ইউজার লগইন

ক্ষ্যাপ

ঢাকা শহরে আমার ক্রিকেটে হাতেখড়ি এরশাদ বিরোধী আন্দোলনের চুড়ান্ত সময়ে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মিলন নিহত হওয়ার পর হুট করেই স্কুল বন্ধ, হোস্টেল থেকে হাটখোলায়, অভিসার সিনেমা হলের পাশের গলিতে, সেখানেই হরতালের দিন ক্রিকেটে হাতেখড়ি হলো। তখন বোলিং একশন ছিলো চুড়ান্ত রকমের বাজে, বল ডেলিভারি দেওয়ার সময় মাটিতে পা লেগে থাকতো, খালি পায়ে ৩ ওভার বোলিং করে রক্তাক্ত পা নিয়ে ফিরে আসলাম। এক সপ্তাহের বেশী আনন্দ স্থায়ী হলো না, এরশাদ পদত্যাগের ঘোষণা দেওয়ার পর হেঁটে হেঁটে প্রেসক্লাবে গিয়ে দেখলাম একটা বিল্ডিং খুলে নিয়ে চলে গেছে উন্মত্ত জনতা। স্কুল-কলেজ শেষ করে পুনরায় ঢাকা আসলাম বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিপরীক্ষা দিতে, ধুপখোলা মাঠে, ততদিনে বোলিং একশন বদলেছে, পায়ে ঘষা লেগে লেগে বেশ কয়েকবার পা কাটবার পর আমি পপিং ক্রীজের আগেই লাফানো শুরু করেছি, পরে সেটাও বদলে ফেলেছি কোনো একভাবে।

ধুপখোলা মাঠে তখন ইস্টএন্ড ক্লাবের ফুটবল প্রাকটিস হয়, ক্লাবের সামনের জায়গাটাতে ক্রিকেট খেলতে বাধা নেই। শুধুমাত্র খেলার সুবাদেই অনেকের সাথে পরিচয় হলো, ওদের দুইজন পড়ে আইআরে, তিনজন ফাইন্যান্সে আর অন্যরা জগন্নাথ আর অন্যান্য কলেজে, আমি তখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হই নি।
ইস্ট এন্ড ক্লাবের মাঠে প্রতিদিন বিকেলে ক্রিকেট খেলা, শুক্রবার মহিলা সমিতির মাঠে, সেসব জায়গায় সুযোগ না পেলে আমাদের বন্ধুর উঠানে- ক্রিকেট খেলা হতোই।
স্থানীয় যাদের সাথে পরিচয় হলো তারা সবাই সেন্ট গ্রেগরীজ স্কুলের, ওদের ভেতরে বন্ধুত্বের টান ছিলো। প্রায় নিয়মিতই আড্ডা হতো। বৃষ্টির দিনে ফুটবল, বিকেলে ক্রিকেট এই নিয়ে চমৎকার একটা সময় পার করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিও হয়ে গেলাম। দিনাজপুর গিয়েই ফেরত আসতে হলো, ডিপার্টমেন্ট বদল করতে হবে, জিওলজি এন্ড মাইনিং থেকে ফিজিক্সে। ক্লাস শুরুর দিনও কাছে চলে আসলো, আসবার আগের দিন রাতে দিনাজপুরের একজন বন্ধু বললো "মামা, তুমি তো ঢাকায় চলে যাবা, এরপর কবে আসবা কোনো ঠিক নাই, তোমাকে একটা কথা বলি, আমাদের সাথে শেষবার ফিলিংস নিয়ে যাও।"

রাত ১১টায় গাঁজা টেনে চকলেট মুখে দিয়ে বুঝলাম ভীষণ ভুল হয়েছে, গলার কাছে বমি আটকে আছে, কোন মতে রিকশা ডেকে বাসায় গিয়ে শুয়ে পরলাম। রাত ৩টায় ঘর ভাসিয়ে বমি করে, সকাল বেলা দিনাজপুরের পালা সাঙ্গ করে চলে আসলাম গেন্ডারিয়া।

