ইউজার লগইন

মাসব্যাপী কার্নিভাল ০৯

ইদানিং বইমেলার চারপাশে রংতুলি আর রং এর ডিব্বা নিয়ে যারা আল্পনা আঁকতে ঘুরে তাদের সাথে বইমেলার সম্পর্ক নিছকই বাণিজ্যিক, আগে যখন বইমেলায় এই আল্পনার জমজমাট ব্যবসা ছিলো না তখন চারুকলার শিক্ষার্থীরা হাতে রং তুলি নিয়ে একুশের উৎসবে সামিল হতো, সবাইকে বইমেলা কিংবা জাতীয় উৎসবের আনন্দে সামিল করবার জন্য তারা নিজেরাও বইমেলার অবৈতনিক শুভেচ্ছাদুত ছিলো, তাদের অংশগ্রহন এখন অনুপ্রবেশকারীদের আগ্রাসনে বিলুপ্ত প্রায়। গতকাল বইমেলায় একজন আর্টিস্ট এসে দাঁড়ালো সামনে, ঋকের দিকে তাকিয়ে বললো এঁকে দেই?

আমার আপত্তি স্পষ্ট হয়ে উঠবার আগেই দেখলাম ঋক হাত বাড়িয়ে দিয়েছে, বাড়ানো হাতে শুভ বসন্ত লিখে শেষ করবার পর বললাম কত নিবেন?
আপনারা যা ভালো মনে করেন, সবাই নিজের মতো দেয়।
আমি পকেট থেকে ২০ টাকা বের করে দিলাম, আর্টিস্ট সম্ভবত ভ্যানগঘের সমতুল্য কেউ, ভীষণ আহত হয়ে বললো আমাদের কেউ ৫০-১০০ টাকার নীচে অনারিয়াম দেয় না। তাকে শুভ বসন্ত লিখবার জন্য কেনো ৫০ টাকার নীচে প্রদান করা হলো এই বিষয়ে সে ভীষণ অপমানিত। লিপি ব্যাগ থেকে ৫০ টাকা বের করে দিলো। লিপির আল্পনা আঁকার হাত এই ছেলের চেয়ে অনেকগুন ভালো, ও যদি এই কাজটা করতো তাহলে সেটাও করতো আন্তরিকতা নিয়ে, নিছক পয়সার জন্য করতো না

এই পাবলিক বইমেলায় সারা বছরের পড়া আর অন্যসব কিছুর খরচ জোগার করতে এসেছে, সেটার জন্য যা যা করা সম্ভব তাই করবে হয়তো, ওর এত মান অপমান বোধ দেখে মনে হলো এরপর থেকে গলায় রেট ঝুলিয়ে ঘুরতে উপদেশ দেই ওকে।,
বলা হয় না অনেক কথাই

দেশ কাঁপানো রম্য উপন্যাস স্টুপিড নাম্বার দশ

বড় বড় করে স্টলের সামনে লেখা, বইটা যেদিন প্রেসে ছাপতে দেওয়া হলো সেদিন ঢাকা শহরে বড়সর একটা ভূমিকম্প হয়েছিলো, পরে যেদিন বই বাঁধাই হয়ে বইমেলায় আসলো সেদিনও বিকেলে ঢাকায় ভূমিকম্প হলো, দেশ কাঁপিয়ে বের হওয়া এই রম্য উপন্যাসের লেখককে দেখতে পারলে আরও ভালো হতো, বইমেলায় ঘুরাঘুরির সুবাদে হয়তো একদিন দেখাও হয়ে যাবে তার সাথে

