ইউজার লগইন

বিলবোর্ডের উন্নয়ন সম্প্রচার

আওয়ামী লীগের প্রচারণা বিলবোর্ড সবগুলো দেখেছি এমনটা বলবো না, আমার চলতি পথের দুইপাশে সামান্য যে কয়েকটা নজরে এসেছে সেগুলোর বিশ্রী লাল রঙ, কম রেজুলেশনের বিবর্ধিত ফেটে যাওয়া ছবিগুলোর পাশে অনেকগুলো সংখ্যা লেখা, যে সংখ্যাগুলো আওয়ামী লীগের সাফল্যসূচক।

শিক্ষাক্ষেত্রে উন্নয়ন, জিডিপিতে স্থিতিশীলতা , দারিদ্রবিমোচনে দক্ষতা এবং আরও অনেকগুলো সংখ্যাই সেখানে আছে, সংখ্যাগুলো চমৎকার কিন্তু যারা ভোক্তা- এইক্ষেত্রে সাধারণ জনগণ, যারা মাথাটা ১৫ ডিগ্রী উপরে উঠিয়ে বিশাল বিশাল বিলবোর্ডে বিশাল বিশাল সংখ্যা গোনা সাফল্য যাচাই করে, আওয়ামী লীগের আশা, পরবর্তী নির্বাচনে আওয়ামী লীগকেই ভোট দিয়ে দিবে, তাদের কাছে এই সংখ্যাগুলোর অর্থ অচেনা।

এই সংখ্যাগুলোর সাথে সাধারণ মানুষের জীবনযাপনের যোগাযোগ কোথায়? কিভাবে এই সংখ্যাগুলো তার জীবনযাপনে এক ধরণের উন্নয়ন বয়ে এনেছে? কেনো এই উন্নয়ন তার জীবনমানকে কাঙ্খিত জায়গায় পৌঁছে দিতে পারে, এসব প্রশ্নের উত্তর সেখানে নেই। ১৮ ফুট বাই ৩০ ফুট ক্যানভাসের লাল রঙএর পোস্টারের কোণে লেপ্টে থাকা সংখ্যাগুলো কেনো সাধারণ মানুষকে স্পর্শ্ব করবে?

প্রচারণার সাধারণ শর্ত সেটা স্পষ্ট, পরিশীলিত এবং যথাযথ হতে হবে, যতটা সম্ভব সংক্ষেপে সাধারণ মানুষের কাছে বক্তব্য স্পষ্ট করে তুলতে পারবে। এখানে বক্তব্যের অস্পষ্টতা সীমানা দখল করে মানুষের ভেতরে বিরক্তি উৎপাদন করেছে এবং তার প্রতিক্রিয়া আমরা গণমাধ্যমে দেখলাম।

আমি জানি না আন্তর্জাতিক আদালতে মামলায় জিতে সমুদ্র বিজয়ের সংবাদ কোনো বিলবোর্ডে উপস্থাপিত হয়েছে কি না, হওয়াটা অতিসম্ভব। এই সাগরকন্যার কয়েক হাজার বর্গ কিলমিটার সমুদ্র জয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে কি পরিবর্তন আসবে? বাসা ভাড়া বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ নৌকা চেপে তো সেখানে বসবাস শুরু করতে পারবে না, জমির অভাব হলে সেখানে নৌকা সাজিয়ে চাষাবাদও করতে পারবে না, সাগরের অনেক নীচে হয়তো গ্যাস পাওয়া যেতে পারে কিন্তু সেই গ্যাসেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ভার লাঘব হবে না। এখানে সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি কি? সাধারণ মানুষ নিজের দৈনন্দিন অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেই ভোট কেন্দ্রে যাবে ভোট দিতে, সাগর জয়ে সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির কোনো সংযোগ না থাকলে সেটা ভোটের হিসেবে অর্থহীন কয়েকটা সংখ্যা।

একই ভাবে জিডিপি, পাশের হার অর্থহীন কিছু সংখ্যা মাত্র, দৈনন্দিন জীবনে সাধারণ মানুষের উপরে এসব সংখ্যার কোনো স্পষ্ট প্রভাব নেই। সাধারণ মানুষকে আক্রান্ত করে দ্রব্যমূল্য, আক্রান্ত করে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর দক্ষতা - অদক্ষতা ও প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকান্ডে তারা সরাসরি অংশগ্রহন করে, প্রত্যক্ষ্ কিংবা পরোক্ষ ভাবে এসব তাদের দৈনন্দিন জীবনকে ছুঁয়ে থাকে। সেখানে সরকারের সাফল্য কোথায়? সেটা কিভাবে এই সংখ্যাগুলো থেকে খুঁড়ে আনা সম্ভব?

