিতা করছে ছবি না দেখেই, আমি জানতে চেয়েছি আপনি যে ছবিটার পক্ষে ওকালতি করছেন তাও তো ছবি না দেখেই। আপনার এই ওকালতি আপনার বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্লগারদের অভিযোগেরই সত্যতা প্রমান করছে।
২. নীচের বাক্যটা চুড়ান্তভাবে আপনার পাকিপ্রেমে ভারসাম্য হারানোর লক্ষণ বলে মনে হলো। এবি ব্লগে এই জাতীয় প্যারা দেখতে আপত্তি আছে আমার।
"আমাদের দেশান্তপ্রাণ বিদগ্ধ দেশপ্রেমিকেরা আপাতত রুবাইয়াতের সাথে কোনো পাকিপুরুষের কল্পিত যৌনবিহার কল্পনা করে হাত মারছেন আর আহাউহু করছেন একই সাথে পোষ্টার আর দেয়াললিপিতে শ্লোগান তুলছেন মেহেরজান নিষিদ্ধ হোক"
ঠিক, শালীন ভাবে বলেও প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করা যেত।
আমি নাতিদীর্ঘ জীবনে অনেক রকম বিড়ম্বনার মুখোমুখি হয়েছি তবে যে বিড়ম্বনা বাংরবার আমাকে আহত করেছে সেটা সাধারণ ভাবে বললে " মানুষের বাংলা পড়ে বুঝতে না পারার ব্যর্থতা" এবং আমার প্রাত্যহিক জীবন, যারা বাংলা পড়ে বুঝতে পারে না কিংবা নিজস্ব মাণাঙ্কিত চশমায় নিত্যজীবন পরিমাপ করে, তাদের বুঝতে না পারার অক্ষমতা কিংবা তারা যে বাংলা পড়ে বুঝে না এবং বৃথা বিড়ম্বিত করে অন্যদের এই সহজ বিষয় অনুধাবণে তাদের ব্যর্থতা এবং আমার নিজস্ব সময় অপচয়ের কষ্ট এ দুটো বিষয় মিলমিশ করতেই চলে যায়।
আপনি আমার আগের লেখাটা পড়েন নি এবং ঠিক এই মন্তব্যেই অভিযোগ করেছেন আমি ছবিটির পক্ষে ওকালতি করছি ছবি না দেখে- বাংলা বাক্য পড়ে এটার অর্থ বুঝতে না পারার দায় কি আমার?
এবাদুর রহমানের চিত্রনাট্য লেখা, সেই চলচিত্রের মূল বিষয়বস্তু পাকিস্তানী সৈনের সাথে বাঙ্গালী ললনার প্রেম চিহ্নিত হওয়ায় দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে যে রম্য রচিত হচ্ছে তাতে অধিকাংশ বক্তাই আমার মতো, যারা ছবিটি দেখেন নি, কিন্তু এটার নেপথ্য রাজনৈতিক পোলারিটির কারণে দর্শক ও ভোক্তা না হয়েই নিজস্ব মতামত জাহির করছেন।
কাহিনী যেমনই হোক না কেনো যদি মেহেরজান তার সিনেম্যাটিক উপস্থাপন ঠিক রাখে এবং বিষয়টিকে বিশ্বাসযোগ্য হিসেবে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয় তবে সেটার মৌলিক কাহিনী যাই হোক না কেনো আমি ছবিটিকে স্বাগত জানাবো।
বোল্ড করে দেওয়া অংশটি এবং এর সাথের অংশটুকু পড়েন, সমাপ্তিটুকু পড়েন, এই দুটো মিলিয়ে পড়ে যদি আপনি কোনোভাবে অনুধাবণ করেন আমি ছবি দেখে ছবির রিভিউ লিখেছি, সেই ব্যর্থতার দায়টুকু আমার উপরে চাপানোর অর্থ কি থাকতে পারে?