বইমেলায় শিশুতোষ বই মানেই সম্ভবত ভুতের বই, পাঠ্য বইয়ের বাইরে শিশুপাঠের অধিকাংশ জুড়ে আছে ভুতের বই। একটা বাচ্চা ভুত, একটা সর্বইচ্ছাপুরক চরিত্র দাঁড়া করিয়ে রাক্ষস খোক্কসের গল্প দিয়ে শিশুদের ভয় দেখানোর কোনো মানে খুঁজে পাই না আমি। জুজুর ভয় দেখিয়ে ঘুম পাড়ানো স্বভাবটা বদলে দিলে ভালো হতো। নীল, সবুজ মামদো দামদো ভুতগুলোর ছবি দেখে আমার ভয় লাগে না তেমন কিন্তু ছেলেকে এইসব বই কিনে দিতে চাইলেও ও কিনবে না। ওর কাছে ভুতের অস্তিত্ব বলে কিছু নেই, তবে শিশুদের গল্প লেখকদের কাছে ভুত এখনও জীবন্ত, তাদের সব লেখকপ্রতিভা বিভিন্ন ছাঁটের ভুত বানাতে ব্যয় হয়ে গেলো অকারণে,

স্কুল এবং স্কুল
আমাদের বয়েসী ছেলে মেয়েরা এখন গেরস্ত, তাদের ছেলে মেয়ে বড় হচ্ছে, ছেলে মেয়ে বড় হওয়াটা এখন ততটা আনন্দের কিছু না, খেলনা থেকে মানবশিশু হয়ে উঠবার পথে ওদের স্কুলে পাঠানোর বন্দোবস্ত করতে হয়, শাপলুর প্রধানতম চিন্তা ওর মেয়েকে স্কুলে ভর্তি করা। শিক্ষানীতিতে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোকে প্রাকপ্রাথমিক করে তুলবার একটা মহৎ উদ্দেশ্য লিপিবদ্ধ করা হয়েছে। কিন্তু অধিকাংশ স্কুলই প্রাক প্রাথমিক পর্যায়ভুক্ত হওয়ার মতো অবকাঠামো তৈরি করতে পারে নি এখনও। প্রাক প্রাথমিক, নার্সারি কিংবা প্লেগ্রুপ এখনও ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলগুলোতে অবিকশিত হয়ে আছে। প্লেগ্রুপ বলে যে জিনিষটা ইংরেজী মাধ্যমের স্কুলে বিদ্যমান সেটা ঠিক বিদেশী প্লেগ্রুপ নয়, শিক্ষকেরাও তেমন অভিজ্ঞ কিংবা দক্ষ নন, তবে দীর্ঘ দিনের অভিজ্ঞতা, বাবা মায়ের নিরন্তর উৎসাহে তারা নিজেদের দায়িত্ব সম্পূর্ণ পালন না করলেও ছেলে মেয়েরা বড় হয়ে উঠে। ইংরেজী মাধ্যমের যেকোনো ছোটো স্কুলেরও প্লে গ্রুপে ভর্তি করতে হাজার বিশেক টাকা লাগে।

জেবতিকের মেয়েরও প্লে গ্রুপে যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে, তারাও স্কুল বাছাই নিয়ে চিন্তিত, সব দিক সামলে একটা মনের মতো স্কুল খুঁজে পাওয়া পৃথিবীর কঠিনতম কাজের একটা। পরিস্থিতি যেমন দাঁড়িয়েছে, এরপর ছেলে মেয়েদের স্কুলে দেওয়ার বদলে বাবা মা নিজের উদ্যোগেই একটা স্কুল খুলে ফেলবে বাসার গ্যারেজে।।

