ইউজার লগইন

মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা ৩য় পর্ব

বাংলাদেশে মাদ্রাসা সম্প্রসারণের হার বাড়ছে। এমপিওভুক্তির তুলনা করলে দেখা যাবে প্রতিবছর যে পরিমাণ মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হচ্ছে অন্যান্য পাবলিক স্কুলের এমপিওভুক্তির পরিমাণ তার তুলনায় নগন্য। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর বেশ অনেকদিন পর অনেকগুলো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে কিন্তু প্রতিবছরই কোনো না কোনো মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত হয়। এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে স্থানীয় প্রশাসন এবং ক্ষমতাসীন ব্যক্তিদের সুপারিশ গুরুত্বপূর্ণ এবং একটি পাবলিক স্কুল নির্মানের বদলে স্থানীয় ধনাঢ্য ব্যক্তিরা মাদ্রাসা নির্মাণ এবং মাদ্রাসা অর্থায়নে আগ্রহী। এই নবগঠিত আলীয়া মাদ্রাসাগুলো দ্রুতই এমপিওভুক্ত হয়। এই বাস্তবতায় বাংলাদেশের মাদ্রাসা সম্প্রসারণের ঘটনাকে "রাষ্ট্রের অর্থায়নে জঙ্গীবাদ সম্প্রসারণ উদ্যোগ" না কি রাষ্ট্রের অনীহায় বর্ধিত শিক্ষার্থীদের বিকল্প হিসেবে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বেছে নেওয়ার বাধ্যবাধকতা হিসেবে চিহ্নিত করা হবে।

গত এক দশকে ধর্মীয় গোঁড়ামি বৃদ্ধি পেয়েছে, ধর্মপরিচয়ের গুরুত্ব বেড়েছে, মানুষ অপরাপর পরিচয়ের সাথে সাথে নিজের ধর্মীয় পরিচয়কেও গুরুত্ব দিচ্ছে এবং একই সাথে ধর্মাচারণের ভিত্তিতে অপরাপর মানুষকে যাচাই করার প্রবনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিচ্ছিন্ন ভাবে ধর্ম পরিচয়কে ধারণ করে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড বৃদ্ধি পেয়েছে এবং মোটা দাগে ধর্মীয় কারণে সাধারণ মানুষকে হেনস্তা করার প্রবনতা বেড়েছে। সমাজের ভেতরে অস্পষ্ট হলেও ধর্ম একটা গভীর বিভাজন রেখা তৈরি করছে এবং রাষ্ট্র নির্বিকার ভাবে এই অব্যহত অসহিষ্ণুতাকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতা দিচ্ছে।

শিক্ষা নীতিতে মাদ্রাসা শিক্ষা পাঠ্যক্রম সংশোধনের সুপারিশগুলো অবাস্তবায়িত। প্রাথমিক পর্যায়ের পরে এসএসসি সমমানের দাখিল পরীক্ষায় একজন শিক্ষার্থী ১০০ নম্বরের বাংলা পরীক্ষা এবং ১০০ নম্বরের ইংরেজী পরীক্ষা দেয়। এইচএসসি সমমানের আলীম পরীক্ষায় শুধুমাত্র বিজ্ঞান বিভাগের ছাত্রেরা ২০০ নম্বরের পদার্থবিজ্ঞান এবং ২০০ নম্বরের রসায়ন বিষয়ের পরীক্ষা দেয়, এসএসসি কিংবা এইচএসসি সমমানের সনদ পরীক্ষায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের গণিত বিষয় অধ্যায়ন না করলেও চলে। সরকার নিয়ন্ত্রিত এইসব মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা আলীম পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর কোনো প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সাধারণ যোগ্যতাও তাদের নেই। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যোগ্যতা যেহেতু আলাদা তাই হয়তো কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা দেওয়ার সুযোগ এইসব শিক্ষার্থীরা পায় কিন্তু বিজ্ঞান বিষয়ে ভর্তির ন্যুনতম যোগ্যতা মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনস্ত কলেজের শিক্ষার্থীরা পাঠ্যক্রমের কারণেই অর্জন করতে পারে না।