পরবর্তী আপত্তিকর অংশটুকু উপসংহারে আনবার আগে আমি অন্তত ৪টি অন্তর্জালিক বিতর্কের লিংক দিয়েছি, সেখানে মন্তব্যের অংশটুকু পড়ে পুনরায় আমার বক্তব্য পাঠ করেন। বিতর্কের ধরণ ছবি বিষয়বস্তু উপস্থাপনের বাইরে গিয়ে রুবাইয়াতের ব্যক্তিগত যৌনজীবন বিষয়ে অশোভন কৌতুহল এবং সেদিক থেকে যেদিকে ডালপালা মেলতে চাইছে সেটা নিয়ে আমার পাকিপ্রেমের ভারসাম্যের তুলনায় যেসব বিতর্কিক আলোচনায় লিপ্ত হয়েছেন তাদের পুরুষবাদী নোংরামির দিকে ঢলে পড়বার নিদর্শনই বেশী।
আপনি এ লেখা এবং আগের লেখা পড়ে যদি ওকালতির কিছু দেখেন কিংবা যদি অনুরোধের কিছু দেখেন, যদি আপনার মনে হয় আমি অন্য সবাইকে প্ররোচিত করছি ছবিটি দেখতে তাহলে আমি বলবো আমি বলেছি মন্তব্য উপস্থাপনের আগেই বীরপুঙ্গবদের দেশপ্রেমিক ঝান্ডা নিয়ে লাফিয়ে পড়াটা আমার কাছে হাস্যকর মনে হয়েছে, যারা বেশ রসিয়ে লিখেছেন তারা না দেখেই লাফাচ্ছেন- সেটা সচলায়তন কিংবা ফেসবুক যে মাধ্যমেই দেখেন না কেনো।
আশা করি মহান সৃষ্টিকর্তা আপনার বাংলা পড়ে বুঝবার দক্ষতা বৃদ্ধি করবেন।
যৌনবিহার, হাত মারছেন ..... এইসব ছাড়ও লেখালেখি করা যায়। বন্ধুদের সাথে আড্ডা দেওয়া আর ব্লগিং যে এক না এইটা সম্ভবত আপনার বিবেচনায় থাকে না। শব্দ চয়নে একটু শালীনতা প্রত্যাশা করাটা নিশ্চয় দোষের কিছু না? আশাকরি রাখবেন কথাটা।
আপনি যখন উপস্থিত হয়ে বলছেন এটি একটি পবিত্র স্থান তাহলে আপনার কথার বিরুদ্ধে আমার দ্বিতীয় কোনো কথা থাকতেই পারে না। সমস্যা কিংবা সংকট হলো অতিশোভন ভাষায় অশালীনতা কিংবা নোংরামি আমি করি না কিংবা করতে পছন্দ করি না।
ইঙ্গিতপূর্ণ ভাষায় ইতরামি বিষয়টা হয়তো আপনার মাণদন্ডে গ্রহনযোগ্য কিন্তু ইঙ্গিত আর আঙরাখা সরিয়ে নিলেই আপনি জাত গেলো বলে শালীনতাবাদী হয়ে গেলে আমি শুধু অনুরোধ করতে পারি
অশালীন প্রস্তাব কিংবা উপস্থাপনা এবং নোংরামি সেটা মোড়ক খুলে কিংবা সুন্দর মোড়কে উপস্থাপন করলেও একই থাকে, দরিদ্র মানুষের সুশীল wrapping paper কিনতে না পারার দীনতা ক্ষমা করেন।
১। আপনার পোস্টটি সম্পূর্ণ অপ্রাসংগিক।
-----------------------------------------------------------------------------------------
মেহেরজান বিষয়ে আপনার নিজের বক্তব্য আছে - ভালো কথা।
সেই বক্তব্য আবর্জনামার্কা নির্বোধ দেশপ্রেমিকদের থেকে আলাদা - তাও ঠিক আছে।
কিন্তু "আমরা বন্ধু" - ব্লগে আপনি অন্য ব্লগের প্রসংগ টেনে এনে লেকচার দিলেন। - সমস্যা আছে। যুক্তিখন্ডন ফাঁকা মাঠে হয় না।
এই কথাগুলো প্রাসঙ্গিক পোস্টগুলোতে গিয়ে বলুন - ব্লগের মেম্বার না হয়ে থাকলে অতিথি হিসেবে মন্তব্য করুন।
-----------------------------------------------------------------------------------------
২। আপনার বক্তব্যে ব্যক্তি আক্রমণ স্পষ্ট এবং তা বাহ্যত অশালীন।
এছাড়া আপনার সহব্লগারদের সম্পর্কে আপনার মূল্যায়ন বেশ চমৎকার - তা ওনারা বাঁদর তো বটেই!