আই আরে তখন খেলোয়ার কোটায় পড়ছে লিটু, সৈকত, শিহাব। লিটু রাজশাহীর ছেলে, মোহামেডানে স্পীন বোলার, সৈকতও স্পীনার, শিহাব বিকেএসপির প্রথম দিকের ছাত্র- ওদের আশেপাশে বিকেএসপিতে ভর্তি হয়েছে নাহিদ। আমাদের ক্রিকেট খেলা হতো রোকনের উঠানে, ওদের পুরোনো ধাঁচের বাসার সামনে একচিলতে মাঠ, লম্বায় হয়তো ২০ গজের কম, উঠানের মাঝখানে একটা আম গাছ আর চারপাশে দেয়াল, সেই দেয়ালে স্ট্যাম্প লাগিয়ে আমাদের ৬ওভারের ক্রিকেট ম্যাচ।

তিতু খেলতো ইস্টএন্ড ক্লাবে, ওরা তখন সেকেন্ড ডিভিশনে খেলছে, ডিপার্টমেন্টের দলে সুযোগ পাওয়ার পর ফিজিক্স প্রথম বারের মতো সায়েন্স ফ্যাকাল্টিতে চ্যাম্পিয়ান হলো। আমাদের ফিজিক্সের দলে তখন বড় সোহেল ভাই, ছোটো সোহেল ভাই, শোয়েব ভাই, বড় সোহেল ভাই খেলে গুলশান ইয়ুথে, শোয়েব ভাইও তার সাথে। আর ছোটো সোহেল ভাই খেলতো গোপীবাগ বয়েজে। ফাইনালের আগেই সোহেল ভাই বললো তুমি গোপিবাগ বয়েজ টিমে খেলো, ওরা অনেক কিছুই কনসিডার করবে, সকালে প্রাক্টিক্যাল হলে প্রাকটিসে যেতে হবে, পরীক্ষার সময় খেলতে হবে না, এমন কি ক্লাশের তেমন ক্ষতি হবে না।

আশা ছিলো এভাবেই হয়তো গুলশান ইয়্যুথের ট্রেইনিং ক্যাম্পেও সুযোগ পাবো, কিন্তু সেটা হয়ে উঠে নি, গোপীবাগ বয়েজ টিমের হয়েও ফাস্ট ডিভিশনে খেলা হয় নি। তখন অবশ্য ভালো রেজাল্ট করতে হবে, কেস্টু-বিস্টু হয়ে উঠতে হবে এমন একটা ভাবনা ছিলো মাথায়। তবে এত কিছুর ভেতরেও ইস্ট এন্ড ক্লাবের মাঠে ক্রিকেট খেলা চলছিলো ভালোমতো। মাঝে মাঝে সেন্ট গ্রেগরীর মাঠে ওয়ারীর সাথে কোক বাজি, কখনও গোপীবাগের সাথে কোক বাজি, এভাবে খেলতে খেলতে ভালোই যাচ্ছিলো দিন।

শিহাব তখন নিয়মিত আড্ডায় আসতো, ভিক্টোরিয়ায় খেলতো ও, তবে প্রথম একাদশে নিয়মিত ছিলো না। ওকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সিলেক্ট করেছিলো এমআরএফ ফাউন্ডেশনে কোচিং এর জন্য- এমআরএফের তখনকার পেসবোলিং কোচ ছিলো ডেনিস লিলি। শিহাব ডেনিস লিলির কাছে পেস বোলিং শিখেছে এ বিষয়টা তখন অন্য রকম একটা অনুভুতি দিতো। শিহাবের সাথে কোচিং করেছিলো প্রাসাদ আর চামিন্ডা ভাস। ওরা পরবর্তীতে জাতীয় দলে খেলেছে, শিহাব খেলোয়ারী রাজনীতিতে কিংবা ইনজুরিতে জাতীয় দলে খেলতে পারে নি কখনও। ও একদিন গল্প শোনালো, ডেনিস লিলি বলের স্পটিং শেখাচ্ছে- দাগ দিয়ে দিয়ে, এখানে যদি বল করো বলটা এই হাইটে উঠবে, এখানে যদি বল করো তাহলে বলটা যাস্ট বেলসে গিয়ে লাগবে। যথারীতি ডেনিস লিলি গিয়ে বল করলো, বলটা অফ স্ট্যাম্পের বেলসে না লেগে একটু উপর দিয়ে চলে গেলো। ডেনিস লিলি বললো আজকে স্ট্যাম্পটা একটু বেশী ভিতরে লাগানো হয়েছে। তবে সে বয়েসেও পারফেকশন আর প্রিসিশন ঠিক ছিলো। স্ট্যাম্প ঠিকভাবে লাগানোর পর বলে বলে স্ট্যাম্পের নির্দিষ্ট জায়গায় বল লাগিয়েছে সে।

