ইউজার লগইন

বইমেলা সরগরম - ০৪

বাঙালীর জীবনে ষাট বছরের উর্ধ্বে বেঁচে থাকাই যেন একটা অভিশাপ। বাংলার আবহাওয়া-ভালো স্বাস্থ্য বহুদিন রক্ষার পক্ষে অনুপযোগী-তাই ষাটের উর্ধ্বে বাঙালীকে আমি চিরকালই দেশের উপর একটা বোঝা বলে মনে করেছি- আজো করি। ষাটের পরে আর বাঙালীর উৎপাদন শক্তি বা সৃষ্টিশীলতা থাকে না বলে আমার বিশ্বাস সে শুধু গিলিতচর্বন করে অতীতের মধ্যেই বেঁচে থাকতে চায়।
তাই আমি সাটের পরেই লিখছি অতীতের কথা।
কামরুদ্দীন আহমদ- বাংলার মধ্যবিত্তের আত্মবিকাশ।

কামরুদ্দীন আহমেদের বইটি লেখা শুরু হয়েছিলো ১৯৭১ সালে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর কারাগারে বন্দী অবস্থায়, সরদার ফজলুল করিম, আতাউর রহমান খাঁ এবং আরও অনেকেই জুলাই মাসের শেষের দিক গ্রেফতার হন, তারা কারাবন্দী ছিলেন এবং পাকিস্তানী সেনাবাহিনী আত্মসমর্পনের পরদিন ১৭ই ডিসেম্বর তারা সবাই মুক্তি পান। সম্ভবত পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের বিষয়টা নিয়ে এত মাতামাতি হয়েছে ১৬ই ডিসেম্বর পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পন, ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে তাদের বন্দীজীবন ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হওয়ার পর ঢাকা ক্যান্টনমেন্টে বন্দী সবাই মুক্তি পেয়েছেন পরের দিন সকালে।
আত্মজীবনীর প্রথম খন্ড কারাগারে লেখা হলেও দ্বিতীয় খন্ড তিনি লিখেছেন বাংলাদেশে এবং খুবই আশ্চর্য বিষয় বাঙালীর মধ্যবিত্তের আত্মবিকাশ বইটি ১৯৫৩ সালের সমসাময়িক সময়ে গিয়ে শেষ হয়েছে।

শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনি সমাপ্ত হয়েছে ১৯৫৪ শেষ এবং ১৯৫৫ এ শুরুর দিকের সময়সীমায়। নিখিল বঙ্গ মুসলীম ছাত্র লীগের প্রতিষ্ঠাতা, পূর্ব পাকিস্তান যুবলীগের প্রস্তুতি কমিটির সভাপতি এবং গণতন্ত্রী দলের প্রতিষ্ঠাতা মাহমুদ নূরুল হুদার আত্মজীবনিও খুব আশ্চর্য কারণে ঠিক এই সময়টাতেই সমাপ্ত হয়েছে। শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনিও লেখা হয়েছিলো তার কারাবাসের সময় তবে মাহমুদ নূরল হুদা ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসন জারি হওয়ার পর কারাবাস করলেও সে সময়ে তিনি এই আত্মজীবনি লিখেন নি, সম্ভবত তিনি ৬০ এর পরেআর রাজনীতি করবো না মুচলেকা দিয়ে মুক্তি পেয়েছিলেন কেন না এই সময়ের পর তার রাজনৈতিক কর্মকান্ড ছিলো না তেমন।

১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের বিজয় এবং মন্ত্রীসভা গঠনের সময়কালটাতেই কেনো তিন তিনটি আত্মজীবনি সমাপ্ত হলো প্রশ্নটা অমীমাংসিতই রয়ে গেলো। ঠিক এই সময়ের পর থেকে ধারাবাহিকভাবে ১৯৭১ পর্যন্ত বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিক্রমা লিখেছেন আতাউর রহমান, ওজারতির দুই বছর, স্বৈরাচারের দশ বছর এবং অবরুদ্ধ নয় মাস শিরোণামে। কিন্তু এই বইগুলোতে ১৯৫৪ পূর্ববর্তী ঘটনাগুলো অনুপস্থিত, তারা যে পরস্পরের সাথে আলোচনা করে এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এমনটা হওয়া প্রায় অসম্ভব।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের ৯ মাস বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটা সময়। ২৫শে মার্চের গণহত্যার সূচনা এবং ১৬ই ডিসেম্বরে পাকিস্তানী সেনাবাহিনীর আত্মসমর্পনের মধ্যবর্তী সময়ে অনেক ধরণের রাজনৈতিক টানাপোড়েন অব্যহত ছিলো বাংলাদেশের ভূখন্ডে, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দলগুলো মুক্তিযুদ্ধের নেতাদের শ্রেণীচরিত্র বিশ্লেষণের ব্যগ্রতায় এই দেশের সাধারণ মানুষের চাহিদার কথা ভুলে গিয়েছিলেন, সাধারণ মানুষের কামনার সাথে তাদের সামাজিক বিশ্লেষণের দুরত্ব বাংলাদেশের বাম আন্দোলনের ব্যর্থতার একটা অন্যতম কারণ। বিল্পবের জন্যে সমাজকে প্রস্তুত করতে হবে, শ্রমিক ও শ্রমজীবি মানুষকে সংগঠিত করতে হবে, তাদের ভেতরে চেতনা গড়ে তুলতে হবে পূঁথিগত বিশ্লেষণে এর বাইরে তেমন কোনো বিপ্লবের পথ তাদের জানা ছিলো না।