সরকার একেবারে ব্যর্থ তা বলা যাবে না। বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিমাণ বেড়েছে, বিদ্যুতের চাহিদার সাথে বৃদ্ধি তাল মেলাতে নিশ্চিত ব্যর্থ হয়েছে নইলে লোড শেডিং হতো না বাংলাদেশে। ব্যক্তিমালিকানাধীন শিল্পকারখানাগুলোর অর্ধেক নিজস্ব জেনারেটরে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে যেনো উৎপাদনের ধারাবাহিকতা ও যোগান নিরবিচ্ছিন্ন রাখা সম্ভব হয়। কুইক রেন্টালের নামে সরকারী অর্থ তছরুপ আর লুটপাটের বাস্তবতার পরেও এটা উল্লেখযোগ্য একটা অর্জন।

প্রায় ১ কোটি শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন অংকের উপবৃত্তি দেওয়া হচ্ছে, ফলে শিক্ষিত জনগোষ্ঠী বাড়ছে, হেফাজতের হুংকারের নারী শিক্ষার প্রতিবন্ধকতা তৈরি করতে পারে এমন সম্ভবনা স্পষ্ট হলেও হেফাজতের কাছে নতজানু সরকার নারী শিক্ষার ব্যপারে তার অবস্থান স্পষ্ট করতে পারে নি। কিন্তু এটা প্রাতিষ্ঠানিক প্রথাগত সিদ্ধান্ত হলেও সরকারী বিজ্ঞাপনে উল্লেখযোগ্য অর্জন হিসেবে বিবেচিত হতে পারে। সরকার বিরোধী দলকে হেফাজত সংশ্লিষ্ঠতার দায়ে অভিযুক্ত করেছে, এক ধরণের ঋণাত্মক প্রচারণা তৈরি করছে, বিএনপি-হেফাজত সংযুক্তি তুলে ধরে সাধারণ মানুষের ভেতরে ভীতি উৎপাদন করতে চাইছে, কিন্তু একই সাথে নিজেদের ভুল পদক্ষেপ বিবেচনায় আনছে না। তারাই সসম্মানে হরজত শফি সাহেবকে চট্টগ্রামে পাঠিয়েছেন, তার সাথে আলোচনা করার জন্যে চট্টগ্রাম গিয়েছেন হাছান মাহমুদ। হেফাজতের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা আওয়ামী লীগের উচ্চপর্যায়ের নেতাদের নাম-তালিকা বিরোধী দলের কাছে আছে, ঋণাত্মক প্রচারণার সময় তাদের এ বিষয়টাও ভাবনায় রাখতে হবে।

গত ৪ বছরে উল্লেখযোগ্য হারে সরকারী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় তাদের কার্যক্রম শুরু করেছে। আগামী কয়েক বছরের ভেতরে সেসব বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকেরা বাংলাদেশের চাকুরি বাজারে প্রবেশ করবে। সরকারের অর্থনৈতিক পরিকল্পনার বিস্তৃতি কি এইসব স্নাতকদের সরাসরি গ্রহন করতে পারবে? বাংলাদেশের সরকারী কর্মকর্তাদের ভেতরে শতকরা ৫৫% ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক, গত ৪০ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একমাত্র যোগ্যতা তারা সরকারী কর্মকর্তা উৎপাদন করছে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরাও সরসারি প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণীর সরকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিযুক্ত হচ্ছেন, কিন্তু বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রভাব সরকারী চাকুরিতে কি রকম? তাদের শতকরা উপস্থিতির পরিমাণ দেশের সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার দুর্বলতা প্রকট করে তুলছে। পরিস্থিতি হয়তো বদলাবে। সরকারী কর্মসৃজন প্রক্রিয়ায় এইসব সনদপ্রাপ্ত হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের বিষয়টা আমলে আনা হবে। তবে বর্তমানের বাস্তবতায় হতাশ কর্মহীন গ্রাজুয়েট তৈরির পরিমাণ চাকুরীজীবী গ্রাজুয়েটদের তুলনায় বেশী। আমাদের অর্থনৈতিক ক্ষেত্র এইসব স্নাতকদের উপযুক্ত কাজ তৈরি করতে ব্যর্থ।

গত কয়েক বছরে দ্রব্যমূল্য স্থিতিশীল ছিলো, বিভিন্ন সময়ে সাজানো দাম বাড়ানোর নাটক বাদ দিলে চাল, ডাল, তেলের দাম সরকার মোটামুটি স্থিতিশীল রেখেছে, এটা সরকারের একটা বড় অর্জন।