ক্বাওমী মাদ্রাসার ক্ষেত্রে পরিস্থিতি সম্পূর্ণই আলাদা, এই মাদ্রাসাগুলোর সনদের সরকারী স্বীকৃতি নেই, পৃথক ১০টি আলাদা বোর্ড আছে যারা উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের সনদ প্রদান করে এবং তাদের ভেতরে পাঠ্যক্রম, শিক্ষার্থী মূল্যায়ন এবং শিক্ষা পর্ব বিভাজনে ভিন্নতা আছে। সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থায় একজন ছাত্র ১২ শিক্ষা বর্ষ অতিক্রম করে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে পড়ার যোগ্যতা অর্জন করে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির ৪ শিক্ষা বর্ষ পড়ে স্নাতক কিংবা স্নাতোকোত্তর সনদ লাভ করে, মাদ্রাসা ব্যবস্থায় এমন বিভাজনের উপস্থিতি থাকলেও ক্বাওমী মাদ্রাসায় চুড়ান্ত কিংবা স্নাতক ও স্নাতকোত্তর সনদ প্রদানের নির্দিষ্ট কোনো বয়স সীমা নেই।এইসব সনদ প্রাপ্তির সক্ষমতা শিক্ষকের মর্জির উপরে নির্ভর করে ।

সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থার লক্ষ্য দেশের আমলাতন্ত্র এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের জন্যে কর্মী-কর্মচারী সরবরাহ করা। উপমহাদেশে মাদ্রাসাগুলো দীর্ঘ ৬০০ বছর যে দায়িত্ব পালন করেছিলো,ইংরেজ উপনিবেশে পরিনত হওয়ার পর সাধারণ বিদ্যালয় ও উচ্চবিদ্যালয়গুলো সে দায়িত্ব পালন করছে। আমাদের সাধারণ শিক্ষা ব্যবস্থা ঔপনিবেশের উত্তরাধিকার। আমাদের শাসন কাঠামো, প্রশাসনিক কাঠামো কোথাও তেমন পরিবর্তন আসে নি। তেমন ভাবেই এই প্রশাসনিক কাঠামোর প্রয়োজনীয় জনবলের যোগান দেওয়ার প্রক্রিয়াতেও তেমন গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন আসে নি। স্কুল-কলেজের ধর্ম শিক্ষকের চাহিদা পুরণের বাইরে বিপুলায়তন মাদ্রাসাগুলো প্রথাগত কোন চাকুরির যোগ্যতা অর্জনে সহযোগিতা করছে? এই প্রশ্নের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন - যদি মাদ্রাসা শিক্ষিত জনবলের তেমন প্রয়োজনীয়তা না থাকে তবে কেনো প্রতি বছর রাষ্ট্র মাদ্রাসা শিক্ষায় অনুদানের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে।

দেশে একটি আলীয়া মাদ্রাসার বিপরীতে অন্তত ৩ থেকে ৪টি ক্বাওমী মাদ্রাসা বিদ্যমান। ব্যক্তিগত ও সামাজিক অর্থায়নে পরিচালিত এই বিপূল সংখ্যক ক্বাওমী মাদ্রাসা রাষ্ট্রের প্রশাসনিক প্রয়োজন পূরণ করে না কিন্তু তারপরও বার্ষিক ৩ থেকে ৫% শতাংশ হারে এইসব মাদ্রাসার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। রাষ্ট্র এবং সাধারণ মানুষ নিজের পরলৌকিক প্রয়োজন পুরণে এই বিপূল সংখ্যক মাদ্রাসা পৃষ্টপোষকতা করছে?