------------------------------------------------------------------------------------------
৩। আপনার পোস্টের সারাংশ -
# আপনি মেহেরজান দেখেননি।
# কিন্তু আপনি সহব্লগারদের প্রতিক্রিয়া দেখে ক্ষুব্ধ
# এই সহব্লগাররাও আবার ফিল্মটি দেখেননি - কিন্তু প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে।
# আপনি এই অন্য ব্লগের ব্লগারদের যুক্তিখন্ডন করলেন একতরফা ভাবে
# আপনার পোস্ট হল তাদের প্রতিক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া
# আপনার এই প্রতিক্রিয়ার বহিঃপ্রকাশ ঘটল যুক্তিহীন অশালীন বাক্যপ্রয়োগে এবং সহব্লগারদের প্রতি অবজ্ঞা ও নিন্দা প্রকাশে।
বাহবা বাহবা বেশ।
তালিয়া
আপনাকে বিবেকের ভুমিকায় দেখে অতিশয় তৃপ্ত হলাম।
আপনার বিবেক হয়ে উঠবার পথে একটাই অন্তরায় আমি দেখছি- আপনি বাংলায় 'বাঁদর নাচ' বলে একটা উপমা আছে সেটা সম্পর্কে অবগত নন, আপনি সব জেনে বিবেক সাজবেন এমনটা আশা করাও উচিত নয়। কিন্তু এইসব উপমা বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা পাওয়ার জন্য অষ্টম থেকে দ্বাদশ শ্রেণী পর্যন্ত যেসব বাংলা ব্যকরণ পুস্তক আছে সেসব পড়ে দেখতে পারেন। বিনিয়োগ হিসেবে মন্দ না, আপনার বুদ্ধিবৃত্তিক উৎকর্ষতা বৃদ্ধি পাবে। আপনাকে যে আমি নির্বোধ বলে অভিহিত করছি সেটাকে ব্যক্তি আক্রমন হিসেবে গ্রহন করবেন না, এটা একটা নির্মম সত্যভাষণ, আপনার পরিচিত কেউ এমন স্পষ্ট ভাবে আপনাকে সত্য বলে নি কখনও এই যা।
আপনার যদি মনে হয় আমি আমার প্রতিক্রিয়ায় যুক্তিখন্ডনের চেষ্টা করেছি, পুনরায় পাঠ করেন এ লেখা। অন্য ব্লগে উপস্থাপিত কোন কোন যুক্তির বিরোধিতা এখানে করেছি সেটার তালিকা দিলেও ভালো হয় আসলে।
বাংলা পড়ে বুঝতে পারেন না এটা স্বীকার করলে তেমন লজ্জিত হবেন না, আমাদের অনেকেরই অনেক কিছুতে দক্ষতা থাকে না কিন্তু আমরা পরিশ্রম করে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধি করে নিতে পারি
আমার লেখাটা মূলত ছিলো পর্যবেক্ষণ ভিত্তিক এবং সেখানে বাংলা ব্লগস্ফীয়ারের বিশেষত কম্যুনিটি ব্লগিং এর বিশেষ ক্ষেত্রগুলোতে কিভাবে নারি বিষয়ক বিষয়াদি মীমাংসিত হয়েছে সেটার অভিজ্ঞতালব্ধ একটি বয়ান ছিলো এবং একই সাথে নারী বিষয়ক বিষয়াদিতে আমাদের বিদগ্ধ, সুশীল এবং সভ্য ব্লগারগণ কি ধরণের আচরণ করেন সেটার পুনারাবৃত্তিতে নিশ্চিত হওয়ার সুরও ছিলো।
নিন্দা প্রকাশ এবং নির্জলা সত্য প্রকাশের ভেতরে তফাত করতে না পারবার ব্যর্থতার দায়টুকু আপনি আমার উপরে চাপিয়ে দিয়ে বিবেক হয়ে সুমধুর গান শোনালেও আমার ভালো লাগে। আপনার মঙ্গল হোক।
তৃপ্তির টক ঢেকুর গিলে ফেলুন এবং অন্যকে উপদেশ দেওয়ার আগে নিজের সচেতনতা বাড়ান। আমাকে যে ব্যাকরণ বই কিনতে বলেছেন তা নিজে কিনুন এবং সেই সাথে সংগ্রহ করুন একখানা অভিধান।
আপনার পোস্টের বানান ভুলগুলি-
চলচিত্র > চলচ্চিত্র
শিরোণামে > শিরোনামে
দুরভ্রমণের > দূরভ্রমণের
হলো > হল
প্রতিভু > প্রতিভূ
স্বেদেশপ্রেমিক > স্বদেশপ্রেমিক