শিহাব খুব বেশী জোরে বল করতো না, ইনজুরিটা ভালোই ছিলো তখন, তবে অসাধারণ স্পটিং ছিলো ওর। কখনও ওর কাছে বোলিং টিপস নেই নি, কিন্তু ওর সাথে খেলা- আড্ডা সবই উপভোগ করেছি। এমন সময়ে একদিন ফাইন্যান্সের টিটু এসে বললো দোস্তো কলতা বাজারে একটা টুর্নামেন্ট হচ্ছে খেলতে হবে। কমিটির টিমের সাথে আমাদের খেলা। কলতা বাজারের টুর্নামেন্ট হলেও বিশাল বাইলজ, টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার আগেই খেলোয়ার তালিকা দিতে হবে, আমি প্রাথমিক তালিকায় ছিলাম না। আমি জিয়াকে রিপ্লেস করলাম। কলতাবাজারের আশেপাশে কোন এক মাঠে খেলা, পুরানো ঢাকার অলি-গলি রহস্যজনক, এই গলি সেই গলি ঘুরে যখন মাঠে পৌঁছালান তখন মাথায় হাত- কমিটির টিমে ব্রাদার্স ইউনিয়নের অনেকেই খেলছে। সজল তখন জাতীয় দলের অপেনিং বোলার, লম্বায় হয়তো ৫ ফুট ৫ ইঞ্চি হবে কিন্তু গাবরের মতো শক্তি। আমাদের ইনিংসে পটাপট উইকেট পরছে, নিতান্ত অনিচ্ছায় ব্যাটিং করতে গেলাম। সজল বল করছিলো, প্রথম বলটা কানের পাশ দিয়ে গোঁ করে গেলো। এর আগে শুনেছিলাম ম্যালকম মার্শালকে বলতো হুইসপারিং ডেথ, ওর বল না কি বাতাসে শব্দ তুলে যেতো, এইসব ফালতু কথা বিশ্বাস করি নি আগে, কিন্তু সজলের বল যখন কানের পাশে এমন আওয়াজ করে গেলো বুঝলাম লোকজন মিথ্যা বলে না।

অন্যপাশে যে ব্যাট করছিলো ও আমাদের বন্ধু ছিলো, গিয়ে বললাম দোস্তো বল তো কানের পাশ দিয়া গান গাইতে গাইতে যায়, এই জিনিষ খেলবো কিভাবে?
ও বললো তুমি তো টের পাওনা, তোমার বল ও আসলে এইভাবেই যায়, যে খেলে সে টের পায়। পেস বোলারদের আমি ভয় করি সব সময়ই, ব্যাকফুটে গিয়ে পয়েন্টের উপর দিয়ে তুলে দেওয়া কিংবা কাট শটের চেষ্টার বাইরে অন্য কোন শট আমি খেলতে পারি না, দুইবার বিট হয়ে, চোখ মুখ লাল করে, লজ্জা- ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে একটা বল কোন মতে ব্যাটে লাগলো, বলটা সোজা সীমানার দেয়ালে গিয়ে লাগলো। তবে আমাদের ইনিংসটা বেশ ভদ্রস্থ আকার পেলো সজলের বোলিং কোটা শেষ হওয়ার পর।

সে ম্যাচে আমরা জিতলাম, কিংবা বলা যায় দু:স্বপ্নের শুরু হলো। কমিটি এনকোয়ারি শুরু করেছে, আমি খেলোয়ারি কোটায় ছিলাম না, আমাকে বাইলজ ভেঙে খেলানো হয়েছে। খেলাটা সম্ভবত সেমিফাইনাল ছিলো, সুতরাং কমিটির রাগ আরও বেশী। একদিন রাতে পাকরাও করে নিয়ে গেলো আমাকে, তার আগে আমাকে জিয়ার সিগনেচার নকল করতে হলো বার বিশেক, জোচ্চোর হিসেবে তেমন দক্ষ আমি না, গিয়ে যথারীতি সাক্ষরও দিলাম। কমিটির লোকজন গম্ভীর মুখে বললো সিগনেচার মিলে নাই। আমি সিগনেচার দেখতে চাইলাম, ওখানে বাংলায় সাক্ষর করা, জিয়ার ইংরেজী সাক্ষর নকল করে কোন লাভ হলো না। আমি চলে আসলাম অক্ষত শরীরে। বন্ধুর টিমে খেলতে গিয়ে এমন নাজেহাল আগে কখনও হই নি।