যে অর্জনটার প্রভাব দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশা করেছিলাম, সরকার তার সেই সাফল্যকে কাজে পরিণত করতে ব্যর্থ হলো। আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে জমি লীজ নিয়ে সেখানে শস্য উৎপাদনের একটা নীতিগত সমঝোতা চুক্তি সাক্ষর হয়েছিলো। সরকার যথাযত উদ্যোগ নিয়ে দেশের বড় একটা ইচ্ছুক, পরিশ্রমী ভুমিহীন কৃষক ও ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের সেখানে পাঠাতে পারতো নিজের গরজে, যা দেশের আর্থসামাজিক পরিবেশকে আরও উন্নত করে তুলতে পারতো। ৪ বছর অপেক্ষার পরও সরকার এক্ষেত্রে তেমন কোনো পদক্ষেপ নিলো না।

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ঘটে নি, আভ্যন্তরীণ সংঘাত, চাঁডাবাজী, টেন্ডারবাজী, সহিংসতায় সাধারণ মানুষের সামনে ক্ষমতাসীন সলের কর্মীদের প্রতি এক ধরণের বিরুপ মনোভাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকার কিংবা বিচার বিভাগের সামান্য যে কয়জনের উপরে সরকারের সরাসরি প্রভাব বিদ্যমান, তারা ন্যায়বিচারের প্রত্যাশাকে ব্যর্থ করে দিচ্ছেন। অপরাধী ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কর্মীদের হত্যার অপরাধে জামিন দিলেও মতপ্রকাশের স্বাধীনতাকে কঠোর হস্তে দমন করছেন।
প্রশাসনিক সাফল্যের ক্ষেত্রগুলোর ভেতরে কৃষি মন্ত্রনালয়কে দক্ষভাবে পরিচালনার জন্যে মতিয়া চৌধুরীকে অভিনন্দন দিতে হবে। গত ৪ বছরে ধারাবাহিক ভাবে সাফল্যের সাথে নিজের দায়িত্ব পালন করছেন মতিয়া চৌধুরী।

আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিবেদন আমরা কখনও পাই না। থানাওয়ারী অপরাধের অভিযোগ লিপিবদ্ধ করা হচ্ছে, চাইলেই প্রতি মাসের অভিযোগের তালিকাটা তৈরি করা যায়। হত্যা, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই, চাঁদাবাজীর পরিমাণ সেই অভিযোগ থেকে নির্ধারণ করা যায়। জেলাওয়ারী পরিসংখ্যান বিবেচনায় এনে যদি দেখা যায় ধারাবাহিক ভাবে অপরাধ লিপিবদ্ধ হওয়ার পরিমাণ হ্রাস পেয়েছে তাহলে বাৎসরিক প্রতিবেদনের তথ্য তুলে বলা যায় আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। গণমাধ্যম যদি সমাজের আয়না হয় তাহলে বলতে হবে গণমাধ্যমে উপস্থাপিত অপরাধগুলোর তালিকা থেকে বলা যায় অপরাধের ভয়াবহতা ও বিস্তার বিন্দুমাত্র হ্রাস পায় নি, বরং গত ৪ বছরে অপরাধের পরিমাণ বেড়েছে। একই সাথে বেড়েছে রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধ সংগঠনের সংখ্যা। এইসব অপরাধী রাজনৈতিক কর্মীদের বিচারের আওতায় নিয়ে আশা হয় নি, যাদের বিরুদ্ধে গণ মাধ্যমের চাপে অপরাধের তদন্ত প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে, সেখানেও এক ধরণের স্বেচ্ছাকৃত শৈথিল্য নজরে আসে। এভাবেই নিজের দলের কর্মী অপরাধীদের নিরাপত্তা ও পৃষ্টপোষকতার কাজটা করে ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দল এবং এই অপরাধীতোষণ মানসিকতায় তারা পরবর্তী নির্বাচনে পরাজিত হয়।