আমাদের দেশজ সংস্কৃতি এবং ভারতীয় সাংস্কৃতিক আগ্রাসন:
বিশ্বকাপ ক্রিকেটের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ভারত থেকে উড়ে আসছে অনেকগুলো শিল্পী, তাদের নামের তালিকা পত্রিকাগুলোর বিনোদন পাতা খুললেই খুঁজে পাওয়া যাবে, এটিএন বাংলার ইভা রহমানও সেই কূলীন শিল্পীর কাতারে রয়েছে, বাংলাদেশকে প্রতিনিধিত্ব করবে ইভা রহমান, বিষয়টা অবিশ্বাস্য হলেও মনে হয় সত্য। । আমার ইভা রহমানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত কোনো ক্ষোভ নেই, বাংলাদেশের সংস্কৃতি নিয়ে গলা ফাটিয়ে কেঁদে কেঁদে নদী বানিয়ে ফেলা মানুষগুলোরও আমি জানি ইভা রহমানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত ক্ষোভ নেই, কিন্তু এই যে অভিযোগ বাংলাদেশে উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে ভারতীয় শিল্পীদের অংশগ্রহন এর পবিত্রতা, আঞ্চলিকতা নষ্ট করছে বক্তব্যটা অনেক বেশী ভারত বিরোধী অবস্থানের রাজনৈতিক বক্তব্য। কানাডার শিল্পী ব্রায়ান এডামস আসছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে গান গাইতে, একই সাথে একটা দুটো কনসার্টও করবে ব্রায়ান এডামস, সেটা নিয়ে বাংলাদেশের সংস্কৃতিতে কানাডীয় আগ্রাসনের কোনো বক্তব্য চোখে পরে নি আমার। কানাডা অবশ্য তার সীমান্তে আমাদের ফালানীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখে নি, প্রতিবছর স্কিলড মাইগ্রেশনের আওতায় সেখানে বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত শিক্ষিত মানুষেরা ওয়ার্ক এবং লিভিং পারমিটের জন্য যায়, কানাডা স্বাধীনতার সময় থেকেই বাংলাদেশকে নানাবিধ সাহায্য সহযোগিতা করছে, দুর্নীতি ও অপব্যবহারের দায়ে সাময়িক সহায়তা বন্ধের হুমকি দেওয়া ব্যতিত কানাডা সব সময়ই আমাদের বন্ধু রাষ্ট্র ছিলো এবং সেখানকার ফ্যাকাশে চামড়ার সুন্দরীদের আমাদের ভালো লাগে।

এটা নিয়ে কোনো জাতীয়তাবাদী বিরোধিতা কেনো হচ্ছে না বিষয়টা এখনও বুঝতে পারি নি আমি। শাহরুখ খান এসে পাছা দোলালে কি সংস্কৃতির আঁতে ঘা লাগে? ব্রায়ান এডামস প্লেনে করে উড়ে এসে যা করবেন সেটার সাথে বাংলাদেশীদের সংস্কৃতির মিল মোহাব্বত অনেক বেশী? তার শোয়ের টিকেটের দাম ৬ থেকে ২০ হাজার, এবং আমার ধারণা সেটাও কানায় কানায় পরিপূর্ণ থাকবে।

কোন প্রেক্ষিতে কোন জাতীয়তাবাদি চেতনা থেকে আমাদের বিরোধিতা শুরু হয় সেটা আমি জানি না।

বইমেলার মাঠে সেদিন একজন লিফলেট দিয়ে গেলো ভ্যালেন্টাইন ডে অপসংস্কৃতি এটা রুখতে হবে এই জাতীয় বিভিন্ন শ্লোগান দেওয়া সেখানে, নীচে লেখা প্রপদ। প্রপদ কিংবা প্রগতির পরিব্রাজক দল ভ্যালেন্টাইন ডেকে অপসংস্কৃতি মনে করতে পারে সেটা আপত্তিকর না কিন্তু তাদের অপসংস্কৃতিপাঠ আমাদের গলা দিয়ে জোর করে গিলিয়ে দেওয়ার প্রক্রিয়াটা কেনো?