নাকে-কানে ধরে সিদ্ধান্ত নিলাম আর কোনো টুর্নামেন্ট খেলবো না। তিতু এসে বললো একটা ম্যাচ আছে, খেলতে হবে। তখন পরীক্ষার প্রিপারেটরি লিভ, বসে বসে থার্মোডিনামিক্স, মেকানিক্সের চোথা মুখস্ত করার চেয়ে এক রাউন্ড ক্রিকেট খেলে আসা ভালো, তিতু খেলবে, আর তেমন কোনো ঝামেলা নাই, কমিটির লোকজন এসে হুমকি ধামকি দিবে না, এইসব নিশ্চিত হয়ে খেলতে গেলাম। একেবারে অপরিচিত একটা দলে নিতান্ত অনুরোধে খেলতে গেলাম, খেলা শেষ হলো, বাসায় আসবার পথে তিতু হাতে ২০০ টাকা দিয়ে বললো এইটা নিয়ে যা, কখনও টাকার জন্য খেলবা না, খেলবা আনন্দের জন্য- এই উপদেশটা দীর্ঘ দিন মেনে চলেছি, সুতরাং টাকা নিতে বেশ অসস্তি হচ্ছিলো, বিকেলে আড্ডায় সমুচা, প্যাটিস নিয়ে সে অসস্তি কাটিয়ে উঠলাম।

তখন বাংলাদেশ ক্রিকেটের স্বর্গযুগ চলছে মনে হয়, এখানে- সেখানে ক্রিকেট টুর্নামেন্ট হচ্ছে- একদিন সকালে ঘুম ভাঙলো স্থানীয় একজনের ডাকে, ওরা বেশ অনেক দিনই আমাদের সাথে প্রতি শুক্রবার ক্রিকেট খেলেছে, ওর দলের হয়ে একটা টুর্নামেন্টে খেলতে হবে। রাসেল ভাই যাইবেন, বোলিং করবেন আয়া পরবেন কোনো সমস্যা নাই।

আমি বন্ধুবিহীন, অপরিচিত কোনো দলেই খেলতে আগ্রহী না এটা ওদের বুঝানো কঠিন। বললাম ভাই আমার পরীক্ষা চলতেছে, খেলতে পারবো না।

ভাই লাগলে টাকা দিমু, খেলবেন আমার টিমের হয়ে।
ওর বড় ভাই স্থানীয় বিখ্যাত রংবাজ, ওর সাথে কোনো বাজে ব্যবহারও করা যাবে না, বললাম ভাই আমার পরীক্ষা আগামি কাল, আমি পরীক্ষার পড়া নিয়া ব্যস্ত, যদি ফ্রি থাকতাম তাহলে তোমার দলের হয়ে বিনা পয়সায় খেলতাম, আমি পয়সার জন্য ক্রিকেট খেলি না। পরে অবশ্য আরও কয়েকটা টুর্নামেন্টের দাওয়াত পেয়ে মনে হলো ওদের আনুষ্ঠানিক ভাবেই জানানো দরকার এইসব টুর্নামেন্ট থেকে আমি রিটায়ার করছি, এখন শুধু আমি বন্ধুদের সাথেই খেলবো, শুধু আনন্দের জন্য। এরপর ওরা আর কখনও কোনো টু্র্নামেন্ট খেলার দাওয়াত দেয় নি আমাকে।

পোস্টটি ১০ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


বেশ তো চলতাছিল,
লেখাটা হুট কইরা শেষ হইয়া গেল কেন?!

ভালই খেলতেন, প্রফেশনাল লেভেলে চেষ্টা করলেন না কেন?