সাধারণ মানুষ ভাতের থালার দিকে তাকিয়ে অভাব আর বঞ্চনা উপলব্ধি করতে পারে, সাধারণ মানুষ শিক্ষায় অনগ্রসর হলেও বৈষম্য, বঞ্চনা আর অভাববোধের মতো মোটাদাগের অনুভবগুলো তাদের উপলব্ধিতে আসবে না জনসাধারণদের দু পাতা দ্বান্দ্বিক বস্তুবাদ পড়ে এতটা অজমুর্খ ভেবে নেওয়া উন্নাসিকতা এর একটা কারণ। সাধারণ মানুষ নিজের জীবন পরিবর্তন করতে চায়, সম্মান নিয়ে বাঁচতে চায় এবং তাদের আত্মসম্মানবোধ অপরাপর উচ্চশ্রেণীভুক্ত মানুষের চেয়ে কম নয়।
নির্মল সেন কিংবা তার মতো অপরাপর রাজনৈতিক সংগঠকেরা ১৯৭১ এর ৯ মাস যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে জনসাধারণকে রাজনৈতিক ভাবে সংগঠিত করতে চেয়েছেন, কিশোরগঞ্জ, ময়মনসিংহ এলাকায় সাধারণের ঘরে ঘরে গিয়ে এদের কেউ কেউ রাজনৈতিক সচেতনতা তৈরি করতে চেয়েছেন।
গণহত্যার সূচনার পরপরই বাংলাদেশের স্বাধীনতা লড়াই শুরু হয়েছে ধরে নিয়ে বদরুদ্দিন উমর বাংলাদেশের স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ের প্রেক্ষিতে বাম আন্দোলনের প্রেক্ষিত বিষয়ে ভাবনা শুরু করেছেন, সেভাবে এক ধরণের ভাবনা কাঠামো নির্মাণের চেষ্টাও করেছেন।
কিন্তু একদল বামপন্থী এই উটকো লড়াইটা মেনে নিতে পারে নি, গণসংহতি আন্দোলনের ফিরোজ আহমেদ সংহতি প্রকাশনীর প্রকাশনার দিকটা দেখেন, তার এক ধরণের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ আছে।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা আন্দোলনের সমসাময়িক সময়ে স্বাধীনতা যুদ্ধ বিষয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক, মতানৈক্য ছিলো, এক দল ধরেই নিয়েছিলো এটা দুই কুকুরের লড়াই, এক দল ধরে নিয়েছে এই মুক্তি সংগ্রামের ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশে ভারতের সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন শুরু হবে সুতরাং এই সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন যেকোনো মূল্যে প্রতিহত করতে হবে। ফ্যান্টাসী-ফ্যাক্ট গুলিয়ে ফেলা এক অদ্ভুত সময়ে বিভিন্ন ধরণের রাজনৈতিক বিতর্কের ভেতরেও আত্রাই অঞ্চলে প্রথম মুক্তিযুদ্ধ সংঘটিত হয় কম্যুনিস্ট পার্টির নেতৃত্বে, মতাদর্শিক বিরোধে বিভক্ত কম্যুনিস্ট পার্টির এক অংশের নেতা অহিদুর রহমান সেখানে মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, সে অঞ্চলে আরও কয়েকজন কম্যুনিস্ট নেতা মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছেন এবং একই সাথে মুক্তিযুদ্ধপরবর্তী সময়ের বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে সচেতন ভাবে ভেবেছেন। এদের মুক্তিযুদ্ধকালীন স্মৃতিচারণের সিরিজ প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েচে সংহতি। বেশ সাহসী এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। এই সিরিজের প্রথম দুটো বই এর দাম ১৭৫ এবং ১২৫ টাকা। সংহতির বইগুলোর ছাপা ভালো, প্রকাশে এক ধরণের যত্নের ছাপ আছে।