আমাদের উদ্ভট শিক্ষা ব্যবস্থায় বিপূল সংখ্যক শিশুদের আত্তীকরণের জন্যে প্রয়োজনীয় সরকারী প্রাথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুল তৈরি হচ্ছে না, বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থার অস্তিত্ব থাকলেও শিক্ষার্থীদের চাহিদা অনুপাতে উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের বৃত্তিমূলক শিক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হচ্ছে না। অথচ মসজিদের সংখ্যা বাড়ছে এবং প্রতি সপ্তাহের শুক্রবারে মসজিদগুলোর উপচে পরা মুসুল্লির স্রোতে গলিপথ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। রাষ্ট্র মাদ্রাসাগুলোতে অর্থায়নের পরিমাণ বৃদ্ধি করছে এবং এই মাধ্যমে শিক্ষিত শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত কর্মজীবনের তেমন নিশ্চয়তা রাষ্ট্র দিতে পারছে না। রাষ্ট্রের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে এই মাধ্যমের শিক্ষিত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার সমন্বিত উদ্যোগ নেই।
অর্থনৈতিক উপযোগিতা না থাকলেও দেশের এক তৃতীয়াংশ মানুষ মাদ্রাসাশিক্ষায় শিক্ষিত হচ্ছে। কেনো তারা মাদ্রাসা শিক্ষাকে গুরুত্ব দিচ্ছে তার একটা ব্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে Nitya Rao, Munshi Israil Hossain এর Confronting poverty and educational inequalities: Madrasas as a strategy for contesting dominant literacy in rural Bangladesh শীর্ষক প্রবন্ধে। তারা বলেছেন সরকারী কর্মসৃজন প্রক্রিয়ায় মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের তেমন অন্তর্ভুক্তি না থাকলেও মাদ্রাসা শিক্ষার সামাজিক গুরুত্ব রয়েছে। মাদ্রাসা শিক্ষায় শিক্ষিত একজন ব্যক্তির সামাজিক গ্রহনযোগ্যতা এবং সামাজিক ক্ষমতা চর্চার সুযোগ বেশী। সরকার স্বীকৃত মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থার তুলনায় ক্বাওমী মাদ্রাসায় শিক্ষিত ব্যক্তিদের সামাজিক ক্ষমতা চর্চার সুযোগ বেশী কেন না এইসব মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মূলত মসজিদের ইমামতির দায়িত্ব গ্রহন করে। ক্বাওমী মাদ্রাসায় পাশ করা শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যত কর্মজীবন ক্বাওমী মাদ্রাসায় শিক্ষকতার দায়িত্ব গ্রহন কিংবা মসজিদের ইমাম হিসেবে সামাজিক নেতৃত্ব গ্রহন। অর্থনৈতিক বিবেচনায়( বেতন এবং অন্যান্য প্রাতিষ্ঠানিক সুবিধা) এসব চাকুরি খুব বেশী লাভজনক নয় কিন্তু সামাজিক মর্যাদার দিক থেকে অপরাপর চাকুরি থেকে এইসব চাকুরি অধিক মর্যাদাপূর্ণ। রাষ্ট্রের সরাসরি নিয়ন্ত্রনে নেই এমন অর্থনৈতিক ক্ষেত্রের বিস্তৃতি এবং বেসরকারী খাতে চাকুরির সুযোগ বেড়েছে এবং যেহেতু দীর্ঘদিন ক্বাওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা কায়ে-ক্লেশে জীবন ধারণ করে অভ্যস্ত সুতরাং তাদের পার্থিব চাহিদা কম। তারা অনেক বেশী অপমান অবমাননা সহ্য করতে পারে, ফলে বেসরকারি অবপানজনক পদে দীর্ঘ দিন অল্প বেতনে চাকুরি করতে তাদের তেমন সমস্যা হয় না।

অধিকাংশ আলিয়া মাদ্রাসাই সরকারী অনুদানে পরিচালিত হয়, অর্থ্যাৎ এইসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিটি শিক্ষকের বেতন সরকারী খাত থেকে আসে, এর বাইরে নিয়মিত ব্যক্তিগত অনুদানে এবং স্কুলের নিজস্ব অর্থনৈতিক উদ্যোগ থেকে স্কুলের যাবতীয় ব্যয় নির্বাহ করা হয়। Political Economy of Madrasa Education in Bangladesh Genesis, Growth and Impact. গ্রন্থে Abul Barkat, Rowshan Ara এবং অন্যান্যরা ১২১টি মাদ্রাসার(৬০টি আলীয়া এবং ৬১টি ক্বাওমী মাদ্রাসা) বার্ষিক খরচের তুলনা করে দেখিয়েছেন একটি আলীয়া মাদ্রাসায় ব্যক্তিগত ও সামাজিক অনুদান, সরকারী অনুদান খাত থেকে প্রতি শিক্ষার্থীর পেছনে বাৎসরিক ৩৮২৭ টাকা ব্যয় হয় অন্য দিকে মূলত সামাজিক অনুদানে পরিচালিত ক্বাওমী মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের পেছনে মাথাপিছু ৫৮৩৩ টাকা ব্যয় হয়। আলীয়া মাদ্রাসার ক্ষেত্রে মোট খরচের ৮২ শতাংশই শিক্ষক এবং অন্যান্য কর্মচারীদের বেতন ভাতায় ব্যয় হয় অন্য দিকে ক্বাওমী মাদ্রাসায় মোট খরচের ২৭ শতাংশ ব্যয় হয় শিক্ষক ও কর্মচারীদের বেতন ভাতায় এবং ৩৬% ব্যয় হয় শিক্ষার্থীদের খাদ্য, বস্ত্র এবং আবাসনের মৌলিক চাহিদা পুরণে। আলীয়া মাদ্রাসায় একজন সহকারী শিক্ষক মাসিক ৫ হাজার টাকা বেতন পেলেও ক্বাওমী মাদ্রাসায় একজন সহকারী শিক্ষকের বেতন ২৬০০ টাকা। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রেই আলীয়া মাদ্রাসার শিক্ষক কর্মচারী ক্বাওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ও কর্মচারীর তুলনায় দ্বিগুণের বেশী বেতন পান।