বীরাঙ্গণা > বীরাঙ্গনা
ফেদেছে > ফেঁদেছে
শাররীক সম্পর্ক > শারীরিক সম্পর্ক
প্রাচীণ > প্রাচীন
বাক্য গঠন ও বিরাম চিহ্ন সন্নিবেশনে ভুল: (অসংখ্য, অল্প কিছু উল্লেখ করছি)
সঠিক প্রয়োগ: দীর্ঘ প্রতিক্রিয়া, পাল্টা প্রতিক্রিয়াও
সঠিক প্রয়োগ: হিমু এর প্রতিক্রিয়ায়
সঠিক প্রয়োগ: হয় সাথে পূর্বপরিচয় থাকার কারণে অথবা পূর্বপরিচিত হওয়ার কারণে
সঠিক প্রয়োগ: গত লেখায় লিখেছিলাম
সঠিক প্রয়োগ: ছেলেমি ধাঁচের
এছাড়া অসংখ্য টাইপো ও ফরম্যাটিংজনিত ভুলে পোস্ট সয়লাব। আপনি ঠিকমত প্যারা পর্যন্ত করেননি।
--------------------------------------------------------------------------------
পরিশেষে অন্যের বগলে নাক গুঁজতে যাওয়ার আগে নিজের বগলের গন্ধ শুঁকে নিন।
ইট অলওয়েজ ওয়ার্কস লাইক ম্যাজিক।
একদিনেই সবগুলো ব্যকরণ বই পড়ে শেষ করে ফেলেছেন , খুব ভালো লাগলো জেনে।
পাঠক, নীড় সন্ধানী, উলটচণ্ডালের মন্তব্যে একমত। পোস্ট ও মন্তব্যে লেখকের ভাষাব্যবহার এবির কাছে প্রত্যাশিত পরিবেশের সঙ্গে দুঃখজনকভাবে বেমানান।
আপনার বিবেচনাবোধের উপর থেকে এখনও নিশ্চয়তা হারাই নি,
ভালো থাকবেন, শুভেচ্ছা রইলো।
অন্য ব্লগে অশ্লীলতা চালু থাকতে পারে। এবিতে তা বেমানান- নুশেরার সঙ্গে একমত।
পোস্টটা আমি ভুলে পড়ে ফেলেছি।
এবং এখন মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
আপনি ওজু করে পবিত্র হয়ে নিয়েছেন তো?
আপনার পবিত্র ভাবনায় অপবিত্র শব্দ ঢুকিয়ে দেওয়ার জন্য আন্তরিক ভাবে দু:খিত।
পোস্ট দিয়েছেন গতকাল। আপনি এখনো ক্ষেপে আছেন দেখছি। সময় গেলে বরং থিতু হবার কথা
আমি ক্ষেপে থাকবো কেনো বলেন? আপনিই মন্তব্যে বলেছেন
"অন্য ব্লগে অশ্লীলতা চালু থাকতে পারে। এবিতে তা বেমানান- নুশেরার সঙ্গে একমত।
পোস্টটা আমি ভুলে পড়ে ফেলেছি।
এবং এখন মডারেটরের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি"।
আপনি ভুল করে কিংবা বেখেয়ালে পড়ে ফেলেছেন লেখাটা, সেটা না পড়লে হয়তো এটার অশ্লীলতা আপনাকে স্পর্শ্ব করতো না, ভুল করে বায়ু ত্যাগ করলেও মানুষ ওজু করে পবিত্র হয়ে নেয় এটাতো সাক্ষাত বরাহস্পর্শ্ববত ভুল, সে কারণেই অজু এবং পবিত্রতার বয়ান।
আমাকে দেখেন, আমার কোনো পরিচিত জন এখনও আপনার লেখা পড়বার সুপারিশ করে নি, আমি কিন্তু ভুল করেও আপনার লেখা পড়ি না,
এখানে মানে এবিঅঙ্গনের কথা বাদ দিয়েই বলি, অন্তর্জালে মানুষ লিখবে এবং সে লেখা লিখবার, কোনো লেখা পড়বার এবং না পড়বার স্বাধীনতা পাঠকের রয়েছে, সেখানে নিজরুচি প্রয়োগের স্বাধীনতাও আপনার ছিলো। আপনি ভুল করে যা পড়ে ফেলে দু:খিত হয়েছেন সেটা নিয়ে আমি যথেষ্ট বিব্রত, আপনার বিবেচনাবোধ ভালো একই সাথে যদি নির্বাচন করবার ক্ষমতাটাও ইর্ষনীয় হতো আমি আপনাকে নিয়ে শ্লাঘা বোধ করতাম

নিদারুণ সত্য উচ্চারণের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ এবং কৃতজ্ঞতা
এবং আপনি যে আমার পাঠক নন- এজন্য স্বস্তি বোধ করছি।
পোস্ট পছন্দ হয়েছে...