রাসেল's picture


গুলশান ইয়্যুথ যদি প্রিমিয়ারে ডাকতো, খেলতে যেতাম।

খেলাটাকে আমার সময়ে সিরিয়াস নেওয়ার উপায় ছিলো না, আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশ চ্যাম্পিয়ান হয়ে বিশ্বকাপ খেলার যোগ্যতা যখন অর্জন করলো তখন আমার অনার্স ফাইনাল ইয়ার, সে সময়ে নতুন করে শুরু করার সুযোগ ছিলো না। ক্যাপ্টেনকে মুখের উপর না বলে পরবর্তীতে তার কাছে খেলার বায়না করে গোপীবাগের অফারটা পরবর্তীতে নেওয়ার উপায় ছিলো না।

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


Sad

রাসেল's picture


বাংলাদেশ আইসিসি চ্যাম্পিয়ান হওয়ার আগে ক্রিকেটারদের তেমন কোনো লক্ষ্য ছিলো না, আবাহনি-মোহামেডান-ব্রাদার্স- বিমান-ভিক্টোরিয়ার হয়ে প্রিমিয়ার খেলা, ক্ষ্যাপে দেশের বিভিন্ন জেলা শহরে যাওয়া, বছরে- দুই বছরে একবার এশিয়া কাপ খেলা- এইসব লক্ষ্য তেমন আকর্ষণীয় ছিলো না।

বাংলাদেশ বিশ্বকাপ খেলবে বিশ্বকাপ খেলবে একটা উত্তেজনা তৈরি হয়েছিলো ৯৪ এ আমেরিকার কাছে হেরে সম্ভবত বাংলাদেশের সে আশার সমাধি ঘটেছিলো। ১৯৯৭ এর আইসিসি ট্রফিতে বাংলাদেশের বিজয় ক্রিকেটারদের একটা লক্ষ্য দিয়েছিলো, আর ২০০১ এর টেস্ট স্ট্যাটাস- ওয়ান ডে স্ট্যাটাস বাংলাদেশে আমাদের পরবর্তী প্রজন্মের ক্রিকেটারদের একটা লক্ষ্য দিয়েছে।

প্রিমিয়ারে খেলার একটা লোভ ছিলো- আকরাম, নান্নু, বুলবুল, প্রিন্স এদের সাথে খেলার আগ্রহ ছিলো, গুলশান ইয়্যুথে খেললে সে স্বপ্ন পুরণ হতো।

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


আমাদের ক্রিকেট-ইতিহাসের বেশ গুরুত্বপূর্ণ একটা সময় ধরা পড়েছে আপনার লেখায়। ভাল লাগলো।

~

টুটুল's picture


অন্যপাশে যে ব্যাট করছিলো ও আমাদের বন্ধু ছিলো, গিয়ে বললাম দোস্তো বল তো কানের পাশ দিয়া গান গাইতে গাইতে যায়, এই জিনিষ খেলবো কিভাবে?
ও বললো তুমি তো টের পাওনা, তোমার বল ও আসলে এইভাবেই যায়, যে খেলে সে টের পায়।

Smile

গৌতম's picture


আপনি একজীবনে অনেক কিছু করেছেন। আরো করবেন। হিংসা লাগে আসলে।

বিষাক্ত মানুষ's picture


নির্মান ক্রিকেট কি তখন ছিলো?

রাসেল's picture


নির্মান স্কুল ক্রিকেট , ইয়ুথ ক্রিকেট দুইটাই ছিলো। আমি যখন দিনাজপুর জেলা স্কুলে টখন দিনাজপুর জেলা স্কুল নির্মাণ স্কুল চ্যাম্পিয়ান হইলো, মে বি জোনাল চ্যাম্পিয়ান, সে সময়ে সোহাগ ভাই আর সুমি দুজনে দিনাজপুরে সুপারস্টার, সোহাগ ভাই অবশ্য ভালো ছাত্রও ছিলো, রাজশাহী বোর্ড থেকে স্ট্যান্ড করলো সে বছরই, কিন্তু ক্রিকেটার হিসেবে তাদের নাম পরিচয় সবাই জানতো।

সুমি মনে হয় কিছুদিন প্রিমিয়ারে খেলছিলো, সোহাগ ভাই ফার্মেসী টিমে খেলেছে, দেখা হয়েছে জগন্নাথের মাঠে- এখন সম্ভবত দেশেও নাই।

১০

তানবীরা's picture


ভালো লাগলো পড়তে

১১

প্রিয়'s picture


ভালো লাগলো।

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.