অনেক আগে কেউ একজন ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় জানিয়েছিলো ছাগুফাইট দিতে দিতে বাংলা ব্লগের স্বাধীনতার পক্ষের লেখকদের সৃষ্টিশীলতা ধ্বংস হয়ে গেছে। রাজনৈতিক বিশ্বাস, আদর্শ কিংবা আবেগের জায়গা থেকে কথাটা কতটুকু সত্য জানি না কিন্তু পিয়াল ভাইয়ের বইয়ের সামান্য সারাংশ জেনে মনে হচ্ছে বিষয়টা সত্য। পিয়াল ভাইয়ের দুটো বই আসছে বই মেলায়, জাগৃতি থেকে একটি আর অন্যটির প্রকাশক অজানা, মুক্তিবন্ধু শিরোণামের বইটি মূলত ১৯৭১ এ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বিদেশীদের গৌরবময় ভূমিকা কিংবা অংশগ্রহনের কথা বলা হয়েছে, তবে চিরপরিচিত ঘটনাগুলো সেখানে আসে নি। এসব তথ্য উদঘাটনের কৃতিত্ব পিয়াল ভাইকেই দিতে হবে, বিস্মৃতির আড়াল থেকে এসব ঘটনা তুলে এনে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক তথ্যপঞ্জীতে অন্তর্ভুক্ত করার পরিশ্রমটুকু তিনি করেছেন। তবে অন্য বইটির বিষয়বস্তু ছাগুফাইট, বিভিন্ন ধরণের অপপ্রচারের প্রত্যুত্তর দেওয়ার চেষ্টা করেছেন তিনি। ব্লগের বাইরে বিশাল একটা সমাজে এর অভিঘাত কতটুকু বলা কঠিন কিন্তু ভার্চুয়াল জীবনে আটকে থাকা পিয়াল ভাইয়ের জীবনের অন্যতম কাজ এটাই, ভার্চুয়াল জগতের বাবলের ভেতর থেকে বাংলাদেশ দেখা এক ধরণের বিড়ম্বনা।

মুক্তি মন্ডলের সাথে কথা হচ্ছিলো বই মেলায়, লিটলম্যাগ চত্ত্বরে, মূলত ক্ষুদ্রঋণ এবং এর সামাজিক প্রভাব নিয়ে গবেষণা করা আমাদের যৌথবন্ধুর বিষয়ে আলাপচারিতার একটা পর্যায়ে উত্তরাঞ্চলের মঙ্গাপীড়িত অঞ্চলের সাম্প্রতিক পরিস্থিতিতে কথাটা স্থিতু হলো। সাংবাদিকদের কলামে কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলের জীবনের কার্তিকের দুর্দশা বিভিন্ন ভাবে উঠে এসেছে, গত ১ দশক ধরে এই ক্রণিক দরিদ্র মানুষগুলোর জীবনযাপনের মাণোন্নুনের বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগের ফলশ্রুতিতে এখানে মঙ্গা অতীতের দুস্মৃতিতে পরিণত হয়েছে। অর্থনৈতিক পরিকল্পনার সচেতন বাস্তবায়ন বলা যেতে পারে, বলা যায় নিয়মতান্ত্রিক উদ্যোগে এ সাফল্য অর্জিত হয়েছে। এই অঞ্চলের মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা ও সুন্দর জীবনযাপনের অভ্যাস তৈরি হয়েছে। সরকারের রাশিরাশি অব্যবস্থপনা ও দুর্নীতির ভেতরেও গত ৪ বছরে মঙ্গাপীড়িত অঞ্চলে মঙ্গার পুনরাবৃত্তি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। সরকার অন্তত কয়েকলক্ষ মানুষের জীবনযাপনে এক ধরণের ধণাত্মক পরিবর্তন আনতে পেরেছে। এ সংক্রান্ত প্রবন্ধ ছাপা হয়েছে বিআইডিএসের সদ্যপ্রকাশিত জার্ণালে।