আর পোস্টের ভাষা নিয়েও কোন সমস্যা দেখছিনা.. শালীনতা নিয়ে সবাই কেন উদগ্রীব হল তা পুরোপুরি ধরতে পারলাম না। তবে একটা জিনিস লক্ষ করেছি আগে - হা# মারা না লিখে মাস্টারবেশন লিখলে পাবলিক মাইন্ড করে না; মাদা@চো# না লিখে মাদা#ফা#র লিখলে পাবলিকের সমস্যা হয় না :)। এইখানেও কি এমন কিচু কাজ করছে??!! খিকজ..
যাউগ্গা, একজন আজকে বলছিল যে এই পোস্টের বক্টব্য বাদ দিয়া ভাষা নিয়া ক্যাচাল লাইগা অনেকটা মূল আলাপ বন্ধ হয়া সাইড আলাপ জইমা যাওয়ার অবস্হা হইতারে। আমি ভাষা নিয়া কমেন্ট কইরা মনে হয় ব্যাপারটরে সেইদিকেই আগায়া নিয়া গেলাম
একমত
পোস্টের মূল বক্তব্যের সাথে একমত, তবে ভাষাটা পছন্দ হয়নি। গতকাল ফেইসবুকে একজনের মেহেরজান নিয়ে স্ট্যাটাসে আরেকজন এসে রুবাইয়াতকে কুত্তা দিয়ে কিছু করার ইংগিত দিছিল। মূলছবিটার সমালোচনা না করে এই মহিলার নারীত্ব নিয়ে পড়ে থাকাটা অপরিপক্বতার লক্ষণ। অথচ একজন পুরুষ যদি একই ছবি বানাত তাহলে তাকে একই ধরণের ব্যক্তিআক্রমণ করা হত না।
এই পোস্টে একই বক্তব্য যদি শালীন ভাষায় লেখা হত তাহলে অনেকেরই বুঝতে সমস্যা হত বলে মনে করিনা। পোস্টের মুল বক্তব্য নিয়ে আলোচনা না করে সবাইকে ভাষার ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করতে হচ্ছে অপ্রয়োজনীয়ভাবে এবং অপ্রাসংগিকভাবে কিছু অশালীন শব্দের ব্যবহার করার কারনে।
আমি ঠিক এই কথাটাই বলতে আসছিলাম নরু। পোস্টের বক্তব্যের সাথে একমত। কিন্তু পোস্টের ভাষার জন্য বিষয়বস্তু বাদ দিয়ে তর্ক শেষ পর্যন্ত খেয়োখেয়ি খামড়া কামড়িতে চলে যায়। বিষয়টা মাথায় রাখার জন্য রাসেলের প্রতি অনুরোধ রইল।
আমি একবার ফেসবুকে ষ্ট্যাটাস দিয়েছিলাম এরম-
রাসেল ভাইয়ের সাথে আমার অনেক চিন্তাগত মিল ও অমিল আছে । অনেকেরই তার সাথে দ্বিমত থাকতে পারে, তার লেখা ভাল নাও লাগতে পারে কিন্তু পরিবেশ বা শালীনতার দোহাই দিয়ে রাসেলের রচনার বিষয়, ভাষা ও ষ্টাইল নিয়ে আপত্তিতে আমার আপত্তি আছে । রাসেল ভাই কি লিখবেন , কিভাবে লিখবেন এটা একন্তই তার ব্যাপার । আমি তা’ নির্ধারণের কে ?
আপনাকে ধন্যবাদ, বিষয়টা 'ফ্রিডম অফ এক্সপ্রেসিং ইয়োর থট' এটুকু স্পষ্ট করে বলবার জন্য।
মন্তব্য করুন