পরবর্তীতে জানলাম ১৪ই ফেবরুয়ারী স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে কয়েকজন নিহত হয়েছিলো,১৩ই ফেব্রুয়ারী ফাল্গুনের দিনে নিহত হয়েছিলো বসুনিয়া, সে কারণে ফাল্গুন উৎসব বর্জনের কোনো আহ্বান জানায় নি প্রপদ, বসুনিয়ার নামে বিশ্ববিদ্যালয়ে একটা তোরণ আছে, সেখানে এই একদিনই কয়েকটি ফুলের মালা জমা হয়, যে লক্ষ্যে বসুনিয়াস্বৈরাচার বিরোধিতা করতে গিয়ে নিহত হয়েছিলো সে লক্ষ্য আজ ২৮ বছর পর কতটুকু অর্জিত হয়েছে?

দিবসজীবিতা ভালো, কোনো একটি দিবস উপলক্ষে বেঁচে থাকা আনন্দময় হয়তো, কিন্তু সে দিবস শেষে যা রয়ে যায় সেটা চেতনা। স্বৈরাচার বিরোধিতার চেতনা কতটুকু আমরা ধারণ করতে পেরেছি? স্বৈরাচার কি শুধুমাত্র উর্দি পড়া ক্ষমতা দখলে সীমাবদ্ধ? ক্ষমতার অপব্যবহার, দুর্নীতি-লুণ্ঠন কি জলপাই পোশাকেই করা সম্ভব? সবাই এর উত্তর জানে, এরশাদ গণতন্ত্রবিরোধী অপরাধী কিন্তু পরবর্তি গণতান্ত্রিক সরকারগুলো কি গণতান্ত্রিক সংস্কৃতিচর্চার কোনো নজির তৈরি করতে পেরেছেন?
ব্যলট বাস্কে চিহ্ন এঁকে ছুড়ে ফেলানো নির্বাচনী প্রক্রিয়া গণতন্ত্র না। একটা দিবসের বিরোধিতা করতে গিয়ে এইসব সস্তা ফাজলামীর প্রয়োজনীয়তা আমার জানা নেই। রাজনীতিতে এটা গুরুত্বপূর্ণ, একটা নির্দিষ্ট দিবসকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক প্রচারণা অব্যহত রাখা যায়, উৎসাহ উদ্দীপনা তৈরি করা যায়, কিন্তু সে রাজনীতির কতটুকু কে ধারণ করে?

বাংলাদেশের প্রতিটি দিবসই শোক দিবস, আমাদের প্রতিদিনই কালো ব্যাজ ধারণ করে রাস্তায় নামা প্রয়োজন, প্রতিদিনই মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়, প্রতিদিনই আগ্রাসী রাষ্ট্র কোন না কোনো নাগরিকের নাগরিক অধিকার হরণ করছে, আমাদের জীবনে কোনো উৎসব থাকবে না, আমাদের কোনো উদযাপনের অধিকার নেই, কিন্তু বিশ্বকাপের নামে সড়কসজ্জা কিংবা ফানুস আর ফেস্টুন বানানোর বিরাম নেই, শহরটাকে রংয়ের প্রলেপে মুড়ে দিয়ে আমরা সুখী গেরস্তের ছবি আঁকছি দেয়ালে।

বিশ্বকাপ বর্জনের আহ্বান আসে নি কোনো পক্ষ থেকেই, এই অপচয়, জনগনের ভোগান্তির পক্ষে কোনো বক্তব্য আসে নি, জনদুর্ভোগ নিয়েগলা ফাটিয়ে ফেলা মানুষেরাও এটার বিরোধিতা করছে না। সেটা পাবলিক সেন্টিমেন্টের বিরুদ্ধে যাবে বলে কোনো বক্তব্য প্রকাশ করা থেকে প্রপদ বিরত। প্রপদ অনেকক্ষেত্রেই রাজনৈতিক লাভের আশা থেকেই এইসবকে সমর্থন দিয়ে যায়। এইসব রাজনৈতিক ফায়দা লোটার রাজনীতির পাঠ বিরক্তিকর।