আজ অনেক দিন পর দেখা হলো আসিফের সাথে। ফেসবুকার এবং ব্লগারদের উদ্যোগে ডারউইন দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, সেই দিবস বিবর্তন বাদ বিষয়ে আলোচনা হবে। সেই উদযাপনের প্ররম্ভিক আলোচনায় অংশগ্রহন করতে এসেছিলো ও। মোটামুটি সুস্থ , তবে সম্ভবত গভীর আঘাতে ঘাড়ের স্নায়ু কিংবা টেন্ডনের কিছু অংশ কাটা পরেছে, ঘাড়ের একটা দিকে তেমন কোনো সাড়া পাচ্ছে না, ঘাড় নড়াতে পারছে না। এর বাইরে আঘাত সেরে উঠছে। যদিও এখনও আক্রমণকারীদের নাম ঠিকানা জানা সম্ভব হয় নি তাই আসলে কার কাছ থেকে ওকে সাবধান হতে বলবো জানা ছিলো না।

ভাবতে ভাবতে হাঁটছিলাম যাদুঘরের সামনের ফুটপাত দিয়ে, বিপ্লবের সবচেয়ে হাস্যকর করুণ দৃশ্যটা প্রায় নিয়মিতই এখানে দেখি। সারাজীবন পূঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মহান বিপ্লবী চে গুয়েভারা শেষ পর্যন্ত পূঁজিবাদী আইকনে পরিণত হয়েছে, একটা বিপ্লবের ব্রান্ড হয়ে ওঠায় তার চুরুটঠোঁটের চেহারার বাজার দর ভালো। টুপি-টিশার্ট, কাঁধে ঝোলানোর ঝোলা, খাতার কভার, সব কিছুতেই গুয়েভারার উপস্থিতি এখানে।

পোস্টটি ৯ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আসমা খান's picture


মনোযোগ দিতে হচ্ছে বক্তব্য, আলোচনারও দাবী রাখে এ লেখা।

লীনা দিলরুবা's picture


ফেসবুকের লিংক থেকে "চে গুয়েভারা"কে নিয়ে একটা ইয়ো ইয়ো লেখা পড়েছিলাম। রম্য লেখার উৎকৃষ্ট উদাহরণ ছিল সেটি। সে যাক।

আত্মজীবনীতে ইতিহাস খুঁজতে যাওয়ায় সমস্যা আছে। আপনিই এই সিরিজের একটিতে লিখেছেন কথাটা। সচেতন আত্মগোপন। ব্যক্তি মানুষের সচেতন আত্মগোপনে সমাজের কোনো ক্ষতি হয় না, কিন্তু ঘটনার হলুদ বিবরণে জাতির ক্ষতি হয়।

নির্মল সেন-এর আত্মজীবনীটা-"আমার জবানবন্দি" দীর্ঘ, কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। আতাউর রহমান খান-এর "ওজারতির দশ বছর", "স্বৈরাচারের দশ বছর" ছাড়াও সেই সময়ের কথা জানতে আবুল মনসুর আহমদ-এর "আত্মকথা"টা পড়তে পারেন। আত্মপ্রচারণা রয়েছে। কিন্তু সময়টা ধরা আছে ভালোই।

পিয়াল ভাই-এর বই বেরিয়ে গেছে? যোদ্ধা পিয়ালের বইতো পড়তেই হবে।

আরাফাত শান্ত's picture


সংহতির সিরিজটা আশা করতেছি কিনবো!
দারুন গরম বই মেলা সিরিজ!

বিষণ্ণ বাউন্ডুলে's picture


ভাবতে ভাবতে হাঁটছিলাম যাদুঘরের সামনের ফুটপাত দিয়ে, বিপ্লবের সবচেয়ে হাস্যকর করুণ দৃশ্যটা প্রায় নিয়মিতই এখানে দেখি। সারাজীবন পূঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মহান বিপ্লবী চে গুয়েভারা শেষ পর্যন্ত পূঁজিবাদী আইকনে পরিণত হয়েছে, একটা বিপ্লবের ব্রান্ড হয়ে ওঠায় তার চুরুটঠোঁটের চেহারার বাজার দর ভালো। টুপি-টিশার্ট, কাঁধে ঝোলানোর ঝোলা, খাতার কভার, সব কিছুতেই গুয়েভারার উপস্থিতি এখানে।

টিপ সই

তানবীরা's picture


সারাজীবন পূঁজিবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করা মহান বিপ্লবী চে গুয়েভারা শেষ পর্যন্ত পূঁজিবাদী আইকনে পরিণত হয়েছে, একটা বিপ্লবের ব্রান্ড হয়ে ওঠায় তার চুরুটঠোঁটের চেহারার বাজার দর ভালো। টুপি-টিশার্ট, কাঁধে ঝোলানোর ঝোলা, খাতার কভার, সব কিছুতেই গুয়েভারার উপস্থিতি এখানে।

এই হ্য় বিল্পবীদের নিয়তি

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রাসেল's picture

নিজের সম্পর্কে

আপাতত বলবার মতো কিছু নাই,