আলীয়া মাদ্রাসাগুলো অনাবাসিক এবং শিক্ষার্থীদের অন্ন-বস্ত্র চাহিদা পুরণের দায়িত্ব আলীয়া মাদ্রাসা কতৃপক্ষ গ্রহন করেন না অন্য দিকে অধিকাংশ ক্বাওমী মাদ্রাসাই আবাসিক। এখানে ভর্তি হওয়া একজন শিক্ষার্থীর প্রাপ্ত শিক্ষার মাণ সরকার স্বীকৃত কোনো পদ্ধতিতে যাচাইয়ের সুযোগ না থাকলেও তাদের প্রধান তিনটি মৌলিক চাহিদাই পুরণ করছে ক্বাওমী মাদ্রাসার পরিচালকেরা। ক্বাওমী মাদ্রাসা এবং আলীয়া মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় সমান, সুতরাং বলা যায় বাংলাদেশের পরিস্থিতিতে তীব্র অসহনীয় দারিদ্রে যেখানে পরিবার ত্যাগ করে পালিয়ে যায় পুরুষ, যেখানে একজন নারীকে শিশু সন্তান এবং নিজেকে লালন পালনের দায়ভার বহন করতে হয় এবং বাংলাদেশে সম্মানজনক জীবিকার অনুপস্থিতিতে স্বামীপরিত্যাক্ত এইসব নারীদের শিশুদের মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব ক্বাওমী মাদ্রাসাই গ্রহন করছে। বাংলাদেশের প্রতি ৮টি শিশুর একজনের জীবনের সকল মৌলিক চাহিদা পুরণের দায়িত্ব গ্রহন করেছে তারা। এমন বৈপ্লবিক অবদানের কোনো স্বীকৃতি নেই।

পোস্টটি ৭ জন ব্লগার পছন্দ করেছেন

আরাফাত শান্ত's picture


মাদ্রাসায় না পড়লে বা নিজের সন্তানকে না পড়ালেও মাদ্রাসা সিমপেথাইজারদের অভাব নাই দেশে, সবাই চায় বেহেশতে যেতে আর কালো টাকা সাদা করে দানবীর হতে!

তানবীরা's picture


সবাই চায় বেহেশতে যেতে আর কালো টাকা সাদা করে দানবীর হতে!

নিজের বাচচা পড়ায় ইংলিশ মিডিয়ামে আর গরীবের বাচচা পড়বে মাদ্রাসায়। নিজের বাচচা যাবে ফরেন আর গরীবের বাচচা যাবে রাসতায় সেলফ সুইসাইড বোমা খাইতে। অনেক আগে মুকতমনা্য এটা নিয়ে লিখেছিলাম ............ দুরনীতি বাড়ার সাথে সাথে পাপ পূণ্যের দু:শচিনতাও বাড়ছে আর সাথে বাড়ছে এই হিজাব, দাড়ি, মেহেদী আর মাদ্রাসা

মন্তব্য করুন

(আপনার প্রদান কৃত তথ্য কখনোই প্রকাশ করা হবেনা অথবা অন্য কোন মাধ্যমে শেয়ার করা হবেনা।)
ইমোটিকন
:):D:bigsmile:;):p:O:|:(:~:((8):steve:J):glasses::party::love:
  • Web page addresses and e-mail addresses turn into links automatically.
  • Allowed HTML tags: <a> <em> <strong> <cite> <code> <ul> <ol> <li> <dl> <dt> <dd> <img> <b> <u> <i> <br /> <p> <blockquote>
  • Lines and paragraphs break automatically.
  • Textual smileys will be replaced with graphical ones.

পোস্ট সাজাতে বাড়তি সুবিধাদি - ফর্মেটিং অপশন।

CAPTCHA
This question is for testing whether you are a human visitor and to prevent automated spam submissions.

বন্ধুর কথা

রাসেল's picture

নিজের সম্পর্কে

আপাতত বলবার মতো কিছু নাই,