বিরুদ্ধ মত দমন এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণের নতুণ মাত্রা তৈরি করেছে বর্তমান সরকার। ইন্টারনেটে মতপ্রকাশের অভিযোগে একজনকে ৭ বছরের কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে, ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় এই অভিযোগ বিচারযোগ্যও বিবেচিত হতো না, সরাসরি হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে অনুমাণ করা হয়েছে সেখানে কিন্তু এটাকে ইউরোপ কিংবা আমেরিকায় ব্যক্তিগত হতাশার প্রকাশ এবং অনাকাঙ্খিত অস্থিরতা হিসেবেই দেখা হতো। হয়তো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে কিছুটা ভর্ৎসনা করে আদালতের চৌকাঠ থেকে ফেরত পাঠানো হতো। অপর একজনের বিরুদ্ধে এমন মামলা চলমান, আদালত অবমাননার দায়ে তার ৬ মাসের কারাদন্ড হয়েছে। সে ব্যক্তিও ব্যক্তিগত আক্ষেপ প্রকাশ করেছিলেন । অপরাধের হুমকির ক্ষেত্রে অপরাধী এবং আক্রান্তের ভেতরে সরাসরি পরিচয় থাকা এবং হুমকিকেক আজে পরিণত করার সম্ভবনাগুলো যাচাই বাছাই করা হয়। আক্ষেপ কিংবা হতাশা প্রকাশ করা স্বগতোক্তি সেখানে অপরাধ বিবেচিত হয় না। তবে সরকারী চামচা মানুষদের অত্যুৎসাহ এসব নিরীহ বক্তব্যকে ভীষণ অপরাধ হিসেবে নির্দিষ্ট করেছে।

মত প্রকাশের স্বাধীনতার গ্রহনযোগ্য সীমাটা অতিক্রম করে এই সরকারী হস্তক্ষেপ কিংবা সরকারকে খুশী করতে নেওয়া বিচারবিভাগীয় উদ্যোগ সাধারণ মানুষের ভোগাতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। হয়রানিমূলক এসব আচরণ পরিহার করে সাধারণ মানুষের ভেতরে নিরাপত্তাবোধ বাড়িয়ে তোলা এবং নিজ দলের অপরাধীদের বিচারের আওতায় নিয়ে এসে দ্রুত তাদের শাস্তি নিশ্চিত করার মাধ্যমে সরকারের পরবর্তী নির্বাচনে সাফল্যের সম্ভবনা বাড়বে। এইসব কয়েক হাজার বর্গফুট লাল রঙ এ রাঙিয়ে অদক্ষ প্রচারণায় সেটা সম্ভব হবে না।

পোস্টটি ১৫ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


উন্নয়ন যখন কার্যত দৃশ্যমান না, তখন প্রোপাগান্ডা ভরা বিলবোর্ডেই সরকারের ভরসা!

টোকাই's picture


আমি জানি না আন্তর্জাতিক আদালতে মামলায় জিতে সমুদ্র বিজয়ের সংবাদ কোনো বিলবোর্ডে উপস্থাপিত হয়েছে কি না, হওয়াটা অতিসম্ভব। এই সাগরকন্যার কয়েক হাজার বর্গ কিলমিটার সমুদ্র জয়ে সাধারণ মানুষের জীবনে কি পরিবর্তন আসবে? বাসা ভাড়া বেড়ে গেলে সাধারণ মানুষ নৌকা চেপে তো সেখানে বসবাস শুরু করতে পারবে না, জমির অভাব হলে সেখানে নৌকা সাজিয়ে চাষাবাদও করতে পারবে না, সাগরের অনেক নীচে হয়তো গ্যাস পাওয়া যেতে পারে কিন্তু সেই গ্যাসেও সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনের ভার লাঘব হবে না। এখানে সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি কি? সাধারণ মানুষ নিজের দৈনন্দিন অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেই ভোট কেন্দ্রে যাবে ভোট দিতে, সাগর জয়ে সাধারণ মানুষের প্রাপ্তি অপ্রাপ্তির কোনো সংযোগ না থাকলে সেটা ভোটের হিসেবে অর্থহীন কয়েকটা সংখ্যা।

শওকত মাসুম's picture


সমস্যা হচ্ছে বিলবোর্ড দখলের দায় বা কৃতিত্ব কেউ নিচ্ছে না। আর একটা সরকার কখনো পুরোপুরি ব্যর্থ হতে পারে না। তাছাড়া অনেক সাফল্যের কৃতিত্ব কিন্তু সরকারের ধারাবাহিকতার কারণ, কারো একার না।

রাসেল's picture


মাসুম ভাই ভেঙে যাওয়ার আগে শুকনো ডালগুলোকে অনেক শক্ত মনে হয়।
আমাদের পরিস্থিতি প্রতিদিন খারাপ হচ্ছে। ব্যবস্থাপনায় গুরুতর পরিবর্তন না আনলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। দুই মহিলার চুলাচুলির পরে দুই আবালের কুস্তি এই হলো আমাদের বাস্তবতা।

স্বপ্নের ফেরীওয়ালা's picture


হুম্মম... মাঝখানে বেচারা বিলবোর্ডের নাম পাল্টাইয়া দুষ্টু পোলাপাইন বালবোর্ড ডাকছে...

~

তানবীরা's picture


কি হবে সামনে কে জানে Sad(

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.