ভালোবাসা দিবস উদযাপন করে কেউ যদি আনন্দে থাকে থাকুক না। আজ যেমন বইমেলায় অনেক প্রেমিক প্রেমিকা হাতে হাতধরে হেঁটেছে। তাদের এই আনন্দের ছবিটুকুর ভেতরে অপসংস্কৃতি খুঁজে পাওয়া যাবে, তাদের এই পরস্পরকে স্পর্শ্ব করতে চাওয়ার আকুলতা আমাদের সমাজ ও মূল্যবোধ সমর্থন করে না। প্রকাশ্য চুম্বন এখনও এখানে নিষিদ্ধ, সেখানে ভালোবাসা দিবসের নামে প্রকাশ্য হ্যাংলামি মেনে নেওয়ার সংস্কৃতিকে প্রমোট করা এই রাজনৈতিক বক্তিমেবাজীকে সমর্থনের কোনো কারণ নেই।

কেউ যদি স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে কেঁদে বুক ভাসাতে চায়, তরা ভাসাক না, কেউ কি গিয়ে তাদের গোলাপ হাতে বাস্তায় প্রেমিকা খুঁজতে ধাওয়া করছে? যে মানুষটা ১৪ই ফেব্রুয়ারী প্রেমিকার হাতে ফুল দিতে এত কষ্ট সহ্য করে রাস্তায় মেনেছে, ভিড়ের ভেতরে সাবধানে প্রেমিকার হাত ধরে হেঁটেছে, সে যদি এতেই আনন্দিত হয়, সে আনন্দে কাঁটা ছুড়ে দেওয়ার অধিকার কার আছে?

প্রেম কিংবা ঘৃণা জোর করে পালন করানো যায় না। স্বত:স্ফুর্ত ভাবেই মানুষ
ভালোবাসা দিবসকে গ্রহন করেছে এবং তাদের নৈরাশ্যে ভরা জীবনে এটা একটা আনন্দের উপলক্ষ্য এনে দিয়েছে, সে আনন্দটুকু মিথ্যা না। সে আনন্দ নিয়েই সবার দিন ভালো কাটুক

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

রশীদা আফরোজ's picture


মেলার দ্বিতীয়দিন দেখলাম, এক ভদ্রলোক দুইটা বাচ্চা মেয়ে নিয়ে এসেছেন। গেইট দিয়ে ঢুকতেই রং তুলি হাতে একজন পথ আগলে দাঁড়ালো, ভদ্রলোক কিছু বলার আগেই অাঁকা শুরু করে দিল। ভদ্রলোক জানতে চাইলেন, কত দিতে হবে? ছেলেটা বললো, ১০ টাকা করে। ভদ্রলোক বললেন, না, ৫টাকা। তারপর ১০ টাকার একটা নোট দিয়ে চলে গেলেন।
আপনিই সেই ছোট্ট ঋকের বাবা? এবি'র রাসেল? কত অজানারে!

সাহাদাত উদরাজী's picture


টিপ সই

শওকত মাসুম's picture


বিশ্বকাপ উপলক্ষ্যে যে ত্রিদেশীয় কনসার্টের কথা বলা হচ্ছে তা অফিসিয়াল কোনো অনুষ্ঠান না বলেই আমি জানি। এগুলো সব ব্যবসায়ীক অনুষ্ঠান, কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তিদের উদ্যোগ।

তানবীরা's picture


দেশ কাঁপানো রম্য উপন্যাস স্টুপিড নাম্বার দশ

বড় বড় করে স্টলের সামনে লেখা, বইটা যেদিন প্রেসে ছাপতে দেওয়া হলো সেদিন ঢাকা শহরে বড়সর একটা ভূমিকম্প হয়েছিলো, পরে যেদিন বই বাঁধাই হয়ে বইমেলায় আসলো সেদিনও বিকেলে ঢাকায় ভূমিকম্প হলো, দেশ কাঁপিয়ে বের হওয়া এই রম্য উপন্যাসের লেখককে দেখতে পারলে আরও ভালো হতো,

হাহাহাহাহাহাহাহা

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.